Archive - ব্লগ

April 11th, 2011

পোলাটার সখ বড় পিরীতে

খন্দকার আলমগীর হোসেন এর ছবি
লিখেছেন খন্দকার আলমগীর হোসেন [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১১/০৪/২০১১ - ১০:০৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পোলাটার সখ বড় পিরীতে,
তাই থাকে করিডোরে সিঁড়িতে,
মেয়েদের পিছু পিছু ফিরিতে,
কোনভাবে কারো কাছে ভিড়িতে।

একদিন ধ্যান ছিল চলাতে,
কাব্যিক কিছু কথা বলাতে,
পার্শ্বের মেয়েটারে গলাতে।

ডান পা’টা হড়কালো কলাতে,
পড়ে গেলো নীচকার জলাতে,
এই বুঝি যায় ডুবে তলাতে।

মাইয়াটা কেঁদে ওঠে ডুকরে.
যেনো তার কলিজের টুকরে,
তার প্রতি ছিলো উৎসুক রে,
সেই ঘোরে পেলো ব্যথাটুক রে,
-অপরাধবোধ খায় ঠুকরে।


১৯৭১

মেহবুবা জুবায়ের এর ছবি
লিখেছেন মেহবুবা জুবায়ের [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১১/০৪/২০১১ - ৩:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অক্টোবরের ২৪ তারিখে আমার বাবা মারা গেলেন, সেদিনই স্বপ্নে আব্বাকে দেখলাম। সেই একাত্তরের সব ঘটনায়। সেগুলি এত স্পষ্ট, এত জীবন্ত যে, চোখ খুলে অনেকটা সময় লেগেছে বাস্তবে ফিরে আসতে। সে রাতে নির্ঘুম চোখে ফিরে গিয়েছিলাম সেই দিনগুলিতে। আমি নিজেও জানতাম না আমার এতো কথা মনে আছে। আমি কখনো সেইভাবে মনে করে দেখিনি একাত্তরের সেই সময়টাকে।


April 10th

হারানো সুর

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১০/০৪/২০১১ - ৫:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অমিতাভ দেব চৌধুরী

আমার ভিতরে ছিল সুর,
আমি সেই সুর তোমাকে দিয়েছি ৷
তারপর থেকে ধু ধু সুরশূন্যতার পথেপথে
উটপাখিটির মতো ঘুরেছি কেবল ৷

ওদিকে আমার সেই সুর ততদিনে যেন
বাতাসে শিমুলতুলো, পেরিয়ে সকল কাঁটাতার,
সনাতন বাউলের হৃদয়-দুপুরে
হয়েছে উদাস ফেরিওলা

যতদিন তুমি ছিলে,
গানের চেয়েও বড় হয়েছিলে তুমি ৷
আজ তুমি অন্য দেশ,
হারানো সুরের খোঁজে পথ হাঁটি আমি ৷


মিল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১০/০৪/২০১১ - ৪:৫১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তার সঙ্গে আমার অনেক মিল ছিলো।


একটি নিরেট সাদাকালো ভ্রমণ

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ১০/০৪/২০১১ - ৩:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জায়গাটা অচেনা। কিন্তু মানুষগুলো চেনা। অচেনা জায়গায় চেনা মানুষের মিশ্র সমাহার। কেন ওখানে সমবেত হয়েছে সবাই প্রশ্ন জাগেনি মনে। শহর থেকে অনেক দূরের একটা জায়গা। পাহাড়ী এলাকা। নদী কিংবা লেক আছে। আছে লঞ্চের মতো ছোট নৌযান।


