Archive - জ্যান 1970 - ব্লগ

তারিখ
  • সব
  • জ্যান
  • ফেব
  • মার্চ
  • এপ্র
  • মে
  • জুন
  • জুল
  • আগ
  • সেপ
  • অক্টো
  • নভ
  • ডিস
  • সব
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
ধরন

June 15th

বিরহ উদাম

শেখ জলিল এর ছবি
লিখেছেন শেখ জলিল (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ১২:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কালো মেঘ ছুঁয়ে গেলো জানালার কাঁচ
দৃষ্টির পাখিরা বিপর্যস্ত দিগ্বিদিক ঝড়ে
ভাঙচুর সময় হাঁটে কণ্টক পথে বেসামাল
জানে না সে কতো দূরে নীলাঞ্জনাদের বাড়ি!

একটা কাজলা দিঘি ছিলো এই পথে হেঁটে যেতে
বুক জুড়ে ছিলো অগণন শ্বেতপদ্মের হাসি
হাওয়ায় মেঘেরা উড়ে এসে দিতো ছায়া দিনভর
হিজলতলায় পাশাপাশি বসা দুজনার চোখেমুখে।

জানে কি সে কতো ঝড় গেলে মিলবে শিমুলতলী গ্রাম
প্রণয়ের শাড়ি খুলে দেখো সব আজ বিরহ উদাম!


তুলট সুখ

আশালতা এর ছবি
লিখেছেন আশালতা (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ১০:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকাল রোদন করিনা । পাছে পাঁজর পাথর ফেটে সমুদ্র প্লাবন হয় তাই রোদন করিনা আর। বহুদিন হল বোকাটে কষ্টদের বাক্সবন্দি করে সিল গালা দিয়ে আগল রেখেছি পুরে। ভেতরে তারা ফিসফাস করে সিঁদ কেটে কেটে মাথা কুটে মরে । জানেনা তো সিঁদকাঠিতে আজকাল ভেজাল থাকে ভীষণ । এখন আমার সূর্য সকালে সোনা রোদ হাসে তাই । ক্রন্দসী মেঘ বালিকারা ভোরের আলো চুরি করেনা । রোজ দিন জানালায় ডোরা কাটা চড়ুইএর এলোমেলো গান ।


কুকুর, বেড়াল ও বেওয়ারিশ লাশ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ১০:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাত তিনটা পয়তাল্লিশ।

হঠাত্ করেই কেমন জানি ঠান্ডা লাগতে শুরু করলো। খালি গায়ে বসে ছিলাম। জুন মাসের গরমে মাথার ঘুন পোকাও বের হয়ে যাওয়ার কথা।

একটা টি-শার্ট খুজে নিলাম। মাথার উপর সিলিং ফ্যানটাকে এখন হেলিক্পটার মনে হচ্ছে। ফ্যান বন্ধ করে দিলাম। কেমন জানি খানিকটা ভয় ভয় লাগছে। কারণ, মনে হচ্ছে ঠান্ডাটা আসলে বাইরে না, ভিতরে।


খেলিছো হাঁড়ি লয়ে-২

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ১০:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খেলিছো হাড়ি লয়ে-১

মানুষ যেভাবে বাঁচে

মাছ মাংস সবই যখন টুকটাক রান্না করে খাওয়ার মত পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারছিলাম বেশ আলেকজান্ডারের মত বিজয়ানুভূতি হচ্ছিলো। কিন্তু কিছুদিন যেতেই যখন দেখলাম যাই রান্না করি, তার স্বাদ একই রকম হচ্ছে, তখন আর আগ্রহ ধরে রাখতে পারলাম না। সে এমনি রান্না যেখানে আমিষ নিরামিষের পার্থক্য ঘুঁচে যায়। কত মুরগীর মুরগী জনম বৃথা গেলো আমার হাতে পড়ে, তার ইয়ত্তা রাখে কে!


টুপুর...

দুষ্ট বালিকা এর ছবি
লিখেছেন দুষ্ট বালিকা (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ১:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এ-ঘর থেকে সে-ঘর,
কোণার ঐ বারান্দাটা!
নাহ, এবারও না!
মার ঘর, বাবারটাও, রান্নাঘর, বারান্দা, বসার ঘর -
এমনকি খাবার টেবিলের তলাটাও দেখে ফেলে টুপুর।
ধুসস!


