ঠিক এই মুহূর্তে আপনারা যাকে মতিঝিল লোকাল বাস-স্ট্যান্ডে ক্লান্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছেন তিনি জাহিদ সাহেব। কর্ম-দিবসের দিনগুলোতে প্রায় প্রতিদিনই এই সময়ে জীবনকে শাপ-শাপান্ত করতে করতে বাসের অপেক্ষা করতে থাকেন তিনি । জাহিদ সাহেব এমন কোন বিশেষ ব্যক্তি নন যাকে নিয়ে একটা গল্প তৈরি হতে পারে। জাহিদ সাহেবের প্রধান বিশেষত্বই হচ্ছে আলাদা করে তার কোন বিশেষত্ব নেই। তিনি নটা-পাঁচটার সরকারি চাকুরে। ঘুষ
কুকুর আর বেড়ালের মাঝে যেভাবে শত্রুতা শুরু হল
আজকাল পত্রিকা খুললেই যে খবরগুলো সব থেকে বেশি চোখে পড়ে তা হচ্ছে বিভিন্ন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার খবর। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের মৃত্যু ঘটছে দেশের বিভিন্ন সড়কগুলোতে। গত সোমবার এভাবেই ঢাকার ফার্মগেটে মিনিবাসের ধাক্কায়, চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারায় নটরডেম কলেজের বানিজ্য বিভাগের, দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, জেসন জেভিয়ার গোমেজ (১৭)। পত্রিকার সংবাদের ভিত্তিতে এই দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে পাশেই থাকা পুলিশ বক্সের দ
এটা হচ্ছে ডেসপারেট ব্লগ। মাথার ভিতর অজস্র আইডিয়া গিজগিজ করছে, শুধু লিখতে গেলেই মগজে লোড শেডিং শুরু হয়, পাশাপাশি দুইটা নিউরনের মাঝেও কোন বৈদ্যুতিক সিগনাল আদান প্রদান হয় না। ধান গাছের সাথে মানুষ প্রজাতির হৃদয়স্পর্শী প্রতারণা, শেষ নিয়ান্ডারথাল মানুষের মনের অবস্থা, সাইফাইএর সাথে মোগল ইতিহাসের ঘুটা দিয়ে রম্য, নতুন টেলিস্কোপ কিনে তার সাহায্যে মহাকাশের ধারাভাষ্য ইত্যাদি ইত্যাদি। ডিম্বাশয় পর্যন্ত পৌছাতে না পারা অজস্র শুক্রাণুর মতই আমার আইডিয়াগুলোর অকালমৃত্যু ঘটে চলেছে। তো কথা হচ্ছে, কোন রকমে ওয়ার্ডের দুইটা পৃষ্ঠা ভরাতে হবে। শুরু করা যাক।
তিনটে রঙ্গীন মাছ। একটি কচ্ছপ ছানা। জলের সংসার।
সংসারে খেয়াল। খেয়ালে আদর। আদরে উচ্ছ্বাস।
উচ্ছ্বাসে বেখেয়াল।
জলেতে বিস্বাদ। তিনটে রঙ্গীন মাছ। নিঃশ্বাসে কষ্ট। শরীরে স্থবিরতা।
একাকী কচ্ছপ ছানা।
1971
পাকিস্তান আমলে প্রতিটি ইসলামি অনুষ্ঠান খুব ঘটা করে পালন করা হতো। শবেবরাত থেকে শুরু হতো উৎসবের আমেজ আর তার রেশ চলতো ঈদ পর্যন্ত। রোজা শুরুর আগেই এ্যনুয়াল পরিক্ষা শেষ হয়ে যেতো। শুরু হতো আমাদের লাগাতার ফুর্তি আর আনন্দ!
এক ছিলো সাগরঘেরা দেশ, উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম যেদিকেই যে যাক না কেন পথ শেষ হয় নীল সমুদ্রের তীরে। দেশটা একটা বিরাট দ্বীপ।
সেই দেশে এক ছেলে ছিলো, লোকে তাকে ডাকতো বরণ বলে, তার বাবামা প্রয়াত, ভাইবোনেরাও সব নিজের নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। নিজের বাসায় একাই থাকতো বরণ, কাজকর্ম করতো সারাদিন, বিকাল থেকে সন্ধ্যে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা দিতো, তারপরে পানভোজনশালা থেকে খেয়ে দেয়ে বাড়ী ফিরে ঘুমাতো।
[justify]
।।১।।
ইচ্ছে ছিল সচলায়তনের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটা লেখা দিব। বেশ কিছু লেখা শুরুও করেছিলাম। আশা ছিল কোনো একটা লেখা জুলাই মাসের এক তারিখের আগেই শেষ করতে পারব। কিন্তু লেখালেখি যেমন অভ্যাসের ব্যাপার ঠিক তেমনি লেখালিখি না করাও একই রকম অভ্যাসের ব্যাপার। কয়েক সপ্তাহ না লিখলে মনে হয় – কি দরকার আর এতো ঝামেলার? আর আরেকটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, লিখতে বসলেই ঘাড়ে ব্যথা শুরু হয়। অন্য সময়ে কম্পিউটারের সামনে বসলে কোনো সমস্যা হয় না, শুধু সচলের জন্য লিখতে গেলেই এই সমস্যা। এই বিষয়ে কৈরি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে মনে হয়।