Archive - ব্লগ

August 17th, 2012

তিতিয়ানা - ১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১২ - ৯:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ধুম করে বিয়ে করে ফেললাম আমরা - একদম ধুম করে! পরিবারের গুরুজনেরা বেঁকে বসার সুযোগ পেলেননা তেমন একটা ! বাবা-মা রাজি হতেই বিয়ের কাজ সারা ! 'না'- বলবার সুযোগ কোথায় ! তারপর দুজনই বাইরে চলে আসি- অজানা একটা নতুন জীবনে - উচ্চ শিক্ষার তীব্র ইচ্ছা আর নতুন একটা অজানা শহরের ডাক | ফুল-অন এডভেনচার যেন একটা ! সেই থেকে লণ্ডনে বসবাস শুরু - অর্ধ যুগ পার করছি এবছর !


August 16th

নির্ঘুম স্বপ্নের দেশ থেকে স্বপ্নহীন ঘুমের দেশে একজন মিনার মাহমুদ

লুৎফর রহমান রিটন এর ছবি
লিখেছেন লুৎফর রহমান রিটন (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১২ - ৫:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মিনার মাহমুদের মতো একজন লড়াকু মানুষ আত্মহত্যা করবেন এটা মানতে এখনো কষ্ট হচ্ছে। তাঁর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ‘আত্মহত্যা’ ব্যাপারটা যায় না। কী বর্ণাঢ্য একটা জীবন ছিলো তাঁর! য়্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ এরকম বর্ণিল জীবন আমাদের প্রজন্মের আর কারো তো ছিলো না! বিশেষ কোনো একটি অভিধায় বিশেষায়িত করা যায় না তাঁকে। তাঁর চরিত্রের মধ্যে একই সঙ্গে দায়িত্বশীলতা এবং কাণ্ডজ্ঞানহীনতার অপূর্ব মিশেল ছিলো। যে কারণে মিনারকে আমার আনপ্রেডিক্টেবল মনে হতো সব সময়। আমাদের প্রজন্মে মিনার মাহমুদ ছিলেন কীর্তিমান এক রহস্যপুরুষ। যে রহস্যের সিংহভাগই চির অনুদ্ঘাটিতই থেকে গেল।


ঢাকামেট্রো ১৬-০৮১২

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি
লিখেছেন আনোয়ার সাদাত শিমুল (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১২ - ৩:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষের মৃত্যু কতোবার হয়? কেউ কেউ বলেন, সাধারণ মানুষ একবার মরে, আর অসাধারণ মানুষ অমর হয়। অমরত্ব মানে কি বেঁচে থাকা মানুষের স্মৃতিতে লেপ্টে থাকা? নাকি বেঁচে থাকা মানুষের মনে কখনো কখনো জেগে ওঠা? সংবাদ শিরোনাম, টেলিভিশন কিংবা ছাপা কাগজে, নতুন হয় প্রতিদিন। থাকে কিছু চর্বিত চর্বন। সংবাদও কি মরে যায়?


মেঘে ঢাকা তারা

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১২ - ৬:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মেঘে ঢাকা পড়ে যাওয়া তারাগুলো মেঘ সরে গিয়ে
হঠাৎ করে সারা আকাশে দৃশ্যমান হয়ে উঠলে আমি চমকে উঠি
কয়লার খনি খুঁড়তে খুঁড়তে হঠাৎ করে হীরার দ্যুতি ঝলক দিলে
ক্লান্ত শ্রমিকের লোভী চোখ যেভাবে চমকে উঠে ঠিক সেভাবেই।

আমার তখন মনে পড়ে যায় ঋত্বিকের ছবিটির কথা,
ঝিলের পাড়ে বসে হংসধ্বনির আলাপ গাইতে থাকা অনিল চ্যাটার্জি
কিংবা ছেঁড়া চটি জুতা নিয়ে হাঁটতে থাকা যে মেয়েটিকে খুকী ভেবে


রুবা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১২ - ৪:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
আমার অন্য সব গল্পের মত এটাও একটা বানোয়াট গল্প। বানোয়াট গল্প লিখতে বসার কিছু ঝামেলা আছে।কাহিনী কিছুদূর এগোনোর পরই দেখা যায়, আর আগামাথার ঠিকুজি রাখা যাচ্ছে না।বৈরাম খাঁ হয়ে যাচ্ছে হরতন বিবি, দস্যু বীরাপ্পণের গপ্প গিয়ে ঠেকছে রাজা হরিশ্চন্দ্রের শবযাত্রায়।

