Archive - ব্লগ

June 8th, 2011

ঘুষখবর!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৬/২০১১ - ৭:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


ইয়ে, মানে একটা ব্যাক্তিগত প্রশ্ন করি, শেষ কবে ঘুষ দিয়েছিলেন? মানে ইচ্ছায়, অনিচ্ছায় কিঞ্চিত তেলপানি দেয়া লেগেছিল? পাসপোর্ট করার সময়? বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল সামলানোর জন্য? কলেজের সার্টিফিকেট ইংরেজী করার সময়? বাড়ি সংক্রান্ত কোন কাজে রাজউকে? নাকি বছরশেষে ইনকাম ট্যাক্সের ঝামেলা ভদ্রলোকের মত মেটানোর জন্য আপনার ট্যাক্স লইয়ার আপনাকে বলেছিল আপনার ট্যাক্স এত টাকা, আমার ফী এত টাকা আর এই টাকার ভেতরে জান ছুটানোর জন্য ট্যাক্স অফিসের খরচ এত টাকা?


নামাবলী

আশালতা এর ছবি
লিখেছেন আশালতা (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৬/২০১১ - ৭:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সুয়োরানীর হয়েছিল হাড় মড়মড়ে রোগ, আমার হল উদ্ভুট্টি কান কট কটে ব্যারাম । থেকে থেকে কানের ভেতর কটকট কটকট । কী যে জ্বালা । দেখেবেছে এক ডাক্তারের কাছে হাজির হলাম । দেখি বিরাট সাইন বোর্ডে বড় করে নাম লেখা, বুলন্দ্‌ চৌধুরী । বাহ, বেড়ে নাম । শুনতেই বেশ তেজিয়াল বোধ হয় । ভেতরে গিয়ে দেখি বেঁটে খাটো শুকনো চেহারার শ্যমলা রঙা অমায়িক বৃদ্ধ । মনে হল, যাহ্‌, নামকরণের সার্থকতা তো ঘটল না !


June 7th

পুঁজি পাচারঃ মাধ্যম সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক ফেসবুক

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৬/২০১১ - ৫:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছু দিন আগে টেলিভিশনে একটি অনুষ্ঠান দেখার সময় একটি মুঠোফোন কোম্পানীর বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। বিজ্ঞাপনটি ছিল এইরকম----একটি ছেলে চোখ কচলাতে কচলাতে ঘুম থেকে উঠলো, দাঁত ব্রাশ করল তারপর কম্পিউটারের সামনে বসলো। বসে ফেসবুক ওপেন করে নোটিফিকেশন দেখলো, মন্তব্য করলো এরপর বন্ধুদের সাথে chat করা শুরু করলো। একটু পর তার মুঠোফোনে রিং বেজে উঠলো এটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য যে তার ক্লাসের সময় হয়ে গেছে। এটা দেখে সে যারপরনা


স্বর্গ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৬/২০১১ - ৪:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

'দুইটা টাকা দেন গো স্যার', হঠাৎ তন্দ্রাটা চটে যায় মামুনের। জ্যামে প্রতিদিনই আটকে থেকে বাসে বসে বসে ক্লান্তিতে তন্দ্রা মতো এসে যায়। আজ যেন সেটা একটু বেশিই।

'দুইটা টাকা দেন গো স্যার, লেবুগুলা নিয়া যান, মিষ্টি লেবু'


উদার রয়েছি উদর মেলিয়া

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৬/২০১১ - ৩:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“ডাল ভাত তরকারি ফল-মূল শস্য,
আমিষ ও নিরামিষ, চর্ব্য ও চোষ্য,
রুটি লুচি, ভাজাভুজি, টক ঝাল মিষ্টি,
ময়রা ও পাচকের যত কিছু সৃষ্টি,
আর যাহা খায় লোকে স্বদেশে ও বিদেশে -
খুঁজে পেতে আনি খেতে - নয় বড়ো সিধে সে!”