নাগরিক

শুভাশীষ দাশ এর ছবি
লিখেছেন শুভাশীষ দাশ (তারিখ: রবি, ১০/০৪/২০১১ - ১২:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]এক একটা দিন কিভাবে কিভাবে যেন পেরিয়ে যায়। টুকটাক বসে থাকি, শুয়ে থাকি কিংবা লেবু চা বানিয়ে নিয়ে এসে রেলিং এর কাছে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই বারান্দার রোদ বদলে যায়। রাত হয়ে আসে। লাইব্রেরি থেকে মাঝে মধ্যে বই নিয়ে আসি। বই পড়তে খুব একটা ভালো লাগে না, বই এড়িয়ে চুপচাপ সময় কাটিয়ে দেয়া বরং বেশি পছন্দের। বারান্দা থেকে এসে বিছানায় গা এলাই। মাথার কাছে বইটা নাড়াচাড়া করি। দা গার্ল ইন দা পিকচার। দক্ষিণ ভিয়েত


আওয়ামী লীগের সেকুলারতলে

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব বর্ণন (তারিখ: রবি, ১০/০৪/২০১১ - ৩:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুসলমানের অধিকার আছে তার ধর্মকর্ম পালনের। তেমন হিন্দুর আছে অধিকার তার নিজের ধর্ম পালনের। আহমদিয়াদেরও সে অধিকার সমানই আছে। হিন্দু বা মুসলমানের চাইতে কম নাই। কিন্তু বাউলের কি হবে? তার কি এক ওয়াক্ত নামাজ পড়ার অধিকার নাই? নামাজ পড়ার অধিকার মুসলমানের আছে মানে কি নামাজ পড়ার অধিকার খালি মুসলমানেরই আছে?


ছবি প্রতিযোগিতাঃ চোরের দশদিন আর সাধুর একদিন

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি
লিখেছেন অনুপম ত্রিবেদি (তারিখ: রবি, ১০/০৪/২০১১ - ১:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সামাজিক যোগেযোগের সাইট ফেবুকের মাধ্যমে একটি ফটোগ্রাফি কন্টেস্টের আয়োজন করেছে FContest নামক একটি প্রতিষ্ঠান যা ২০১০-এ ফটো কন্টেস্টের জন্যই প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান প্রতিযোগিতার বিষয় হলো - "Where I live" ।


কার্বন যুগ : অধ্যায় ১

ফারুক হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফারুক হাসান (তারিখ: শনি, ০৯/০৪/২০১১ - ৭:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অর্ধেক দেবতা আর অর্ধেক মানুষ প্রমিথিউস বুঝতে পেরেছিলেন যে আগুন পেলে মানুষের অনেক উপকার হয়। তাই তিনি দেবতাদের দখল থেকে আগুনকে মুক্ত করলেন। আর এতে ক্রুদ্ধ্ব হলেন জিউস। আগুন চুরির অপরাধে প্রমিথিউসকে দিলেন এক অতুলনীয় নিষ্ঠুর শাস্তি। সবচেয়ে উঁচু পর্বতশৃঙ্গে শৃংখলাবদ্ধ হলেন প্রমিথিউস। প্রতিদিন শকুন এসে তার কলিজা ছিড়ে খায়, রাতে সেই ক্ষত সেরে যায়, এবং এভাবেই চলতে থাকে, অনন্তকাল।
====================================================


আমার চোখে কবির সুমেঘ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৯/০৪/২০১১ - ৭:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার চোখে কবির সুমেঘ

‘প্রতিদিন’ সংবাদ পত্রের পাতা চায়ের কাপ হাতে বেতালার মতো উল্টে চলেছি।রেডিওতে নিজের পছন্দের ষ্টেশনের মেগা হার্তজ্‌ খুঁজতে গিয়ে যে ক্যাঁচক্যাঁচ আওয়াজের সম্মুখিন হতে হয় আজ সকালে সংবাদপত্রের পাতা উল্টাতে উল্টাতে সেরকমই শব্দ খরমর খরমর করে আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল লোভনীয় পপ্‌কর্ণের দিকে আর সাথে অদ্ভুত কাগুজে গন্ধের আবহ!এই পপ্‌কর্ণ মেলা বা শপিং কমপ্লেক্সের কাঁচের বাক্সের মধ্যে নজর কাড়া বিশেষ মুখরোচক খাদ্য নয়।