Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সাহিত্য

রুপকথানুগল্প - 'সিন্ডারেলার জুতো', আর 'সুয়োরানীর ইন্টারভিউ'

সো এর ছবি
লিখেছেন সো [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৭/০৭/২০১৫ - ৩:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সিন্ডারেলার জুতো

যার পায়ে জুতোখানা লাগবে সেই হবে রাজকুমারী, বলল বাদকটি।
শ’য়ে শ’য়ে মেয়েরা ছুটল রাজপ্রাসাদের দিকে।


কাবেরী একটি নদীর নাম

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: রবি, ১২/০৭/২০১৫ - ১:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক চোট বৃষ্টির পর বালিপথে ফুটে উঠল হঠাৎ তোমার নাম
তারপর মাধবী ফুলের গন্ধ সারাটা সন্ধ্যা,
আহা, সুঘ্রাণ!
তখন পড়ি পল ভের্লেন,
কোথাও বাজে একটা বাগেশ্রীর আলাপ......
তখন মনে পড়ে মথুরার দিনগুলি,
=অ=লি=গ=লি=
আর মুরলী মোহন
কে যেন অলখে
সমগ্র আকাশে
এক সাথে জ্বালিয়ে দেয় নিযুত বাতি
বাতাসে ফুলের গন্ধ, রাত্রির আকাশে জ্বলে তোমার নাম।


ভালোবাসা!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২২/০৬/২০১৫ - ১:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্যার অনন্ত জলিলের ক্ষত বিক্ষত হৃদয় প্রশ্ন করে, What is Love?


বাবাকে খুঁজে ফেরার গল্প : হঠাৎ বাবার পঁচিশ পাতায়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০৬/২০১৫ - ১০:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শহর জুড়ে রাত্রি আসে নিয়নে
চাঁদের চিঠি ভুল ঘরে দেয় পিয়নে

অনেক দূরে কমলাপুরে ট্রেনের বাঁশি
বাস ডিপোতে বৃদ্ধ বাসের হঠাৎ কাশি

নিঝুম শহর কারফিউ দেয় পাহারা
শহরটা কি মরুভূমি সাহারা?

ছোট্ট খোকা স্বপ্ন বোনে কোন খেয়ালে
কি যেন কি হচ্ছে লেখা দেয়ালে

ঘুমায় তারা প্রাণের সাড়া বিহনে
মরণ কাঠি শরীর ছোঁয়াও জিয়নে।


পাখিদের সুখদুখের কথা

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০৬/২০১৫ - ৩:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আমাদের মতো পাখির মনেও অনেক আনন্দ। আবার কিছু দুঃখও আছে পাখির মনে। মানুষের হাতে পাখি কষ্ট পায়। অনেক সময় না জেনেই মানুষ পাখির ক্ষতি করে। তবে পাখি মানুষের বহু উপকার করে। বীজ ছড়িয়ে পাখি বন বানায়। পোকা খেয়ে এরা গাছপালা ও ফসল বাঁচায়। বর্জ্য খেয়েও দেশটাকে সাফ রাখে। তাই আমার কোনও পাখির কষ্ট দেইনে। আমরা পাখির মঙ্গল চাই। আমরা বনের পাখিকে খাঁচায় ভরি না। পাখির ডিম ও ছানা নষ্ট করি না। পাখি কখনও শিকার করি না। বুনো পারি মাংস খাই না। পাখি দেখেই আমাদের অনেক আনন্দ। পাখির ছবি তুলে তো আরও মজা। পাখির গান শুনে আমরা খুশি হই। মুক্ত পাখি উড়তে দেখে আমাদের মন ভরে যায়।


