তুলে রাখি বরফছানা । দানা বাঁধা দুঃখের সম্ভার । পার হবো বলে যে নদীর
দ্রাঘিমায় দেখেছি নিজের মুখ, সেই স্রোত কেও সাক্ষী রেখে যাই। সাজাই
সুরের সাতরঙের ছায়া। কায়া হলে স্পর্শ করতে পারতাম। নিতাম বুক ভরে
নিবিড় নি:শ্বাস । দাস হয়ে থেকে যেতাম এই লোকরূপায়নে। জেনে সব ভোর
আর দুয়ারের বুঝাপড়া। সাড়া দিয়ে যেভাবে নক্ষত্র ও আসে কাছে ; আর বলে
বাধ্য থেকে যাবো আজীবন। হায় ! বপণের রাত-- তুমি তো জানো কিভাবে ...
রিমঝিম রিমঝিম নূপুর বাজছে সামনের টিনের চালে, আজকে একেবারে ঘনবর্ষা। গতরাত থেকে নেমেছে। ঝরঝর ঝরঝর করে জল পড়ছে পাশের বাড়ীর রেনওয়াটার পাইপ থেকে। নারিকেল গাছগুলো পাতা নাড়িয়ে নাড়িয়ে মহানন্দে স্নান করছে। হাওয়া এত ঠান্ডা, একেবারে বর্ষণবাতাস। ধানক্ষেতে জল জমে গেছে, বৃষ্টির জলে আধোডোবা চকচকে সবুজ ঘাসের মধ্য থেকে গলা বাড়িয়ে সোনাব্যাঙ গলা ফুলিয়ে ডাকছে। ...
কাঁটাতার
সৈয়দ আফসার
পাখিরা ঝাঁকে ঝাঁকে আকাশে উড়ে
বেলা শেষে ঝাঁক ভেঙে একা, নীড়ে ফিরে
তুমি বিচ্যুত হলে প্লাবিত আমি আর নারী
অস্থি মাংশপোড়া হাড়ে
দগ্ধ ডানায় ছিটকে পড়বো কাঁটায়-
কাঁটাতারে
করুণ সেই প্রথম রাতের কাহিনী।
অনেকক্ষণ রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থাকার পরে অন্ধকার থেকে আবির্ভাব হলো এক জোড়া কপোত-কপোতীর। নৈশভ্রমণ সেরে তারা হোস্টেলে ফিরছিলো। সদয় হয়ে তারা আমাদের গেটের ভেতরে ঢুকতে দিলো। অন্ধ সিঁড়ি বেয়ে আমরা চলে যাই রিসেপশনে। কিন্তু সব খা-খা। একটা বাতিও জ্বলছে না কোথাও, ডেস্কে লোক থাকা তো দূরের কথা। (পরের দিন সকালে জান...
তোমার শৈশবে কী ছিলো কোন খাঁচা?
বালিহাঁসের নরম পালকের মায়াঘেরা
বেশ কিছু পুরাতন শুকনো কঞ্চি দিয়ে
সুতোয় বাধা চৌকোন ঘরের বেড়া।
জোড়াতালির ফাঁকগুলো সেখানে
হাঁ হয়ে ছিলো হা-ভাতের স্বাদ
পোষা ময়না, শালিক আর টিয়ে
বাদামী চোখের নিচে ছিলো না-
যাদের ফুড়ত ফুড়ত সুবিধাবাদ।
পাখিদের থাকে লালটুকটুক হৃদয়
মায়াবী দুটি পায়ের কাছাকাছি
মাটি ছুঁয়ে, ঘাস ছুঁয়ে, পাতা ছুঁয়ে
হেঁটেছিলো তারা অচল আয়তনে
অব...
কানা জইল্যা চায়ের গ্লাস হাতে নিয়ে গফুর মিয়ার দিকে তাকিয়ে একটি ফিচেল হাসি দিয়ে বললো, জামাই যহন ছাইড়ে দিয়েছে এহন তো তার পুরুষ মানুষির কাম চইলে যায়নি। তোর ঘরের লাগোয়া যহন রাইত-বিরাতে তো তুই যাতি পারিস!
গফুর মিয়ার খুবই রাগ হয় কানা জইল্যার উপর। কিন্তু এখনি উল্টোপাল্টা কিছু বলে নিজকে সমস্যায় জড়াতে চায় না গফুর মিয়া। সে রেগে উঠলে তারাও তাকে ক্ষেপানোর সুযোগ পেয়ে যাবে। তাই সে নির্বিকার ...

দেশে এখন শিক্ষকদের খুব কদর। রাষ্ট্র সর্বোচ্চ পদে বসায় পর্যন্ত। আমাদের নিশ্চয়ই উদ্দিন সাহেবের কথা মনে আছে।
এছাড়াও যে কোনো অন্যায় জায়েজ করার জন্য দলগুলোর চাই বিশেষজ্ঞ শিক্ষক। অফিসে ছুটির দরখাস্তের সঙ্গে মহল্লার ডাক্তারের প্রত্যয়নপত্রের মতো এখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সাট্টিফিকেট লাগে। সরকার বা বিরোধী সব দলেরই। তাই শিক্ষকদ...
[justify]
**** স্পয়লার মুক্ত পোস্ট ****
ফিল কনার্স একজন আবহাওয়াবিদ, পিটসবার্গের চ্যানেল TV9 এর ওয়েদার ব্রডকাস্টার হিসাবে কাজ করে। নিজের কাজটা সে করে ভালোই, রাস্তায় লোকজন তাকে দেখে ফিরেও তাকায়। তবে টিভি চ্যানেলে কাজ করার জন্য, অথবা হতেও পারে তার ধরনটাই এমন – একটু বেশিই আত্মকেন্দ্রিক আর হামবড়া স্বভাবের ফিল। নিজের ভালোটা খেয়াল করে চলে, আশেপাশের লোকজনকে গোনায়ই ধরেনা। এমনকি নিজের ক্যামেরাম্...
নীলু আপা প্রায়ই বলতো দুপুর বেলা, মা যখন দুপুরের খাবার একটু খেয়ে নিয়ে, খবরের কাগজটা চোখের সামনে ধরতে না ধরতেই একটু চোখ বোজার আগে, আমাকে ডাকতো- আয়, ঘুমোবি- আর আমি দুপুরে ঘুম আসেনা বলে আমাদের ছোট্ট বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতাম, তখন দেখতাম নীলু আপাকে, সামনের বিল্ডিঙটার দালানে দাঁড়িয়ে। আমায় দেখতো কিছুক্ষণ, একসময় বলতো, "ছাদে আসবি?" আমি মুখ ভার করে বলতাম, "চাইলেই বুঝি আসা যাবে? মা বকবে না?" নীলু আপা...
সবার শুরুতেই মারাত্মক একটা ধন্যবাদ জানাতে হয় মহামতি, মহাজ্ঞানী জাকির নায়েককে। বিবর্তন সম্পর্কিত আমার অতিক্ষুদ্র জ্ঞানও অর্জন হতো না, যদি না তিনি চমৎকার একটি বক্তৃতা দিতেন।
যাই হোক, ফাইজলামি বাদ দিয়ে আসল কথাই আসি। গত বই মেলা থেকে বন্যা আপার "বিবর্তনের পথ ধরে" বইটা কিনে মুহাম্মদ। বাংলাভাষায় আরও কয়েকটি বিবর্তন বিষয়ক বই আছে, সেগুলো পড়ি নাই, খালি একটু নেড়েচেড়ে দেখা হয়েছে। তারপরও ব...