আমাদের স্বভাবের একটা অদ্ভুত দিক আছে। আমরা অনেকেই সবকিছু বিনিময় মুল্যে হিসাব করি। এই জিনিষটার দাম এত, ওই জিনিষটার দাম তত, এইরকম। ভারী বাজে ব্যপার। টাকায় যার মাপ হয়না সেটা যেন নেহাত খেলো, ফালতু জিনিষ । আমাদের কলেজের প্রিন্সিপাল স্যারের বাসায় নিয়ম ছিল কেবল বড় লোকের ছেলেমেয়েরা ওনার ছেলে মেয়ের সাথে মিশতে পারবে এবং ওনাদের বাসায় যেতে পারবে। গরিব গুর্বোর ছেলেমেয়ের ওনার বাসায় প্রবেশের অনুমতি ছ
কনোকো ফিলিপসের সাথে চুক্তি-- স্বার্থের পেছনের স্বার্থ
ভেবেছিলাম পাশ কাটিয়ে যাবো, কোন কিছুই লিখবো না। কিন্তু সচলে লেখা প্রকাশের লোভেই হোক আর নিজের ভেতরের ভাবনাগুলো অন্যের সাথে শেয়ার করার তাগিদেই হোক কিছু একটা লেখার লোভ সামলাতে পারলাম না।
আগের লেখাটি না পড়লেও ক্ষতি নেই। পড়া থাকলে লেখার মেজাজটা ধরতে সুবিধা হবে। তাই লিঙ্কটি শুরুতেই দিয়ে নিলামঃ অবশেষে প্যারিস যাত্রা
সংবিধানে বেশ অনেকখানি কাটাছেড়া আর জোড়াতালি হল আওয়ামী সরকারের ক'বছরে। ৫ম সংশোধনী বাতিল দিয়ে শুরু, আর শেষ পর্যন্ত নতুন করে ১৫তম সংশোধনী। সংবিধান কতটা সাংঘর্ষিক হল, সেই আলোচনা তো চলছেই, কিন্তু আরো একটা বিষয় আমাকে ভাবাচ্ছে। আওয়ামী লীগ কি সংবিধানে একটা ব্যাকডোর তৈরী করল? অসাংবিধানিক শক্তির আসার পথকে রুদ্ধ করল, নাকি অন্য কোন অশুভ শক্তির পথ খুলে দিল?
(অনেকটাই যদি-কিন্তুর মালা গাথা, আজাইরা ভাবার মত অলস মাথা না থাকলে মাফ করবেন প্লিজ...)
১।
কার জন্যে খুঁড়ে আনো জল
আনো তৃষ্ণা সব?
স্মৃতিদাহ'র পর কি আর
থাকে বাকী, শুধু ভস্মের
অপেক্ষা - ঊড়বার।
২।
সকলেই ব্যাগ্র ফিরতি যাত্রায়,
শুধু আমারই নেই কোন তাড়া, বহুজনেই
আছে জলদি পৌঁছে যেতে চায়,
কেবল আমিই বুঝি
তাড়া করে ফিরে যাবার কোন উপকার দেখিনা।
৩।
একটা গভীর কবিতা যদি
তোমার মনে থাকে, তবে তাই
লিখবো আমি, একটা কোমল
নরম গান যদি গুনগুন করো,
তবে তাই গাইবো আমি।
৪।
আজ ঢাবি তে দেখি কতগুলো টোকাই একটা সভা করতেসে। মানে আলোচনা সভা আর কি। ভাব টা এমন তারা আলোচনা কথাটার মানে বোঝে! কৌতূহল নিয়ে শূনতে গেলাম ব্যাটারা বলতে চায় কি। শুনে তো আমার হাসতে হাসতে পেত খারাপ হওয়ার মত অবস্থা। তারা নাকি দেশপ্রেমিক!
ইদানিং মোটাসোটা বই দেখলেই ভয় পাই । তাই খুজে খুজে দোকান থেকে একটা চিকন বই বের করলাম । শিরোনাম – “বিষয়ঃচলচ্চিত্র” সত্যজিৎ রায়ের লেখা চলচিত্র সমালচনা। বইটি পড়ে যেটা মনে হলো - কিছু বিষয় স্থির কিম্বা চলমান দুটি ক্ষেত্রে সত্য । যেমন- বিষয়বস্তু যেমনই হোকনা কেন দশর্ককে সেটা বোঝানোর ক্ষেত্রে যে ভাষা ব্যাবহার করা হয়, ক্যামেরার সাথে সাথে কম্পোজিশন, কালার এবং আধুনিক টেকনোলোজি সেই ভাষা প্রকাশে সাহায্য
সত্যি সত্যি আমাদেরও একটা ছাতি ছিল। ছাতিটা দিয়েছিল আমাদের বাবা। বাবা পেয়েছিল তার বাবার কাছ থেকে। তার বাবা পেয়েছিল তার বাবার কাছ থেকে। ইতিহাসটা এইরকম। ছাতিময়।
১
জলের গভীরে আছি
তবু জলসিড়ি ছুঁলো না আমায়
ছুঁতে পারি আমিও তো তাকে
সোমত্ত সে নদীর বাঁকে
জেগেছে যে তুমুল জোয়ার!
২
বুকে নিয়ে বরফের স্তন
কোন এক হিম নারী এসে
নষ্ট-নটীর মতো অষ্টপ্রহর
কেলি করে বিছানায়, বারান্দায়!
নিজেকে নিয়েছি সেঁকে
কান্তিমান সূর্যের একান্ত চুলায়;
তবু মেঘ কোন ছলনায়
ছায়া নেই ছায়া নেই বলে
দূরে বহুদূরে উড়ে চলে যায়!
৩