Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

পাবলো নেরুদার দুটি কবিতা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২১/১২/২০১৬ - ৭:৫১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অরণ্যে নিখোঁজ

অরণ্যে নিখোঁজ, কালচে শাখাটি ভেঙ্গে
তৃষ্ণার্ত ঠোঁটে তুলে নিলে তার ফিসফাস,
শোনা যায় বৃষ্টি-রোদন মেঘের কণ্ঠ,
বোবা ঘণ্টার গান, আহত মনের দীর্ঘশ্বাস।

বহুদূর হতে পৃথিবীর পথে
উন্মেষের এই আর্তি তার নিগূঢ় গোপনে,
পল্লবের ছায়াতে হার মানে যেন
আধ-ভেজা ধূসরতার তীব্র শরতে।

ধীর জাগরণে টুটে গেলে সেই অরণ্য-স্বপন,
শাখাটির গান ঠোঁটে শিষ হয়ে আসে,
ঘোর লাগে মনে- তীক্ষ্ণ সুবাসে।


ক্ষুদ্র ডিটেইল্গুলি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২১/১২/২০১৬ - ৭:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটা সময় চলে আসে যখন আর বড় বড় বিষয়গুলি চোখে-মুখে কিংবা স্মৃতিতে লেগে থাকে না। খুব ছোট অ/দরকারি ডিটেইলসগুলি কিভাবে যেন রয়ে যায়।


একজন "ব্যতিক্রমী সেক্টর কমান্ডার"

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: সোম, ১৯/১২/২০১৬ - ৩:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আসুন এ বছর বিজয় দিবসে 'প্রথম আলো'র ব্যতিক্রমী উপহার থেকে ছোট্ট এক টুকরো পড়ি।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কাল রাতে জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একজন মেজর। সে রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে অস্ত্র খালাসরত পাকিস্তানি এক জেনারেলের কাছে তাঁকে পাঠানো হচ্ছিল। পরিকল্পনা ছিল তাঁকে ‘গ্রেপ্তার বা হত্যা’ করার (গোলাম মুরশিদ, মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর: একটি নির্দলীয় ইতিহাস)। পথিমধ্যে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের সংবাদ শোনামাত্র বিদ্রোহের সিদ্ধান্ত নেন। চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ফিরে এসে তাঁর কমান্ডিং অফিসারসহ অন্যান্য পাকিস্তানি অফিসার ও সৈন্যকে বন্দী করেন। পরদিন তিনি প্রাণভয়ে পলায়নপর মানুষকে থামিয়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার উদ্দীপনাময় ভাষণ দিতে শুরু করেন (বেলাল মোহাম্মদ, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র)। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনি বেতারে নিজ কণ্ঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।


রবিশংকর ও জর্জ হ্যারিসনের 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এবং একজন জোয়ান বায়েজ

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: শনি, ১০/১২/২০১৬ - ১২:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাত্র ৯৯ মিনিট দৈর্ঘ্যের একটি ডকুমেন্টারি। শুরুর মিনিট থেকে শেষ মিনিট পর্যন্ত চোখের পাতা অপলক ছিল, হৃদস্পন্দনের গতি কত বেড়েছিল হিসেব রাখিনি, তবে নিঃশ্বাস প্রায়ই আটকে রাখতে চাইছিলাম তার নড়াচড়ায় যদি ওই সময়ের কোন দৃশ্য বা শব্দ বাদ পড়ে!


ব্লেড হ্রদের ধারে

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৭/১২/২০১৬ - ৩:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]পূর্ব ইউরোপের অধিকাংশ দূরপাল্লার ট্রেনেই বসবার স্থানগুলো থাকে কূপের ভেতরে, একেকটি কূপে ছ জনের বসবার ব্যবস্থা। ব্যাপারটি বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে যখন দেখা যায় সেই কূপে যাত্রী আছে এক কী দু জন। এযাবৎ আমার কূপভাগ্য বেশ ভালই বলতে হবে, কারণ এখন পর্যন্ত যতবারই এমন কূপে উঠেছি পেয়েছি যতসামান্য যাত্রী। আর যাদেরকেও পেয়েছি তাদের সাথে আলাপ জ


সুলেমানী প্যাঁচে বোকা বাক্স

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৪/১২/২০১৬ - ৫:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বাংলাদেশে টেলিভিশন মোটামুটিভাবে একটি একমুখী মাধ্যম। এখানে টেলিভিশন চ্যানেলরা তাদের সুবিধা-পছন্দ-পরিকল্পনা মতো নানা প্রকার অনুষ্ঠান, নিজেদের মতামত-দর্শন, স্পনসর-বিজ্ঞাপনদাতা-ক্ষমতাধরদের ইচ্ছামাফিক ছাঁচে ঢালা নানা অনুষ্ঠান প্রচার করে; নিজেদের লোকজনকে প্রমোট করে। সেখানে দর্শক-শ্রোতারা সেগুলো পছন্দ করলেন নাকি অপছন্দ করলেন, অনুষ্ঠানসম্পর্কে তাদের মতামত কি – এমনসব ফিডব্যাক নেবার কোন ব্যবস্থা নে


এফটিপিও’র সংস্কৃতি রক্ষার আন্দোলন প্রসঙ্গ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৪/১২/২০১৬ - ৫:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশের নাটক নির্মাতা, নাট্যকার, অভিনয়শিল্পী, ক্যামেরাম্যান, প্রোডাকশন হাউজ সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি গ্রুপ মিলে বাংলাদেশের শিল্প সংস্কৃতি রক্ষার আন্দোলনে নেমেছেন। একই ছাতার নিচে এসেছেন তারা ‘ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন’ নামে। অসাধারণ এক ব্যাপার!


চলচ্চিত্রালোচনাঃ ডিয়ার জিন্দেগী

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: রবি, ০৪/১২/২০১৬ - ১১:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি হিন্দী মুভির ভক্ত না। সমালোচক তো আরওই না। তবে মাঝে মধ্যে কোতুহল হলে যে দেখি না--তা নয়। নায়কদের মাঝে আমির খানকে এগিয়ে রাখি তার ছবি তৈরির ডিভোশন এবং এক্সপেরিমেন্টেশন করার সাহস ও ক্ষমতার জন্য। নতুন নায়কদের মধ্যে রনবীর নামের একটিকে আমার বেশ পছন্দ (সিং-ওয়ালা না কাপড়-ওয়ালা--নিশ্চিত নই)-- যার বরফি ছবিটা মনে ধরেছিল (যদিও প্রভূত পরিমানে নানান চলচ্চিত্র থেকে টুকলিফাই করা এবং ধরা পড়ার পরেও পরিচালক বা প্


প্রাণ কী ৪: আরএনএ পৃথিবীর আড়ালে

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান (তারিখ: বিষ্যুদ, ০১/১২/২০১৬ - ৭:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দ্বিতীয় পর্বে বলেছিলাম -

প্রতিটি জীব হল উচ্চমানের রাসায়নিক সিস্টেম যা নিজে নিজে অনুরূপ তৈরি করতে পারে বা 'স্বনবায়নক্ষম' (self renewable) এবং একটি দেহে (বা কোষে) নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে বা 'স্বয়ম্ভর' (self sustainable)।