Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

আত্মজীবনী

ইউরোট্রিপঃ যাত্রা হল শুরু

গৃহবাসী বাউল এর ছবি
লিখেছেন গৃহবাসী বাউল [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৯/০১/২০১৩ - ১১:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগে যেখানে থেমেছিলাম

“"এয়ারপোর্টে পৌঁছে চেক ইন সহ আরও কাজ শেষ করে উঠে গেলাম প্লেনে বিনা ঝামেলায়। সিটে বসতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ, চোয়াল ঝুলে মাটিতে। এ আমি কি দেখছি?? এও কি সম্ভব??"”


নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নে> প্রভুর প্রস্থান

লুৎফর রহমান রিটন এর ছবি
লিখেছেন লুৎফর রহমান রিটন (তারিখ: সোম, ১৭/১২/২০১২ - ১২:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(২০০১ থেকে আমি দেশান্তরি। আমার প্রবাসকালে অনেক প্রিয় মানুষ চলে গেছেন আকাশের ঠিকানায়। সেইসব মানুষকে নিয়ে আমার স্মৃতিগদ্যের বই ‘নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নে’ প্রকাশিত হচ্ছে একুশের বইমেলায়। সচলায়তনকে কথা দিয়েছিলাম প্রভুকে নিয়ে একটা স্মৃতিকথা লিখবো। প্রভুর মৃত্যুর পর তাৎক্ষণিক বিহবলতা কাটিয়ে লিখতেও বসেছিলাম। কিন্তু লেখাটা শেষ করতে পারিনি। আজ শেষ করলাম।)

প্রভুর প্রস্থান


ইউরোট্রিপঃ যাত্রা শুরুর আগে- ২

গৃহবাসী বাউল এর ছবি
লিখেছেন গৃহবাসী বাউল [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৮/১০/২০১২ - ২:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগে যেখানে থেমেছিলাম

"এই দিকে এতকিছু হয়ে গেল, কিন্তু আমার ভিসা এখনও এলনা। এরি মধ্যে শুরু হল কানাডা পোষ্ট-এর অনির্দিষ্টকালীন ধর্মঘট ও কর্মবিরতি। আমার তো পুরাই মাথায় হাত। ভিসা আসার সম্ভাবনা যাও ছিল, ধর্মঘট তার পুরাটারেই বোঙ্গা বোঙ্গা করে দিল। আমি প্রতিদিন বাসায় ফিরে মেইলবক্স খুলে দেখি, আর প্রতিদিন হতাশ হই। অইদিকে পায়ে পায়ে এগিয়া আসছে কনফারেন্সের সময়।"


ইউরোট্রিপঃ যাত্রা শুরুর আগে- ১

গৃহবাসী বাউল এর ছবি
লিখেছেন গৃহবাসী বাউল [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৬/১০/২০১২ - ৯:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সবার মত আমিও যখন ছোট ছিলাম, তখন বিদেশে পড়ালেখার স্বপ্ন দেখতাম। তারপর যখন এক সাইজ বড় হলাম, তখন বিদেশে পড়ালেখার পাশাপাশি আরো বেশি বেশি বিদেশ ঘুরার স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম। এইভাবে বহু ভাল স্বপ্ন আর দোষীস্বপ্ন দেখতে দেখতে একদিন উড়াল দিলাম হাড্ডিকাঁপানো ঠান্ডার দেশ কা...দা...*আকিং...নাডা’র দিকে। তারপর থেকে দিনে কয়েকবার করে আল্লাহ্‌র কাছে মাফ চাই, কেন তুমি আমারে এইখানে আনলা। আর আনলাই যখন একটা বিদেশ


মোহাম্মদের উত্থান

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব বর্ণন (তারিখ: রবি, ২৩/০৯/২০১২ - ১২:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মোহাম্মদ জবুথবু হয়ে ল্যাবের সোফায় বসে আছে। ঝিমুচ্ছে। কানাডা সরকার ইরানের দূতাবাসকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এমন দুঃসময়ে বেচারার ইরানী পাসপোর্ট হারিয়েছে, আরো হারিয়েছে কানাডার স্টাডি পারমিট। বাস্তবতার কড়াঘাতে সে মূহ্য।

