Archive - ব্লগ

December 31st, 2012

বছর শেষের ছুটি আর কয়েকটি বই পাঠ

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: সোম, ৩১/১২/২০১২ - ৩:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ক্রিসমাস আর নববর্ষ মিলিয়ে প্রায় দুসপ্তাহের কাছাকাছি ছুটি ছিলো। ইদানীং বই পড়া বেড়েছে আমার। আসল লক্ষ্য ছিলো ইংরেজী পড়ার গতি বাড়ানো। সেটা করতে এসে বই পড়ার পুরোনো নেশাটা ফিরে এসেছে আবার। ইচ্ছে ছিলো এই দুই সপ্তাহে ছ'টার মতো বই শেষ করব। সে আশার গুড়ে বালি দিয়ে সপ্তাহটা এমনি এমনিই কেটে গেলো। ভাবলাম যে কয়টা বই পড়েছি সেটা নিয়ে এবেলা দুচার লাইন লিখি।


বসন্ত বাতাসে- ভাপ্পু উৎসব!

সাফিনাজ আরজু এর ছবি
লিখেছেন সাফিনাজ আরজু [অতিথি] (তারিখ: রবি, ৩০/১২/২০১২ - ১১:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_0423


গুলজারের সৌরভ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ৩০/১২/২০১২ - ১০:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

gulzar2_800_600

গুলজার


December 30th

ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি...০০৭

জোহরা ফেরদৌসী এর ছবি
লিখেছেন জোহরা ফেরদৌসী (তারিখ: রবি, ৩০/১২/২০১২ - ৫:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাতাসে শীতের গন্ধ । প্রকৃতিতে রংয়ের উৎসব শেষ করে পাতাদের ঝরে পড়াও শেষ । বাদামী রংয়ের শুকনো পাতা মাড়িয়ে বাড়ি ফেরার পথে কোথা থেকে ভেসে এল অনেক দিন আগের এই রকম শীতের কোন ইউক্যালিপটাসের শুকনো পাতার গন্ধ...নজরুলের সমাধির পাশে লাইব্রেরীর গেইটে লাল রঙ্গা বাস থেকে নেমে কলা ভবন পর্যন্ত হেঁটে আসতে আসতে মাটি থেকে কুড়িয়ে নিতাম ইউক্যালিপটাসের শুকনো পাতা । একটু ছিড়লেই সেই পাতা থেকে বের হ’ত অদ্ভুত এক সৌরভ...কোথা হতে ভেসে এলো ফেলে আসা দিনের গায়ে লেগে থাকা সেই সৌরভ...আর তার হাত ধরে চলে এল বন্ধুর মত বন্ধুদের স্মৃতিরা...


কুতবেতিন বারান, জন্মভূমি ত্যাগ করতে বাধ্য হওয়া কুর্দি ভাই আমার

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: রবি, ৩০/১২/২০১২ - ৮:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কুতবেতিন বারানের সাথে আমার প্রথম দেখা ইউনিভার্সিটির ল্যাবে, ২০০৩ সালের বসন্ত তখন। গলায় মোড়ানো লাল-সাদা আরব স্কার্ফ, হাতে ভারী ভারী দুখানা বই, মুখে উচ্ছল হাসি আর চোখে খাঁটি মানুষের সারল্য। দেখেই খুব আপন মনে হয় এমন এক ব্যক্তিত্ব সে, (যদিও আরবদের সাথে মেশার অভিজ্ঞতা খুব সুবিধার না হওয়ায় সহসা এগোনো হয় না )। জিজ্ঞাসা করলাম নাম কী বড় ভাই( আমার চেয়ে ঢের বড় বয়সে)? বাড়ী কোন দেশে?


