প্রান্তরে লুটেরা জ্যোৎস্না চাঁদের রক্তপাত মুছে নেয় ঘাসে
নক্ষত্রেরা ম্রিয়মান
জোনাকিরা সব লুকিয়েছে ফসলের মাঠে
মৌনী পাহাড়ের গায়ে দূরের কুয়াশার ঢেউ
ভেঙে পড়ছে... ভেঙে পড়ছে যেমন
মেঘপুঞ্জের রোশনাই রূপোলী ঝিলের জলে
নরোম তরঙ্গের মত ভেঙে পড়ে ধীরে
জনপদ ও বনস্থলীর সন্তানেরা শোনো
আজ ষোড়শী চাঁদের নীরব দস্যুতা হবে
রক্তের ডাক এলে ছুটে এসো প্রান্তরে
শিরায় উপচে উঠুক জ্যোৎস্নার বিষ
মৃত...
চিতওয়ান নেপালের ৭৫টি জেলার একটি, জেলা সদর ভরতপুর নেপালের সাতটি বড় শহরের অন্যতম। জায়গাটা সমতল, এরা বলে তরাই। অবস্থান কাঠমুন্ডু থেকে ২০০ কিমি. দূরে নেপালের দক্ষিন পূবে, নারায়নি অঞ্চলের পশ্চিমে এবং ভারতের বিহার রাজ্যের উত্তরে। প্রায় ৯৬১ বর্গ কিমি. জায়গা জুড়ে নেপালের সবচাইতে বড় জাতীয় উদ্যান ‘চিতওয়ান ন্যাশনাল পার্ক’ এখানকার মূল আকর্ষন। ১৯...
প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় যখন নদীর কোল ঘেষে শহরটায় আলো জ্বলে ওঠে তখন রতনের খুব ভাল লাগে। এক এক করে বাতিগুলো জ্বলতে করলে ছায়াঘন নদীর জলে আলোর কারুকাজগুলো ফুটে ওঠে। ছোট ছোট ঢেউ এ লাল নীল সবুজ আলো তীর তীর করে কি রকম করে কাপে। এর মধ্যে একটা জাহাজ সিটি দিয়ে শহর ছেড়ে কোথাও চলে যায়। তারপর একটা একটা করে - ঠিক সন্ধ্যার পর অনেকগুলো সাদা সাদা জাহাজ বেরিয়ে যাবে বরিশাল, হুলারহাট, ঝালকাঠি, শরীয়তপুর ...
২. খরবায়ু বয় বেগে
বাংলায় কিশোর সাহিত্য বেশ অবহেলিত। সবাই শুধু বড়দের জন্য লিখতে চায়, বড়দের কথা লিখতে চায়। বড়দের লেখার মধ্যে অন্যায় কিছু নেই। বয়সের সাথে সাথে অনুভূতিগুলো গাঢ় হয়, মানুষ অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়। সেই চিন্তাগুলো সাহিত্যে স্থান পেলে সাহিত্যই মহিমান্বিত হয়। পরিণত সাহিত্য তাই খুবই জরুরী। তবে তাই বলে যে কিশোর সাহিত্যকে অবহেলা করতে হবে, এমন তো কথা নেই।
সাহিত্যের কাজ মূলত ...
সচলে আজ ছড়া দিবস
ছড়ার ফাঁদে সবাই বিবশ
দেখ -
হাসছে সবাই প্রান খুলে 
মৃদুল দাদা আকতার ভাই
তাদের ছড়ার তুলনা নাই 
বি ডি আরও নাচে দেখ
শূন্যে দু’হাত তুলে। 
সন্ন্যাসীকে বলবো কি 
পুতুল ভায়া করছে কি 
নজু ভায়ার নাচন দেখে 
আইছে আলমগীরে। 
ছড়ায় ছড়ায় যুদ্ধ চলে
ছন্দ কলায় পঙতি জ্বলে
ছড়ার তালে আজকে সবাই
আনন্দে নাচিরে!!
(...
একটি ছবি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষনের আগে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাছবি ’দ্যা লাস্ট ঠাকুর’ যে ইতিহাস গড়ে ফেলেছে সেই তথ্যটা পাঠককে জানানো দরকার। লন্ডনে ৫২ তম চলচ্চিত্র উৎসবে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবার মাধ্যমে আন্তজাতিক অঙ্গনে প্রবেশ করলো বাংলা চলচিত্র। সাদিক আহমেদই প্রথম বাংলাদেশী বংশদ্ভূত ব্রিটিশ চলচ্চিত্র নির্মাতা যার ছবি লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভালের প্রদশণীর জন্য মনোনি...
আজ কারা যায় নক্শী কাঁথার মাঠে? কারা গায় কাব্য কলার গান ?একদিন স্বপ্নের প্রাথমিক স্রোতে জীবনের এমন বহু অর্থ জানা হয়েছে । সারা গ্রাম জুড়ে স্বপ্নবসতি. . . চৌকাঠ ডিঙালেই নিকানো উঠোন ,ঝিঙেফুলের বিদূরতা-অমন দূরে নিজেকে গেঁথে ‘চন্দনী’ প্রার্থনায়...ছুঁতে গেলেই সে পেয়ে যেতো নীল নীল স্নায়ূর ভেতর স্বরচিত অবসাদ...বালিকাটি দেখে নি তাই এতোকাল পর আজ মনে পড়ে ব্যর্থতার সেই ধারাপাত ! আকাশের গায়ে গায়...
আমি যা খাই
পরি, হাতের কাছে তৈরি যা পাই
একটু আধট টুক-টাক যা গাই
সবই সে মানবীর জন্য।
যে কষ্ট দেয়
দিনশেষে তা শুষে নেয়
যে কষ্ট পায়
রাতশেষে তা ভুলে যায়।
বাঁচা ভিন্ন স্বপ্ন নাই
হবে, এও এক কথার লড়াই
জেতার কোন চেষ্টা তাই
দেখ কত তুচ্ছ নগণ্য।
ভালো ভালো ছড়া পড়লে এমনিতেই মনটা ফুরফুরে হয়ে ওঠে আমার। আর আজ সচলায়তনে বিডিআর ঘোষিত ছড়া দিবস দেখে ব্যাপক পুলক বোধ করছি এবং শুধু এই প্রবাহে অংশ নিতেই খুদে দুটো ছড়া ছেড়ে দিচ্ছি প্রায় ঘষামাজাহীন।
নাউজুবিল্লাহ-উচ্চারণ-পিয়াসী পাঠকদের লক্ষ্য পূরণ না হলে সকল অপবাদ আমার প্রাপ্য। আর এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, দ্বিতীয় ছড়াটি একটি রুশ কৌতুক অবলম্বনে রচিত।
পুরুষালি যুক্তি
মেয়েটির ছেল...
তখন স্কুলে পড়ি, ক্লাস সিক্স কি সেভেন । দাদার বদৌলতে ডায়ার স্ট্রেইটস, ইউরোপ, স্করপিওন শুনতে শুনতে আমিও তাদের সেইরকম ভক্ত । হঠাৎ একদিন শুনলাম অদ্ভুত একটা গান, গানটা শুনতে যখনই বসি, কেন যেন প্রচন্ড রাগ হয়, ক্ষোভ জমে, নিজেকে সত্যকার অর্থেই হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা নিরেট দেয়ালের একটা ইটের মতই মনে হয়, চোয়াল শক্ত হয়ে ওঠে, হাত মুঠো হয়ে যায় এই দেয়াল ভাঙ্গতে । হ্যাঁ আমি পি...