পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ার সময়ই জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে ফেললাম, বড় ভাইয়ের উপরের ক্লাসের বাংলা বইতে একটা রচনা পড়েছিলাম- তোমার জীবনের লক্ষ্য। সেখানে লেখা ছিল লক্ষ্যহীন জীবন নাকি মাঝিবিহীন নৌকার মত, কোথাও পৌঁছাতে পারে না, কাজেই লক্ষ্য থাকতেই হবে ( এখন জেনে গেছি, - ইহা বিশাল বাজে কথা, এক হিসাবে অভীষ্ট লক্ষ্য থাকা এবং সেখানে পৌঁছানোর জন্য পরিশ্রম করা অবশ্যই ভাল, আবার থাকতেই হবে এমন দিব্যি কেউ দিয়ে রাখে নি
।।১।।
বিন্দু।
একটা শব্দ মাত্র। এটুকুই যদি লিখি, আর কিছু না- তাহলে এক এক জন আপনাতেই এক একরকম চিন্তা করে নেবেন। কারো হয়ত ইশকুলবেলার ভাবসম্প্রসারণের কথা মনে পড়বে- “ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকনা বিন্দু বিন্দু জল...”। প্রাচীনকালের কবিতাপিপাসু কারো হয়ত মনে পড়বে এক ছোট্ট বালকের অটোগ্রাফের খাতায় এক ঋষিতূল্য মানুষের কটি লাইন- “দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া, একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু!“ বিনোদন জগতের খোঁজখবর রাখা কেউ হয়ত মুচকি হাসবেন- বিন্দু’র সাক্ষাৎকার হয়ত তার সদ্য পড়া। আর খয়েরি-কালো ডোরাকাটার ‘ডরে’ থেকে যারা কোনমতে তেত্রিশের ফাঁড়া বারে বার পার করে এসেছেন তাঁরা হয়ত খানিকটা বেদনা নিয়েই উচ্চমাধ্যমিক গণিতের ছেঁড়া পাতায় ফিরে যাবেন- ওখানে বিন্দু, সরলরেখা, ত্রিভূজ, চতুর্ভূজ, আয়তক্ষেত্র, রম্বস আর রসগোল্লায় (লোহিতবর্ণের; ‘মাতৃ ভান্ডারে’র তাক নয়, পরীক্ষায় খাতায় বাস ওদের) একাকার হয়ে জীবনের সুখ সব উপে গিয়েছিল প্রায়।
হ্যালো ।
ইমন ভাইয়া? আমি কল্পনা দিদি।
আরে, সিস্টার আপনি? আপনার আজকে নাইট?
হ্যাঁ।
কিন্তু এতক্ষণ দেখলাম না যে?
ওটি তে ছিলাম, একজন রোগী এসেছে , একটু নিচে আসেন ।
[justify]গল্পের সারাংশ হল যে ছেলেটা মেয়েটাকে অন্ধভাবে ভালবাসবে এবং মেয়েটা ছেলেটাকে পাত্তাও দেবে না। তারপর ছেলেটা বিভোর হতেই থাকবে এবং মেয়েটা বিভোর হওয়ার সমানুপাতে বিরক্ত হতে থাকবে। এই একই কথা বলা হবে এই গল্পে, বিভিন্নভাবে, ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে। সারাংশ বলে দিলাম, মূল গল্পে ঢুকি।
পশ্চিম আফ্রিকায় অবস্থিত আইভরি কোস্ট দেশটি ১৯ টি রিজিয়ন নিয়ে গঠিত। আমাদের দেশের বিভাগ এই দেশে রিজিয়ন নামে পরিচিত। আইভরি কোস্টের একটি রিজিয়নের নাম হল ১৮ মাউনটেন রিজিয়ন। এই রিজিয়নের একটি শহর হল মান।এই রিজিয়নের বানিজ্যক রাজধানী এটি। এখানকার সবার কাছে শহরটি মা হিসেবে পরিচিত।কাউকে মান বললে নাও চিনতে পারেন কিন্তু মা বললে সবাই চেনে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এই জায়গাটার একটা আলাদা গুরুত্ব আছে।আর সবচেয়ে বড়
২০১১ সালের আগস্ট মাসে আমাদের কাছে নতুন একটা কনসেপ্ট নিয়ে কাজ শুরু করি।
গত দুই বছরের বেশিরভাগ সময়ই কাটিয়েছি হাসপাতালে।
না, প্রিয় পাঠক। এই কথাটা শুনে আপনাদের ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই, আমি পেশেন্ট হিসেবে কখনো হাসপাতালে থাকি নাই, ফরচুনেটলি। বেশ কয়েকবার হাত পা ভাঙ্গলেও হাসপাতালে রোগি হিসেবে থাকার দুর্ভাগ্য বা সৌভাগ্য যাই বলেন, এখনো হয়ে ওঠে নাই। আপনাদের উল্টোদিক থেকে ব্যপারটা একটু চিন্তা করতে হবে আরকি।
এইখানে কোনো সতর্কতা নেই।
সচলায়তনের ৫ বছর পূর্তি হলো আজ। ষষ্ঠ বছরে পা রাখলো আমাদের প্রিয় অনলাইন লেখক সমাবেশ।
পাঁচ বছর পর আফগানিস্তানে এলাম। পরিবর্তন বিশেষ কিছু চোখে পড়লো না শুধু মতুন নতুন কিছু বাড়ি ছাড়া। তবে সিকিউরিটির অনেক অবনতি হয়েছে। যাহোক, গত উইকেন্ডে তালিবান হামলার কারণে বেরোতে চেয়েও বেরোন হলোনা। তাই এই উইকেন্ড আর মিস করতে চাইলাম না। সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স আগেই নিয়ে রাখলাম। তবে তালিবান হামলার কারণে ক্বারঘা লেকে যাওয়ার অনুমতি মিললো না।