আফ্রিকায় সন্ধ্যা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৬/০৬/২০১১ - ১০:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আফ্রিকায় সন্ধ্যা
- সুমাদ্রি শেখর।


অপারেশান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৬/০৬/২০১১ - ৬:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নির্দিস্ট দিনের স্নিগ্ধ সকালে,
সাজানো শয্যায় এই হাস্পাতালে,
ভয়ে ভয়ে ইস্টনাম, হটাৎ নিঝুম,
ঔষধের সেই বোধহীন ক্লান্তির ঘুম।


June 6th

কুদ্দুস

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৬/০৬/২০১১ - ৫:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অপরাহ্ণ সুসমিতো

স্টেশনে নামতেই টিকেটের সাথে স্টেশনের নামটা আবারো মিলিয়ে নিলাম । ভুরঘাটা । পুরানো ভাঙ্গাচোরা আদ্দিকালের এক স্টেশন,বাংলাদেশের আর পাঁচ দশটা রেল স্টেশনের মতোই । চারিদিকে পান বিড়ি পান শব্দের আনাগোনা । ভাবছি বেরিয়েই রিক্সা নেব । আপাতত সার্কিট হাউজ । সার্কিট হাউজে পৌঁছে চমৎকার এক গোসল,তারপর ধোঁয়া ওড়ানো ভাত,আহা,তারপর লম্বা এক ঘুম । এরকম ভাবতে দারুন এক আবেশ লাগে । এক পা সামনে বাড়াতে হঠাৎ পেছন থেকে কে যেন আমার ডাক নাম ধরে ডাক দিল । অবাক হয়ে গেলাম । এই অচেনা জায়গায় কে আবার আমার নাম ধরে ডাকে । পেছন ফিরে তাকাতেই দেখি অচেনা এক মানুষ । বিবর্ণ,বিভৎস পোশাক । ডান হাতের অর্ধেকটা নেই । প্যান্ট ময়লা,হরেক রঙের তালি । ফুল হাতা জামা,ডান হাতের অর্ধেক নেই বলে হাতাটা ঝুলছে । আমি তো অবাকে থ’ । ওই জায়গাটায় ঠায় দাঁড়িয়ে রইলাম । কে এই শ্রীমান ? একদম আমার ডাক নাম ধরে ডাকল ।


এত সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে... হে আল্লা...

মন মাঝি এর ছবি
লিখেছেন মন মাঝি [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৬/০৬/২০১১ - ৭:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify] মনটা খুব খারাপ। নির্ঘুম, বিষন্ন, ভারাক্রান্ত। কিছু বলার নেই, সবই তো জানা কথা – এত সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে... হে আল্লা...


গুরু, তোমায় সালাম

অমিত আহমেদ এর ছবি
লিখেছেন অমিত আহমেদ (তারিখ: সোম, ০৬/০৬/২০১১ - ৪:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নটরডেমে যারা পড়েছেন, বিশেষ করে যারা নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দিয়েছেন, তাদের অনেকেরই হয়তো গুরুর সাথে সাক্ষাতের সৌভাগ্য হয়েছে। আমার সাথে একাধিকবার হয়েছে।

একদম প্রথমদিনের কথা বলি, আমি এ. সি. দাস স্যারের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে রফিক মামুর টংয়ে বসে আছি। বাতেনী আলাপ হচ্ছে। দেখি গুরু একটা বোয়াম থেকে চকলেট বের করে নিচ্ছেন। পরনে রঙচটা ট্র্যাকস্যুট, টিশার্ট। খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি। মুখে "হারিয়ে গেছি" টাইপ হাসি। আমি অত্যধিক উত্তেজিত হয়ে পড়লাম। সে বয়সে কিছু মানুষের জন্য তীব্র শ্রদ্ধা, ভালোবাসা বহন করে ফিরতাম। তিনি শ্রদ্ধার সেই মানুষগুলোর তালিকায় ছিলেন একদম শুরুর দিকে।