প্রথম পর্বঃ ভগবানের নৃসিংহ অবতার এবং শুকরের জ্বর
দ্বিতীয় পর্বঃ শুকরের জ্বর এবং আমাদের অন্তর্গত যোদ্ধারা
[বিধিবদ্ধতাহীন সতর্কীকরণঃ আগের দুটি পর্ব না পড়লে এই পর্বটি ঠিকমতো বুঝতে পারবেন না।
]
বলছিলাম স্পেশাল ফোর্সের কথা। মনে নেই? সেই যে বলেছি আমাদের শরীরে থাকে দুই ধরনের যোদ্ধা। একধরণের যারা "সদাপ্রস্তুত"। আরেক ধরণের যারা "স্পেশাল ফ...
০০।
সেই অনেককাল আগে আমি যখন সচলের খোঁজ় পেলাম সেই সময়ের কথা। পাঠক হিসেবে নিয়মিত ঘুরাঘুরি করি কিন্তু ভয়ে কিছুই লেখা হয় না। এদিক যাই সেদিক যাই। এর, তার, সাবার লেখা পড়ি কিন্তু ঘুরে ঘুরে একটা জিনিসের বেশি খোঁজ করি। আজকাল অবশ্য সেই জিনিসটার তেমন একটা খোঁজ আর সচলে পাওয়া যায় না, বলা যায় বেশ দূষ্প্রাপ্য সেই জিনিস। ব্যাপারটা হল পাল্টাপাল্টি কমেন্ট। সেইদিন ভাব নিয়ে এক নতুন সচল পাঠক বন্ধু ...
চিটাগুড়ে ছিবড়া দিয়া ছাঁকনি বানায়
কোন ঘরামি খুপড়ি সমান ঝুপড়ি ফানায়
ভর-সাধনে মজমা লুটায় আনাল হক
তেরছা টানে দিলের খাঁচায় ধোঁয়ার ধক্
মাইট্টা খোলে দমভরসায় চক্ষুমারে
ফাইট্টা দিলে শুকনা মাঠে গাঙের ধারে
পাইন্যা বাতাস শুকনা হুতাশ ঝিমায় তূষ
আলগা দিনে পাল্গা মনে ফিরায় হুঁশ
সাধুর ঘরে সাধুর বেশে সাধন করে
আয়নাজ্বরে ধূমবরাবর কলব ঝরে

পানির ফোয়ারা মুখ থেকে অনর্গল সাপের মতো ফোটায় ফোটায় পানি ছুটে আসছে। প্রথমে তারা উচ্ছ্বাসে ঝাপটা দিল আমার কপালে, ঈষৎ নিচু করে রাখা মুখে দ্রুত গড়িয়ে নামল তারা, সদলবলে, সোল্লাসে। চোখের পাতা কেঁপে উঠলো কিছুটা, পানিবিন্দুর ভারে আবেশে বুঁজে এলো। পানির রথের সেদিকে খেয়াল নেই, দুর্দান্ত দাপটে সে গাল, চিবুক, ঠোঁট, থুতনি পেরিয়ে গেল অনায়াসেই। ত...
১।
মৃত্যু কি?
আমরা জানি মানুষ মারা গেলে তার জীবন শেষ হয়। কিন্তু ঠিক কি হলে মানুষ 'মারা যায়'?
ব্যাক্কইল্যা প্রশ্ন, ঠিক? উহুঁ, ভাইবা দেখেন। করুম নে সেই বিশ্লেষন আমরা সামনে।
মৃত্যু নিয়ে আরেকটা প্রচলিত ধারনা আছে - মৃত্যু 'ক্ষতিকর'। এটা নিয়ে বহু দার্শনিক আলোচনা হইছে। মারাই যদি গেলাম তাহলে মৃত্যু ক্ষতিকর কিভাবে? তাছাড়া, মৃত্যুর পর ঠিক কি হচ্ছে সেটা তো আমরা একেবারে হাতেনাতে জানি না; মৃত...
