[justify]দিনটা ছিলো ২৬ এপ্রিল, গতবছর, ২০১০ সাল। বরাবরের মতোই একটা দিন। ইউনাইটেড নেশনস হাই কমিশন ফর রিফিউজিস (ইউএনএইচসিআর) এর একজন কর্মকর্তা বন্ধু জানালো যে বিকেলে ওরা কয়েকজন একটা সেটেলমেন্ট পরিদর্শনে যাবে। জায়গাটার নাম বুলো তাওয়াক্কাল। বুলো মানে ক্যাম্প বা গ্রাম, দুটোই হয়। ৮০০’র মতো পরিবার এখানে বসবাস করে। সোমালিয়ার সেমি অটোনোমাস স্টেট পুন্টল্যাণ্ডের প্রায় সব সংস্থাই এখানে কাজ করে। তারমধ্যে আমাদে
*
তুমি বাড়ীর পথে ছিলে, যখন তুমি মারা যাও।
গাড়ীতে ছিলে, ভেঙ্গেচূড়ে পড়েছিলো তোমাকে নিয়ে। তোমার স্ত্রী আর দুই সন্তান রয়ে গেলো। মারা গেলে। সাদা এপ্রনের ওরা সব করেছিলো, যা কিছু করা যায়- কিন্তু। খুব করে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিলে তুমি, যেমন তোমার গাড়ীর সব কাঁচ, কিংবা সব স্বপ্ন তোমার। বিশ্বাস করো তোমার চলে যাওয়াই ভালো ছিলো সব থেকে।
তারপর, আমাকে দেখলে তুমি। আমি, তুমি।

এই বিশাল জীব-বৈচিত্র্য দেখে যখন আমরা খোদার কেরামতির উপর ভক্তিতে গদগদ হয়ে যাই, তখন আজাইরা জীববিজ্ঞানীরা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন, বাছা! কুয়ার ব্যাঙের মতো ফাল পাইরো না। একটু শোনো। তারা শোনাতে চান, সাড়ে তিনশ কোটি বছর আগে প্রাণের উৎপত্তির সূচনা থেকে আজ অবধি প্রকৃতিতে উদ্ভব হওয়া ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ প্রাণী পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে বিকাশের সাথে সাথেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। টিকে আছে দশভাগেরও কম। ভিন্ন প্রজাতির কথা বাদ দেই। নির্দিষ্ট একটি প্রজাতির দিকে তাকালেও ঠিক একই ঘটনা আমাদের চোখে পড়ে। আপনার নিকটবর্তী আম গাছে লক্ষাধিক মুকুল থেকে কয়টি আম ধরে? দশভাগ বললে তো বোধ হয় বেশি হয়ে যাবে। খোদা সবকিছুতে সর্বশক্তিমান হলেও সৃষ্টিতে তাঁর হাত কাঁপে। ‘ট্রায়াল অ্যান্ড এরর' এর মাধ্যমে একটি ভালো প্রজাতির উদ্ভব ঘটানোর জন্য তিনি বিনা গ্লানিতে হত্যা করেন অসংখ্য।
নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা বাপটাকে দেখে একবার।
বাড়ির সামনে বসে ধূপের ধোঁয়ায় হেরোইনের গন্ধ ঢাকবার ব্যর্থ প্রচেষ্টায় রত।
বাড়ির ভিতরে ঢুকতেই দেখে গৃহশিক্ষক বসা।
এই লোকটাকে তার খুব একটা পছন্দ না। তবুও রেখেছে। কথা বেশি বললেও যন্ত্রণা দেয় না। কোন অনর্থক নালিশ করে না।
দেখেও না দেখার ভান করে চলে যায় দোতলায়।
[justify]
পাবলো নেরুদার কিছু কবিতা অনুবাদ করেছিলাম। সেগুলো পড়ে আহসান ভাই (ডিপার্টমেন্টের এক বড় ভাই, দারুণ ছোটগল্প লিখেন) আরও কিছু কবিতা দিয়েছিলেন ব্যোদলেয়ার ও গার্সিয়া লোরকার। এর মধ্যে থেকে ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকার দুটি কবিতা আজ অনুবাদ করছি।
বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া আর আসার ব্যাপারটা অনেকদিন ধরেই দেখি। ঝিনাইদহে দেখেছি। খুলানাতে দেখেছি। ঢাকতেও দেখছি। তবে ঢাকার ব্যাপারটা একটু বাড়াবড়ি রকমেরই। অভিভাবকরা তাদের বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তিত হবেন - এটা খুবই স্বাভাবিক। আর আমাদের রাস্তাঘাটও দিন দিন আরো অনিরাপদ হয়ে উঠছে যেন। হেটে চলার মত পর্যাপ্ত জায়গা আমাদের রাস্তাতে নেইই। তার উপর যে রাস্তা যন্ত্রযানের জন্যই নিরাপদ না তা মানুষের জন্য কতটা নিরাপদ হ
মা শৈশবে খুব দুরন্ত ছিল। তার দুরন্তপনার নানান গল্প ছড়িয়ে আছে গ্রামে। নানিজীর মুখে সেসব শুনেছি আমরা। গ্রামের বড়রা গল্প করতো, মা নিজেও বলে। অন্যদের মুখে শোনার চেয়ে মায়ের নিজের বলাটা শুনতে বেশি ভালো লাগে। তার গল্প বলার এমন চমৎকার ভঙ্গি, এমন জমিয়ে গল্প করে, আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো তার শৈশব গিলতে থাকি। দম ফাটানো হাসি, রুমাঞ্চ কিংবা কান্নার গল্পগুলো। মা খুব বুদ্ধিমান, কোন গল্পটা শুনলে আমাদের মন খারাপ হয়,
বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির বিস্ময়কর অগ্রগতির কারণে গত কয়েক দশকে সভ্যতা অনেকটাই এগিয়ে গেছে। বৈজ্ঞানিক উপায়ে তথ্য সংগ্রহ, এবং যে কোনো হাইপোথিসিস পরীক্ষা করে দেখার মতো একটি প্রজন্ম তৈরি হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় যেকোনো অনুসিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাস্তবতার আরও বেশি কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব বলে প্রমাণিত হয়েছে।
সুনীল গাঙ্গুলির কল্যাণে ফ্রান্স আমাদের কাছে ছবির দেশ। কবিতার দেশ। সেইদেশে সঙ্গমবান্ধব লোকজন বাস করে, তারা পান করে সুস্বাদু ওয়াইন, লেখে কবিতা, আঁকে ছবি। যা কিছু ভালো, তার সঙ্গে ... । ফ্রান্সের আছে আইফেল টাওয়ার, আছে র-কে হ্র বলা লোকজনে গিজগিজ প্যারিস, লুভ জাদুঘর, সেখানে মোনালিসা। সভ্যতা ভব্যতায় ফ্রান্স আমাদের চেয়ে অনেক ওপরে। সেই ফরাসিদের বিস্মিত করে দিতে পেরেছি আমরা। এ আমাদের কপালে আরেকটি রাজতিলক। খামারের ইংরেজিতে যদিও বিস্মিত করে দেয়া কথাটার একটা দুষ্টু অর্থ আছে, তবে অত কাবিলি আমরা এখনও হতে পারিনি।
ফরাসী রাষ্ট্রপতির বিশেষ দূত মাহতাঁ ইর্শ আমাদের কায়কারবার দেখে গোটা ফরাসি জাতির হয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে গেছেন। আলেকজান্ডারের পর আর কেউ এইভাবে বিস্মিত হতে পারেনি। ইর্শের সেলুকাস নেই বলে তিনি আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেই যা বলার বলে গেছেন [১]।