হালুম হুলুম হালুম হুলুম
ঐ এলো রে মামা
পরেছে সে কালোর সাথে
হলদে ডোরার জামা।
বিদেশে অনেকগুলো বছর কাটানোর পর অল্পদিন হলো আবার ফিরে এসেছি ঢাকায়। নিজ জন্মস্থানের প্রতি আকর্ষণ কী কখনো মলিন হয়?
[justify]ক্যাক ক্যাক শব্দ করে কনভেয়ার বেল্ট চালু হলো। একে একে নানান রকম ব্যাগ আসছে। কিন্তু আমারটার হদিশ নেই। এর আগেও এমন হয়েছে, আমি পৌছে গেছি এক দেশে। আর আমার তল্পি-তল্পা আরেক দেশে। সেইসব স্মৃতি আর সম্ভাব্য দুর্ভোগের আশঙ্কায় বেশ টেনশিত বোধ করছি। আর তখনই খেয়াল করলাম, এই কনভেয়ারবেল্টটা অদ্ভুত। ঢাকার শাহজালাল, বা সিঙ্গাপুরের চেঙ্গি এয়ারপোর্টের বেল্টগুলো ছোটো ছোটো রবারের ফালি দিয়ে তৈরি। এখানে,
প্রয়াত লেখক হুমায়ুন আজাদ লেখেছিলেন, "আমি পাকিস্তানিদের কখনই বিশ্বাস করি না, যখন তারা গোলাপ ফুল হাতে নিয়েও আসে।"
সে অনেকদিন আগের কথা। দূর দক্ষিণের এক ছোট্টো সবুজ শহরে তখন থাকতাম। আপনদেশের মাঠের থেকে শিকড়সমেত উপড়ে নেওয়া একলা একটা গাছের মতন গিয়ে সেখানে যখন প্রথম নামলাম, তখন ঘোর শীত। গাছপালা বেশীরভাগই পাতাহীন বিবর্ণ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। শুধু চিরসবুজ পাইনেরা সবুজ করে রেখেছে শহরের আকাশরেখা। তারপরে প্রকৃতির অনিবার্য নিয়মে সূর্য সরে গেল উত্তরে, হয়তো কোনো দূর কাননের কুন্দকলি করুণ চোখে শেষ চাওয়া চেয়ে নিয়ে ঝরে গেল ধূলায়।
আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই
আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি
ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে…
এ দেশ কি ভুলে গেছে সোই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়?
বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে
মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ।( রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ)
মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি ক্ষুদ্র ছবি ব্লগ।
এক বীর যোদ্ধা আরেক আহত বীর যোদ্ধাকে কাধে করে নিয়ে যাচ্ছে।
ক্রোনাসসহ তাঁর বার ভাই-বোনকে বলা হয় প্রথম যুগের টাইটান। সাধারণ অর্থে তাদের যে সন্তান-সন্ততি জন্মগ্রহন করেছিলেন, তাদেরকে বলা হয় দ্বিতীয় যুগের টাইটান। এই হিসেবে ক্রোনাস এবং রিয়ার ছয় সন্তানকেই দ্বিতীয় যুগের টাইটান বলা উচিত ছিলো, কিন্তু অলিম্পাস পাহাড়ে অবস্থানের কারণে তাদেরকে বলা হয় অলিম্পিয়ান। আবার টাইটান ওসেনাস এবং টেথিসের সন্তান তিন হাজার নদী দেবতা এবং তিন হাজার ওসেনিড নিম্ফকেও টাইটান বলা
[justify]গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে আরেকটি বিতর্ক গ্রামীণের মালিক কে? ছোট উত্তর, সরকার এবং গ্রামীণের ঋণগ্রহীতা সদস্য যারা ১০০ টাকা দিয়ে গ্রামীণের শেয়ার কিনেছেন। লম্বা উত্তরের জন্য বাকিটুকু পড়তে পারেন। টার্মিনোলজি রিভিউ দিয়েই শুরু করি।
[justify]
পরিচিত বহু লোকজনের মতে এ অধম মেয়ে হিসেবে তৃতীয় শ্রেণী [রান্নাবান্না পারে/ করে না,
মুরাদ টাকলা/সানি লিওনকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেয় না, শ্যাডো-লিবিষ্টিক মাখে না, কালেভদ্রে আইলাইনার লাগাতে গেলেও ছড়িয়ে ফেলে]
আর কলিগ/ টিম মেম্বার হিসেবে প্রথম শ্রেণীর।
মানুষ হিসেবে কেমন, হেইডা কেউ কয় না। এখনো হইনি বোধহয়।
[justify]ফেসবুকে আজ এক নেটাতো বন্ধু ( যার লেখার আমি একজন বড় ভক্তও) দেখি অন্যতম প্রিয় সায়েন্স ফিকশন লেখক রে ব্র্যাডবেরীর একটা কথা উদ্ধৃতি দিয়েছে। কথাটা হলো –
You don’t have to burn books to destroy a culture. Just get people to stop reading them