চলার পথে মিললো দেখা রূপকুমারী এক,
এক পলকে দিলাম তারে মনটা আমার ব্যাক,
না পাবার এই জীবনটাতে সে যেনো ‘গিফ্ট প্যাক’,
জীবন আমার ধুঁকছিলো আর সে দেয় তাতে ‘জ্যাক’।
পাইনিকো টের খল নিয়তি হাসছিলো খ্যাঁক খ্যাঁক,
রূপকুমারী কোন দোষে যে আমায় দিলো ছ্যাঁক,
সেই সুবাদে বদলে গেলো জীবন চলার ‘ট্র্যাক’,
ছন্দহারা লক্ষ্যহীনা দিনগুলো হয় ‘ব্যাক’।।
খন্দকার আলমগীর হোসেন
গল্পঃ
বেশ সকালে ঘুম ভেঙ্গে যায় রাতুলের। হাত বাড়িয়ে বালিশের পাশে রাখা প্লাস্টিক ডায়ালের ডিজিটাল ঘড়িটাতে সময় দেখে নেয়, সাতটা পাঁচ। কাল ভেঙ্গেছিলো ছয়টা পঞ্চাশে, তার আগের দিন ঠিক সাতটায়। এত সকালে রোজ ঘুম থেকে উঠতে হলে অ্যালার্ম ঘড়ি থাকা জরুরী, ফার্মগেটের ওভারব্রীজের নীচের জটলা থেকে সত্তর টাকা দিয়ে এই ঘড়িটা কেনার সময় এতেও অ্যালার্মের সুবিধা থাকার কথা ছিল। তবে সত্তর টাকার ঘড়ি কেনার সময় এত কিছু কেউ দেখে কিনে না, আর রাতুলের আসলে ঠিক কিছু যায় আসে না অ্যালার্ম থাকা না থাকায়। শুধু ঘড়িটার চারপাশে আরো কিছু অকেজো বাটনের সাথে অ্যালার্ম বাটনটা শুধু মনে করিয়ে দেয়, কিছু একটা থাকার কথা ছিলো, যা এখন নেই।
লিমন নামের এই ছেলেটির জন্মের আগে থেকেই এক পা কাটা ছিল। তার বাবারও পা কাটা। মায়েরও তাই। এই ব্যান্ডজটি ভুয়া। খুলে দেখতে পারেন।
‘বন্ধু মানে অন্য আমি’ একই আত্মার খেলা
তুই কি উপলব্দি করিস বন্ধু? হয়ত-বা না...
জানতাম, বিয়ে হলে আমাদের বনিবনা হত না
তুই গাল ভার করে ঘুমিয়ে যেতে আমি—
দীর্ঘরাত বই পড়তাম। কাক ডাকা ভোরে
বিছানায় গেলে পাশ ফিরে শোতে!...
বারবার তুই লিখতে বারণ করত, বলতে
বই-টই পুড়িয়ে ফেলা দরকার, এইসব
অসহ্য লাগে। বলতে ‘আমার চেয়ে ওদের
ভালোবাসাই সব তোমার কাছে’ আমি চুপচাপ
ফুরায় নিরর্থক গল্পদের আয়ু
মৈথুন প্রিয় সময় পথ হাঁটে চোখের নৈরাশ্যে
স্বপ্নের শরীর জুড়ে মুঠো মুঠো শূন্যতার ধূলো
প্রেমিক বিকেলগুলো ক্রমশ রক্তাক্ত আজ সন্দেহের কাঁচে ।
আলগা হয়ে এলে বৈকালিক এস্রাজের সুর
স্মৃতির সেতারে কাঁদে টুং টাং বাউল কষ্ট,
পাতাদের রক্তে রাঙা শ্রীময়ীর দাঁতের চুমুক
চৌকস রাত্রি জমায় রোমশ পেরেকের আঙুলে।
তবু আজও মগজের মৃত ক্যানভাসে
১.
টিভির ওপর রাখা ছিল পিএস-২ টা। ঘরে ঢুকেই খালা দৌড়ে গেল সেটার কাছে। হ্যাচকা টানে কর্ড, প্লাগ সব ছিড়েখুড়ে সেটিকে বুকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে খালা চিৎকার করে আর্তনাদ শুরু করল, 'এইটাই আমার সুপ্ত, এইটাকে কেউ আমার কাছ থেকে নিতে পারবা না।' ঘরে উপস্হিত কারো কোন ভাষা নেই, এর থেকে মর্মন্তুদ কোন দৃশ্য কি পৃথিবীতে কেউ দেখেছে কখনো?
২.
তাঁর চলে যাওয়া জুড়ে থেকে যায় থোকা থোকা বিষন্নতা, ট্রিপল ফাইভের ভুলে যাওয়া ধোঁয়ার ফিরে আসা আর দীর্ঘতম ঘুমের শেষে জেগে উঠা ব্যক্তিগত স্মৃতিময়তা।
কোথায় যাচ্ছ ভেকেশনে? মে মাস শুরু হতেই এই প্রশ্ন প্রতিদিন আমার কলিগদের মুখে মুখে থাকে। আমাদের দেশের দুর্নীতিবাজদের যেমন প্রতি বছর ওমরাহ্ হজ্জ্বে যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ, সুইসদের কাছে ভেকেশনে যাওয়াটা অনেকটাই সেরকম। চলুন এই সামারে আপনাদের সুইজারল্যান্ড নিয়ে যাই, আজকের গন্তব্য জেনেভা,প্রথমে একটা ভিডিও দেখতে পারেন জেনেভা শহরের
মনের আনন্দে গাইছে শিশুটি, আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি, তুমি এই অপরূপ রূপের বাহির হলে জননী...
প্রিয় গানটি শুনে হঠাৎ আমার চোখ দুটো ভিজে ওঠে। জন্মান্ধ এই শিশুটি কোনোদিন অপরূপ জননী আর রূপসী বাংলাদেশের রূপ দেখতে পায় নি চোখ মেলে!
ঠিক করেছি সচল হবো। খুব ভেবে চিন্তে নেয়া সিদ্ধান্ত যে তা না। কারেন্ট চলে গিয়েছিলো। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। ঝড় হচ্ছিলো। খুব ঝগড়া শেষে, মেয়েটা যেমন শেষমেশ কাদতে শুরু করে, তেমন বৃষ্টি। ঝড়ের সময় জানালা খুলে দিয়েছিলাম। আগের চার ভাগে’র কপাট কপাট ওয়ালা কাচে’র জানালা, এখনকার থাই গ্লাস এর জানালা না যে ঝা করে খুলে ফেলা যায় একপাশ। তারই একটা খুলে ছিলাম। জানালা’র গুলো ঠেকিয়ে রাখার জন্য হুক এর মতো ছিলো একসম