সাঁই, ত্রিশটি বঙ্গাব্দ জীবনের গ্লানি টেনে-টুনে
কীভাবে যে হারিয়ে গেল! একত্রিশে এসে তোমার
কাছে এই প্রশ্ন— এত ঋতু চোখের সামনে গেল
বর্ষা-বসন্ত এলো, একটুও বদলাইনি আমি…
যেমন বদলায়নি হ্যান্ডসাম-রুচি, অপেক্ষাবাগান
কেন যে আমি সেই আমারই মতন!
তোমার তুলনা কেবলি তুমি— যায় দিকে আয়নাও
ফিরে-ফিরে তাকায়। পিছে কেবল একজন দোটানায়
তেটানায় ভাবে ১৪১৭ বঙ্গাব্দ শেষমুহূর্তভাবনা…
সবাইকে নববর্ষের বালতি বালতি শুভেচ্ছা! আজ সবারই ফূর্তির দিন, ঝাকানাকা-কিংকু-বদরু কেন একে অন্যকে তাড়া করে বেড়াবে?

মূল শিরোনাম:
বাউল নিপীড়ন, শহুরে বাবু সংস্কৃতি ও তার বিরুদ্ধে লালনের লড়াইয়ের আকাঙ্ক্ষা...
রচনাকার: যিশু মহমমদ
০১.
‘না জেনে মজো না পিরীতে
জেনে শুনে করো পিরীত
শেষ ভালো দাঁড়ায় যাতে’
শিরোনাম:: 'দহনাহ্বান'
মনন:: স্মৃতিচর।
কালো পিচের প্রশস্ত পথ
ছড়ায় বিষণ্নতা শতাব্দীকাল;
হলুদ দুপুর গড়িয়ে গোধুলিবেলা,
হেঁটে চলেছি পদছাপ ফেলে রেখে পিছনে,
কোনো আড়ষ্টতা ছোঁয়নি আমায়;
আকাশে সফেন মেঘ জমেছে,
নীল বেদনায় ভারী এপাশ ওপাশ,
তবু হেঁটে চলেছি অদেখা দিগন্তে,
ছুঁয়ে দিতে বছরের শেষ অস্তাচল!
হাতে ছোঁয়া রক্তিম রঙ ছড়ায় কোমল অনুরাগ;
পৃথিবীকে দেবার কী থাকে আর-
অশীতিপর বৃদ্ধ যখন অভুক্ত শরীর নিয়ে ঘর্মাক্ত দেহে রিক্সায় প্যাডেল মারে,
তখন প্যাসেঞ্জারের সিটে বসে প্রিয়ার সাথে নির্জনতার সুযোগ নিতে নিতে ভাবি;
ভালোই তো আছি।
রাস্তার পাশে ধূলোধূসর দেহে যখন অভুক্ত মা তার শিশুকে নিয়ে ভিক্ষা করে,
তখন চোখটাকে রঙিন কাঁচ দিয়ে আড়াল করে, দুটি টাকা ছুড়ে দিয়ে মহত্বের বুলি আউরে ভাবি;
ভালোই তো আছি।
গভীর রাতে যখন অজস্র কিশোরীর সম্ভ্রম বিকোয় একমুঠো ভাতের দামে,

বইটা শেষ করার পর পপীপ আমাকে বলল, 'কী-ই? কেমন মনে হয়?'
আমি হাসি। জোরালো হাসি নয়, হালকা হাসি।
পপীপ জোর করে কথা আদায় করতে চায়। 'হাসলে হবে না, তোমাকে বলতে হবে।'
একজন আলি কেননের উত্থান পতন-আহমদ ছফা
আসরাফ
দে তোর বাপরে একটা ট্যাহা।
ভিখিরিরা সাধারনত ভক্ষাদাতাকেই বাবা বলে ডাকে। আলি কেনানা দাবি ছেঢ়ে বসলো সম্পূর্ণ উল্টো। অর্থাৎ সে ভিক্ষাদাতার বাবা এবং একটা টাকা তাকে এখখুনি দিয়ে দিতে হবে। একেবারে যাকে বলে কড়া নির্দেশ। এই চাওয়ার মধ্যে রিতিমতো একটা চমক আছে।
আমার কেন জানি মনে হ্য় আমরা ভয় পেতে ভালোবাসি। জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা ভয় পাই, কারনে অকারনে ভয় পাই, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভাবে ভয় পাই। কোন অচেনাকে দেখলে ভয় পাই আবার মাঝে মাঝে চেনাকে দেখেও ভয় পাই। আমরা অসুন্দরকে দেখে ভয় পাই আবার সুন্দরকে দেখে অসুন্দরকে অনুভব করে ভয় পাই। আমরা অন্ধকারকে ভয় পাই আবার আলোকে দেখে আলোর ভিতর অন্ধ হয়ে যাবার ভয় পাই। আমরা হেরে যেতে ভয় পাই আবার জয়ী হয়ে হেরে যাবার