কুয়াশা কাটছে না অনেকদিন। বিষন্ন লাগে এমন দিনগুলো। কিন্তু আজ অন্যরকম একটা দিন। বিষন্ন কুয়াশার সাধ্যও ছিলো না আমার গায়ে আঁচড় কাটে। একেবারেই সাধ্য ছিলো না। কারণ আজ সারাটা দিন আমাকে ছুঁয়ে ছিলো রৌদ্র-ঝলমলে, মন ভালো করে দেয়া একটা দিন। ছুঁয়ে ছিলো উষ্ঞতা। গাছগুলো সারারাত বৃষ্টি ঝরিয়ে স্নান করেছে, নিজেদের সবচেয়ে স্নিগ্ধ, কোমল আর কাছের রঙটা আমাকে দেখাবে বলে। আজকের দিনের সবগুলো ফুল ফুটে...
ক্রিকইনফো-তে জানা গেলো যে ২০১০ সালের পর থেকে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশ ক্রিকেট টীমকে আর কোন সফরের আমন্ত্রণ জানাবে না। তারা বলছে যে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জনের এক দশক পরেও বাংলাদেশ টীম সেই স্ট্যাটাসের স্বার্থকতা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। প্রতিবেশী ভারত আজ অব্দি বাংলাদেশকে ঘরোয়া কোন টেস্ট সিরিজ খেলতে আমন্ত্রণ জানায়নি। জিম্বাবুয়ের টেস্ট...
সূর্য! সূর্য! সূর্য!
মেঘ-পাড়-আকাশ ভাঙা সোনালী রোদ্দুরে ধূসর কুয়াশা কেটে যাক। তুমি এসো, এসো দিগন্তে, এসো ভোরে, বিকেলে, সন্ধ্যায়, মধ্যরাতে। এসো যুবক ও যুবতীর ভালোবাসায়, হাসিতে, জামার আস্তিনে। কত বছর এই নগরে রোদ হাসে না। কত কত বছর বলো?
অথবা এসো না। বিবর্ণ, মৃত্যুময় শহরের পথে পথে দেশলাই বারুদে, ফুলকিতে আগুন জ্বলে উঠুক আরো আরো উজ্জ্বল হয়ে; এক একটা সূর্য হয়ে বিচ্ছুরণে রাঙিয়ে দিক পুরোটা শহ...
সিন্ডি “গালা”-র সামনে বারে বারে কেনো “গ্র্যান্ড” বসাচ্ছিলো তা রহমান বিল্লাহ অনুষ্ঠানে এসে বুঝতে পারেন। মেয়েটির ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম তুলকালাম কান্ড করেছে! এতো চটকদার অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ রহমান বিল্লাহর আগে কখনো হয়নি।
শহরের অন্য প্রান্তে উপশহরের সীমানা জুড়ে প্রকান্ড দালান। রানীর সম্পত্তি ছিলো। পাউন্ডের দাম পড়ে যাবার পর রাজপরিবার অনেক প্রাস...
ড্যানি বয়েল এর নতুন ছবি---Slumdog Millionaire। সেইটা দেখে ফিরলাম মাত্র।
১৯৯৬ তে "Trainspotting" ছবিটি ব্রিটিশ এই চলচ্চিত্রকারকে পাদ প্রদীপের আলোয় নিয়ে আসে। প্রতিশ্রুতিশীল ব্রিটিশ চলচ্চিত্রকারদের মাঝে বয়েলের নাম বেশ ঘন ঘন উচ্চারিত হয়। Trainspotting ছবিটি আমার দেখা হয়নি। এমনিতে আমার নতুন নতুন পরিচালকদের ছবি দেখার খুব উৎসাহ। এর পেছনে একটা কারন অবশ্যই--- তাদের নতুন কিছু তুলে ধরার অদম্য স্পৃ...
শিরোনামের সাথে মিল রেখে ছবি তো দিতে পারবনা তাই ভাবছি শিরোনামটা যথার্থ হলো কী-না। একটা ব্যাপার এতদিনে বুঝে গিয়েছি যে বরফের ছবি দেখে বরফ সম্পর্কে কিছুই ধারনা করা যায়না। তাই সে বৃথা চেষ্টা করছিনা।
গত বছর উইন্ডজরে আসার পরে শুনেছিলাম এটা নাকি কানাডার সবচেয়ে উষ্ণ শহর। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলেই মনে হয় আবহাওয়ার পরিবর্তন এখন সবাই উপলব্ধি করতে পারছে।
কলোরাডোতে শুরু হওয়া ঝড় কখন মিশিগা...
আজকে মেঘলা ধূসর দিন, মনখারাপ করে দেওয়া ঘোলাটে সব। মাঝে মাঝে নামছে বৃষ্টি, বাদামী হলুদ শেষ পাতাগুলো ও ঝরে পড়ছে পর্ণমোচীদের শীতনগ্ন কঙ্কালশরীর থেকে। ওদের ভ্রূক্ষেপ নেই। ওরা জানে বসন্তে বসন্তে নবযৌবন আসে ওদের। আমাদের মনুষ্যজীবনের মতন কৃপণ নয় বৃক্ষজীবন।
নিশীথের বুক চিরে বয়ে গেল দখিনা বাতাস!
যুগে যুগে ফিরে আসা এ কোন কিংবদন্তী নয়,
নয় কোন প্রভাতী পাখির গানে সুরের অরুণোদয়,
এ যেন শরতের এক বিন্দু শিশিরের মত,
বর্ষার জলের শরীরে সহসা বিজলীর ক্ষত,
দিনশেষে পথহারা ক্লান্ত পথিকের দীর্ঘশ্বাস,
কষ্টের ঘ্রাণ বুকে বয়ে গেল দখিনা বাতাস!!
তোর দেয়া হলুদ নোটবুকটার পৃষ্ঠাগুলো ভরিয়ে ফেলছে নীল নীল বর্ণ
উদয়-অস্ত বর্ণগুলো নানান প্রলাপ বকে
মাঝে মাঝে পাখা মেলে আসামান জোড়া -
মনেহয় স্বপ্ন-পাখির পালক-বিছানায় শুয়ে আছি
তারাদের দিকে মেলে রেখেছি দৃষ্টির মগ্নতা
আর নিয়ন্ত্রণহীন আঙুলগুলো নিস্তব্ধ ছায়াপথের গোলকে
লিখে যাচ্ছে পথিকের স্মৃতিকথা,
তুই জানিস সে পথিকের নাম -
মাঝে মাঝে বর্ণগুলো জ্বল জ্বল করে
একদিন রাতে আখ ক্ষেতে শেয়া...
সারাদিন খালি ট্যাঁ ট্যাঁ। যেখানেই যাও এদের হাত থেকে রেহাই নাই। বসের অফিস বলো আর ঘর কোথাও এদের হাত থেকে নিস্তার নাই। বউ আর মোবাইল এই দুইটা আসলেই শালা ঝামেলা। যেখানেই যাও মোবাইল বাজবেই। রাত নাই দিন নাই, ঘর নাই বাহির নাই। আর বউ!!! এর কথা কি আর বলব। বড় ডেঞ্জারাস জিনিস। ঘরে ফিরলেই শুরু করবে- আজকে কি করলা, কার সাথে কথা বললা, তোমার অফিসে ফোন করলাম ডেস্কে ছিলা না কেন?? উফ এত সব উত্তর কি দেওয়া যা...