১৯৬২ সালের এক ছয় বছরের অনুসন্ধিৎসু বালকের কথা বলি। ডাক্তার বাবার ব্যাগ থেকে সবক’টা থার্মোমিটার হাতুড়ি দিয়ে ভেঙ্গে যে দেখতে চেয়েছিলো, পারদ কি জিনিস! রেডিওতে গান শুনে শুনে বাবার কাছে প্রশ্ন করে বসলো, সব গানগুলোর এই ‘তুমিটা’ কে বাবা? মাকে বান্ধবীদের কাছে গল্প করতে শুনে যে তার জন্ম হয়েছে আটমাসে আর বড়ভাইটির সাতমাসে, মাকে অপ্রস্তত করে শুধিয়ে, কোন্ দিন থেকে আটমাস গুণেছিলে মা?
"কত টাকা হলে চলে?"-- প্রশ্নটা কি অবান্তর?
কারো কাছে হয়তো অবান্তর, কারো কাছে নয়। জীবন ধারণ করতে কত টাকা দরকার তার কোন সঠিক উত্তর সম্ভবত দেয়া সম্ভব নয়। টাকার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। কোন এক সময় পণ্যদ্রব্য বিনিময়ের মাধ্যমেই জীবন-জীবিকা চালানো সম্ভব হলেও এখন কুলোটা দিয়ে মুলোটা নেয়ার দিন শেষ। বিনিময় এখন কাগজের নোটে। চাহিবা মাত্র ইহার বাহককে ক-টাকা দিতে বাধ্য থাকিবে।
ব্লগে নাকি লোকে আজ যাই খুশি তা বলে,
তাই দেখে ক্ষেপে গেছে গোটা কয় ছাগলে।
মুঠো হাতে তারা বলে - আইন কর সত্ত্বর,
"অনলাইন জয়স্টিক আইন" - খুবই কট্টর!
অতঃপর লোকে আর যাবে নাকো ব্লগেতে,
ছাগুরাম আনন্দে কফি খাবে মগেতে ...
আজ সকালে একটা আর্টিকেল পড়লাম, যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধঃগমনের স্বরুপ তুলে ধরা হয়েছে। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড এক সময়ের উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ থেকে আজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কলঙ্কে পরিণত হয়েছে। কোনো র্যাঙ্কিংয়েই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে ৫০০-র ভেতরেও খুঁজে পাওয়া যায় না। শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি, ছাত্রদের চাঁদাবাজিসহ সব কিছুই হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে, শুধুমাত্র পড়ালেখা ছাড়া। যখন আমাদের উচিত এ থেকে পরিত্রাণের উপায় খোঁজা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আবার তার পুরনো অবস্থান ফিরিয়ে দেয়ায় সচেষ্ট হওয়া, তখন আমাদের একাংশ ওই নোংরা রাজনীতিতে হাত মেলাচ্ছে আর বাকিরা বালিতে মুখ গুঁজে আকাশপানে পশ্চাৎ তুলে দিয়ে অদৃষ্টকে দুষছে।
[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ হাতিমার্কা পোস্ট]
উপদেষ্টাতন্ত্রঃ আমারে নিবা মাঝি লগে
প্রথম পর্ব এখানে
...........................
বৃটেন প্রবাসী বাঙালিরা মু্ক্তিযুদ্ধ চলাকালে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন একথা সর্বজন স্বীকৃত, কিন্ত বার্মিংহাম প্রবাসীদের ত্যাগের ইতিহাস, প্রবাসে প্রথম পতাকা উত্তলনকারী মিছির আলী ও বার্মিংহাম প্রবাসীদের শপথ সভার ঘটনাটি ছিলো বরাবরই উপেক্ষিত । কেন এই
১.
ক্রমে চারিদিকে রাষ্ট্র হইয়া গেল Bridgeমোহন অবশেষে গ্রামে আসিতেছেন।
তন্বী চা বানাবে আর জাহিদ ওর পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলবে।তন্বী তাকে সরতে বললেও সে ওখান থেকে একচুলও সরবে না।এটা ওদের নৈমিত্তিক রুটিন। শুধু দুজনের জায়গাটার পরিবর্তন হয়েছে।প্রথম দিকে জাহিদ চুলার পাশে থাকত আর তন্বী একটু দূরে দাঁড়িয়ে তার রন্ধন শৈলী দেখত। আর এখন তার উল্টো ।
তন্বী আবার বলল,কিভাবে ?