Archive

August 11th, 2011

শ্রাবণমেঘের দিন

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
লিখেছেন অতন্দ্র প্রহরী (তারিখ: বুধ, ১০/০৮/২০১১ - ৭:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকালে এটা লেখার সময়ও বৃষ্টি ছিল। আকাশ চুঁইয়ে গড়িয়ে পড়া পানির ধারা দেখে মনে হচ্ছিল না সহসা থামার কোনো ইচ্ছে আছে তার। তবে বিকেল না পেরোতেই অবশেষে থেমে গেছে বৃষ্টি। কে জানে কখন সে ফিরবে আবার! ফেরা না-ফেরার সেই প্রতীক্ষার পেন্ডুলামে দুলতে থাকা বৃষ্টিদিনের কিছু কথা...


August 10th

নিরপেক্ষ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০৮/২০১১ - ১০:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বোকার মতো পক্ষ ধরে,
মরবো কেন খাদে পড়ে?
ভেদাভেদের নীতি ভুলি,
আমার পথেই আমি চলি।
পক্ষ যেন লক্ষ লক্ষ,
আমি সদাই নিরপেক্ষ!


ভালোবাসা ভালোবাসা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০৮/২০১১ - ৯:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


অনিমেষ-এর কথাঃ

১.
'আপু, আপু, ওই জিনিসটা আমাকে কিনে দাও।'
'কোনটা? ওটা তো বার্বিডল। মেয়েদের খেলনা। ওটা দিয়ে তুই কি করবি?'
'না না না। আমাকে দিতেই হবে, দিতেই হবে। দাও দাও, এক্ষুণি দাও।'

এই হচ্ছি আমি। আমার অনেক রাগ। কেউ কিছু না শুনলে আমার অনেক রাগ হয়। আমার কেউ নাই। শুধু রানু আপা আছে। রানু আপারও কেউ নাই। খালি বাবা আছে। রানু আপার বাবাকে আমি পছন্দ করি না। কিন্তু রানু আপাকে পছন্দ করি। অনেক অনেক।


জাদুর কাঠি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০৮/২০১১ - ৮:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ন্যাড়া মাঠটার দিকে বিষন্ন মনে তাকিয়ে কি যেন ভাবছে একটা মানুষ। পরনে তার লাল, গেরুয়া আর কালো রংয়ের পট্টি দেয়া অদ্ভুত কাবলির মত পোষাক। কাঁধে একটা সবুজ রংয়ের ময়লা চটের থলে। রুগ্ন ধরনের লোকটার চিবুকে একটুখানি দাঁড়ি, কিন্তু চোখে মুখে তীক্ষ্ণ একটা ভাব আছে। দেখেই মনে হয় খুব বুদ্ধিমান একটা মানুষ। অদ্ভুত পোশাকের এ তীক্ষ্ণ চেহারার মানুষটা পথচারীদের কারো চোখই এড়িয়ে যাচ্ছে না। সবাই যাবার পথে আড়চোখে


জগা খিচুড়ি - ০৩

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: বুধ, ১০/০৮/২০১১ - ১২:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]যারা জগা খিচুড়ির প্রথম দুই পর্ব পড়েছেন, তারা ইতোমধ্যেই জেনে গেছেন এই খিচুড়ি কোমল পেটে হজম হবার নয়। এ খিচুড়িতে বিভিন্ন ধরনের মসলা আছে, তাঁর মধ্যে কিঞ্চিৎ (!) অশ্লীলতার গন্ধ পেতে পারেন কেউ কেউ। সুতরাং সামনে এগুনোর আগে সাবধান! তবে কিনা অশ্লীলতার সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকম। আমার নিজের কাছে যে কোন ধরনের ফ্লপ রসিকতাকে অশ্লীল মনে হয়। যেটা শুনে হাসি আসবে সেটা আবার অশ্লীল হবে কেন?


ফেরা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০৮/২০১১ - ১২:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অফিস থেকে বের হয়েই মনটা হাল্কা হয়ে গেল। অদ্ভূত সুন্দর ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। কদিন ধরেই কিছুটা গরম পড়ছিল। গ্রীষ্মকাল আসেনি এখনও। যদিও এই শহরের আবহাওয়াটা প্রায় সব ঋতুতেই গুমোট থাকে আজকাল। কিন্তু আজ তার উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। আর্দ্র স্নিগ্ধ বাতাস মুহূর্তেই ভুলিয়ে দিল দিনভর পরিশ্রমের কথা।


দুটি কবিতা!

