মায়েস্থেনিয়া গ্রাভিচ (এম জি) অতি বিরল আমরন এক অসুখ, যার পরীক্ষিত কোন চিকিৎসা বা ঔষধ নেই; আছে কিছু পরীক্ষনীয় ঔষধ। ভয়াবহ সেই অসুখের সাথে যুদ্ধ এবং তা জয় করার সত্য গল্প।
প্রথম পর্ব
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/38532
দ্বিতীয় পর্ব
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/38570
তিন
[justify]বসুধাকে প্রথম দেখি কলেজ রোডে মায়াবাদীদের হাসপাতালে। সেখানে গিয়েছিলাম এক রোগীর অ্যাটেন্ডেন্ট হয়ে। আমার রোগী যখন মায়াবাদীদের নানা রকম নিয়ম-কানুনে বিরক্ত হয়ে বার বার ক্ষেপে উঠছিলো, তখন কথা বলার জন্য বসুধা আমাকে সুবিধাজনক মনে করলো। তার কথা আমার কান দিয়ে ঢুকছিলো কম, চোখে দেখছিলাম বেশি। সেকথা তারও না বোঝার কথা না, সেটা নিয়ে সে বিব্রতও নয়। দিনের মধ্যে নিশ্চয়ই কয়েক ডজন বার তাকে এই পরিস্থিতি সামলাতে হয়।
রিসালাত বারীর 'পাঠ্যপুস্তক ই-বুক: একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ' লেখাটি এবং সে-লেখার সূত্রে গড়ে-ওঠা আলাপচারিতা আমাকে দারুণ অনুপ্রাণিত ও আশাবাদী করেছে। আমাদের বিভিন্ন মত থাকবেই, থাকবে ভিন্ন ভিন্ন ভাবনা ও আগ্রহের পরিসর। আর এই ভিন্নতাগুলোর ভিতরে লেনদেন সামনের দিকে এগিয়ে যাবার জন্য জরুরি। ডিজিটাল বাংলাদেশ এই সময়ের দাবি, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে হলে এ-দাবি মেটাতেই হবে। এ উদ্দেশ্যে নানামুখী
যমদুতের সাথে সুসম্পর্কের কারণে শেষ মুহুর্তে বেঁচে গেল গোরখোদক ঠান্ডু মিয়া। বজ্রপাতটা ঠিক কান ঘেঁষে মাটিতে নেমে যাবার সময় কয়হাত দুরের বিশাল ইউক্যালিপটাস গাছটাকে দো-ফালা করে গেলেও টিকে গেছে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাড় জিরজিরে বুড়োটা।
১। ডক্টর জীশান আমাদের যখন ডাকিয়ে পাঠালেন তখন বিকালবেলা। আমি, অঞ্জলি, সোমক আর জর্জ মিলে এক বিশেষ ধরনের শৈবালের নমুনা সংগ্রহ করছিলাম এক সরু খাঁড়ির প্রান্ত থেকে। এই শৈবাল ও খুব ইন্টারেস্টিং বেশ কদিন ধরে এই নতুন ধরনের শৈবাল নিয়ে পড়ে আছি আমরা কজন। পরীক্ষা করে দেখা গেছে এর সালোকসংশ্লেষক্ষমতা চেনাজানা অন্য উদ্ভিদদের তুলনায় অনেকটাই বেশী, শুধু সূর্যালোকে না, আমরা কৃত্রিম জোরালো আলোয় এমনকি মৃদু আলোতেও পরীক্
অন্যান্য আরো অনেকেরই মতো জীবনানন্দকে ঠিকমত বুঝে উঠবার আগেই ‘বনলতা সেন’-এর সাথে আমার পরিচয়। সেই পরিচয়ে তারুণ্যের মুগ্ধতাই ছিল বেশী। সে বয়সের মুগ্ধতার একটা আলাদা চরিত্র আছে। সেই চরিত্রগুণে সহজেই ‘বনলতা সেন’ ‘জীবনানন্দ’কে ছাপিয়ে যান। আমার প্রথম সেই পাঠ ছিল নিতান্তই অর্বাচীন পাঠকের পাঠ। তাই কবিতাটির প্রথম চরণেই খটকা লেগেছিল। ‘হাঁটিতেছি’, একি বিশ্রী গুরুচণ্ডালী। পাড়াগাঁর কবি, হয়তো
সপ্তাহান্তে হাতে কিছু সময় পেলে যে কয়টা জিনিস করতে পছন্দ করি, তার মধ্যে সবার ওপরে থাকে নতুন খাবারদাবার নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট। বলাবাহুল্য, তার মধ্যে অনেকগুলোই ফ্লপ হয়, দ্বিতীয়বার আর কখনোই করা হয় না। কিন্তু এর মধ্যেও কিছু কিছু খাবার বের হয়ে আসে, যেগুলো পাকাপাকিভাবে আমাদের প্রিয় রান্নার তালিকায় ঢুকে যায়, তার চমৎকার স্বাদের গুণে বা সহজ রান্না-পদ্ধতির গুণে। আজকে সেরকমই একটা রান্না হাজির করছি--মোরগ মোসাল্লাম।
মুখবন্ধ: ইহা কোন সাহিত্যকর্ম নয়। ইহা জীবনে প্রথমবারের মত একটি রেসিপি লেখার চেষ্টা মাত্র।
ডিয়ার স্যার,
আমাদের মহান হেড স্যারের লেখা একটা কবিতা আমরা মাঝে মাঝে আওড়াই - চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ যেথা শির - বুদ্ধির ঊনতাহেতু আমরা সেইটা পুরাপুরি বুঝতে পারি না। সেইখানে তিনি আরো লিখেছিলেন - যেথা গৃহের প্রাচীর/ আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী/ বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি। ইংরেজিতে Where the world has not been broken up/ into fragments by narrow domestic walls। আমরা ছোট চিন্তার লোকেরা, খালি প্রাচীর তুলতে চাই। আপনারা বড় বড় মানুষ। প্রাচীর-টাচির তেমন একটা মানেন না। তাই আমাদের অল্পবিদ্যার জাতীয়তাবাদী দেয়ালগুলা আপনাদের মনে করুণার উদ্রেক করে।