[justify]এই মুহূর্তে আমাদের মাঝখানে স্পেস ঠিক ছয় ফিট। বছর দু’য়েক ধরে আমাদের মধ্যে যে স্পেস সৃষ্টি হয়েছিল তার থেকে এটা অনেক কম, যদিও এই ছয় ফিটের স্পেসটা এমুহূর্তে ঠাণ্ডা, স্যাঁতস্যাতে মাটিতে ঠাসা।
আমি তোমাকে খুব মিস করি সোনা।
[justify]আমি ঋক। বন্ধুরা ফাজলামি করে ডাকে রিগ বা গর্ত। পাঁড় নাস্তিক বাবা কেন আমার নাম ঋক রাখে সেটা প্রথমে না বুঝলেও পরে আস্তে ধীরে বুঝি। বাবার কথাবার্তার মধ্যে জার্গন ফেনা তোলে। দর্শনের শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন কাজ করে বাবা কাজ ছেড়ে দেয়। তার নিজের বাবার অনেক সম্পদ থাকায় টাকার কোনো সমস্যা হয় না। বাবার নিজে নিজে কথা বলার রোগ আছে। একসময় আমরা জানতে পারি বাবা তার জটিল দার্শনিক সমস্যাগুলো কোনো এক অদৃশ্য বন
বিকেলটা ঘাপটি মেরে বসেছিল মেঘের আড়ালে। দুপুর গড়িয়ে দিনটা তাই সরাসরি সন্ধ্যার কবলে। আষাঢ় বিকেলে মেঘের অন্ধকারই সত্য। বৃষ্টির সাথে বুনো গন্ধ বাতাসে ভর করে ছুটোছুটি। এইসব দামাল চঞ্চলতা আজকাল কপালে বিরক্তির কুঞ্চিত রেখা বৃদ্ধি করে। লাঠি ঠুকে ছাতার ভারসাম্য রেখে বয়সী শরীর বর্ষা প্রণয়ে অক্ষম। শরীরটা নিরাপদ আশ্রয়ে স্বেচ্ছা-বন্দী।
তোমায় আমি প্রতিক্ষণে স্বরী
ভালোবাসি সারাক্ষন -
যার ভালোবাসা সমুদ্রসম
তার কি আর এক দিবসে চলে বলো?
আমি অপমানিত হয়
সুর হারিয়ে ফেলি
লজ্জায় আমার মাথা হেট হয়ে আসে
দৃষ্টির সীমানায় শূনত্যা দেখি
প্লিজ আমার আবেক নিয়ে বানিজ্য করো না।
বানিজ্যকরনে আমি নিঃপেষিত।
--------------------
নিত্যানন্দ রায়
বৈদেশিক সাহায্য নামক ব্যাপারটির সঙ্গে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। উন্নত দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রদত্ত আর্থিক ও দ্রব্য সহায়তাই হলো মুলত বৈদেশিক সাহায্য। সাধারণত ঐসব দেশে অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য এইসব সাহায্য প্রদান করা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলো উন্নয়ন ঘটায় কিনা তা নিয়ে তর্কের অবকাশ রয়েছে।
বেল পাকলে কাকের কী? সক্কাল বেলাতেই শুনিয়া আসা কথাটা রইসের মাথায় ঘুরিয়া চলিছে সারাদিনমান। কাকের চিন্তায় তাহার ক্ষুদ্র হৃদয়ের মূল যেন বিদীর্ণ হইয়া গেল। বেল পাকলে কাকের কী? বেল পাকলে কাকের কী? বেল পাকলে কাকের কী? বলিতে বলিতে তাহার মুখমন্ডল গৌরবর্ণ হইয়া উঠিল। জগৎকে উষ্ণ, ঘুর্ণিমস্তিষ্ক, রক্তনয়ন মাতালের কুজ্বটিকাময় ঘূর্ণমান ব্রহ্ম বলিয়া বোধ হইল।
বয়সের অপশনটা আসতেই আজকে একটা ঘটনা ঘটলো, আমি ‘যুবা’তে চাপ দিলাম। হতে পারে চল্লিশ এই বুঝি আসে আসে, হতে পারে হাইপ্রেশারে নিত্যরাতে ওষুধ খেতে হয় একটা করে, হতে পারে মাথার কাচা চুলের ভাজে ভাজে সাদা চুলের উকি দেয়া বেশ প্রবল - আমার তাতে কিচ্ছু আসে যায়না! আমি ‘এইটিন টিল আই ডাই’ – জ্বি মশাই, ঠিকই বলছি।
এই পর্বে সরাসরি চলে যাই মডেল পিএসসির (২০০৮) কিছু বিতর্কিত অংশে, যার কাঠামোতেই কনোকোফিলিপসের সাথে চুক্তি হয়েছে। এই পিএসসির সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ সম্ভবত অনুচ্ছেদ ১৫। এই অনুচ্ছেদের কিছু ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ইতিমধ্যে করা হয়েছে, তবে সরকারের তরফ থেকে খুব ভাল কোন ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত দেখিনি। আমি আমার মত ব্যাখ্যা করলাম।
নাকফুল
এখনো সবুজ রয়ে গেছে
ব্যক্ত হয়ে উঠেনি,
মিহিদানার মতো বুটি বুটি
কুঁড়ির এই সুপ্তরঙগুলো দিয়ে
ঈষদ বাঁকানো তোমার ভ্রূলতার কোমলে
আপাতত আল্পনা আঁকা চলে ...
চেরীফলের সবুজগুটিগুলো
সূর্যের দিকে মুখ করে আছে,
রঙ ধরবে একদিন ওদের শরীরে ?
গোপনে গোপনে সেই কাজগুলোই চলছে :
লাল-টকটকে, নীল-জবজবে হবে ওরা।
জানোই-তো মেয়ে, বসন্তের প্রভাবে
কৃষ্ণ আসে শরীর আর মনে!
তোমার নাসিকার জন্য এখনো
ইস্কুলে কোনো অমেরুদণ্ডী প্রাণীর রচনা লিখেছিলাম কি না মনে নেই; আমাদের সবগুলো রচনাই ছিল শোয়ানো মেরুদণ্ডের গরু-ছাগল-ভেড়া-মহিষের মাহাত্ম্য কারণ এই শ্রেণির মেরুদণ্ডগুলা চারটা খুঁটির উপর লম্বালম্বি শুয়ে থাকে বলে শিং-খুর-নাক-কান-লেজ নিয়ে কয়েকটা বাক্য লিখে সরাসরি চামড়া ছিলে চামড়ার রপ্তানিমূল্য কিংবা ছিলা চামড়ায় লবণ মাখানোর কৌশল কিংবা সেই চামড়ায় বানানো জুতা-মোজা-ব্যাগের বর্ণনা দিয়ে লম্বায়প্রস্থে রচনা বড়ো ক