এ শ্রাবণ সন্ধ্যায়
বৃষ্টিভেজা মৃদু বাতাস
অহেতুক, অকারণে
থমকে গেলো সময়।
হঠাৎ স্তব্ধতা।
নিঃশ্বাসের শব্দ।
কানে লাগে।
অসহ্য।
নিঃশ্বাসে বিষ যেন;
এ সন্ধ্যা,
মৃদু বাতাস,
সবকিছু স্তব্ধ- অসহ্য।
অসহ্য থমকে থাকা এ সময়।।
জুলাই ৩১, ২০০৬
কী বিপদেই না ফেলেছিলেন আমাকে মুহম্মদ জাফর ইকবাল!
- তুমি শিওর এটা কাজ করবে?
বিশাল যন্ত্রটির সামনে দাড়িয়ে ভুরু কুঁচকে বদি ভাই প্রশ্ন ছুড়ে মারেন কঠিন ও কোমল সম্ভার বিশেষজ্ঞ আবু ইউসুফকে।
পুরাণকথা, পর্ব-৭ (ভারতকথাও বটে)
পুরাণকথা, পর্ব-৭ (ভারতকথাও বটে)
১.
ভকভক করে বেরুনো কালো ধোঁয়ার পাহাড় সামনে থাকা হলুদ বাসটিকে প্রায় আড়াল করে দিল। ধোঁয়া বেরুচ্ছে ওই নচ্ছার হলুদ ময়লা বাসটা থেকেই। ভাগ্যিস জানালাগুলো বন্ধ ছিল, নইলে এই বিশ্রী ভারী ধোঁয়ার কবলে পড়ে ধোপদুরস্ত সাদা শার্টের তেরোটা বাজতো। তবে নতুন কেনা নিশান ব্লু বার্ডের সাদা শরীরের পালিশের বারোটা বেজে গেছে নিশ্চয়ই। এই গাড়িটা নিয়ে অতিরিক্ত আহলাদ আছে নকীবের। সিঙ্গাপুর থেকে আসা পালিশ দিয়ে প্রতিদিন মেকাপ করায় গাড়িকে।
বাস্তবতা আহার যোগায় সর্পিক শীতলতায়
পুজোর থালার ফুল শুকিয়ে যায়
ছুঁড়ে ফেলি মৃত্তিকার টান-
মর্ম নেই।
তবুও আশা-
মিথ্যের মৃত্যুদন্ড হবে...
আজকের সকালটা ছিল অদ্ভুত
জেগে দেখি আমার উঠোনে সূর্যের সিঁদূরে জোনাক
সেই সাথে কুয়াশা ভেজা ঝিরঝির হাওয়া
রান্না ঘরে চায়ের কাপে টুং টাং শব্দ
তবু আমার মনে রাত্রির নিস্তব্ধতার নির্জনতা
কিন্তু সে নির্জনতা ভেঙ্গে দিল আমার প্রিয়ার হাত।
স্পর্শের নিবিড় আবেদন আমায় শিহরিত করে
অথচ দেহের কামনার কোন শিখা উঁকি দেয় না মনের গভীরে
নিস্তব্ধতা আমায় গ্রাস করে নির্জনভাবে
কল্পনাতে মনের ছবি
আঁকার তুলি কত,
সব কটা রং এক করেও
চেষ্টা করি যত,