অনিয়মিত দিনপঞ্জি - পাকিস্তানের রাজনীতির খন্ডিত পাঠ

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: রবি, ৩০/১২/২০১২ - ১২:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সময়টা সম্ভবত ১৯৬৪ সালের শেষাংশ। দক্ষিণ বঙ্গের খুলনা শহর। আমরা তখন ২০-২৫ জন ছাত্র, স্কুলের ছুটির পর আবার কোন কোন দিন টিফিন পিরিয়ডের সময় রাস্তায় মিছিল করতাম। আমাদের নেতা কিন্তু আমাদের স্কুলের ছাত্র ছিলেন না। তিনি আমাদের স্কুলের সিনিয়র ছাত্রদের সাহায্যে কিছু ছাত্র যোগাড় করে মিছিলের নেতৃত্ব দিতেন। আমরা বিভিন্ন মহল্লায় সরু সরু রাস্তায় মিছিল করতাম। মিছিলের পুরোভাগে থেকে নেতা শ্লোগান দিতেন, 'ভোট


December 29th

টাইগার্স যাচ্ছে না!

আকতার আহমেদ এর ছবি
লিখেছেন আকতার আহমেদ (তারিখ: শনি, ২৯/১২/২০১২ - ৪:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


যেই দেশে প্রাণহানি ঘটে রোজ বোমাতে
প্রশাসন নিজে থাকে নিয়মিত কোমাতে
বোমা ফাটে মসজিদে, বাসে, সেনা সদরে
জঙ্গী হামলা হয় রাষ্ট্রীয় কদরে
যেই দেশ ভুল করে, ক্ষমা নিয়ে ভাবে না
সেই দেশে আমাদের দল যাবে? যাবে না!

কথা যদি সত্যিই দিয়ে থাকে লোটাসে
সেটা হলো তার দায়, বুঝে নিক ওটা সে
সেই দায় কেন নেবে মুশফিক, রিয়াদে?


সেন্টমার্টিন ভ্রমণঃ ছবি ব্লগ-১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৯/১২/২০১২ - ৪:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেন্ট মার্টিন। নীলাভ স্বপ্নের দ্বীপ। গত সপ্তাহে তিন বন্ধু মিলে গিয়েছিলাম সেন্ট মার্টিন। বাংলাদেশে এত সুন্দর একটা দ্বীপ আছে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। চারিদিকে শুধু নীল আর নীল। ওপরে নীল আকাশ, নিচে নীল জল। যেন একটা নীল স্বপ্নপুরী। এই নীল মোহনীয় রূপ ক্যামেরার ফ্রেমে ধরার অপচেষ্টা করেছি মাত্র।


আমার দিনলিপি ২৮-১২-২০১২

নীলকান্ত এর ছবি
লিখেছেন নীলকান্ত (তারিখ: শনি, ২৯/১২/২০১২ - ৪:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রচণ্ড ঠান্ডা।
সাইকেল ছাড়া বের হতেই চোখে পড়লো সামাদ ভাইকে। আমাদের এলাকার মুদি দোকানি। সারা জীবন তাকে কোর্ট আর বুট পড়ে দেখছি, তার কাছে তার দোকানটাই অফিস।
দেখি সাইকেল চালাতে চালাতে যাচ্ছে।
-আপনে সাইকেলে?
-"অনেকদিনের চর্চা নাই। তাই একটু চেষ্টা করতেছি।
আঁকাবাঁকা পথে সুন্দরমত সাইকেল চালিয়ে গেলেন সামাদ ভাই। ভালই লাগলো দেখতে।
রাস্তাঘাট ফাঁকা।


অতীতের সাথে পত্রালাপ (সাত) – স্বাধীনতা

তীরন্দাজ এর ছবি
লিখেছেন তীরন্দাজ (তারিখ: শুক্র, ২৮/১২/২০১২ - ১০:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রিয় বন্ধু রতিকান্ত, যে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পথ পাড়ি দিয়ে দেশটি স্বাধীন হয়েছে, পৃথিবীর ইতিহাসে এর নজির আর নেই। এটি আমার নয়, আমার শিক্ষকের মতিন মওলার কথা। ষাটের উপরে বয়েস তার। বুদ্ধিদীপ্ত, শানিত চেহারাটি কঠিন জীবনযাত্রা ও নির্দয় সময়ের কশাঘাতে ম্রিয়মাণ হলেও চোখদুটো উজ্জ্বল। মতিন মওলা এখানকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। হঠাৎই কোনো কারণ না দেখিয়ে ছাটাই করা হয়ে তাকে। এখন আশে পাশের ছ