Archive - জ্যান 1970

তারিখ
  • সব
  • জ্যান
  • ফেব
  • মার্চ
  • এপ্র
  • মে
  • জুন
  • জুল
  • আগ
  • সেপ
  • অক্টো
  • নভ
  • ডিস
  • সব
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
ধরন

May 11th

গর্দভদোহন সমাচার

অকুতোভয় বিপ্লবী এর ছবি
লিখেছেন অকুতোভয় বিপ্লবী (তারিখ: শুক্র, ১১/০৫/২০১২ - ১:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অতপর গর্দভকুলের প্রতিনিধি সদম্ভে কহিল,
"চৌধুরী সাহেব, গর্দভ হইতে পারি, কিন্তু আমাদিগেরও দুগ্ধ হইয়া থাকে।"


আমার গাছে ফলছে কাঁঠাল তোমার গোঁফে তেল

সৈয়দ আখতারুজ্জামান এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ আখতারুজ্জামান (তারিখ: শুক্র, ১১/০৫/২০১২ - ১:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই রক্ত ক্ষরণের দিনে
বলার শক্তিও রুদ্ধ হয়ে আসে
চোখের দৃষ্টি সবার মতো আমারও ঝাপসা এখন
যখন ষ্পষ্ট ছিলো তখনও
তোমাকে দেখতে শুয়োরের চেয়ে বেশি সুন্দর লাগেনি
তুমি দারুণ বাক ভঙ্গিমায় যখন
বেশ্যাকে মায়ের কাতারে তোলো
কী দারুণ শব্দমালা!
এবং মাকে যখন বেশ্যার কাতারে নামাও?
তোমার দক্ষতা সর্বত্র সমান!
তুমি আমাদের পথের দিশারী
শব্দের আতসবাজিতে জনসভা পুড়িয়ে করো খাক

আমাদের চোখে ঠুলি পরাও


প্রফেসরের মৃত্যুরহস্য

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৫/২০১২ - ১১:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফোনটা দুবার বেজে উঠতেই বিরক্তি সহকারে কানে লাগালেন উত্তরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুল আলম, ওপাশ থেকে সহকর্মী আহসান এর গলা ভেসে এলো।


অন্ধত্বের পরজীবী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৫/২০১২ - ১০:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড

তারেক অনুর লেখা "শুভ জন্মদিন ডেভিড অ্যাটেনবোরো" পড়ছিলাম,একটা জায়গায় এসে চোখ আটকে গেল,তুলে দিলাম সরাসরি,যদি না আমাকে কপি পেস্ট মামলায় ফাঁসানো না হয়।

- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড

তারেক অনুর লেখা "শুভ জন্মদিন ডেভিড অ্যাটেনবোরো" পড়ছিলাম,একটা জায়গায় এসে চোখ আটকে গেল,তুলে দিলাম সরাসরি,যদি না আমাকে কপি পেস্ট মামলায় ফাঁসানো না হয়।


গল্প আর ছবিঃ মধ্যবয়স

তাসনীম এর ছবি
লিখেছেন তাসনীম (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৫/২০১২ - ১০:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
বার্ধক্যের সাথে নিজের বয়সের যোগসূত্র আছে কোথাও। সেদিন এক আড্ডায় বলে বসলাম...আরে ঝন্টু ভাই, উনিতো ইয়াং লোক আমাদের কয়েক বছরের সিনিয়ার, বয়স মাত্র ৪৬। সোভিয়েত রাশিয়ার পলিটব্যুরোর তরুণ নেতাদের বয়সই হতো ষাট। সাতচল্লিশ বেশ তরুণই বলা চলে। বন্ধুরাও সবাই একমত হলো তাতে। আমাদের বয়স যতই বাড়ছে, তারুণ্যের সিলিং ততই বেড়ে যাচ্ছে। চল্লিশ পার হওয়ার পরে মনে হয় ষাট পর্যন্ত মানুষ ছোকরা থেকে যায়। আর ত্রিশ বছর বেচে থাকলে হয়ত আশিকেও যুবক যুবক লাগবে। মনে মনে কেউ নিজেকে বুড়ো ভাবে না বোধহয়।


মিষ্টি মুখ -০২

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৫/২০১২ - ৯:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লেখালেখি শুরু করলেই এক মহা মুশকিল। বিভিন্ন জিনিস মাথায় এসে উঁকি দেয়, এ বলে আমায় লেখ, ও বলে আমায়। আর লেখা শুরু করলে তখন সবাই আবার হারিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ডজন খানেক আধা খ্যাচড়া লেখা পড়ে থাকে, কোনটাই শেষ হয়না। ইদানীং আবার লেখাগুলি হয় হস্তি-সম। তাই আরও গোটাকয়েক এসো নিজে করি ঝুলে আছে, শেষ হবো হবো করেও শেষ হচ্ছে না। লাইনে আছে ফাতরা কিছু অণুগল্প, লাইনে আছে জগা মিয়া , ঝুলে আছে সাহিত্যিক। অ


মধুমাসে নানা বাড়ী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৫/২০১২ - ৯:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তখন চৈত্র মাসেই স্কুল হয়ে যেত মর্নিংস্কুল। সকাল আটটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত। দুপুরে দাপিয়ে সাতারের যো ছিলো না, গরমে পানি শুকিয়ে যাওয়া পুকুরে। তবুও স্কুল যতদিন চলতো, রুটিন থাকতো, হারিকেনের আলোয় গোল হয়ে বসে হোম ওয়ার্ক করতে হোত। তারপর গরমের ছুটির দিন স্কুলে হোত উৎসবের মত, সব্বাই বাসা থেকে ক্লাস টিচারের জন্য আনতো উপহার। সেবার শেফালি দুই রঙের জামরুল দিয়ে চমৎকার এক মালা গেঁথে নিয়ে এলো, সেটা


জামিল ও অদৃশ্যমানব

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৫/২০১২ - ৯:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ল্যাবরেটরিতে বসে একমনে কাজ করছেন ড. জামিল। হঠাৎ জগমোহন ঢুকল। জামিল মুখ তুলে তাকালেন ওর দিকে।
'সাহেব, ভীমকে দেখেছেন?' ওর চেহারায় উৎকণ্ঠা।
'না।' এক শব্দে জবাব দিলেন জামিল।
'সকাল থেকে ওকে খুঁজে পাচ্ছি না। কোথায় যে গেল!'
'চিন্তা করো না জগমোহন। সেখানেই থাক, ঠিক ফিরে আসবে।'


গণ্ডির বাইরে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৫/২০১২ - ৭:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify][justify][left][center][justify]আজকাল মেয়েটি একদম চুপচাপ থাকে। অফিস থেকে বাসায় ফেরার পর টুকটাক কিছু কথাবার্তা বলার পরেই হটাত করেই চুপ হয়ে যায়। কেমন যেন একটা অদ্ভুত নিরব অন্ধকার এসে গ্রাস করে নেয় তাকে। ছেলেটি বুঝতে পারে তার মনের মধ্যে একটা ঝড় উঠবে যে কোন মুহূর্তে। কিছুক্ষন চেষ্টা করে একটু ভাল রাখার, কিন্তু যখন দেখে মেয়েটি তাকে বুঝতে দিতে চায় না, তখন আস্তে আস্তে নিজেকে গুটিয়ে নেয়, সময় দেয় ম