Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ব্লগরব্লগর

রঙ্গে ভরা বঙ্গবাণী

অভ্রনীল এর ছবি
লিখেছেন অভ্রনীল (তারিখ: শুক্র, ১৬/০৯/২০১১ - ৬:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িচালককে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কী পাস? সে বলল, ‘‘আমি তো স্যার ফাইভ পাস।’’ সেও প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি ভালোভাবে চালায়।


তাজমহলের কোনো মিস্ত্রি ক্লাস সিক্সে পড়ে নাই

সুজন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুজন চৌধুরী (তারিখ: শুক্র, ১৬/০৯/২০১১ - ৩:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Shahjahan

ও আমার দরদী আগে জানলে, আগে জানলে ফাইভের ফাইন্যালে পাশ করতাম না।


আমার হুমায়ুন আহমেদ... পর্ব -এক

মানিক চন্দ্র দাস এর ছবি
লিখেছেন মানিক চন্দ্র দাস [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৬/০৯/২০১১ - ৩:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রাইমারীতে থাকতে পাশের বাসার পাড়াতো দাদা-দাদীর কল্যানে টিনটিন,চাচা চৌধুরী, হাঁদা-ভোদা, নন্টে ফন্টে, বাঁটুল দ্যা গ্রেট ইত্যাদি চমৎকার সব কমিকস পড়া শেষ।
তারপর সেই দাদীর কল্যানেই বোমকেশ বক্সী কিংবা কিরিটি শেষ এবং তারপর প্রফেসর শঙ্কু, ফেলুদা,ঘনাদা,টেনিদা মোটামুটি একটা কব্জা করা গেছে।


শুভ বিবাহ

আশালতা এর ছবি
লিখেছেন আশালতা (তারিখ: শুক্র, ১৬/০৯/২০১১ - ৩:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বয়েসের দোষ নাকি কে জানে, আজকাল বিয়ে 'খেয়ে' তেমন আরাম পাওয়া যাচ্ছেনা। রোদবৃষ্টির ভ্যাপসা গরমের মাঝেও সেদিন একখানা বিয়ের দাওয়াতে গেলাম। দেখি এসিওলা ফিটফাট কমিউনিটি সেন্টারের ফুলসাজানো কোণায় বরকনে হাসিমুখে সোফাসিন। সুবেশী সুশীল লোকজন সবাই এসে মাপা হাসি দিয়ে কথা বলছে, টকাটক ছবি তুলছে, ভিডিও উঠছে। এসবকিছু শেষ হতে ওদিকে টেবল রেডি, ঝাঁক বেঁধে সবাই গিয়ে বিরিয়ানি খেয়ে মিছরি দেয়া পান চিবোতে চ


মোটরসাইকেল ডায়রি: জার্নি টু খাজুরাহ-২

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৯/২০১১ - ৯:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পরের দিন সকালে ৫ টায় উঠে একটু পরেই আমরা বেড়িয়ে পড়লাম, কমপ্লেক্স সকালেই খুলে যায়, সূর্যের প্রথম আলোতে অসাধারণ লাগে জায়গাটা, দেখলেই একটা অপার্থিব অনুভূতি তৈরী হয়, পাথরের সুউচ্চ মন্দিরগুলোর গায়ে যখন সোনালী আলো পরে তখন মনে হয় পুরো জায়গাটাই সোনা দিয়ে মোড়ানো


আয়কর নিয়ে ব্যক্তিগত ভাবনা

গৌতম এর ছবি
লিখেছেন গৌতম (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৯/২০১১ - ২:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১) অফিসে আসার পথে দেখলাম রাস্তায় হলুদ টিশার্ট পরিহিত বেশ কিছু তরুণ-তরুণী আয়কর দেয়া নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের কাছ থেকেই জানা গেল আজ আয়কর দিবস। তারা রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে কিংবা সিগন্যালে গাড়ি থেমে থাকার সময় মানুষদের কাছে গিয়ে আয়কর-সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের তথ্য জানাচ্ছেন। আয়কর দিলে কী সুবিধা, না দিলে কী সমস্যা হতে পারে ইত্যাদি বিষয় খুব সংক্ষিপ্তাকারে তারা চমৎকারভাবে উপস্থাপন কর


অখণ্ড ধারাবিবরণী পোস্ট: মুরগি রান্না!!

