Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

নারী

ধর্ষণ: কী এবং কেনো? একটি মনোবৈজ্ঞানিক আলোচনা

আশরাফ মাহমুদ এর ছবি
লিখেছেন আশরাফ মাহমুদ (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১৬ - ৭:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সর্তকীকরণ: বড়দের লেখা।

বাঙালি পুরুষ, বিশেষ করে বাঙালি মুসলিম পুরুষ হচ্ছে পৃথিবীর নবম আশ্চর্য, যাদের অধিকাংশের চরিত্র ধর্ষকামী, তাদের ধর্ম আছে, নৈতিকতা নেই, তাদের স্ত্রী থাকে, প্রেমিকা থাকে কিন্তু সহযাত্রী বা জীবনসঙ্গী থাকে না, তারা নেতার মতো হুঙ্কার ছাড়তে ভালোবাসে, অথচ তারা প্রকৃতবিচারে চামচার মতো তোষামোদী। তারা মনে করে একটি মেয়েকে বিয়ে করা মানে তাকে সম্পদে পরিণত করা, একটি সম্পর্ককে সম্পদে পরিণত যায়, একটি মানুষকে নয়, বাঙালি মুসলিম পুরুষ এটি জানে না।


ডেনীয় প্রণরেনী

আশরাফ মাহমুদ এর ছবি
লিখেছেন আশরাফ মাহমুদ (তারিখ: শনি, ১৯/০৩/২০১৬ - ৯:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]


তার সাথে কথাসন্ধি The Danish Girl চলচ্চিত্রটির প্রসঙ্গ ধরে অথবা আমাদের দুজনেরই পছন্দ এডি রেডমেইনের (Eddie Redmayne) অভিনয়। এডির সাথে আমার পরিচয় The Theory of Everything এর মাধ্যমে- হকিঙের বিভিন্ন লেখা ও আত্মকথা পড়ে তার জীবনকে আমি যেভাবে কল্পনা করে নিয়েছিলিম সেটি ফুটিয়ে তুলেছিলো এডি চমৎকারভাবে; এমনকি হকিং অনেক সাক্ষাৎকারে এডির প্রসংশা করেছে তাকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করেছে বলে।


ওম্যান সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট বা তাহারুশ

শামীম রুনা এর ছবি
লিখেছেন শামীম রুনা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১১/০৩/২০১৬ - ১০:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার ইনবক্সে একজন একটি লিংক পাঠিয়েছে।“ভয়ংকর ধর্ষণ খেলায় মেতেছে আরব থেকে ইউরোপ”। যে পাঠিয়েছে যে, সে খুবই ভীত, সন্ত্রস্ত, এখন কী হবে ভাবনায়। পুরনো বাসী খবর। এই খেলার জের চলছে এখন জার্মানিতে। থার্টি ফার্স্ট নাইটে হাজার খানেক(সম্ভবত)আরব যে তাহারুশ খেলেছে তার দাম দিতে হচ্ছে হাজার হাজার আরব রিফ্যুজিকে দেশে ফেরত গিয়ে। আমি তাকে বলি, এই খেলা কি আমার দেশের কাছে নতুন?


রোগ /অপরাধ/রোগী/ অপরাধী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৭/০৩/২০১৬ - ১০:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকালে ঘুম ভেঙ্গেই বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ি, যেন ফাইনালে উঠা বাংলাদেশকে নিয়ে চিৎকার করতে পারি। টেলিভিশন ছেড়ে ,ওমা একি, বৃষ্টির কারণে ম্যাচ প্যাচে পড়ে আছে। টেলিভিশন চালু রেখে ভাবলাম, খেলার খবর দেখার ফাঁকে রান্নাটা সেরে ফেলি। কিছুক্ষণ পর দেখি আমার ছেলে চ্যানেল ঘুরিয়ে দিয়েছে। আমি রান্না ঘর থেকে এসে আবার খেলার চ্যানেল নিয়ে আসি। আর আমার ছেলে "শেইপ" বলে বলে নাঁকা কান্না করছে। কি করি?


আন্ডার কন্সট্রাকশন- দর্শকের ফ্রাসট্রেশন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৭/০১/২০১৬ - ২:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিতর্কটা বহুদিনের। নাচ গান থাকলেই সেটা ভালো সিনেমার সীমানার বাইরে। আবার নাচ গান না থাকলে সেটি ভালো ছবি। বা এমনও বলা হয়ে থাকে, জীবনমুখী সিনেমার রঙটা একটু ফিকে হতেই পারে। প্রশ্ন উঠতে পারে, জীবনমুখী গল্প মানেই কী ধুসর? কারও জীবনে কী রংধনুর সাত রং নেই?


