Archive - ব্লগ

April 12th, 2011

অনুবাদ: টুকুন গল্প ।১৩।

শুভাশীষ দাশ এর ছবি
লিখেছেন শুভাশীষ দাশ (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১১ - ১০:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভবঘুরে
চেস্টার হাইমস্‌

উষ্ণ ও পরিষ্কার মধ্যরাত্রি। পূর্ণিমার চাঁদ সাইন নদীর সৌন্দর্যকে আরো স্পষ্ট করে। ওয়াইন সহকারে রাতের খাবার শেষের পর এক আমেরিকান সিগার টানতে টানতে নদীর পারে হাঁটতে থাকে। আশেপাশের ছায়ায় যুগলেরা ব্যস্ত। রাস্তার ওপর ক্যাম্পার গাড়িগুলো চুপচাপ ঘুমিয়ে। হঠাৎ করে একটা সাহায্যের আর্তি সুনসান পরিবেশকে নষ্ট করে। ছেঁড়া কাপড় পরা ত্রস্ত সন্ত্রস্ত একজন ভবঘুরে চ্যানেলের পানিতে ডুবতে থাকা একটা ছোট্ট কুকুরের দিকে আঙুল তাক করে- ‘আমার বেচারা কুকুরটা ডুবে যাচ্ছে, অথচ আমি সাঁতার জানি না’।


পাঁচপ্রস্থ টুকরো কবিতা

সৈয়দ আফসার এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ আফসার (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১১ - ৭:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দায়
একই ছাদের নিচে বসবাস। তবুও নেই সহাবস্থান। লোক দেখানো ভালোবাসা। সে-ও তো ছায়ার মত নীরব, নাটক বলা যাবে না, যেন জীবন্ত অভিনয়!... কী অদ্ভূদ প্রজাতি দু’জন। সম্পর্ক আছে, যে সম্পর্ক ঠিকে থাকাই আত্মসম্মানবোধ—

যেন একা, একাই ছুটছে নিজেদের দায়

প্রতিদিন


ব্লগর ব্লগর

ফকির লালন এর ছবি
লিখেছেন ফকির লালন (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১১ - ৫:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের বাস স্বপ্নের দুপারে, দেখা নাই, কথা নাই, শুধু কাটা ঘুড়ির মতো অচেনা, অজানায় উদ্দেশ্যহীন ভেসে বেড়ানো - গন্তব্যহীন, নিরুদ্দেশ যাত্রা।

কাঠফাটা রোদে একটা পাখি টানা ডেকে চলে, কাকে ডাকে সে? আমাদের সেই নিমগাছটা ভালো আছেতো?

স্মৃতিরা কেন সাদাকালো হয়, রঙিন হতে তাদের কে মানা করে? আজকাল কোনকিছুই ধারাবাহিক মনে পরেনা, কোন ফ্লাশব্যাক নেই, শুধু এক একটা মুহূর্ত ঘাই দেয় হঠাৎ।


আবার বিবাগিনীর অনুকাব্য (১)

বিবাগিনী এর ছবি
লিখেছেন বিবাগিনী (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১১ - ৩:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

..:: এক ::..

তারায় তারায় খুঁজতে থাকি
এই একটা এতটুকুন একরত্তি ছোট্ট ছেলে।
রাতের বেলা চুপিচুপি কেন গেলি কোথায় গেলি মাকে ফেলে?

..:: দুই ::..

দাওতো ওকে আরেকটিবার নিয়ে নেই বুকে
দাওতো ওকে আরেকটিবার দেই আদর।
ছোট্ট কপালে আরেকটিবার টিপ দিয়ে দেই
সরাওতো ওই ভীষণ ঠাণ্ডা সাদা চাদর!

..:: তিন ::..

সারি সারি মাটির ঢিবি;
তারই একটা আজ থেকে তোর ঘর।
নিয়ে যা আমাকে ভয় পাবি একা!


