
১
আজ ভোরে অতিথি হিসেবে সচল হলাম। এখানে (আয়ারল্যান্ডে) তখন রাত তিনটা। কি লিখবো ভাবছিলাম। লক্ষ্য করেছি সবাই প্রথম পোস্ট একটু বিশেষ ভাবেই দিয়ে থাকেন। সচল হবার অনুভুতিটাই অন্যরকম। হোক না অতিথি, নিজের ব্লগ থেকেইতো লিখছি। তাই প্রথম পোস্টটাও একটু অন্যরকম বিশেষ লেখার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু সেই 'বিশেষ' বারবারই একটা গতানুগুতিক ধারার দিকে চলে যাচ্ছিল। যখন প...
যারা পাতা ভালোবাসে
তারা উঠানে ঘাসের চাষ করে
আর যারা দুগ্ধ ভালোবাসে
তারা গাই পোষে
যারা আমিষ ভালোবাসে
তাদের গহীন বনে যাতায়াত
তাদের আলোকাটা কুঠার
কখনো সখনো তারা হরিণ পোষে
হরিণ আমিষ খাদক, পাতা খাদক
সকলেরই প্রিয় খাদ্য!
ইনফ্রারেড // নাজমুস সামস
( সবজান্তাকে)
দুটি মন এক করে দেওয়ার জন্য
এই যে ইনফ্রারেড
চুমু স্হানান্তর করে
তার মন রমে নক্সিকাঁথা বিছিয়ে
বসে আছে শক্তিশালী অন্য অন্তর আবার!
জানি তার আকর্ষণে হারিয়ে যেতে পারে ক্ষীনতনু তোমার
তবুও হৃদয়ে হৃদয় প্লান্ট করতে গিয়ে আমরা
কেবলই মাৎস্যন্যায়ের শৈবাল শিকার হয়ে যাই
অনুবাদ করে যাই দুটি মনের এক না হওয়ার
কোমল দু:খ ভরা গুনাই বিবির গান
অথবা দ...
সুনামগঞ্জ শহরে ঢুকতেই চোখে পড়বে হাসন রাজা তোরণ। সুনামগঞ্জ বলতেই সর্ব প্রথমে আসে হাসন রাজার নাম। সুনামগজ্ঞে হাসন রাজার বাড়িতেই তার নামে মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রপৌত্র সামারীন দেওয়ান। দর্শনার্থী এবং পর্যটকদের কৌতুহল নিবৃত্তকল্পে হাসন রাজার ব্যবহৃত দ্রব্যাদি, বংশলতিকা ও অনান্য তথ্যাদি সম্বলিত দলিলাদি মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে।
হাসন রাজার পুরো নাম [sb]দেওয়ান হাসন রাজা ...
০।
চলেন একটু আগে যাই মানে বেশ কয়েক বছর আগে, ধরুন যখন আমি ফোর বা ফাইভে পড়ি। ঠিক সেই সময় আমাদের বাসায় একটা বই ছিল সবুজ মলাটের, ছুটির ঘন্টা। সুনীল সম্পাদিত সেই বইয়ের কার জানি একটা গল্প ছিল- পড়াশুনা সহজ ব্যাপার নয়। সেই গল্পের প্রধান তিন চরিত্রের মধ্যে দুই জন ছিল দুই ভাই, কাবুল আর টাবুল। পড়াশুনা বাদে হেন কোন দূষ্কর্ম নাই যা তারা করত না। নানা ভাবে জ্বালিয়ে বাসার একশ এক টিউটর কে তাড়ানো কিং...
" বুঝছস, ঐ বইটা আমার কেনার কথা ছিল না। ইনফ্যাক্ট বইটা যে আছে, তেমনটাও জানতাম না, বইমেলায় প্রতিদিন হাজার হাজার বই বাইর হয় , সুতরাং ঐরকম একটা বই থাকা না থাকার খবর আমার জানার কথা না। " রায়হানের ভুমিকা শুনে আমরা হাই তুলি। বিমলের দোকানে গরম তেলে ডালপুরির ছ্যাৎ শব্দটা আমার বেশ লাগে, ডালপুরির আওয়াজের তুলনায় রায়হানের এই আলোচনাটা ...
.
তাঁকে হত্যা করার আগে
একটুও কেঁপে উঠেনি ওদের হৃদয়
কেনো না ওরা তো মানুষ নয়
মানুষ ছিলো না কোনোদিন।
তাঁর ভালোবাসায় উপচে পড়া বুকে
বুলেটের নির্দয় নগ্নতাকে তাক করার আগে
দ্বিধান্বিত হয়নি একবারও তাদের হিংস্র নখর
কারণ, ওরা মানুষ ছিলো না কখনোই
মানুষের কোনো নখর থাকে না,
মানুষের গর্বিত আঙুলে জড়ানো থাকে মোহন স্নিগ্ধতা।
ঘাতকেরা মানুষ হয় না কখনো
ঘাতকের কোনো জাতিসত্তা নেই।
(১৫/০৮/১৯৯৬)
১
এটা আমার আগের লেখার ব্যাপারে কিছু অজুহাত। প্রত্যেকের মন্তব্যে আলাদা করে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছিলাম, ভোর চারটায় ঘুমিয়ে পড়েছি। এখন সকালে দেখি আরো ২১টি বেশ বড়সড় মন্তব্য, চিন্তাভাবনা না করে যেগুলোর উত্তর দেয়া মানে আরো গভীর গর্ত করা। ভাবলাম, কেন আগের পোস্টটা লেখলাম এ ব্যাপারে আরো কিছু চিন্তা দেই। গতকাল রাত্রে এ নিয়ে আরো ভেবেছি।
যা বলছিলাম, সকালে উঠে দেখলাম আরো অনেক কড়া গা...
এক:
২০০৩ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে, বিকেলে বাইরে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হলো। কারণ, এলাকার ফাহিম ভাই (কিংকং না!)। আমাদের এলাকায় একটা বিশাল সাইজের মাঠ ছিল, যেখানে এখানে ওখানে বিভিন্ন খেলাধূলা হতো। সেই মাঠের এক কোণায় বিকেল বেলায় ফাহিম ভাই গীটার নিয়ে বসে পড়তেন, আর এলাকার মেয়েরা- কলেজ পড়ুয়া নীলা আপা থেকে শুরু করে ক্লাস সিক্সের ময়না- সবাই ওনাকে ঘিরে বসতো। ফাহিম ভা...এক:
একটি বিকেল একটি মঞ্চ একটি বিশাল মাঠ
একটি আঙুল একটি স্বপ্ন একটি কবিতা পাঠ
একটি শপথ একটি লক্ষ্য একটি উথাল সাত
একটি আঘাত একটি আদেশ একটি ভয়াল রাত
একটি লড়াই একটি স্লোগান একটি বারুদ-ঘর
একটি শকুন একটি বুলেট একটি ডিসেম্বর
একটি পতাকা একটি স্বদেশ একটি পিতার লাশ
একটি মানুষ একটি জাতির রক্তের ইতিহাস!