Archive

July 24th, 2011

প্রারম্ভ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২৪/০৭/২০১১ - ৬:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জীবনে কখন্ও বড় স্বপ্ন দেখিনি যে ভবিষ্যতে এটা হব সেটা হব।সময় আর ঘটনাপ্রবাহ যেদিকে আমাকে ধাবিত করছিল ওদিকেই আমি ছুটছিলাম।স্কুল-কলেজের দুরন্ত সময় পেরিয়ে যখন ভবিষ্যৎ নির্ধারণী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সম্মুখীন হলাম বুঝতে পারলামি এই অসম্ভব প্রতিযোগীতার জন্য আমি প্রস্তুত না।যাই হোক মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান আমি,নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে পাত্তা দেই বা না দেই মধ্যবিত্ত মানসিকতা জিইয়ে রাখতে হবে।দেশব্যাপী


বিষাদ তুমি

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: রবি, ২৪/০৭/২০১১ - ৬:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিষাদ তুমি মায়ের চোখের অপেক্ষা জল,
তোমার দেয়া শুভ্র রুমাল -
হলদে হওয়া,
বিষাদ তুমি সকাল বিকাল -
শ্রাবণ সাঁঝের ইলশেগুঁড়ির খুব কোলাহল,
বিষাদ তুমি কর্মমুখর আটপৌরে -
দিনের শুরুর - স্মৃতির সকাল,
বিষাদ তুমি - তোমার সাথে মেলায় কেনা হারমোনিকা -
হারমোনিকায় সুরের আকাল।

বিষাদ আমার - তোমায় নিয়ে কাব্য লেখা,
মুঠোফোনের পুরোনো মেসেজ হাতড়ে দেখা।
বিষাদ তুমি খুব নিশ্চুপ পড়ার টেবিল,


ভালোবাসাবাসি

খন্দকার আলমগীর হোসেন এর ছবি
লিখেছেন খন্দকার আলমগীর হোসেন [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৪/০৭/২০১১ - ৬:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাসা পাশা পাশি,
ছিলো আসা আসি,
সেই থেকে হয়ে গেলো
ভালোবাসাবাসি।

ওরা লেখে চিঠি,
কতো কথা মিঠি,
দিনে দিনে বাড়ে দুটো
হৃদয়ের ‘গিঁঠি’।


হায়রে ‘ছেলে’ মানুষ...(২)

দিহান এর ছবি
লিখেছেন দিহান [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৪/০৭/২০১১ - ৬:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]একটা পরিসংখান আমার খুব জানার ইচ্ছা –ইনসমনিয়ার রোগীদের কতো পার্সেন্ট বিবাহিত পুরুষ?


নীল নাকফুল ১০

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: রবি, ২৪/০৭/২০১১ - ৪:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লতার বিছাহার

অজস্র সূক্ষ্মবনফুল লতাগুল্মকে দেখেছি
বনে বনে ঘুরে অনন্ত বারোটি বছর

শুধু পূর্ণতা দিয়েছি হৃদয়কে
এক জনমে যতটুকু সম্ভব
ফোটাতে এই বনফুল
বনলতা নিজের মধ্যে ...

আমি পৃথিবীর পথে রোপণ করিনি টাকার বৃক্ষ
গড়তে আসিনি ইমারত।
এই খ্যাপা, গৃহত্যাগী-হৃদয় ছাড়া
আর কোনো ধন-সম্পত্তি নেই আমার

এ হাতের ইচ্ছার মতো
আমার কালজ্ঞপ্রেম
তোমার কোমল কোমরে জড়াতে চাই ;


July 23rd

'আনন্দ - বেদনার কাব্য'

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: শনি, ২৩/০৭/২০১১ - ৫:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

'এর থেকে ঢের ভালো ছোট হয়ে থাকা, শুধু ঘুম, শুধু গান, খেলা আর আঁকা।
অথবা হঠাৎ কোনও মন্ত্রের বলে.. একেবারে মিশে যাওয়া বড়দের দলে।
দুপুরে গল্প-ঘুম, সন্ধেয় টিভি, কেমন ভাবনাহীন মজার পৃথিবী!
ওগো ঈশ্বর, ওগো অন্তরতর-- হয় দাও ছোট করে, নয় খুব বড়!'
# টুপুরের প্রার্থনা: প্রণবকুমার মুখোপাধ্যায়
_______________________________________________


ফিশ ট্যাংক

শুভাশীষ দাশ এর ছবি
লিখেছেন শুভাশীষ দাশ (তারিখ: শনি, ২৩/০৭/২০১১ - ১১:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আওয়াজ

প্রতিদিনের মতো রাতে টিভি খুলে দুর্ঘটনা, র‍্যাবের গুলি, ভুল চিকিৎসা, গণপিটুনি, ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রবাহিনীর তাণ্ডব, যৌতুক, ধর্ষণ, পুলিশি নির্যাতন ইত্যাদি ইত্যাদিতে হতদের সংবাদ শুনি।

‘এইসব খবর শুনতে ভালো লাগে’- একজন হাততালি দিয়ে বলে। আমরা সায় দিয়ে হাততালির আওয়াজ বাড়াই।

নিওলিবারেল বাজার


প্রখর শব্দসকল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৩/০৭/২০১১ - ৩:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাংঘাতিক রকমের কৌতুহলবিমুখ
অবিশ্রান্ত, আবাদি আর উদ্ভিদময়
দিনগুলো একের পর এক কেটে গেলে পর
হঠাৎ করে লক্ষ করি আমার সমস্ত অব্যাবহৃত
নিরাকার, অলৌকিক, রমনঅযোগ্য, বায়বীয়
মস্তিষ্কজাত উদ্বাস্তু শব্দগুলো,
ক্রমশ নির্জীব হয়ে পড়ছে, যেগুলো
বিভিন্ন কবিনেশন পারমুটেশনে সাজিয়ে,
অর্থহীন এবং একই সাথে শীল্পগুনমানবর্জিত
একটি শব্দের শরীর গঠন করলে, অত্যন্ত সংকোচে
হলেও তাকে হয়ত কবিতা নাম দেওয়া যেত।


তোরই ইচ্ছা ইচ্ছাময়ী---

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: শনি, ২৩/০৭/২০১১ - ৩:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নজরুল তার সৃষ্টিশীল পর্যায়ে প্রায় তিনহাজারের মত গান লিখেছিলেন।
নানান ভাবের, নানান রসের।
অসাম্প্রদায়িকতার জন্যে যে লোকটি তার জীবনপাত করেছিলেন--উত্তরকালে সেই নজরুলের সাহিত্যকর্ম ভাগাভাগি হয়ে গেল হিন্দু-মুসলিমের মাঝে। হিন্দু-মুসলমানের 'গালাগালি'-কে তিনি 'গলাগলি'-তে রূপান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। নজরুলের নিজের ভাষায়ঃ


নাতি খাতি বেলা গেল

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২২/০৭/২০১১ - ১১:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাগো সইন্দাকালে পাইত্যাল ডাকত। তাগো ন্যাজ বটা না। খাড়া খাড়া। মাজে মাজে জুনি জ্বলত। সেজন্যি বাতি না আঙ্গালেও চলত। আর কুড়আ পুষলি মাফে ধরত।

বাপা মাফ--এই কইরাইতো খাতি নাতি বেলা গেল---শুতি পারলাম না। তরে ধরি কুন সুমায়! তরে মাফ কইরা দিছি।