Archive

January 27th

কলিকাতা পুস্তকমেলা - প্রথমদিনের এক ঝলক

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০১/২০১১ - ১২:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যথারীতি জানুয়ারীর শেষ বুধবারে শুরু হয়ে গেল কলিকাতা পুস্তকমেলা| কততম বর্ষ যেন?


PhD Comics: মেহেরজান

দ্রোহী এর ছবি
লিখেছেন দ্রোহী (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০১/২০১১ - ১০:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাবধান! খুব খিয়াল কইরা .....


শঙ্খজীবন

আশরাফ মাহমুদ এর ছবি
লিখেছেন আশরাফ মাহমুদ (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০১/২০১১ - ২:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শঙ্খজীবন
======

আঘাত করো ততো, এখন কতো সহজে হৃদপদ্মের পাশে
রোদ পোহায়ে চলে ব্যথার কুমির
নীলাভ সূর্যের যতো আলোকতৃষ্ণা সব বড্ড বেশি একপেশে
সুরের ভেতরে কোন রঙ জাগে অস্থির


রাসায়নিক প্রেমপত্র এবং শ্রমিক ব্যাকটেরিয়া

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি
লিখেছেন অনার্য সঙ্গীত (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০১/২০১১ - ১২:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জার্মান দূতাবাসের ভিসা অফিসার আমার কাছে জানতে চেয়েছিল অণুজীব সম্পর্কে এমন কোন তথ্য যেটা সাধারণ মানুষ জানে না। একটু ছেলেমানুষি ধরণের প্রশ্ন বটে। তবে আমিও ওনাকে ছেলেমানুষ (যদিও তিনি নারী ছিলেন! চোখ টিপি ) ধরে নিয়েই উত্তরটা দিয়েছিলাম।

-আপনার শরীরে যতগুলো কোষ আছে, অণুজীব আছে তার কমবেশি দশগুণ!


বাংলাদেশ- একটি গিনিপিগ!!

বাউলিয়ানা এর ছবি
লিখেছেন বাউলিয়ানা [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৬/০১/২০১১ - ৯:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
সম্প্রতি মেহেরজান চলচ্চিত্র নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে চারিদিকে। এই সমালোচনা যতটা না ছবির মেকিং বা টেকনিক্যাল দিক নিয়ে তার চেয়েও বেশি ছবির গল্প বা কাহিনী নিয়ে। এই চলচ্চিত্র বানিয়েছেন মূলতঃ একজন বাংলাদেশি যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী নারী মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ তথা বীরাঙ্গনাদের নিয়ে গবেবষনা করেছেন। তো এই গবেষনা হচ্ছে বাংলাদেশের বাইরে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বোধকরি সেই বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে চালিত হয়েছে এই গবেষনা। তার ফলস্বরুপ কাহিনীকার পাচ্ছে তার কাংক্ষিত ডিগ্রী- মাষ্টার্স বা পিএইচডি। সচল আনন্দী কল্যাণের পোষ্ট থেকে আমরা জেনেছি, লেখিকার প্রাপ্ত ডিগ্রীর বিষয়


ছেঁড়াদ্বীপের ভরা স্মৃতি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৬/০১/২০১১ - ৮:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সালেক খোকন

সূর্য ওঠার সাথে সাথেই তিন বন্ধু তৈরী হয়ে নেই। অরণ্য তখনও বিছানায়। ছেঁড়াদ্বীপে যাওয়ার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই তার। সবাই অরণ্যের ওপর মহাবিরক্ত হয়। সেন্টমার্টিনস এসেছি অথচ ছেড়াদ্বীপ যাব না! তাই কি হয়।
ছেঁড়াদ্বীপ নিয়ে কত কথাই না শুনে এসেছি। সেন্টমার্টিনসের আসল সৌন্দর্য নাকি সেখানেই। বড় বড় জল প্রবালের রাজ্য সেটি। আছে জীবিত ও মৃত প্রবাল। বড় বড় প্রবালের পরতে পরতেই সৌন্দর্য লুকানো। নীল আকাশের নিচে নীল সাগরের মাতামাতি। দূর প্রান্তর থেকে সাগরের নীলাভ ঢেউ নাকি আছরে পড়ে দুধ রঙ হয়ে। আরও কত কি! অরণ্যকে কটেজে রেখেই আমরা বেড়িয়ে পড়ি।


January 26th

ফিরে আসে স্বপ্ন, ফেরে না সে

শেখ জলিল এর ছবি
লিখেছেন শেখ জলিল (তারিখ: বুধ, ২৬/০১/২০১১ - ১০:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আদিগন্ত বিস্তৃত স্বপ্নীল মাঠের ওপারে
স্বপ্নঘুড়ি গোত্তা খেয়ে আছে পড়ে
অসহায় বালক শুধু দাঁড়িয়ে থাকে এপারে
দৃপ্ত হাতে টানে তার ঘর্মাক্ত লাটাই
পড়ন্ত বিকেলে কোনো এক ভিন্ন পরিবেশে।


স্মৃতির ময়ুখ তবু জ্বলে ওঠে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৬/০১/২০১১ - ৯:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইতি উতি আলোকবাজি, কীসের আমোদ প্রমোদ।
জানিনাতো। আমার বিমর্ষ ঘুনপোকারা জানে
হয়তো ছিলাম
ছিলোনা জং পোড়া ঝরাপাতার মিছিল
একটু একটু করে রানী সাদা ঘাঘরায়
নিমীলিত চোখের চোরাবালিতে


রুবাইয়াত যা বলতে চেয়েছে

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: বুধ, ২৬/০১/২০১১ - ৫:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

১.
প্রথম আলোতে "মেহেরজান" চলচ্চিত্রের পরিচালিকা রুবাইয়াত হোসেন একটি আর্টিকেল লিখেছেন, "মেহেরজান যা বলতে চেয়েছে" শিরোনামে। আমি মেহেরজান চলচ্চিত্রটি দেখার সুযোগ পাইনি, কিন্তু রুবাইয়াতের আর্টিকেলের পিচ্ছিল দিকগুলো পড়ে সেগুলো নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই।

রুবাইয়াত লিখেছেন,


এ শহরে মানুষ হারিয়ে গেলে

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি
লিখেছেন আনোয়ার সাদাত শিমুল (তারিখ: বুধ, ২৬/০১/২০১১ - ২:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুল জীবন থেকে রেডিও শোনার ব্যাপক শখ আমার। রেডিও’র নানান অনুষ্ঠানে চিঠি লিখতাম, নাম শোনার অপেক্ষা করতাম। এসব স্মৃতি নিয়ে লেখার ইচ্ছেটা এখনো আছে, লিখবো আগামীতে। কৈশোরের সে সময়ে রেডিও বাংলাদেশ ঢাকা-খ চ্যানেলে দুপুর একটার ইংরেজী সংবাদের পরে থাকতো ‘নিখোঁজ সংবাদ’। হারিয়ে যাওয়া মানুষের সন্ধান বিজ্ঞপ্তি। ধীর উচ্চারণে জানানো হতো – কে কখন হারিয়ে গেছে, বয়স কতো, হারিয়ে যাওয়ার সময় গায়ে কী রকম পোশাক ছিল, কোন ভাষায় কথা বলে; এসব। বেশিরভাগের বয়স ছিল দশের নিচে। আম্মা আমাদের বলতেন, এদেরকে ছেলে-ধরা নিয়ে গেছে।
হয়তো ভয় দেখাতে বলতেন, যাতে খেলতে গেলে সাবধানে থাকি, চকলেট দেখিয়ে ডাকলে কারো সঙ্গে কোথাও না যাই...।