
কুলদা রায়
এমএমআর জালাল
রবীন্দ্রনাথের প্রথম ভ্রমণ : শিলাইদহ-------------------------
ইদানিং কিছু ছেলেপেলে দেখা যায় বড় ভাইয়া বলে সম্বোধন করে। কেমন যেন বিব্রত বোধ করি।বিব্রত হবার মত যথেষ্ট কারনও আছে। এইট-নাইন পড়ু্য়া ছেলেগুলোর সাইজ হাতির মত,লাল লাল চোখ,মুখ ভর্তি খোঁচা খোঁচা দাড়ি-গোঁফ ,গড় গড় করে হিন্দী বলে,রাস্তায় দেখলে মোটা মোটা দুই হাত বাড়িয়ে গর্জন করতে করতে ছুটে আসে !! কি ভয়ংকর ! দেখতে দেখতে আমিও বড় ভাই হয়ে গেলুম..
ছোটবেলায় ভাবতাম কখন বড় হব্,কখন বড় হব.. আর এখন ?? আফসুস ,গাধার মত বড় হয়েই যাচ্ছি..
চিন্তা করার কিছু নেই, আমার এ লেখায় যে সুতো নিয়ে টানাটানি করার কথা বলছি সেটি জামা-কাপড় সেলাই করার সুতো নয়।
এটি হলো স্ট্রিং থিওরীর সুতো! বিশ্বাস করুন এই সুতো নিয়ে টানাটানি করার ইচ্ছা আমার বিন্দুমাত্রও ছিলোনা। কসমোলোজি, রিলেটিভিটি আর ডার্ক-ম্যাটার নিয়ে আমার দিন ভালোই কেটে যাচ্ছিল।
আমাকে টান মারে রাত্রি জাগানো দিন
আমাকে টানে গূঢ় অন্ধকার
আমার ঘুম ভেঙ্গে হঠাৎ খুলে যায়
মধ্য রাত্রির বন্ধ দ্বার...
[justify]
নিম্নবুদ্ধিমত্তাজনিত কারণে পড়াশোনার গণ্ডি অতীব সীমিত বলে অনেককিছু নিয়েই আমি বেশ কমপ্লেক্সে ভুগি।
প্রিয় কিছু নিয়ে কেউ দু-চার লাইন লিখতে বললেও তাই কী বোর্ড তোতলায়, পারবো তো? 
এই বছর পুরো ছুটির খরা গেলো। সব সরকারী ছুটিগুলো শনি-রবিবার। ইংল্যান্ডে নাকি ওদের সাপ্তাহিক ছুটির দিন সরকারী ছুটি হলে পরবর্তি সোমবার ছুটি দিয়ে দেয়। আমাদেরগুলো পুরো ফালতু 
সকালটা শুরুই হল তুমুল হট্টগোলে। ঘর থেকে বেরুতেই দেখি বসার ঘরে চার থেকে আট বছর বয়েসি চার পাঁচটে বিচ্ছুর গলা দিয়ে বিকট আওয়াজ বেরোচ্ছে। ব্যাপার ঘোরতর; একজনের পায়ের ওপর দিয়ে আরেকজন ট্রাইসাইকেল চালিয়ে ইচ্ছে করে 'আকসিটেন' করায় এই শোরগোল। বিচার সালিশ শুরু করার আগেই ক্রন্দনরত অত্যাচারিত উঠে এসে অত্যাচারীর প্যান্ট টেনে নামিয়ে দিয়ে প্রতিশোধ নিয়ে নিল । এইবার অত্যাচারীর আঁতে বিষম চোট লাগায় সে রেগে
জিউস আমেরিকান ঈগল আলখেল্লাটাতে আরমানি পারফিউমে লাগাইতে লাগাইতে বাফেলো সোলজার গানটির সুর ভাজছিলেন।
হেরা মাছের সস্প্যান উল্টাইতে উল্টাইতে কিচেন থেকে গলা উচিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এই ভরদুপুরে যাও কই তুমি? দুপুরে একটু ওপেন্টি বাইস্কোপ খেলমু ভাবছিলাম।
জিউস বগলদেশে স্প্রে করতে করতে বললেন, জব ইজ জব ইউ নো বেবি। দরবারে যাইতে হইব একটু; মক্কেল আইছে, যাইতাছি বাট সন্ধ্যার আগেই আয়া পড়ুম, প্রমিজ। বাই হানি।
১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল। ভোর ছটা।
চট্টগ্রামের অদূরে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। গতকাল মধ্যরাতে হুকুম এসেছে সব পাক অফিসারকে ভোর ছটায় এই কলেজের মাঠে অস্ত্রসমর্পনের জন্য হাজির হতে হবে।
বাংলাদেশের ভাল ছাত্ররা কি বিদেশে চলে যাচ্ছে? এই নিয়ে আমি আগে বেশ কিছু লেখা পড়েছি। সচলায়তনের চটজলদি প্রোফাইল দেখলে ঘটনাটা সত্যি বলে ধরে নেওয়া যায়। মোটামুটি বুয়েটিয়ান বলে যে ক'জনকে চিনি তারা সকলেই বিদেশে অবস্থানরত - হিমু জার্মানীতে, জাহিদ কানাডায় বা মুর্শেদ আমেরিকায়। দিনকয়েক আগে আমি নিজের লিঙ্কড-ইন প্রোফাইল আপডেট করার সময় দেখলাম লিঙ্কডইন সুন্দর পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় পিছু। লিঙ্কডইনে আমার বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত পরিসংখ্যান লিখে নিয়ে বুয়েট-সংক্রান্ত হিসাব শুরু করলাম। যা হিসাব পেলাম তা নিয়েই পোস্ট।