গত ২রা নভেম্বর,২০১১ তারিখে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে পারমানবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং রাশিয়ার পক্ষে রাষ্ট্রীয় আনবিক শক্তি সংস্থা(ROSATOM)-এর মহাপরিচালক সের্গেই কিরিয়েঙ্কো সাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া বাংলাদেশের পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপূর-এ ১০০০ মেগাওয়াটের দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করবে। চুক্তির বি
স্নায়ূতে শব্দশূল
হাড়ের মজ্জায় পথভ্রষ্টের ক্লান্তি
মট্! ভাঙে কোথাও কিছু একটা
নিমেষেই খুন
ঘরফেরা ভাবনা রক্তস্রোত-নদী
মন; শরীর; মন ও শরীর; মন নাকি শরীর?
কোনটা ফুরোয় আগে? অথবা শুরুর তালিকায় কোনটা শুরুতে?
কবে কোন কৈশোরে নিজস্ব ক্ষরনের অবাক স্বাক্ষী হতে হতে স্নানের জলে বারবার হাত ডুবিয়ে মিথ্যে শপথ- 'ভালো হয়ে যাবো, এইবার ভালো হয়ে যাবো নিশ্চিত', শরীর কি সেই থেকে মনের মিথ্যে সহবাস সঙ্গী?
একসময় সেই সহবাস ও তো ফুরোয়। মন আর শরীর যৌথযাপনের পাঠ চুকোয়।
তারপর?
মন ছাড়া শরীর; শরীর ভিন্ন মন। সম্ভব কি হয়না? হয়।
রাজনীতির প্রতি তার কোন আগ্রহ বা যোগাযোগ ছিল না ৬২ কি ৬৬তেও। এমনকি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ও সে নিবিষ্ট মনে চাকরী করে যাচ্ছিল। কিন্তু জেলফেরত শেখ মুজিবকে তার বিশেষ পছন্দ হয়ে গেল। মাওলানা ভাসানীর চেয়েও ব্যক্তিত্ববান নেতা মনে হলো শেখ মুজিবকে। রাজনীতি না করলেও শেখ মুজিবের ভাষণের জন্যই তার শক্ত ভক্তে পরিণত হয় সে। ইলেকশনের সময় অফিস কামাই দিয়েও ভোটের কাজ করেছে সে(আসলে সিনিয়রকে ভোটের প্রচারের কথা বলে
আয়োলের গান
- মারি ফেলিসিতে এবোকেয়া
জীবনের প্রথম কয়েকটি গ্রীষ্ম কেটেছে আমাদের বাগানে; রুক্ষ ধূসর কাঠের বেড়ায় গাল ঠেকিয়ে সতর্কভাবে মাথাটা নামিয়ে উপভোগ করতাম প্রতিবেশি'র বাগানের মাধুর্য্য।
এ এক বেহেশত! আলতো ছাঁটের মনোরম ঘাস; পৃথিবীর তামাম রং নিয়ে প্রস্ফুটিত ফুল;রৌদ্রস্নাত শুভ্র মূর্তি; চকমকে পাথর বিছানো বক্রাকার পথের শেষে ঝলমলে সাদা বেন্চি; যেখানটায় বসে তুমি মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির আবেশে মোহাবিষ্ট হতে পারো।
[justify]প্রায় ২ বছরের শীতনিদ্রার পর আবারো আলোচনার টেবিলে টিপাইমুখ বাঁধ। ২০০৯ সাল ছিল টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আলোচনার বছর। সেই সময়ের সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখি, ভিডিও, আর প্রতিবেদনের ছড়াছড়ি দেখতে পাবেন। ১৯৫৪ সালে যে পরিকল্পনার শুরু, ১৯৭৪ সালে তার বাস্তবায়নের স্থান নির্ধারণ, আর ২০০৯-এর দিকে এসে তার নির্মাণ কাজ শুরুর কথা ছিল। আমাদের সংসদীয় কমিটি ভারত সফরে থেকে ফিরে এসে সে সময় মন্তব্য করেছিলেন,
[justify]
আমার খুব বেশি খেলনা ছিল না। একটা কমলাটে রঙের ফুটবল ছিল। যেটাতে জোরে কিক করলে পা-টনটন করতো। পাম্প করার পরে বড়জোর একদিন সেটা শক্তপোক্ত থাকতো। কিন্তু সেই বলটা আমার দারুণ প্রিয় ছিল। বাসার উঠানে সেটা নিয়ে দৌড়ালে নিজেকে মাঝে মাঝে পেলের মতো মনে হতো। মনে হতো আমি যেন অলৌকিক স্টেডিয়ামে নামজাদা এক খেলোয়াড়। শৈশবের আর অন্যসব জিনিসের মতো সেই বলটাও হারিয়ে গেছে কোথায় যেন।
আজকের প্রানীটি দেখতে বাদামী রঙের, তুলনামূলকভাবে ছোট-খাট, নিশাচর এবং স্তন্যপায়ী।১ এই প্রানীটি সবার কাছেই বেশ পরিচিত। প্রানীজগতে এর সুখ্যাতি রয়েছে 'সিভিল ইঞ্জিনিয়ার' হিসাবে। এটি আর কেউ নয়, স্বয়ং বীভার মহাশয়। কানাডা ও উত্তর আমেরিকায় এদের বাস। এক সময় সারা পৃথিবীতেই এদের ইঞ্জিনিয়ারগিরির প্রমান পাওয়া যেত, কিন্তু চামড়ালোভী কিছু মানুষের নিধনযজ্