০।
এখনো বারটা বাজে নি কিন্তু বাইরে টুকটাক বাজি ফুটছে। ফেসবুকে হোম পেজের অধিকাংশ জুড়ে আছে বন্ধুদের নতুন বছর নিয়ে দেওয়া স্ট্যাটাস। এর মাঝে কেউ গত বছরের দেনা পাওনার হিসেব করছে, কেউ বা শুধু মাত্র শুভেচ্ছা জানিয়েই খালাস। একটু দূরে বিছানার উপর রাখা মোবাইল এর মাঝেই দুই তিনবার শব্দ করে নতুন মেসেজের অস্তিত্ব জানিয়েছে। ইনবক্স না খুলেই বলতে পারি শুভেচ্ছা জানিয়েছে কেউ না কেউ। আমি অবশ্য এত কষ্ট করে কাউকেই শুভেচ্ছা জানাই নি কারণ মায়ান ক্যালেন্ডার সত্য হইলে এইসব কিছুই মিছে 

গোলরুটির চেয়ে গোলারুটিই বেশি মজার। বড় মামী এ ব্যাপারে ফার্স্টক্লাশ। নানারকমের গোলারুটি বানাতে তার জুড়ি নেই। আটা গুলে তার মধ্যে পিঁয়াজ কুচি দিয়ে পিয়াজ রুটি। কাঁচা মরিচ দিয়ে মরিচ রুটি। আর কালো জিরা দিলে বেশ টোস্ট টোস্ট ভাব আসে।
ইংরেজ জোসি কন্ডের১ সাহেব ঘুরতে ঘুরতে আমাদের ঢাকা শহর আসেন ১৮২৪ সালে। তাঁর ১৮২৮ সালে প্রকাশিত বই The modern traveller: a popular description, geographical, historical, and topographical of the various countries of the globe, Volume 3 এর ১৩৪ পৃষ্ঠা হতে আমাদের প্রিয় ঢাকা শহরের বর্ণনার ভাবানুবাদ।
ডিসেম্বরের মিষ্টি একটা বিকেলে যখন আমার রুমের পেছনের বাউবাব গাছের মাথা থেকে “ ইয়াহু” বলে বাতাসে লাফ দিয়ে পড়ে তুলোর মখমল-কোমল ফুলেরা তখন এক মুহুর্তের জন্য ভুলে যাই দুঃখের বিলাসী কবিতার পংক্তিগুলো।

এই লেখা আমাদের লেখার কথা ছিলো না।
এই লেখায় ঈশানের আসবার কথা ছিলো না। কথা ছিলো আমাদের মতোই ঘরে বসে সে নববর্ষে উদযাপন করবে, বুয়েটের স্যারদের মতই তারও পরিবার আছে।
বন্ধুমহলে পরিচিত মুখ ঈশানের কৃতিত্ব কিন্তু এখানেই শেষ হয়ে যাচ্ছে না। কম্পিউটার সায়েন্স পড়ুয়া তৌসিফ আহমেদ ঈশান একজন সৃজনশীল প্রোগ্রামারও বটে।
একটা সময় ছিল যখন নতুন বছরটা আসত যেন ঘোড়ায় চেপে, টগবগিয়ে। তখন নতুন বছর মানেই নতুন ক্লাস, কাগজের মায়াবী গন্ধ মাখানো নতুন বই; তাতে রাত জেগে পুরনো ক্যালেন্ডারের মলাট লাগানো। হিম কুয়াশার ভোরে নতুন জুতো মোজা জামা গায়ে স্কুলে যেন উড়ে যেত মন। সেসময়টায় থার্টি ফার্স্টের হুল্লোড়ের সাথে পরিচয় হয়নি আমাদের। মাঝরাতে টিভিতে বম্বের হিরো হিরোইনরা নেচে কুঁদে একশাও হতেন না। তাই বলে কি নতুন বছরের আবাহন হত
- এটা কী হল ভাইয়া??
- কী হল?
- সব তো বলে দিলেন।
- বলে দিলাম মানে?
- আপনার 'গল্প' পড়লাম। সব বলে দিলেন?
- আরে ওটাতো একটা গল্পই শুধু, বলে দেয়ার কী আছে?
মুক্ত মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার কুৎসিত আভিলাসটি নানামহল থেকে বেশ কিছুদিন ধরেই আমাদের সামনে আসছিল। এলজিআরডি মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম-এর সাম্প্রতিক বক্তব্য আমরা পড়েছি। তিনি বলেছেন নিজেদের ক্রেডিবিলিটি ধরে রাখতে ব্লগগুলো মনিটর করুন। এটা যে শুরুর ইঙ্গিত ছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সেই শুরুটাকে আরো অনেকেই যুক্তি(!) এবং উৎসাহ দিয়ে এগিয়ে নিতে চাইছেন। কেন চাইছেন সে বিষয়টি ব্লগেই স্পষ্ট করেছেন সচলায়তনের সহব্লগার হিমু ভাই।
মানবতার সেবায় নিরবে-নিভৃতে কাজ করে যাওয়া মানুষের সংখ্যা খুব বেশি হয়তো নয়, সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া আদর্শের- এই বর্তমানে তবুও কিছু মানুষ আছে, যারা নিজেদের জীবন অপরের জন্য বিলিয়ে দেয়| অনেক মানুষের ভিড়ে তাদের কথা হয়তো আমাদের সামনে আসেনা| এরকমই একজন মানুষ চিকিৎসক এডরিক এস.