তানিম এহসান এর ছবি
লিখেছেন তানিম এহসান [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৯/০৮/২০১১ - ১১:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১. (উৎসর্গ: সুমন তুরহান)

অভিমানী হতে পারি, প্রতারক নই -
আলো নেই, কি করে সালোক-সংশ্লেষিত হই?
যান্ত্রিক পৃথিবীতে একরত্তি পিদিমের কতটুকু ঠাই -
তবুওতো আধপোড়া সলতের সুখ, প্রাণপণ জ্বলে যাই।

চাহিদার উপসংহার নেই, নেই দাড়ি, কমা, যতিচিহ্ন
কতদূর দিতে পারি? সুবিশাল আকাংখায়, সামর্থ্য সামান্য;
সব ধুপ শেষ হয়ে যায়, মৃদু হয় সবটুকু শ্বাস -
ফিরিয়ে দিতে পারো শেষ সহজ হাসি, সর্বশেষ উচ্ছ্বাস?


আফ্রিকায় পেঙ্গুইন, আফ্রিকার পেঙ্গুইন !

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: মঙ্গল, ০৯/০৮/২০১১ - ১০:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সর্পিল পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে গাড়ী ছুটে চলেছে আফ্রিকা মহাদেশের সর্ব দক্ষিণের প্রান্তবিন্দু কেপ পয়েন্টের উদ্দেশ্যে, কেপ পয়েন্ট থেকেই নাকি আটলান্টিক মহাসাগর আর ভারত মহাসাগরের মিলন স্থল দেখা যাবে, দুই বিপুল জলরাশির মিলনস্থলে চলছে প্রতিনিয়ত এক বিশাল কর্মযজ্ঞ, দুই স্রোতের জলের রঙটাও আলাদা, যেমন আলাদা লাগে পদ্মা- মেঘনার মিলনস্থলে, এখানে শুধু আরও অনেক ব্যপক আকারে।


‘আ ম্যাজিকাল জার্নি’ (৫)

দিহান এর ছবি
লিখেছেন দিহান [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৯/০৮/২০১১ - ৯:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি অন্তঃস্বত্তা এটা কাউকে জানানোর পর দুটো প্রশ্ন শুনতে হতো অবধারিতভাবে।

এক- ছেলে নাকি মেয়ে জানো? ছেলে চাও না মেয়ে চাও? আমার উত্তর ছিলো ‘আমার কাছে ছেলে মেয়ে সব সমান। ছেলেও যদি হয় মেয়ের মতো আদর যত্ন দিয়েই বড় করবো’!

দুই- সিজারিয়ান করাবে নাকি নরম্যাল ডেলিভারি?


বিউটিফুল বাংলাদেশের দি আগলি পিওপল-

কনফুসিয়াস এর ছবি
লিখেছেন কনফুসিয়াস (তারিখ: মঙ্গল, ০৯/০৮/২০১১ - ৬:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরুর সময় একটা ভিডিও দেখে মন জুড়িয়ে গিয়েছিলো। বিউটিফুল বাংলাদেশঃ দি স্কুল অব লাইফ।
টিপিক্যাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মত আমিও নিয়ম করে ক’দিন পর পর ছিচকাঁদুনে গীত গাই, দেশের জন্যে আহা উহু করি। সেই আহা উহুর মাত্রা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছিল সেই ভিডিওটা। ভিডিওটির পরিবেশনা, বলাই বাহুল্য চমৎকার ছিলো, আমাদের দেশের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। দেশের মানুষদের সরলতা দেখে মনে হয়েছিলো, আহা, সত্যিই তো, এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে না কো তুমি। ফেইসবুক আর ইউটিউবে ভেসে বেড়িয়েছে বেশ কিছুদিন এই ভিডিওটা।

দুদিন হলো আরেকটা ভিডিও ভাসছে এখন ফেইসবুকে, এবং ইউটিউবে। ভুল ব্যাকরণে এই ভিডিওটির টাইটেল দেয়া- মিলন কিলিং। গতকাল সকালে উঠে পত্রিকা পড়ে ইতিমধ্যেই মিলনের ঘটনাটা জেনে গেছি, জেনে হতভম্ব হয়ে গেছি। মানুষের নিষ্ঠুরতায় বিহবল হয়ে পড়েছি। ফেইসবুকে অনেকের প্রোফাইলে শেয়ার দেয়া আছে মিলন হত্যার ভিডিওটা, কিন্তু এখনও সাহস করে একবারও দেখে উঠতে পারিনি সেটা, হয়তো পারবোও না।