যেমন আজকের গল্পটা সম্পূর্ণ অবান্তরভাবে শুরু হবে নিখিল হাজরাকে নিয়ে। নিখিল হাজরা যদি বাস্তবের কোন চরিত্র হতো, তাহলে এতদিনে তার আমার মতই গলায় টাই ঝুলিয়ে রিয়েল এস্টেট কোম্পানির চাকরি করার কথা, বিবাহবার্ষিকীর দিন বউ নিয়ে পুরান ঢাকায় ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বেড়াবার কথা। ছেলেবেলায় আমাদের অবশ্য দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, নিখিল বড় হয়ে রবীন্দ্রনাথ হবে। রবীন্দ্রনাথের মত কবিতা লিখতো ও। বিশেষ করে ক্লাস সিক্সে ইদ্রিস স্যারের পেটের অসুখের কাহিনী নিয়ে তার লিখা কবিতাটাতো ছিল রীতিমত অসাধারণ।


পাহাড়ি

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১২ - ৩:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একদা এখানে পাহাড় ছিল,
একদা এখানে সাগর ছিল,
ছিল অপরূপ নিসর্গ,
ছায়াময় প্রকৃতি,
পাখির কূজন
আর প্রকৃতির সন্তানেরা -
হোয়াইকংয়ের আদিবাসীরা।

ওদের হয়ত
গোলা ভরা ধান ছিল না,
গোয়াল ভরা গরু ছিল না,
পুকুর ভরা মাছ ছিল না,
কিন্তু ওরা তো পাহাড়ি-
প্রকৃতিতেই জন্ম,
বেড়ে ওঠা,
মৃত্যু।।

ওদের কোন বৈষয়িকতার বালাই নেই,
মুখ ভরা হাসি ছিল,
গলা ভরা গান ছিল,
প্রাণ ভরা খুশী ছিল,


August 15th

আমাদের মুজিব

আরশাদ রহমান এর ছবি
লিখেছেন আরশাদ রহমান (তারিখ: বুধ, ১৫/০৮/২০১২ - ৯:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুজিব নামে যে খোকাটি টুঙ্গিপাড়ায় জন্মে ছিল
কিশোর বয়স থেকেই তার দেশপ্রেমটা মর্মে ছিল
দেশকে ভালোবাসা তার সদাই সকল কর্মে ছিল
মোদের হয়ে চাবুক সম পাক শাসকের চর্মে ছিল
বৈষম্যহীন আচরণটা সদাই সকল ধর্মে ছিল
অগ্নিবীণা কন্ঠে তার আর গীতাঞ্জলি মর্মে ছিল॥

বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুজিব যখন যুক্ত হল
স্বাধীনতার ভিত্তিটাও অনেক খানি পোক্ত হল
অসংখ্য বার কারাবরণ এবং কারামুক্ত হল


সানশাইন স্টেইটঃ রোডট্রিপ

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বুধ, ১৫/০৮/২০১২ - ৪:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খুলির ভেতর থেকে মগজ চুরি গেছে কখন জানি। তাই কয়েক মাসের মরিয়া চেষ্টার পরেও জমে থাকা কিছু কাজের কোন গতি হচ্ছিল না। এই অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিলাম কোন এক উইক এন্ডে দূরপাল্লার বাস ধরে দূরে কোথাও চলে যাব। ঝোঁকের মাথায় একটা ক্যামেরাও কিনে ফেলেছি, তার একটা রোডটেস্টও করা দরকার। এদিকে পাশের শহর থেকে বাদলদার ফোন, সে গাড়ী চালিয়ে ফ্লোরিডা যাবে, সেজন্য একজন হেল্পার দরকার। চ্যাপেল হিল থেকে বেরিয়ে নিকারাগুয়া কি সাহারা যেখানেই হোক না কেন, আমার যেতে কোন আপত্তি নেই। যাত্রাটাই আসল, গন্তব্য কোন ব্যাপার না,তাই চট করে রাজী হয়ে গেলাম।


মেঘদূত

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: বুধ, ১৫/০৮/২০১২ - ৪:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দেশ নাটক-এ ঢুকেছিলাম তাদের খেলা নাটক দেখে। সব রকমের টেকনিক্যাল সাহায্য ছাড়া মঞ্চের এমনকি পাড়ার সব মানুষ শুনতে পায় এমন জোড়ে যাত্রার সংলাপ বলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগল। কিন্তু সমস্যা হল উচ্চারণ নিয়ে। যে কোন কথা বললেই মনি-নিশাত-শেলী আপারা হাসি হাসি মুখ করে তাকায়। প্রথমে খুশীই হয়েছি। একটু জড়তা ভাঙ্গার পর সবাই যে কোন কথা বললেই একটা ভুল উচ্চারণ খুঁজে পায়। অবস্থা এমন হল যে; কথা বলতেই ভয় করে।