কড়া নাড়ে ছড়া---১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৫/০৬/২০১১ - ১:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ওগো রূপের মাইয়া,
তোমায় কাছে পাইয়া,
ভাবছি বুঝি পাইছি চাঁদ।
মনে কত রঙ্গিন সাধ
তোমার বাপের চাঁদের হাট,
হইবো আমার রাজ্যপাট।
পরের ধনে পোদ্দারি;
করমু আমি সর্দারি।
আরও ছিলো ইচ্ছা শত,
লুইটা নিতাম মজা যত।
কিন্তু আমার কপাল মন্দ,
ছন্দ কাইটা লাগলো দ্বন্দ্ব।
তোমার বাবা চৌধুরীসাব,
কথায় কথায় খানদানি ভাব।
ধমক দিয়া কথা কয়,
চরম গরম ফাঁপড় লয়।
দেখলে আমায় তোমার পাশ,
মিটাইয়া দিবো প্রাণের আশ।


আমার বান্দরবেলা

বন্দনা এর ছবি
লিখেছেন বন্দনা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৬/২০১১ - ৮:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আজকাল না চাইলেও মাঝে মাঝেই দৌড়াতে হয়। এই যে এখন রাস্তার ওপারের স্টপেজে গিয়ে বাসটা ধরতেই হবে, না হলে আর আধঘণ্টা পরের বাসটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এই একটুখানি পথ দৌড়েই ক্লান্ত লাগে, অথচ একটা সময় ছিল বন্ধুদের সাথে দৌড়াদৌড়ি করতে একটু ও ক্লান্তি লাগতোনা। কত খেলেছি বরফ-পানি, ছোয়াছোয়ি, দাড়িয়াবান্ধা, বউচি কিংবা হা-ডূ-ডু। খুব সকাল কি ভরদুপুর, কি ভরা বর্ষা, কিচ্ছু আমাকে বেধে রাখতে পারতোনা। স্কু


আজকাল টুকিটাকি

মুশফিকা মুমু এর ছবি
লিখেছেন মুশফিকা মুমু (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৬/২০১১ - ৮:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১) চাকরি বাকরি


June 14th

খড়ম পরিবার অভ্যাস না থাকিলে এ লেখা পড়া নিসেদ : খড়মবাড়ি

কুলদা রায় এর ছবি
লিখেছেন কুলদা রায় [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৬/২০১১ - ৩:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.


ইতিহাস পুনর্পাঠ (১ - ৮)

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৬/২০১১ - ২:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

নাজাফি বংশের প্রতিষ্ঠাতা গাদ্দার-ই-আবরার নওয়াব মীর জাফর আলী খানকে বাংলার মানুষ “মীরজাফর” নামে চেনেন। এ’দেশে কাউকে “মীরজাফর” বলা হলে তাকে আসলে কী বলা হলো তার আর কোনো ব্যাখ্যা দেবার দরকার হয় না। নাজাফি বংশের শেষ নওয়াবের নাম মনসুর আলী খান। মনসুর আলী খানের ছেলে সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ ফতেহ্‌ আলী মির্জা’র বড় ছেলের নাম ইস্কান্দার আলী মির্জা - সংক্ষেপে ইস্কান্দার মির্জা। মুর্শিদাবাদে জন্মানো এই নবাবপুত্তুর ছিলেন পাকিস্তানের সর্বশেষ বড়লাট (গভর্নর জেনারেল) আর প্রথম প্রেসিডেন্ট। পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারীর কৃতিত্বও এই হুজুরের। সামরিক শাসন জারীর বিশ দিনের মাথায় উনাকে ক্ষমতা আর দেশ দুইটাই ছাড়তে হয়। গাদ্দারদের প্রথম পুরুষ যেমন চতুর্দশ পুরুষও তেমনই তার নিজের দেশ-জাতির বারোটা বাজিয়ে গেছে, কিন্তু বেশি দিন ক্ষমতা ভোগ করতে পারেনি।