Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

দেশবিদেশের উপকথা- সাতমাথা সাপ (দক্ষিণ আফ্রিকা)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: বুধ, ০৭/০৮/২০১৩ - ৮:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দক্ষিণ আফ্রিকার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ক্ষোসা(Xhosa) জাতির আদি নিবাস ছিল, এই উপকথা তাদের।
এখানে প্রথম অংশ

তারপরে দিন যায়, রাত কাটে। মঞ্জুজা খুব সতর্ক থাকে গোলাঘরের ব্যাপারে, সব সময় তালা বন্ধ করে চাবি নিজের সঙ্গে রাখে। সকালে কাকপক্ষীর ঘুম ভাঙার আগে সে গোলাঘর খুলে সাতমাথা সাপকে খাইয়ে দাইয়ে তারপরে আবার দরজা বন্ধ করে রাখে।


'সিংঘ'-কথন

মর্ম এর ছবি
লিখেছেন মর্ম [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৭/০৮/২০১৩ - ৪:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চশমাপড়া 'সিংঘ'টি, তার বেজায়রকম রাগ,
মেজাজখানি খিঁচড়ে গেলেই ডাইরিতে দেন দাগ,
নখ কেটেছেন, তাইতে কলম, ঝড় বয়ে যায় হাতে,
সকাল সকাল, ভরদুপুরে কিংবা গভীর রাতে!

'সিংঘ'টি বেশ গান শুনিয়ে, কানের ফুটোয় গুঁজে,
গান ভেজে যান গুনগুনিয়ে চক্ষুদুটি বুজে!
সিনেমাখোর গভীর রাতে আয়েশ করে শুয়ে,
দিব্যি গেলেন চলচ্ছবি আর বাকিসব থুয়ে!

ইচ্ছে হলে 'সিংঘ' গিয়ে চুলোয় আগুন জ্বালেন,
নখর দিয়ে ডেকচি ধরে তাইতে পানি ঢালেন,
দুগ্ধ মেশান আর চা/কফি, শুধান এসে কাছে,
"চিনির কিছু কম হল? না এক্কেরে ঠিক আছে!"


এসো জ্ঞান বৃক্ষের বাষ্পীয় বাগানে

আয়নামতি এর ছবি
লিখেছেন আয়নামতি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৭/০৮/২০১৩ - ৪:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পেটের মধ্যে বিকট সাইজের জ্ঞান থাকলে তাকে বলে বিজ্ঞানী। বুঝলেন আমার জ্ঞানের কথাটা?


মহামানবিক ভুল অথবা দুঃস্বপ্নের গল্প

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০৮/২০১৩ - ৯:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।
আজকের দিনটা বড্ড মনখারাপের। বাংলা দিনপঞ্জির দিকে তাকালে জ্বলজ্বল করে তাকিয়ে থাকে মনখারাপ করা একটি তারিখ- বাইশে শ্রাবণ। রবি বুড়ো যতই বলে যান না কেন- “তখন কে বলে গো, সেই প্রভাতে নেই আমি”, এই দিনে বুড়োর ছবির দিকে তাকালে আনমনে ঠিকই সুর বেজে ওঠে- “তুমি কি কেবলই ছবি? শুধু পটে লিখা!” যাকগে, বাংলা তারিখ দেখে উদাস মনে বুড়োর পাঁচালি গাইতে আসিনি। মন খারাপ হয়েছিল আসলে ইংরেজি ক্যালেন্ডার দেখে- যেখানে ধুলো আর ছাইয়ের পটভূমিতে জ্বলছে- ছয় আগস্ট। ১৯৪৫ সালের এই দিনটিতেই “এনোলা গে” বিমানের চালক আলতো করে ছেড়ে দিয়েছিলেন “ছোট্ট খোকা”। সৃষ্টি হয়েছিল গত শতাব্দীর ভয়াবহতম মানবিক বিপর্যয়ের, যার অংশীদার রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত।