এলিস ওয়াকার এবং 'দ্যা কালার পারপল"

নাবিলা এর ছবি
লিখেছেন নাবিলা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৯/০১/২০১৬ - ৪:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি একটি অনলাইন লাইব্রেরীর সদস্য। সেখানে ঘুরতে ঘুরতে একদিন চোখে পড়লো একজন ফেরত দিয়ে গেছেন এলিস ওয়াকারের লেখা 'দ্য কালার পারপল'। বিবরণ দেখতেই বেরিয়ে এলো এটি ১৯৮৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত। ২০১৫ তে একটি রিডিং উইশলিস্ট ফলো করছিলাম, তাতে পুলিৎজার পুরষ্কার প্রাপ্ত একটি বই পড়বার কথা আছে। এটিই কি পড়বো? ঠিক করার আগে গুডরিডসে ঢুঁ মেরে আসা যাক, দেখি পড়ুয়া বন্ধুরা কে কী বলছেন। গুডরিডসে ঢুকে দেখি বন্ধুদের কোনও বক্তব্য নেই তবে সাড়ে তিনলাখেরও বেশি গুডরিডস সদস্য বইখানা পড়ে ফেলেছেন। ঠিক করে ফেললাম এটিই পড়বো, ঝটপট লাইব্রেরী থেকে নামিয়ে নিলাম, অন্য কেউ নিয়ে নেবার আগেই।


বৈশাখ ১৪২২ এর সন্ধ্যা ও ভুলতে চাওয়া স্মৃতি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৫/০৮/২০১৫ - ১:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পহেলা বৈশাখের (১৪২২) দুইদিন আগের ঘটনা। আমরা বান্ধবীরা মিলে ফোনে কথা বলে ঠিক করলাম অনেকদিন যেহেতু দেখা হয়না, তাই এবার পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে দেখা করব। এও ঠিক করলাম সবাই শাড়ি পড়ব- অনেক উজ্জ্বল রঙের শাড়ি- লাল, কমলা, নীল। এই প্রথম বন্ধু-বান্ধবীর সাথে টিএসসি ও চারুকলায় ঘুরতে যাওয়া পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে। এজন্য জল্পনা-কল্পনারও কমতি ছিলনা। এর আগে অবশ্য যাওয়া হয়েছে, কিন্তু পরিবারের সাথে।


পশুর গর্জন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২২/০৭/২০১৫ - ১০:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চৈতির মনে আজ দারুন আনন্দ। জীবনে প্রথমবারের মত স্বাধীনতার স্বাধ পেতে যাচ্ছে। ছোট বেলা থেকে হয় বাবা নয় বড়ভাই এই দুইজনের শাসনে কিছুই করতে পারে নি। স্কুলে পিকনিক হচ্ছে সবাই যাচ্ছে, শুধু চৈতি যাচ্ছে না। কারন বাবা বলেছে যাওয়ার দরকার নেই, নিরাপত্তা ভালো না। বড় হও তখন যেও। তারপর চৈতি বড় হল, কলেজে ভর্তি হল কিন্ত কোন কিছু পরিবর্তন হল না। প্রতিদিন কলেজে যাওয়ার সময় বাবা নামিয়ে দিত আর বিকেলে কলেজ শেষে ভাইয়া বা


বিবাহ ! বন্ধন নাকি নারীর দাসত্ব !

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০২/০৭/২০১৫ - ১২:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের সমাজে "বিবাহ" জিনিসটা আসলে কি ?


পার্থক্য শুধু ১ ইঞ্চি!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৬/২০১৫ - ১:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কখনও কোথাও কিছু লিখিনি , এই প্রথম এমন জায়গায় লিখবার জন্য বসলাম , ভাবিনি নিজের কথা কোথাও এইভাবে লিখতে হবে। শুরুতেই যেহেতু অনভিজ্ঞ তাই দোষত্রুটি থাকলে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি হয়ত সব গুছিয়ে বলতে পারব না।

অনেকখানি সাহস সঞ্চয় করে অনেকটা রাগ আর জেদের বসে কীবোর্ডের সামনে বসা এই ভেবে যে হয়ত আমি-ই শুধু এই অবস্থার শিকার নই।