আমি একটা ফোনের জন্যে অপেক্ষা করছি। এই ঘনঘোর দুঃসময়ে মোহাম্মদ নিশ্চয়ই আগের মতো বিনা নোটিশে দার্শনিকতা কপচানো শুরু করবে না। এই ভরসায় সোফার অন্য প্রান্তে গিয়ে বসলাম। মোহাম্মদের ক্লান্ত বন্ধ চোখটা মুহূর্তে খুলে গেলো। ধীরে ধীরে ঘাড়টা ঘুরালো আমার দিকে। আমি মুখে হাসি নিয়ে ভয়ে ভয়ে তাকালাম।


পাঠশালা বা কামারশালা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৭/০৯/২০১২ - ৮:০৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


ম্যামের হাতে ডাস্টার ছিলো ছুড়ে মেরেছে
উঃ বড্ড লেগেছে।


যত্রতত্র কয়েক ছত্র> আমি আমার ভাতিজার রিটন ভাই!

লুৎফর রহমান রিটন এর ছবি
লিখেছেন লুৎফর রহমান রিটন (তারিখ: রবি, ০২/০৯/২০১২ - ১০:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চাচ্চু ওর নাম নয়। কিন্তু আমরা সবাই ওকে চাচ্চু নামেই ডাকি। কারণ সালাম সালাম হাজার সালাম গানের প্রখ্যাত গীতিকার ফজল-এ-খোদার পুত্র সে। ওর বাবা আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় ভাই।ভাইয়ের পুত্র হিশেবে ও আমাদের ভাতিজা।আর ভাতিজা আমাদের চাচ্চু ডাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক।কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, গায়ে গতরে উচ্চতায় ভাতিজা আমাদের সমান সমান আকার ধারণ করলেও ওর আচরণ বাবুসোনা টাইপের। বয়স বাড়ছে কিন্তু ভাতিজা আমাদের বড় হচ্


আ স্ট্রেনজার ইন মাই ওন কান্ট্রি ইস্ট পাকিস্তান, ১৯৬৯-১৯৭১ মেজর জেনারেল (অবঃ) খাদিম হুসেইন রাজা -- ৪র্থ পর্ব

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: বুধ, ২৯/০৮/২০১২ - ১০:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৪র্থ পর্ব
৭০ এর নির্বাচনের ভূমিকা

১৯৬৯ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝিতে আমি মেজর জেনারেল মুজাফফরউদ্দীন এর স্থলাভিষিক্ত হবার জন্য ঢাকায় রওনা হলাম। আমার এই নতুন পদের সাথে আমাকে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান অঞ্চলের দায়িত্বও গ্রহণ করতে হবে।


নির্ঘুম স্বপ্নের দেশ থেকে স্বপ্নহীন ঘুমের দেশে একজন মিনার মাহমুদ

লুৎফর রহমান রিটন এর ছবি
লিখেছেন লুৎফর রহমান রিটন (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১২ - ৫:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মিনার মাহমুদের মতো একজন লড়াকু মানুষ আত্মহত্যা করবেন এটা মানতে এখনো কষ্ট হচ্ছে। তাঁর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ‘আত্মহত্যা’ ব্যাপারটা যায় না। কী বর্ণাঢ্য একটা জীবন ছিলো তাঁর! য়্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ এরকম বর্ণিল জীবন আমাদের প্রজন্মের আর কারো তো ছিলো না! বিশেষ কোনো একটি অভিধায় বিশেষায়িত করা যায় না তাঁকে। তাঁর চরিত্রের মধ্যে একই সঙ্গে দায়িত্বশীলতা এবং কাণ্ডজ্ঞানহীনতার অপূর্ব মিশেল ছিলো। যে কারণে মিনারকে আমার আনপ্রেডিক্টেবল মনে হতো সব সময়। আমাদের প্রজন্মে মিনার মাহমুদ ছিলেন কীর্তিমান এক রহস্যপুরুষ। যে রহস্যের সিংহভাগই চির অনুদ্ঘাটিতই থেকে গেল।