জি.এম.তানিম এর ছবি
লিখেছেন জি.এম.তানিম (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৯/২০১১ - ১১:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]সেদিন প্রথম আলোতে না কোথায় যেন দেখলাম যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ছয় জনে একজন নাকি গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট। উপাত্তের সত্য মিথ্যা জানি না, কিন্তু আরও অনেক উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশগামীর মতো আমিও এই দেশে এসে পড়লাম জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে। জ্ঞান অর্জনের জন্য আজকাল চীনের লোকেরাও এই দেশে চলে আসে, আমি তো কোন ছার। সে যাই হোক, নতুন দেশে এসে জীবনে প্রথম বারের মতো অনেকখানি স্বাবলম্বী হতে হচ্ছে। তার একটা প্রধ


'লেখক' নিয়ে লেখা : হুমায়ূন আহমেদ

মর্ম এর ছবি
লিখেছেন মর্ম [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৫/০৯/২০১১ - ৩:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অটোগ্রাফ জোগাড়ের নেশা আমাদের অনেকেরই আছে- সে আলাদা করে রাখা অটোগ্রাফ খাতায় হোক, হাতের কাছে পাওয়া চিরকুটে হোক, চিঠিতে হোক বা বইতে। মনের মধ্যে ‘আকাশের তারা’ হয়ে থাকা একটা মানুষের ‘চিহ্ন’ যে কত মূল্যবান সেটা সে-ই জানে ভিড় ঠেলে উত্তেজনায় টগবগ করতে করতে ঐ ‘চিহ্ন’ যে কখনো না কখনো জোগাড় করে এনেছে!


অলস শব্দাবলী

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৪/০৯/২০১১ - ১০:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথমদিকে প্রায়ই স্বদেশ এসে হানা দিতো স্বপ্নে, দেখতাম আমি হেটে চলেছি শৈশবের সেই বহু চেনা পথগুলিতে কিংবা কোন ধরনের নিমন্ত্রণ ছাড়াই প্রিয় বন্ধুবর্গের কেউ হাজির! তারপর যা হয়, সকালে উঠে একটা দীর্ঘশ্বাস এরপর ব্যস্ততায় ডুবে যাওয়া। ধীরে ধীরে স্বপ্নগুলার প্লট পরিবর্তন হতে লাগলো, এখানকার আর ওখানকার সবকিছু মিলিয়ে জটিল থেকে জটিলতার দর্শন। এবং অবশেষে স্বদেশী স্বপ্নগুলো হারিয়ে গেল পুরোপুরি। এখন আর ঘুমের ঘোরে আমি হাটি না আশৈশবের সেই পথে, পরিচ্ছন্ন চকচকে পীচ ঢালা কোন পাহাড়ি রাস্তা বা সমুদ্র এসে বসে থাকে পুরো সীমানা জুড়ে।


স্মৃতিপাঠে বিদ্যাপীঠঃ আদর্শলিপির লিখনশৈলী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৪/০৯/২০১১ - ৩:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]জড়োতা বলে যে জটবাঁধানো জবড়জং ব্যাপারস্যাপার আছে বস্তুর ক্ষেত্রে তা আমরা কম বেশি সবাই জানি। পদার্থের জন্মদোষে দুষ্ট এই গুণটা হলো, বস্তু অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ হয়ে যে অবস্থায় আছে, নিতান্ত বাধ্য বা বাধাপ্রাপ্ত না হলে সেই সুব্যবস্থার কোনো দুরবস্থা করতে চায় না নিজে থেকে। অর্থাৎ যা স্থির আছে সে খামাখা কখনো অস্থির হবে না। যে ঘোরার উপরে আছে, বলপ্রয়োগ সাপেক্ষে ঘোর না কাটানো পর্যন্ত সে বেঘোরেই ঘুরতে থাকবে। এরকম সুলিখিত সংবিধান পড়েছিলাম বিজ্ঞান বিষয়ে স্কুল-কলেজ-এমনকি ভার্সিটিতেও। কিন্তু এই জড়োতার উল্টোপিঠেও আর এক জড়োতা আছে, যাকে বলে কোনো কিছু না করার বা আলসেমির জড়োতা। আর এইটা এখন আমার দৈনন্দিন জীবনজুড়ে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। পরম শূন্য উষ্ণতার মতো যদি পরম শূন্য জড়োতা বলে কিছু থেকে থাকে তবে আমি নিশ্চিত, তা এখন আমকে জাপটিয়ে জড়িয়ে রেখেছে। আমার এই লেখাতেও অবধারিতভাবে সবাই বৈচিত্র্যহীন জড়োতার বিচিত্র সব উপকরণ রয়েছে যা বিষম বিরক্তির উদ্রেক কোনোরূপ জড়োতা ছাড়াই করতে পারে।