তোমার বগলে লোম নেই
তাই স্লিভলেস পড়ে
অহরহ মগজের বকলেস
খুলে দিতে,
চালে ঘি’তে মিলে
দমবন্ধ পড়ে থাকা
শেষ হয় পোলাওয়ের খাই খাই গন্ধে,
কাবাব রেজালা খতমের পর
বেঁচে থাকা সবেধন শ্রেণীশত্রু
মিত্রপক্ষে নিরন্তর হাই ফাইভ করে যায়
লড়ে যায় তথাস্তু প্রাণায়াম ভালোবেসে
সাইকেডেলিক রেশে
জাগতিক জানালার বাড়িঘর
সরাসর
নিয়মিত মেরামতি
যতিচিহ্নে বহমান কালাজ্বর
ডরপুক ঝাড়ফুঁকে লাভক্ষতি
হালখাতা ...
(০১)
ঝনঝন করে মোবাইলটা বেজে ওঠলো অসময়ে। আচমকা গভীর কাচা-ঘুম ভেঙে স্থান-কাল-পাত্র সচেতন হতে হতে কয়েক মুহূর্ত কেটে গেলো। ফোনটা বেজেই চলছে।
সকাল আটটা হয় হয়। শুক্রবার। ‘অফ ডে’-তে নরমালি দেরীতেই বিছানা ছাড়ি। মফস্বলের কর্মময় শাখা-জীবনে ‘অফিস ডে’-তে ভোর ছ’টা বা তারও আগে থেকেই গোটা দিনের ঘড়ি-ধরা যান্ত্রিক রুটিনেই অভ্যস্থ আমরা। ‘ন্যাচার অব জব’টাই এমন যে, তার ব্যত্যয় হওয়ার কোন উপায় নেই, স...
অণুগল্প এক:
ছোট্ট দুই পাখি বসে বসে সুখ দু:খের আলাপে মগ্ন। বাইরে আলোকিত দিনের সুন্দর আকাশ ওদের দিকে চোখ মেলে তাকালো একবার।
- এই সুন্দর দিনেও আমাদের জীবনের প্রতিপদেই বিপদ! বললো প্রথম পাখিটি।
- ঠিক বলেছো! বড় বড় পাখিরা আমাদেরকে খাবার জন্যে ওত পেতে থাকে সারাক্ষণ।
বিষণ্ন স্বরে উত্তর দিল দ্বিতীয় পাখি। তাতে প্রথম পাখির বিষণ্নতা আরো বেশী বেড়ে গেলো।
- মা হারা আমি! মাকে একদিন এক ঈগল ধর...
-খোকা, এই খোকা, সাত সকালে জানালা খুলে রেখেছিস কেন? কতদিন বারণ করেছি হিমে বাইরে যাবিনা। ঠান্ডা লাগবে। কথা শুনিসনা কেন? কবে বড় হবি?
আমার সেকেলে মা। এই চব্বিশ বছরের উঠন্ত যৌবনকেও অনায়াসে কৈশোরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। কখনো কখনো বাইরে যাবার সময় একটু ঝাঁড়ফুঁক, যদি কারো নজর লেগে যায়। অনেকটা বড় হয়েও আমি কপালে কাজলের টিপ পড়তাম। ছেলেরা ক্ষ্যাপাতো, কিরে তোর দুধের বোতল কই? মেয়েগুলো অবশ্য...
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নিগার সুলতানা
গণ্ডার মার্কা সচল পদপ্রার্থী স্বঘোষিত অপূর্ব্বস্তু নির্মাণক্ষমপ্রজ্ঞার অধিকারী উল্লুকাক্রান্ত মামুন হক বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় সচলিত হইয়া নতুন আপিসে ব্যস্ত কর্মদিবস অতিবাহিত করিতেছেন। অদ্য প্রভাতে তাহাকে প্রথমে মাউরিদের ওয়ারহুপ এবং বৃহৎউল্মফন সহযোগে নৃত্যরত অবস্থায় দেখা যায়, পরমুহুর্তেই তিনি ঝাঁকা ভর্তি তারকারাজি লইয়া সচলাঙ্গন...