আগের পর্ব
পর্ব ৪
সেই ছোট্ট ঘরটায় অর্ণবের জন্য বিছানা পাতা হয়েছিল। সেটায় শুয়ে একটা কিশোর থ্রিলার-এ ডুবে গেল ও। বিপদে পড়েছে কিশোর, মুসা আর রবিন। প্রাণপণে দৌড়াচ্ছে ওরা গুহামুখ দিয়ে। ঘুটঘুট্টি অন্ধকার দশদিকে। হঠাৎ কিসের সাথে বাঁ পাটা বেধে গেল কিশোরের। তাল না রাখতে না পেরে হুড়মুড়িয়ে পড়ল সে সামনে। আঁতকে উঠল কিশোর ভীষণভাবে। এই বুঝি বিশাল ভক্সওয়াগনটা উঠে পড়ল ওর পিঠে!
[justify]
উপপদ্য হলো হাবীব কাইউমের অলসমস্তিষ্কপ্রসূত ছড়া। উপ+পদ্য।
পূর্বে যাহা সের কিনিতাম
এখন কিনি পোয়া;
পূর্বে যাহা পান করিতাম
এখন শুঁকি ধোঁয়া।
হাবীব কাইউম
ওর নাম ছিলো মেঘ। প্রথম যখন ওকে দেখলাম, তখনই চমকে উঠেছিলাম, চমকে উঠেছিলো ভিতর বাহির। যেন অশেষ গল্পমালা ঘূর্ণিজলের মতন ঘুরছে ওর চারপাশে, অজস্র রঙ ঝলমল করছে সেই স্রোতে। ওর জীবনের স্রোত যেন দেশকালের গন্ডী ছাড়িয়ে কোথা থেকে কোথায় চলে গেছে, রাঙামাটির দেশের শালমঞ্জরী পার হয়ে কবে যেন ছুটতে ছুটতে চলে গেছে বুড়ী ওকগাছের কাছে, যে গাছ ওকে স্বপ্নের অর্থ বলে দিতো সেই কোন ভুলে যাওয়া যুগে। ঐ বুড়ী গাছই তো ওকে বলেছিল
১।
আমি তো পথের মাঝে রথের শেকড় দেখি
বড় বেশি আগে থেকে ভেঙে আছে চাকা
বড় বেশি আগে থেকে স্রোত মুখস্থ বলে
জোয়ার ভাটাতে খুব অমিল দেখিনা
আসে যায় একই জল এক বিষখালি
কার বাড়ি কার খড়
কে রেখেছে নিরুদ্দেশ গ্রামটির নাম
বয়স তো তাতে কিছু যোগ করে না!
২।
খুলিনা পুরান পৃষ্ঠা
পুরান কথার ভাঁজে আটকে গেছে
সামাজিক তত্ত্বহীন পতংগ হৃদয়।
৩।
আগুন নিভেছে বলেই স্ফুলিংগ ভুলে যাওয়া যায়?
৪।
জাগো প্রসঙ্গঃ
গোপনীয়তা ধরে রাখতে পারে কতজন, কতজন থেকে যেতে পারে গোপনীয়তার কাছে গোপনীয়! গোপন থেকে দেখেছি মানুষের আড়ম্বর বড় বেশি!
প্রতিষ্ঠা নয়, প্রশান্তি চাই, চাই জীবনের আস্বাদ প্রতিটি মুহূর্তে। সাধারণ মানুষ দেখেছি শুধুমাত্র চোখে খিদে নিয়ে খায়না কখনো একনলা ভাত। বেঁচে থাকা হোক মনের তাগিদে প্রশস্ত জীবন কাটানো।
পড়ালেখা দিন দিন ধনীদের দখলে চলে যাচ্ছে বলে একটা আক্ষেপ নানা সময় শোনা যায়। বিশেষ করে যখন থেকে বিদ্যালয়ের পড়ালেখা মোটামুটি প্রাইভেট ও কোচিংনির্ভর হতে শুরু করলো (প্রাইভেট বা কোচিং এদেশে সবসময়ই ছিল, তবে নব্বইয়ের দশকের পর থেকে এর মাত্রা চক্রবৃদ্ধিহারে বাড়তে থাকে), তখন ধনীরাই কেবল অতিরিক্ত টাকাপয়সা দিয়ে তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ের পড়ালেখার বাইরেও পড়ানো শুরু করলো। ধনী বলতে এখানে মূলত তাদেরকেই বুঝানো হচ্ছে
হ্রদের তীরে একটি মন্দসমীরণপুষ্পবিভূষণকোকিলকূজিত কুঞ্জের কোণে কদম্বতরুর দিকে চাহিয়া ঈশ্বর উলু দিয়া উঠিয়া কহিলেন, "কেউ কি একটি বাঁশি যোগাড় করিতে পার?"
আদম গিবরিলের পঞ্জরে কনুই দ্বারা খোঁচা মারিয়া কহিল, "যাও হে দূত, তোমার ফরমায়েশ খাটিবার ওয়াক্ত নজদিক।"
গিবরিল বিরস কণ্ঠে কহিল, "আমি শুধু বার্তা বহন করি ওহে আদম! বাঁশি সংগ্রহের কর্ম সে আমার নহে।"