নিজ পরিচয়ে সচলে নিবন্ধন করলাম। লেখালেখি কবিতা দিয়েই শুরু হোক।

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১১ - ১২:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নিজ পরিচয়ে সচলে নিবন্ধন করলাম। লেখালেখি কবিতা দিয়েই শুরু হোক।

পৃথিবী প্রসবের গান

যিশু মহমমদ

০১.
গন্তব্যের কথায় প্রায় প্রতিটি জুতাই সন্দেহ প্রবণ। আর আমরা যারা হাঁটতে শিখেছি, পায়ে
ডানা লাগিয়েছি হাঁটতে, তাঁরা কেউই রজনীর ভিতর খয়েরি আভিশাপের জানালাটা ছুঁই নি।
আমরা কেউই পার হতে পারিনি ধূর্ত কালোজামের ঠাট্টা। ছোটবেলার গন্ধের ভেতর ঝাঁক ঝাঁক


রবীন্দ্রনাথ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১১ - ১২:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অমিতাভ দেব চৌধুরী

বহুদিন পরে আমার ঘরের কোণে
আকাশের ঝারি বৃষ্টি তো অকারণে
নামলো এবং মেললো ঘরেতে পাখা
শেষে দেখি ঘর, ভুলে তার আংরাখা,

উড়ে যেতে চায় আকাশের মেঘলোকে...
চিৎকার করি ৷কাঁপি সে ঘরের শোকে
বলি, আয় আয়, পৃথিবীর ছবি তুই
আকাশ তো তোর মাটি নয়,শুধু মই ৷

মেঘলোকে এক দর্পণ রাখা আছে
তবু তারও বড় দর্পণ এই ঘাসে
শিশিরবিন্দু হয়ে কাঁপে থরোথরো
সেই দর্পণে নিজের মুখটি পড়ো ৷


অনামা পোস্ট ও মন্তব্য সচলে প্রকাশিত হবে না

সন্দেশ এর ছবি
লিখেছেন সন্দেশ (তারিখ: সোম, ১১/০৪/২০১১ - ১০:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রিয় সচল, অতিথি ও পাঠকবৃন্দ,

যদিও সচলায়তনের যাবতীয় সুযোগ এর পূর্ণ ও অতিথি সদস্যদের জন্যে নিবেদিত, আলোচনার বিস্তার ও মিথষ্ক্রিয়ার বৈচিত্র্যের কথা ভেবে আমরা সচলায়তনের দীর্ঘ পরিক্রমায় বরাবরই অসদস্যদের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করেছি। এর ধারাবাহিকতায় আমরা অসদস্যদের জন্যে "অতিথি লেখক" নামে একটি উন্মুক্ত অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছি, এবং কোনো ধরনের নিবন্ধন ছাড়াই সচলে মন্তব্যের সুযোগ রেখেছি।


নিজের খোমা দেখে নিজেই মুগ্ধ!

মণিকা রশিদ এর ছবি
লিখেছেন মণিকা রশিদ (তারিখ: সোম, ১১/০৪/২০১১ - ৮:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


April 11th

সকালবেলার গান

উজানগাঁ এর ছবি
লিখেছেন উজানগাঁ (তারিখ: সোম, ১১/০৪/২০১১ - ৩:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকালে ঘুম ভেঙ্গে প্রতিদিন শুনি 'আমরা ‌করবো জয়‌’
হারমোনিয়ামের রিডে তার আঙুলগুলো কিছুটা ত্রস্ত-বিষাদমাখা
অনেকটা বহুদূর ঘুরে আসা
ঘোড়ার ক্ষুরধ্বনির মতো ক্লান্ত--নুয়েপড়া

সারাটাদিন গানের ভেতরকার করুণ সুরখানি আমাকে নাড়াতে থাকে


১০১টা ছবির গল্প-ছয়, সারি নদী

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: সোম, ১১/০৪/২০১১ - ২:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই কতকাল আগের কথা। সেই সময় হিমালয়ের পাদদেশে ছিলো সবুজ সুন্দর এক রাজ্য। নাম জৈন্তা। সেই রাজ্যে রাজা ছিলো, রানি ছিলো, আর ছিলো প্রজা। তবে অন্য দেশের চাইতে এর পার্থক্য ছিলো যে এই রাজ্যের অধিকর্তারা ছিলেন মেয়ে। বংশানুক্রমে মেয়েশাসিত সেই রাজ্যে এবার আসীন হলেন প্রমিলা।