আওরঙ্গকথা

লুৎফর রহমান রিটন এর ছবি
লিখেছেন লুৎফর রহমান রিটন (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০৮/২০১৩ - ১০:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে চায়ে চুমুক দিতে দিতে ল্যাপটপ ওপেন করতেই নিউজ ফিডে আওরঙ্গের ছবিটা ভেসে উঠলো। হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গ। সন্ত্রাসী ছাত্রনেতা হিশেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি অর্জনকারী একজন বঙ্গবন্ধু প্রেমিক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মহসিন হলে আড্ডা পেটাতে গিয়ে আওরঙ্গ সম্পর্কে কতো কাহিনি যে শুনেছি!


দেশবিদেশের উপকথা- সাতমাথা সাপ (দক্ষিণ আফ্রিকা)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০৮/২০১৩ - ৩:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দক্ষিণ আফ্রিকার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ক্ষোসা(Xhosa) জাতির আদি নিবাস, এই উপকথা তাদের।

এক গ্রামে এক ভারী সুন্দরী মেয়ে ছিল, নাম তার মঞ্জুজা। বালিকাবেলা থেকেই সে ছিল সঙ্গীতে আর নৃত্যে খুবই দক্ষ। আশেপাশের পাঁচটা গ্রাম থেকে বিবাহাদি আনন্দানুষ্ঠানে তার নৃত্যের অনুরোধ আসতো। মঞ্জুজা নিয়মিত নানা বিবাহ আসরে নৃত্যের আহ্বান পেয়ে যেত, আনন্দের সঙ্গে নৃত্য প্রদর্শন করতো।


ক্ষমা

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০৮/২০১৩ - ২:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পোল্যান্ডের এক ইহুদিকে একবার ফ্লোরেন্স যাওয়ার পথে ট্রেণে একথা ওকথা অনেক কথার পর জিজ্ঞেস করেছিলাম, '' আচ্ছা স্যার, আপনারা কি নাজীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন?


ওই দূর পাহাড়ের ধারে, দিগন্তেরই কাছে……

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৫/০৮/২০১৩ - ৫:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কাম্পোফনতানা(campofontana)এক পাহাড়ি জনপদ যেখানে একাধিক গুচ্ছগ্রাম(contrada)মিলিয়ে সর্বমোট ১১২ জন মানুষের বসবাস। পাহাড়ের ঢালে ৫/৬টি পরিবার নিয়ে গড়ে উঠে এক গুচ্ছগ্রাম। জীবিকার তাগিদে এই পরিবারগুলি বংশ পরস্পরায় করে আসছে পশুপালন আর কৃষিকাজ। আদিম এই পেশায় নেই কোনও ধরাবাঁধা ঘণ্টাসূচী, শহুরে মানুষদের মতন উইকএন্ডের সকালে লেপমুড়ি দিয়ে বিছানায় একটু আড়মোড়া দেয়ার অবকাশ নেই কাম্পোফনতানাবাসির। দুধ ধোয়াতে উঠতে হবে বছরের প্রতিটি দিন ভোরের আলো না ফুটতেই।


পাওলো কোয়েলহো'র গল্প

সুবোধ অবোধ এর ছবি
লিখেছেন সুবোধ অবোধ (তারিখ: সোম, ০৫/০৮/২০১৩ - ১১:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লাল চুলের একজন জার্মান ছাত্রী তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া তে ঢুকল হন্তদন্ত হয়ে। কাউন্টার থেকে মেন্যু পছন্দ করে বিল চুকিয়ে গিয়ে একটি টেবিলে বসল সে। খাওয়া শুরু করতে গিয়ে তার খেয়াল হল যে সে কাটা চামচ আনতে ভুলে গিয়েছে। অগত্যা তাকে উঠতে হল কাটা চামচ নেয়ার জন্য। “আমার কাটা চামচ টা প্লিজ”-কাউন্টারে গিয়ে হাসি মুখে বলল সে। কাউন্টারে থাকা লোকটিও তাকে হাসি ফিরিয়ে দিয়ে কাটা চামচ দিয়ে দিল।