[justify]ছোটবেলা থেকেই আমি আবার তেনাদের ব্যাপারে একটু ডোরপোক কিসিমের। প্রায় রাতেই হাবিজাবি স্বপ্ন দেখে চিৎকার করে জেগে উঠা ছিলো তখনকারদিনের নিত্যনৈমিওিক ঘটনা।। আর যেটা মজার ব্যাপার ছিলো তা হোল, রাতের বেলা নাকি আমি একা একা নাটক ফাটক করতাম। আপুরা ডাকাডাকি করলে নাটক বন্ধ করে আবার নাকি ঘুমিয়ে পড়তাম। কিন্তু বেশিরভাগ সময় নাকি আপুরা ফ্রিতে সেই রাতের শো দেখতো আর হাসাহাসি করতো। সকালে উঠে যদি ও আমার কিছুই
সকালের সূর্য নাকি জানান দেয় গোটা দিনটি কেমন যাবে। কিন্তু প্রবাদের দফারফা হতে দেখেছি বহুবার। ঝলমলে দিনের মুখ নিমিষেই হাড়িপনা কালো হতে দেখেছি। তারপর ছিঁচকাঁদুনী মেয়েটার মত দুপুরভর কেঁদেকেটে ঘনহয়ে আসা বিকেলে ফিক করে হেসে উঠতে দেখেছি। এতকিছু দেখাদেখির অভিজ্ঞতা থাকলেও আমার ছেলেবেলায় যে কাজিনের হাতে সবচেয়ে বেশি নাকাল হতে হয়েছিলো তার যে কোনই পরিবর্তন হবে না এটা আমি এক রকম নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলাম।
ছুটির সন্ধ্যায় জম্পেস পারিবারিক আড্ডা চলছে, এর মাঝে ছোট্ট তুতুন মাকে জিজ্ঞেস করে বসল, আমি তোমার পেটে কি করে এলাম আম্মু ?
দয়া করে আমার এই পোষ্টে খারাপ লেগেছে কিংবা দুঃখ পেয়েছেন এ জাতীয় মন্তব্য করবেন না। কারুর সহমর্মিতা অথবা সহানুভূতি চেয়ে মানবিক আবেদন জানানোও আমার উদ্দ্যেশ্য নয়। এ লেখার তাৎপর্য কেউ বুঝতে পারলেই লেখার সার্থকতা খুঁজে পাবো। ধন্যবাদ।
সাবরিনা সুলতানা
এক ভরদুপুরে, জনারণ্যে -
খুঁজে পেয়ে নির্জনতা
তোর হাতে আলতো ছুঁয়ে,
ঝিলিক চোখে চোখ লাগিয়ে,
বলেছিলাম একটু কথা।
নিকষ কালো আদিম গুহা, পরতে পরতে রহস্য, ইতিহাসের সুলুক সন্ধান, কোন পাথরের স্তরের নিচে কি আছে জানার কোন উপায় নেই, সাঁঝের আঁধারে ডানা মেলে গুহার আশ্রয় থেকে বাহির হয় বাদুড়ের ঝাক, প্রবেশের বিশালাকার মূল প্রবেশ পথটি দেখলে মনে হয় ডাইনোসরদের আস্তানা। হয়ত হবেও বা ! গুহাটি যে ২০ মিলিয়ন বছরের পুরনো!
আকাশে যুবতী চাঁদ
ছলাৎ ছলাৎ ভাসে নগর জীবন!
গহন ঘুমের ঘোরে বিবশ শরীর
পরীর মত ভেসে যায় জোৎস্না ধারায়;
আর বাস্তবতা স্বপ্নে মিলায়।
- sohailchowdhury
পত্রমুকুট
ত্রিকোণ আকৃতির কচি পাতায় পাতায়
মাথা ভরে আছে গাছটার।
পথের পার্শ্বেই দাঁড়িয়ে আছে
নিরিবিলি
ঝিরিঝিরি ...
বাতাসও যেন সারাক্ষণ
এক অনুষঙ্গ দিতে চায় তাকে।
আমি ভেবেছি বহুকাল এই মহান শিল্প
কী করে চুরি যায় ? আর
কাকেই বা- তা মানায় ?
স্বর্ণের মতো ঘোর রোদলাগা মুকুট
শুধু তোমাকেই মানায়। কথায় কথায়
বালিকার নাম বিমলা। এমন বালিকার প্রেমে না পড়াটাই অন্যায়। আর কে না জানে আমি অন্যায় একেবারেই সহ্য করতে পারি না। সুতরাং তার প্রেমে পড়ে গেলাম। পরের ঘটনা বেশ জটিল। সহজ করে বলার চেষ্টা করি।
আজকে ঢাকায় বেশ থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। বাসা থেকে নামবার খানিক আগেই ইলেক্ট্রিসিটি চ’লে গেলো। অনেকক্ষণ থেকে অপেক্ষা করছিলাম। লিফট আর চালু হয় না। পরে দশতালার সিঁড়ী ভেঙে নিচে নামতে হ’ল। নিচে বন্ধু’দের কেউ কেউ অপেক্ষা করছিলো। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে নিজেকে কেন জানি খুব দুখী দুখী লাগছিলো। বিজলী বাতিবিহীণ সিঁড়িঘরের আবছা আলো, আকাশের কালো মেঘের ছায়া আর আমার মনের অস্থিরতাই বোধকরি এই দুখী ভাবের জন্য দ