একজন মানুষের ছেলেবেলা তার সবচে প্রিয় সময়।আজকে আমি আমার ছেলেবেলা নিয়ে লিখবো।এ লিখার উদ্দেশ্য আমার ছেলেবেলার গল্প শোনানো না,এখনকার শহরের শিশু কিশোরদের সাথে আমদের ছেলেবেলার পার্থক্য আছে তা বলা।
[justify](মুখবন্ধঃ এই লেখাটা নিছক একটা ভূমিকাসম্বলিত কৌতুক। সুক্ষ্ম, মার্জিত এবং পরিশীলিত রুচিবোধসম্পন্ন পাঠক এটা নিজ দায়িত্বে পড়বেন। পাঠশেষে নাসিকাকুঞ্চন শিরোধার্য)।
Dear Sir, I did not come here to disturb you, look I am really helpless.. এই হল বাসে-ট্রেনে একশ্রেণির ভিক্ষুকের ভিক্ষার ভাষা। পুরোটাই ইংরেজি। তাতে কিছু ভুলভালও থাকে। তবে খুব কম। উচ্চারণের আড়ষ্টতাও প্রায় নেই । ঢাকার স্বনামধন্য ইংলিশ কোচিং সেন্টার থেকে কোর্স-করা-ছাত্র পরিচয় দিয়ে ভিক্ষা করতে গিয়ে বাসের যাত্রীদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হতেও দেখেছিলাম একবার এক কেতাদুরস্ত যুবককে। তার আবেদনের ভাষ
[justify]সযত্নে প্লেটের ভাতগুলো ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দিলাম। প্রায় রাতেই এভাবে খাবার নষ্ট করছি।তারপর সবকিছু ধুয়ে গুছিয়ে, বিছানায় শুতে চলে এলাম।কোনও একটা গল্পের বই পড়তে পড়তে ঘুমানোর অভ্যেসটা কেমন করে যেনো রপ্ত হয়ে গেছে। গল্পের বই হাতে নিয়ে ও আজ নামিয়ে রাখলাম।মাঝেমাঝে আমার ঘরের জানালা দিয়ে তাঁরাভরা রাত দেখা যায়।কিংবা পূর্ণিমার ভরা চাঁদ যেদিন আমার জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে আলোয় ভরিয়ে ফেলে ছোট্ট রুমটা, ব
বিজ্ঞানী.org এর নাম আমি প্রথম জানতে পারি সচল বিপ্রতীপের লেখা একটি পোস্ট থেকে। মাঝে মাঝে ঢু মারতাম, আর দেখতাম ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো সব পাগলাটে লোকদের কান্ডকারখানা। মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে বিজ্ঞানকে আমাদের মাঝে আরও সহজবোধ্য করার জন্য কি অক্লান্ত পরিশ্রমই না করছেন এই [url=http://www.sachalayatan.com/
মোল্লা নাসিরুদ্দিনের একটা গল্প মনে পড়ল,
গ্রামের একটি লোক একদিন হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে এসে মোল্লাকে বলল, "সুখবর আছে মোল্লা সাহেব, আপনার পাশের বাড়িতে পোলাও-মাংস রান্না হচ্ছে"।
- "তাতে আমার কী!" মোল্লার জবাব।
- "আপনাকেও নিশ্চয়ই দাওয়াত করেছে...!"
- "তাতে তোমার কী?"
১) ঈশ্বর ও তার প্রচারক দু’জনেই মূলত নাস্তিক। ঈশ্বরের নাস্তিকতা প্রকাশ্য, কিন্তু প্রচারকের নাস্তিকতা সদা গোপন থাকে।
[justify]বিষ্যুৎবারে সন্ধ্যা ঠিকই নামে। রাত আটটার আগেই বাবা আমার ব্যাগ রেডি করে রাখে। বোবা দরজার কাছে চুপ করে বসে থাকে। অনুপদের বাসায় শান্ত হয়ে থাকার কথা একবার মাত্র বলে বোবার হাতে আমাকে দিয়ে আস্তে করে দরজা বন্ধ করে দেয়। আমার সামনে তখন ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, গাছমণ্ডলী আর পুকুর ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে। বোবা হাঁটতে থাকলে আমিও তার সাথে চলতে শুরু করি। কুকুর ভোলা কিছুক্ষণ কুঁইকুঁই করে আমার সাথে এসে পরে আবার বাবার
ধন নয় মান নয় এতটুকু বাসা, করেছিনু আশা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
[justify]বসতবাড়ির প্রতি এই আশা সার্বজনীন। তা মানুষ-ই হোক আর পশুপাখি। বাড়ি তো কেবল আশ্রয় নয়, জীবনযাপনের অনুষঙ্গও বটে। বাড়ির সৌকর্যে রুচির প্রকাশ, নির্মাণে প্রতিভার। বাবুই পাখির মত ওস্তাদ কারিগর, মৌমছির মত স্থপতি বিস্ময়ের উদ্রেক করে। কিন্তু নির্মাণশৈলীতে যারা অপটু? আলোকচিত্রে আজকে তাদের কথাই বলবো।