Archive

October 14th, 2011

রাজনীতিতে 'ডান্ডাবেড়ি' ও ঘাতক রক্ষার পুনঃ প্রকল্প

হাসান মোরশেদ এর ছবি
লিখেছেন হাসান মোরশেদ (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ২:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চারদলীয় জোটের রোডমার্চ কর্মসূচী সুন্দরভাবে শেষ হলো। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী আশংকা ছিলো- সরকারের পক্ষ থেকে কোন ধরনের বাধা দেয়া হয় কিনা, কেন্দ্রীয় না হোক নিদেনপক্ষে স্থানীয় সরকারদলীয় অতিউৎসাহী কর্মীরা ঝামেলা করলে বড়ধরনের রাজনৈতিক বিশৃংখলার সূচনা হতো। কিন্তু সে রকম কিছু ঘটেনি শেষপর্যন্ত। সরকার পক্ষ থেকে যেমন কোন প্রতিবন্ধকতা আসেনি তেমনি চারদলীয় জোটের আয়োজকরা ও এতো বড় আয়োজনে চমৎকার দক


ত্বকের যত্ন নিন

সুজন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুজন চৌধুরী (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ১২:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

habul

জীবাণু, বৃষ্টি, মশা, গুলি ও অপমানের হাত থেকে রক্ষার জন্যে আপনার ত্বককে যেভাবেই হোক দুইশো দিয়ে গুণ করুন।


আদমচরিত ০৩৬

মুখফোড় এর ছবি
লিখেছেন মুখফোড় (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ৭:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্বর্গে প্রমত্তা জায়হুন নদীর তীরে ঈশ্বর বিরক্তমুখে পায়চারি করিতেছেন। অদূরে আদম উদাস মুখে বসিয়া বসিয়া বাদাম চিবাইতেছে। গিবরিল ঈশ্বরের পিছু পিছু সম্মানজনক দূরত্ব বজায় রাখিয়া ডানা ঝাপটাইয়া বাতাস করিতেছে।

ঈশ্বর অস্ফূটে কহিলেন, "ফেরিঘাটে দাঁড়াইয়া দাঁড়াইয়া ঠ্যাং দুটি ব‌্যথা হইয়া গেল!"

আদম হেঁড়ে গলায় গান ধরিল, "জায়হুন-ঢেউ রে এ এ এ, মোর শূন্য হৃদয় জায়হুন নিয়ে যা, যা রে ...।"


তিতির চোখ

মণিকা রশিদ এর ছবি
লিখেছেন মণিকা রশিদ (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ৪:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

'আশি'র পরে তিতির চোখে আর জ্যোতি ছিলো না।
অথচ, আমরা সেখান থেকেই আলো নিয়ে,
আলো নিয়ে বানিয়েছি সোনার বালিয়াড়ি।
সেখান থেকেই স্বপ্ন নিয়েছি-কেমন দ্যুতিময় ছিল শৈশব!
কাঁপত ভবিষ্যত, তিতির চোখের মত তিরতির-
আর আমরা অবেলায় সানাইয়ে চমকিত
আমপাতার শিরায় লুকিয়ে ফেলতাম গোপন অভিজ্ঞতার সমস্ত আয়না!
মাঝে মধ্যে দুটি একটি অবুঝ মুখ দেখা দিয়ে মেলাত সাবধানে
আমরা ফিরে গিয়ে চৈত্রের ধূলার মাঝে


দুঃসময়ের মুখোমুখি

তাসনীম এর ছবি
লিখেছেন তাসনীম (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ২:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
১.

বিখাউজ বলে একটা রোগ আছে। ঢাকা কলেজের সামনে বিখাউজ রোগের ওষুধ বেচতে দেখেছি। যে কোনো জনবহুল স্থানে ওষুধ বিক্রেতারা এই রোগের ওষুধ বেচেন। সেই থেকে অনুমান করতে পারি যে এই অসুখটা মানুষজনের বেশ হয়। আমিও মাঝে মাঝে বিখাউজ রোগে আক্রান্ত হই, সে সময়ে যাই দেখি সেটাই বিখাউজ লাগে। বতর্মানে সেই বিখাউজ রোগ চলছে। সকালে এক পশলা বিখাউজ বৃষ্টি দেখে, একটা বিখাউজ জ্যাম পেরিয়ে, আমাদের অফিসের বিখাউজ লাল রঙের (যেটার আগে অন্য রঙ ছিল, বিভিন্ন জায়গায় জং-টং ধরে লালচে হয়ে গেছে) ভবনে ঢুকে, দৈনন্দিন বিখাউজ কাজ সেরে বিখাউজ এই লেখাটা শুরু করলাম।


হিথ্রোতে ২০ পাউণ্ড

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি
লিখেছেন রাতঃস্মরণীয় [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ২:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বিলেতি বন্ধু মি.


তোমার কাছে একটা খোলা চিঠি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ১:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পিপাসার্ত কাকটা ডেকে যাচ্ছে অনেক্ষন থেকেই।কড়া রোদ উঠেছে বাইরে।জানালা দিয়ে বাইরে তাকালাম।মাথাটা ঘুরে উঠল।ওইতো আমার টেবিলটা দেখা যাচ্ছে বাইরে।অন্যসময় হলে আমি হয়তো ওটায় বসে তোমার সাথ কথা বলতাম।আমার রুমমেটের ঘুমের ডিষ্টার্ব হবে বলে এই ব্যবস্থা।তুমি কতবার আমাকে বলেছ রুমে গিয়ে কথা বলতে,আমি শুনিনি।মাঝে মাঝে কাকের ডাক শুনে তুমি বিরক্ত হয়ে যেতে।আবার বসন্তে কোকিলের কুহু ডাকে কিশোরী মেয়ের মত খুশীতে চেচিয়ে উঠ


প্রিয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ১:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিডিনিউজে আপনার একটি আর্টিকেল [১] পড়ে একাধারে ভালো লাগা আর বিতৃষ্ণা নিয়ে লিখতে বসলাম। আমি সম্ভবত আপনার আর্টিকেলে উদ্দিষ্ট তরুণ প্রজন্মের একজন। আপনি যদি তরুণতর প্রজন্মের জন্যে এই আর্টিকেলটি লিখে থাকেন, তাহলে সম্ভবত আমার প্রতিক্রিয়া লেখা মানায় না। কিন্তু কিছু জিনিস আপনাকে জানানো প্রয়োজন বোধ করছি।


সিদ্ধার্থ টিপু, কাল ওয়াল স্ট্রিটে কুমড়ো ফুটেছিল

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ১:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১..................................................................................................................
নামের কখনো স্বত্ব হয় না। অনামের হয়।


মায়াবী দরজা

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শুক্র, ১৪/১০/২০১১ - ১২:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক বিকেলে আমাদের দূরপাল্লার ট্রেনটা হঠাৎ থেমে গেছিলো এক অচেনা স্টেশনে। প্লাটফর্ম মাটির সমতলে, একটুখানি দূরেই সবুজ জমি, তারপরে একটা টিলা। জমির মাঝখানে রাজার মতন দাঁড়িয়ে এক বিরাট অশ্বত্থ। এইরকম জায়গায় এসে ট্রেন দাঁড়িয়ে গেলেই কেবল কল্পনা করতে ইচ্ছে করে নেমে পড়তে। নেমে পড়ে টিলার দিকে চলতে চলতে ঠিক একটা বিন্দুতে এসে ছিঁড়ে যাবে পরিচিত পৃথিবীর সুতো। তার পরেই দেখা দেবে সেই যাদুদরজাটা।