Archive

November 12th, 2010

বোতল-বন্দী জিন? তোমার ব্যবসাবুদ্ধি নাই, ধীবর?

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ৯:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একসময় নৌচালনা আর বাণিজ্য দুটোতেই বাঙালির খ্যাতি ছিল, সিংহল থেকে সুমাত্রা এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। তারপরে একসময় মহাপণ্ডিতরা কালাপানি’র উপর নিষেধাজ্ঞা স্থাপন করলেন, আমাদের দাপটও ক্ষয় হতে শুরু করল। খালবিলের দেশ বাংলায় চাঁদ সদাগরের মত দৃপ্ত সমুদ্রযাত্রীকে ছাপিয়ে মনসার ভুজুংভাজুং ঘরে ঘরে বন্দিত হতে লাগল। অনেকে দুঃখ করেন, রুক্ষ মধ্য এশিয় ...


নাকুরুতে দুই দিন: শ্বেতগন্ডারদর্শন এবং অন্যান্য

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ৯:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গেলো নভেম্বরের ২৮ তারিখে সোমালিয়ার পাট চুকিয়ে দেশে ফেরার পথে গেলাম কেনিয়ায় সপ্তাহখানেক থাকার জন্যে। আগে থেকেই প্ল্যান ছিলো লেক নাকুরু ন্যাশনাল পার্কে যাবো। ক্ষয়িষ্ণু প্রজাতির শ্বেতগন্ডারকে তার নিজের রাজত্বের মধ্যে দেখার শখ ছিলো অনেকদিন থেকে। ২০০৬ সালে প্রথম শ্বেতগন্ডার দেখি কেনিয়ার নাইরোবি সাফারি ওয়াকে। পরে যখন গতবছর প্রাণীবান্ ...


স্মৃতির গুলাবে একটি গোলাপের মৃত্যু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ৯:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বেদনার সাথে দেখা হলে
স্মৃতিগুলো গুলাবি হয়ে ওঠে।
গোলাপকুশনে খুঁটে রাখি
কাঁটা, ...
গোলাপের বুকে রক্ত তাজা।

বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে
গোলাপস্মৃতি;
আহ্ কতই না উন্মনা!
গোলাপটি মরে গেছে।

(রোজারিও)


অপেক্ষা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ৯:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফারুকেরা লাশ হয়ে ফিরে যায়,
ফিরে যায় মাতৃক্রোড়ে,
ছিন্নভিন্ন যকৃত-বৃক্কের অবিরাম রক্তক্ষয়ে
ফিরে যায় ঘুমন্ত একটি তাজা রক্তজবা হয়ে।
কফিনের অন্ধ কারাগারে শুয়ে
নিথর ফারুক কখনোই দেখবে না -
শুনবে না আমাদের বৃথা আস্ফালন –
মিছিলে মিছিলে আর্তচীৎকার –
“আমার ভাইয়ের রক্ত
বৃথা যেতে দেব না! ”
শুনবে না গলিত শবের মত নিষ্প্রাণ-অক্ষম
নেতৃবৃন্দের ফাঁকাবুলির
অহেতুক হুংকার,
দেখবে না টেলিভিসনের ...


জানালায় কেউ নেই

সৈয়দ আখতারুজ্জামান এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ আখতারুজ্জামান (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ৮:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দীর্ঘ দীর্ঘ খরা অনাবৃষ্টি খরতাপে মাঠ খা খা
বেঁচে-বর্তে বেঁচে থাকা - এও এক অবিনাশী নেশা
ভুলে যেতে হয় সেই সব রক্তিম সকাল শিশিরের ভেজা মাঠ
ভুলে যেতে হয় প্রিয়তম মুখগুলো প্রতিায় জানালার গরাদে
লাউ লতা পোড়ে তাপদাহে, ঘুঘু পাখি ডাক দেয় পেয়ারার ডালে
শূণ্য শূণ্য দুপুরেও আমি থাকি আপদমস্তক কর্পোরেট-পাথরাবৃত

যেহেতু গা-সওয়া হয়ে যায় সবার, আমারও তাই হয় বৈকি
ব্যবসা ভালোই চলে ছাই-মেঘ আকাশ-পাতাল ...


