চমকে উঠলাম। ছবির দ্বিতীয় দৃশ্যটা দেখেই। যেমন চমকে উঠেছিলাম তিলোত্তমা মজুমদারের ‘শামুকখোল’ উপন্যাসটা পড়ে। জীবনটাই একটা পরিহাস। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কি বেঁচে থাকে? একটা শূন্যতা, একটা অমলিন বোধ কিংবা একটা অলিখিত প্রত্যয়। সেই বোধ নিয়েই নির্মিত হয় একটা নোংরা মেয়ের জীবনের ভাঙা গড়ার ইতিহাস।
জার্মানি থেকে গাড়ী চালিয়ে বেলজিয়ামের দিকে যাচ্ছি, পথে মধ্যাহ্ন ভোজনের জন্য থামা হল গাছপালা ঘেরা, পাখির ডাক ভেসে আসা এক নির্জন মেঠো জায়গায়, যেখানে আমাদের মত ভবঘুরেদের যাত্রাপথে পেটপূজার সুবিধার্থে গোটা কয়েক কাঠের বেঞ্চি বসানো আছে। সেখানে বাক্স-পেঁটরা খুলে রুটির উপড়ে পুরু করে জ্যাম লাগাতে লাগাতে পরবর্তী গন্তব্যের সুলুক সন্ধানে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। যদিও ঠিক করাই আছে সীমানার ঠিক কাছেই ত্রিয়ের শ
২২ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখের কালের কণ্ঠে প্রকাশিত একটা খবর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে এবার এমপি কোটা! দেখে চোখ আটকে গেল। ভাবলাম ব্যাপারটা এঁকে দেখলে কেমন হয়। তাই আঁকলাম নিজের মত করে।
[justify]
প্রেমে পড়লে সবাই কম বেশি রঙ বদলায়। শিখে নেয় নানারকমের ছলাকলা। মেয়ে পটাতে কত রকম কসরত করে নিঃসঙ্গ পুরুষ! স্তুতির জোয়ারে ভেসে যায় কবিতা, গান, ছবি। বদলে যায় চুলের দৈর্ঘ্য, শার্টের ছাট। মেয়েদেরও সাজ পালটে যায়। চোখে কাজলের রঙটা গাঢ় হয়, হাসিটা তীক্ষ্ণ, টিপটা আরেকটু লাল।
মিন্টু সাহেব একটা গাড়ি কিনেছেন। লাল রঙের।
উপায় ছিল না। বউ হাউকাউ করছিল বেশ কিছুদিন থেকে, তুমার মতো একটা মাথামোটা লুকের লগে থাইকা আমার জীবনটা শ্যাষ! সবার কতকিছু আছে, আমগো একটা গাড়ি পর্যন্ত নাই! কোনো মানইজ্জতই নাই আমাদের!
হাউকাউ করাই স্বাভাবিক। গ্রামের মেয়ে। অনেক আশা নিয়ে এসেছিল। শহরের এক ছেলে জামাই। গ্রামের অন্য মেয়েরা হিংসার মাতম তুলে বলেছিল, কফালডা তুর চিরকালই ভালা রে সাবরিনা!
..................
আজ থেকে চারশ বছর আগে ১৬০৭ সালে ফ্রাসোঁয়া পিরার্দ ঘুরতে ঘুরতে আমাদের চট্টগ্রাম আসেন। ফরাসী নাগরিক ফ্রাসোঁয়ার জবানীতে আমার পূর্বপুরুষের কথা শুনতে মন্দ লাগেনা কিন্তু।
সম্প্রতি বিডিনিউজ২৪ ডট কমের কর্ণধার তৌফিক ইমরোজ খালিদী রাজনীতিকদের প্রতি ব্লগ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন [১]। তার নিজেরই প্রতিষ্ঠানে প্রকাশিত সংবাদ থেকে উদ্ধৃত করে তার কিছু কথা আমরা মনোযোগ দিয়ে পড়ে দেখতে পারি।
প্রাপ্তিস্থান : ট্যাং ডাইন্যাষ্টি, চায়না। সময়কাল : ৬১৮ - ৯০৭ সাল
ছবি : আর্ট ইন্স্টিটিউট অব শিকাগো থেকে সংগৃহীত।
সিলেবাস বা কারিকুলাম ডিজাইনে একজন শিক্ষকের ভূমিকা খুবই গুরুত্তপূর্ন। আমি যখন ছোট ছিলাম, আমাদের শিক্ষক/শিক্ষিকারাই আমারা কি পড়ব, কিভাবে পড়ব তা ঠিক করে দিতেন। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই একটি পাঠ পরিকল্পনা থাকে এবং তা মানা হয়। হয়ত ছোটখাট কিছু অদল-বদল হয়। কিন্তু মূল পরিকল্পনা একই থাকে। মুলত এই পাঠ পরিকল্পনা দেশের মূল শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে মিলিয়েই করা হয়।
সেই ২০০৯ সালের জুলাইয়ে সচলে "আরেকটি পৃথিবী" নামে একটি ধারাবাহিক রচনা শুরু করেছিলাম। আজকে সেটা ঘাঁটতে গিয়ে মনে হল কতদিন পার হয়ে গেছে। যাহোক, দেরি করে হলেও সেই প্রাচীন ধারাবাহিক আবার শুরু করলাম এই লেখার মাধ্যমে। কারণ গতকাল যা ঘটেছে তার পরে সেটি শুরু না করলে অপরাধ হবে। গতকাল নাসা-র এইমস গবেষণা কেন্দ্র পৃথিবীতুল্য আকারের দুটি বহির্গ্রহ আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। বাসযোগ্য না হলেও এই ঘটনায় যথেষ্ট উৎফুল্ল