শিকাগোতে এতো গরম পড়তে পারে ধারনা ছিলো না। ৯৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট (৩৬.৬৭ ডি সি) তাপমাত্রা এখন। ফিলস লাইক ১০২ ডিগ্রী ফারেনহাইট। ১১০-১২০ ডিগ্রীর তাপমাত্রা অ্যারিজোনাতেই পেয়েছি। শুষ্ক তাপমাত্রা বলে গায়ে লাগেনি অতটা। কিন্তু এখন তাপামাত্রা পাশাপাশি হিউমিডিটি যুক্ত হয়ে খুব ভ্যাপসা গরম পড়েছে এখানে। ইনফ্যাক্ট পুরো নর্থ আমেরিকাতেই হিট ডোম নামের এই গরমের হলকা বইছে ক'দিন ধরে। আজ দুপুরে লেকের দিকে যেতে গিয়েও মাঝ পথে ফিরে এলাম গরমে।
এই উপকথা ব্যাবিলনের। তবে রচিত গল্প হিসাবে এটাকে আমরা প্রথম পাই রোমান কবি ওভিডের লেখায়। পিরেমুজ আর থিসবির করুণ-মধুর কাহিনি। এ কাহিনি চিরকালের, যুগে যুগে দেশে দেশে বারে বারে এ কাহিনি আমরা পেয়েছি ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে, মানুষের নিবিড় ভালোবাসার কাছে সংঘবদ্ধ বিষয়বুদ্ধি কীভাবে পরাজিত হয়েছে, তার গল্প!
এই উপকথা ব্যাবিলনের। তবে লিখিত গল্প হিসাবে এটাকে আমরা প্রথম পাই রোমান কবি ওভিদের লেখায়। পিরেমুজ আর থিসবির করুণ মধুর কাহিনি। এ কাহিনি আসলে চিরকালের, যুগে যুগে দেশে দেশে এই কাহিনি আমরা পেয়েছি নানা আঙ্গিকে। মানুষের ভালোবাসার কাছে সংঘবদ্ধ বিষয়বুদ্ধি কীভাবে পরাজিত হয়েছে, তার গল্প!
সংবিধান সংশোধনে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলায় অনেকেই অসন্তুষ্ট। যারা দেশে প্রকৃত অর্থেই ধর্মনিরপেক্ষতা চেয়েছিলো তারাও অসন্তুষ্ট। একদিকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ বহাল রেখে আরেকদিকে আবার ধর্মনিরপেক্ষতার বুলি কপচানো প্রকৃত অর্থে প্রলাপ ছাড়া কিছুই নয়। দেশের উচ্চ আদালত এরকম প্রলাপীয় সংস্কার যদি সমর্থন করতে পারে, তাহলে সেই আদালত পরবর্তীতে যে আরো প্রলাপকে সমর্থন দেবে না, তার নিশ্চয়তা কী?
আমাদের ছোট দেশ মরে ধুঁকে ধুঁকে,
একপাল পশু বাস করে তার বুকে।
সে পশুরা ক্রমাগত করে যায় খুন,
সে পাতেই করে বমি, যেথা খায় নুন।
আমার এক ফুপু। যুদ্ধে স্বামী হারানোর পর বিয়েশাদি না করে দেড় বছরের ছেলেটাকে বড়ো করে তুললেন। পড়াশোনা রাজনীতি নাটক আর চাকরি করতে করতে একদিন জন্ডিস বাঁধিয়ে ধুপ করে ছেলেটা মরে গেলে ফুপু একদম ঝিম মেরে গেলেন। তার এই অবস্থায় সবাই ঠিক করল ফুপু যদি ঘুরে ঘুরে সবার বাড়িতে কিছুদিন করে থাকেন তাহলে হয়ত ধাক্কাটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন...
বিহ্বল হয়ে আছে মনথর আষাঢ়ের দিন
--------------- প্রখর রোদ্দুর
মধ্য দুপুরের কিছু পরে-
সিঁধেল চোরের মতো যেদিন একটু আঁচ,
মাড়োয়ারি কোকিলের কুউউউ বাশির ফুউউক,
লোলুপ বেড়ালের মতো মোম শিখা টুকুর উত্তাপে,
প্রথম পরশ দিয়েই,
অনবরত ছড়িয়ে গেছো স্পর্শের শিকড় বাকড়-
সেদিন বুঝি....
দিনাতিপাত সূর্য গ্রহনের হরিপদ উপোষ,
অমাবস্যা থেকে পূর্ণিমার হিসেব কষে যাওয়া খড়ি রঙ্গে,

টিনটিনের পরেই বোধহয় বিদেশী কমিক্সের মধ্যে অ্যাসটেরিক্স আমাদের কাছে সবচেয়ে সমাদৃত। প্রতিযোগিতায় অ্যাসটেরিক্সের পিছিয়ে থাকার একটা বড় কারণ অবশ্য এর অনুবাদের অভাব। ১৯৯৫ থেকে শুরু হয়ে ২০০২ সাল অবধি প্রথম দশটা বই বাংলায় বের হয়েই অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। শুনছি এই বছর আবার নতুন করে অনুবাদ চালু হয়েছে, ‘ঢালের খোঁজে অ্যাসটেরিক্স’ দিয়ে।
আজকের পত্রিকার অনেক খবরের মাঝে রাষ্ট্রপতি'র ক্ষমা বিষয়ক একটি খবর আছে। দেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী। সর্বোচ্চ সাজাপ্রাপ্ত, বাংলাদেশের যে কোন নাগরিককে তিনি ক্ষমা করতে পারেন; বাংলাদেশের জনগণ সেই অধিকার তাকে দিয়েছে। সেই অধিকার বলে তিনি এবার ক্ষমা করেছেন চিহ্ণিত এক খুনিকে।