November 11th

কার্টুনিস্ট এরশাদ

লিও হক এর ছবি
লিখেছেন লিও হক [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ৩:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গণতন্ত্রের স্থপতি লে।জে।হো।মো...
ঢাকার দেয়াল ছায়া গেছে, নূর হোসেন হত্যা দিবস কে উনি ঘোষণা দিছেন 'গণতন্ত্র দিবস' হিসেবে,
এ শুধু বাংলাতেই সম্ভব


নূর হোসেন

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ১২:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমিও ছিলাম সেখানে সেদিন
নিশ্চিত, অনেকেই ছিলো;
সশরীরে কিম্বা মনের গহনে
সেই তেজ সযতনে পুষেছিল আত্মার দহনে
আমরা আমজনতা রয়ে গেছি; ক্ষতি নেই -
আমাদের সব দেহ, সব আশা, সবটুকু প্রেম
নিমেষেই একটি বক্ষে অমর হয়েছে,
অমর হয়েছে সারা বাংলাদেশ বুকে ধরে
আমাদের নূর হোসেন।


ছুটির দিন

পাগল মন এর ছবি
লিখেছেন পাগল মন [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ১১:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রবিঠাকুরের "মেঘের কোলে রোদ হেসেছে" গানটা শুনলেই আমার মধ্যে ছুটির আমেজ চলে আসে, জানিনা গানটার মধ্যে কি জাদু আছে! ছোটবেলায় পড়েছি, পরিশ্রম না করলে নাকি বিশ্রামের আনন্দ পাওয়া যায় না, মাঝে মাঝে অবশ্য এটাকে আমার মিথ্যা মনে হয় আবার মাঝে মাঝে মনে হয় চরম সত্যি। জানিনা কোনটা ঠিক!

স্কুলে থাকতে আমার সবচেয়ে প্রিয় দিন ছিল কোনটা বলতে পারবেন? হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, শুক্রবার। কোন স্কুল নেই, পড়ালেখা নে ...


চ্যাপেল হিলের দিন

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ৬:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আয়েশ আর দুঃখ করে একটা সপ্তাহ কাটিয়ে দিলাম। তারপর কিভাবে জানি মনে পড়ে গেল চারদিন পর পনের নভেম্বর। না, বিশেষ কোন দিন না, ওইদিন একটা কোর্সের ফাইনাল প্রজেক্টের মিডওয়ে প্রগ্রেস দেখাতে হবে। সমস্যা সামান্য, প্রজেক্টটা এখনো শুরু করা হয়নি। এখন আর টেনশন করতে ভালো লাগেনা, এর চেয়ে একটা ব্লগ লিখা যাক।

আসার পর প্রায় তিনমাস হয়ে গেল। এখানের জুসটা দেশের জুসের মত মিষ্টি না, এখানের খাবারে মশলা নে ...


বানানায়তন- ৬ | বাংলার তিন 'শ'—দন্ত্য-স, মূর্ধন্য-ষ আর তালব্য-শ |

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/১১/২০১০ - ১২:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অর্থবোধক ধ্বনির সমষ্টিই ভাষার প্রধান উপাদান। বর্ণ ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে। তাই যদি সত্যি তাহলে মুখের উচ্চারণ আর ভাষার লিখিত রূপের পার্থক্য থাকার কথা নয়। কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ ভাষাতেই শব্দের বানান ও উচ্চারণে পার্থক্য রয়েছে। ইংরেজির কথাই ধরা যাক। ইংরেজিতে এক 0 দিয়ে বোঝানো হয় অ (hot), ও (note), আ (dove), উ (move) প্রভৃতি ধ্বনিকে। আবার বিপরীত ঘটনাও রয়েছে। অর্থাৎ উচ্চারণ একই, কিন্তু বানান ভিন্ন। ...