[justify][i]প্রতিবারই জোর করে কী-বোর্ডের সামনে বসার সময় মনে হয় আমার অস্তিত্বকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চারদিকে যতকিছু ঘটে যাচ্ছে তার বৃত্তান্ত টুকে রাখার আমি কে? আমার দায় কী?
এই পর্বটা শুরু করছি ২৪ জুন ২০১১ প্রগতি সম্মেলন কেন্দ্রে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির (‘জাতীয় কমিটি’) উদ্যোগে ‘কনকো ফিলিপস-এর সাথে তেল-গ্যাস চুক্তি কেন জাতীয় স্বার্থ পরিপন্থি?’ - শীর্ষক আলোচনা সভায় পঠিত অধ্যাপক এমএম আকাশের প্রবন্ধের রেফারেন্স দিয়ে।
১.
ছোটবেলায় গ্রামে বেড়াতে গিয়ে শব্দটা প্রথম শুনি... একজন আরেকজনকে গালি দিচ্ছে "নডীর পুত" বলে। তখনো জানি না নডী বা নটী কী। তারচেয়ে শহুরে ভার্সনটাই বেশি বোধগম্য, "খানকীর পোলা"। ততদিনে এর অর্থ জেনে গেছি, চিনে ফেলেছি "খানকী"দের।
১.
ছোটবেলায় গ্রামে বেড়াতে গিয়ে শব্দটা প্রথম শুনি... একজন আরেকজনকে গালি দিচ্ছে "নডীর পুত" বলে। তখনো জানি না নডী বা নটী কী। তারচেয়ে শহুরে ভার্সনটাই বেশি বোধগম্য, "খানকির পোলা"। ততদিনে এর অর্থ জেনে গেছি, চিনে ফেলেছি "খানকি"দের।
কাঁটাঅলা গাছ! ছাল ছুঁতে গিয়ে ভিন্ন অভিজ্ঞতা
না-ছুঁলে অপলক নতিজা হৃদাবেগ রোগা-পাতা
তোর কাছে এও আছে রঙিন দিনের ইস্তেমাল
হৃদপিণ্ডে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হচ্ছে গাঁথা-শোক
পরশ বিষয়ক কিছু কথা অসমাপ্ত না-থেকেও
বিপরীত দিকটার জানার ইচ্ছে তোরই প্রবল!
আমাদের আটকে যাওয়া অস্থির নিজস্বতা, আহা!
সে-ও এক বিষ্ময়!
জানি, নীরবতা ভাঙলে আমাদের ইতস্তত চোখ
হাত ঘষলেই ভিখিরি বাজারে তোর অংশীদার
নিয়তি দিদিমণি গল্প শোনাচ্ছেন, "এক দেশে এক রাজা ছিলেন। সেই রাজা একদিন এক সাধুর কাছে এক বর পেলেন। রাজা যা ধরবেন তাই সোনা হয়ে যাবে। রাজা তো আনন্দে এক লাফ দিয়ে প্রথমেই দু'হাতে চেপে ধরলেন রাজসভার থাম। থাম সোনার হয়ে গেল। তারপরে ধরলেন ছত্রচামর, তাও সোনার হয়ে গেল। রাজার আনন্দ ধরে না। এরপরে রাজা স্নান করতে যাবেন, যেই না তেল মাখতে গেছেন, তেল হয়ে গেল সোনার তাল। আর তেল মাখা হলো না। বিমর্ষ হয়ে তেল ছাড়াই স্ন
যিশু মহমমদ
পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আদি চার মুলনীতিতে ফিরলো বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সংবিধান। আদি নীতিতে ফেরা আদৌ দরকারী ছিলো কিনা সেই প্রশ্ন উত্থাপন করা যেতে পারে। প্রশ্নের উত্তরে দুরকম ভাবনা আছে।
প্রথমবার শালবনে গিয়ে অদ্ভুত লেগেছিল। এক পাশে চওড়া কালো ফিতার মত পিচের রাস্তাটা দিয়ে হুস হুস করে সভ্য মানুষের বাস ট্রাক ছুটছে কিন্তু রাস্তা টুকু পেরোলেই সবুজ বন। কি সুন্দর। বনের ভেতর এঁকে বেঁকে ঘুরে গেছে লাল মাটির রাস্তা। সেই পথ বেয়ে একটুখানি ভেতরে গেলেই সভ্যতার চেনা শব্দ গুলো আবছা হতে হতে মিলিয়ে যায়। তখন চারদিকে হরেক পাখির অচেনা শিস, ঝিঁ ঝিঁ পোকার তান আর হাওয়ার সরসরানি। শুকনো পাতাগুলো মাড
প্রিয় সচল, অতিথি ও পাঠকবৃন্দ,
আজ পঞ্চম বর্ষে পা রাখলো সচলায়তন। গত চার বছরে আপনাদের ক্রমাগত স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সচলায়তনের কাঠামোকে সুপুষ্ট ও সংহত করেছে। অনাগত দিনেও সচলায়তন আপনাদের সমাগমে মুখরিত থাকুক।