[justify]
'বেলজিয়াম গ্লাস'
মেহগনি রঙ ফ্রেমের বাঁ ধারে খোদাই করে লেখা। আয়নাটা ঝুলছে পশ্চিমের দেয়ালে, অনেকগুলো বছর ধরে.. শাহানা এ বাড়িতে আসা অবধিই তো দেখছেন। দিন গড়িয়ে দেয়ালের রঙ বদলেছে, বদল এসেছে বাসিন্দাদের অবয়বে, আচরণে। নিরেট পাথরের মতো একই রকম রয়ে গেছে ঐ আয়না কেবল।
আল বিদাহ
ওর বিশ্বাস করতে ভীষন কষ্ট হচ্ছিল যে সব শেষ হয়ে গেছে। ও এই পেশায় এতই ভাল ছিল যে, সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ওর পক্ষে এখানে চিরটাকাল থাকা সম্ভব হল না। এখানে অনেককেই আসতে দেখেছে ও, যেতে দেখেছে, সামান্য কয়েকজনই শুধু থেকে গেছে। দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ে শেষবারের মত ও বিদায় জানাল।
‘পিরানহা’ সম্বন্ধে অনেকেই হয়ত জানে, তবে বেশিরভাগ মানুষ হয়ত জানে না। কারন এটা আমাদের দেশে কম পাওয়া যায়। আমার এক বন্ধু কে জিজ্ঞেস করেছিলাম পিরানহা চিনে কিনা? ও বলল নাম শুনেছে তবে জানেনা। তারপর আমাকে জিজ্ঞেস করল, “এটা কি একটা পোকা?” এরকম ভুল ধারনা হইত অনেকেরই আছে। তাই আমি পিরানহা সমন্ধে কিছু বলতে ও জানাতে চাই।
গতকল্য ১২ ঘটিকায় গৃহ ত্যাগ করিয়া বিকাল ৫ ঘটিকায় “শপিং” শেষ করিয়া গৃহে প্রবেশ করিলাম......।এই সময় এর মধ্যে আমি মার্কেট এ অবস্থান করিয়াছিলাম এক ঘন্টা র মত এবং বলা বাহুল্য বাকি সময় জ্যাম এ বসিয়া সৃষ্টিকর্তা কে স্মরণ করিয়াছি যেন তিনি এই বান্দার প্রতি দয়া পরবশ হইয়া জ্যাম ছুটাইয়া দেন. ........
জেলে যাবার পর ভেবেছিলাম তুমি একবার হলেও দেখতে আসবে। তোমাকে দেখতে পেলে জেল জীবনের সমস্ত কষ্ট একাকীত্ব এক লহমায় কেটে যেতো। প্রতিদিন বিকেল হলে অপেক্ষায় থাকতাম ভিজিটর রুমে ডাক আসবে। জেল জীবনের কষ্ট সয়ে নিচ্ছিলাম অপেক্ষায় অপেক্ষায়। পুলিশ যেদিন ধরে নিয়ে এলো তুমি তখন ঘরেই ছিলে। জানালায় পর্দার গিট দেয়া চিহ্নটা তাই বলে। তোমাদের সবুজ গেটটা পেরিয়ে আসার সময় প্রিজন ভ্যান থেকে বহুকষ্টে তাকিয়ে ছিলাম যদি জানালায়
দিনটা ছিলো বুধবার| ব্রাদার হোবার্ট সকাল থেকেই চিন্তিত, একটু পর পরই ব্যালকনিতে যাচ্ছেন আর এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন| দেশের অবস্থা ভালো না, কখন কি ঘটে যায় কিছুই বলা যাচ্ছেনা| আবার এদিকে সকাল থেকেই মিলিটারির জীপ এদিক ওদিকে ঘুরছে, মাত্র ৬ দিন আগেই পাশের শাঁখারী বাজারে ওরা যে বিভৎস হত্যাকান্ড চালিয়েছে, তিনি সেটা জানেন| কিন্তু তার চিন্তা অন্যখানে, স্কুলের কম্পাউন্ডের ভেতরে বেশ কিছু পরিবার আশ্রয় নিয়েছে, তার উপরে তিনি নিজে স্কুলের তিনজন শিক্ষক আর তাদের পরিবারকে লুকিয়ে রেখেছেন উপরের ঘরে| কি যে হয় কিছুই বলা যাচ্ছেনা|
অনেক দিন ধরে দেখছি সচলে কোন রেসিপি দিচ্ছেনা। বুঝতে পারছি এবার আমাকে হাল ধরতে হবে।গত জুলাইতে ইতালির ফ্লোরেন্সে থেকে আসার পর দেখি আমার সব জিন্স কেমন জানি টাইট লাগছে। আজব তো!কোন ওয়াশিং মশিনে দেইনি। তারপরও এই দশা।ওয়েট মাপতে যেয়ে দেখি মেশিনে অনেক বেশী দেখাচ্ছে। নির্ঘাত যন্ত্রের গোলমাল। নিন্দুকেরা কিন্তু সেই কথা বিবেচনা করেনা। এম্নকি আমার সুপারভাইজার তারমধ্যে একজন। বলেন এই কষ্ট কোথাও রাখি। পণ কল্রাম আর
খুব চাপ দিয়ে জমিয়ে ফেলেছে কিছু জল
অনুভূতি তার হাতের মধ্যে
একবার সমুদ্রের সান্নিধ্য চেয়েছিলাম
উৎসের কাছে মানুষ যায়
জলের দর্পনে দেখেছিলাম অখণ্ড এক জলজ মুখ
তখনই একটা শক্ত হাত
অন্যশরীরে রূপান্তরিত হচ্ছিল
আমার কিছু নতুন অনুভূতি
সৃষ্টির আগে সৃজ্যকে
কিছুকাল কী থাকতে হয় স্রষ্টার সঙ্গে
আমিও গড়েছি ঘর
যেমন কবিতার সঙ্গে শব্দের একান্ত ঘর
অপেক্ষা করছি,
কিছুটাতো ভুল রয়েই গেছে, রয়ে গেছে কিছু কিছু দায়!
যেমন হয়নি খোঁজা কোনদিন কিছু কিছু নাগরিক উপায় -
যা-দিয়ে সবাইকে যার যার মতো করে তৃপ্ত করা গেলে
এ-জীবন থেকে যেত পুরোপুরি নাগরিক নাগালে।
তাই কি হয় নাকি, সবকিছুতে কি আপোষ করা চলে,
সবকিছু কি করা যায়, যাওয়া যায় সবকিছু ফেলে? -
দিবাগত রাত মানে কি শুধুমাত্র দিবাগত রাত,
দরোজায় করাঘাত মানে-কি কেবলই দরোজায় করাঘাত!
বন্ধুদের কাছে আমার সিভিক সেন্স রীতিমত প্রবাদতুল্য। আমার বাবা মা তাদের একমাত্র মেয়েকে সভ্য করতে কোনো কার্পণ্য করেন নি। এবং আমি প্রায় অচল পয়সার মতো সভ্য। রেগে গেলে আমি চুপ করে থাকি, অভিমান হলে কেঁদে ফেলি, চরম বিরক্তির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে হয়তো কখনো সখনো উফফফফ করে উঠি। জীবনে এই প্রথম আমার ঘৃণা হচ্ছে। আমার খুব রাগ হচ্ছে, অসহায় লাগছে এবং একটা খুব বাজে গালি দিতে ইচ্ছে করছে। জীবনে প্রথমবারের মতো আমি বর্ণবাদ