মাহবুব আজাদের গল্পের সম কিংবা অসমসাময়িকতা

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর (তারিখ: সোম, ০৮/০৬/২০১৫ - ৩:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাহবুব আজাদ-এর গল্পগ্রন্থ "আশাকর্পূর" এর পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে বসে প্রথমেই আগামী পাঠককে সাবধান করাটা দায়িত্ব মনে করি, যাঁরা ফুল ফল লতা পাতাসমৃদ্ধ গোল গোল ভালো ভালো গল্প পড়তে আগ্রহী, এই বই তাঁদের জন্য না। যাঁরা 'মানী লোকের মান সম্মান' বজায় রেখে সমঝোতা আর শান্তির গল্প পড়তে আগ্রহী, "আশাকর্পূর" তাঁদের জন্যও না। খাদি পাঞ্জাবি আর মোটা চশমায় সাজানো মূর্তির আড়াল থেকে খুঁড়ে আনা সত্য প্রাণীকে দেখে যাঁরা 'সব


সাধুজন । সাধুকথার সন্ধানে - ২

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: মঙ্গল, ১৯/০৫/২০১৫ - ৫:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তিনি কহিলেন-
ওর বৈশিষ্ট্য ওর একাকীত্ব।
সকল কিছুর ভেতরে সে একা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
ও যদি কারও সামনে দাঁড়িয়েও থাকে- তাকে কেউ দেখতে পায় না।
জীবনে ওর বিচলিতভাব প্রকাশ পায় না।
ও জ্ঞানহারা হয় না। সজ্ঞানে থাকে। এই কারণে তাকে আলাদা মনে হয়।
যেমন ধরেন ও আসবে বলে কত কথা হচ্ছে।
ওর বসার জায়গা আছে।
ও আসলো ঠিকই কিন্তু ওর জায়গায় ও বসলো না। ওর স্বভাবই ওরকম।


ইমা(৪)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: সোম, ২০/০৪/২০১৫ - ৪:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গ্রীষ্মের ছুটি ফুরিয়ে গিয়ে একদিন স্কুল খুলে গেল আমাদের। আমি আর রিমা আবার স্কুলে যেতে শুরু করলাম।


টু কিল এ মকিংবার্ড! - হারপার লী

দুষ্ট বালিকা এর ছবি
লিখেছেন দুষ্ট বালিকা (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৪/২০১৫ - ১২:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম অধ্যায়

একবার জেমের বাম হাত কনুই থেকে বেশ বাজেভাবে ভেঙে যায়। জেমের বয়স তখন প্রায় তেরো। অবশ্য কিছুদিন পরেই ও বুঝতে পারলো এই ভাঙা হাত নিয়ে ফুটবল খেলায় কোনও সমস্যা হবে না। আর এটা বোঝা মাত্র এই পুরো ঘটনা কিছুদিনের মধ্যেই ভুলে গেলো জেম। ওর বাম হাতটা অবশ্য ডান হাতের চেয়ে ছোট ছিলো। দাঁড়ানো বা হাঁটতে থাকা অবস্থায় হাতটা শরীরের সঙ্গে অদ্ভুতভাবে বেঁকে থাকতো। এ নিয়ে ওর কিন্তু একটুও মাথাব্যথা ছিলো না। ফুটবল খেলতে সমস্যা নেই, তার মানে কোনোকিছুতেই আর ওর সমস্যা নেই!


লাভার পথে উড়নচণ্ডীরা : পর্ব ২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৩/২০১৫ - ৯:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কফির কাপটা হাতে নিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালাম। শহরের উদ্বাস্তু সব কংক্রিটের মাঝে এমন মলিন সকাল পাওয়াই যায় না। আমার বুদ্ধিজীবি বন্ধুটি খালি গলায় ছেড়ে রবীন্দ্রসংগীত গাইতে পারে। “প্রথম(0) আলোর চরণধ্বনি”র হাল্কা গুনগুনানিটা আমার কানে আসছিল ফিরেফিরে। বারবার মনে হচ্ছিল গানটার সাথে সকালটা কেমন আশ্চর্যভাবে সাত পাকে বাঁধা পরেছে।