স্রী শুধায়, চাল ফুরালো, ডালও শেষের দিকে
অফিস ফেরত ক্লান্ত স্বামীর মুখটা ঠেকে ফিকে।
সাবান মাখেন গালে, সাথে ভাবেন সমান তালে
আয়ের চেয়ে খরচ কিবা কমবে কোনকালে?
চোখ জ্বলে বেশ, তাই তিনি তার হাতটা চালান জোরে
পাড়ার সকল ছেমড়া-ছোড়ার আড্ডা গলির মোড়ে।
মেয়ে পড়ে তার ইন্টারে, বেশ দেখতে লাগে তাকে,
বাড়ির পথে গলির মোড়ের কেউ কি তাকে ডাকে?
টেনশনে আর হয় না গোসল, গলির দিকে ছুটেন
সিড়ির গোড়ায় মেয়েকে দে ...
এটি une saison en enfar এর শেষ বা সপ্তম অধ্যায়। এই অধ্যায়ের শিরোনাম adeu। ধারাবাহিকভাবে দেয়া গেল না বলে দুঃখিত।
_________________________
বিদায়
শরত্ চলে এল। তবে কেন আক্ষেপ অনন্ত গ্রীষ্মের , যদি আমরা মগ্ন থাকি সেই মহিমান্বিত আলোর উদ্ভাবনে -নশ্বর লোকালয়গুলো থেকে যা দূরবর্তী।
শরত্! স্থির কুয়াশা ভেদ করে ছুটে চলেছে আমাদের জাহাজ, গন্তব্য দারিদ্র্যের বন্দর-সেই বিকট শহর যার আকাশ রাঙানো থাকে আগুন আর কাঁদায়। আহ ...
শুধু তিনদিনের একটা ট্যুরেই পারভেজের কপালে জুটে গেল নামকরা দুটো ডিগ্রী। কপাল বটে, যেখানে পাঁচ বছরে টেনেহিঁচড়ে বুয়েট থেকে একটি ডিগ্রী নিতে পারভেজের কদু-টাইপ ভুড়ি এখন পূর্ণ যৌবনে বিকশিত কলসী টাইপে; সেখানে আদনান-রকিব-পারভেজ-শোয়েব-সুমন এর ডিসিশন মেকিং পঞ্চায়েৎ এর এবরশন করে বের করা একটি জমজ ট্যুরের কল্যাণে মাত্র তিন দিনে সে পেয়ে গেল দুদুটো টাইটেল। সুইং মাস্টার (মতান্তরে শুইং মাশটা ...
যাত্রীরা হুঁশিয়ারঃ
আগে থেকেই জানতাম, থানচি আদতে একটা থানা। তবে এখানেও আমাদের জন্য বেশ বড়সড় একটা চমকই অপেক্ষা করছিল। চাঁদের গাড়ি থেকে মালপত্র নামিয়ে দেখি, সামনে কোন রিকশা বা ভ্যানের টিকিটিরও দেখা নেই। আচ্ছা মুসিবতে পড়া গেল তো! সামনে এগিয়ে তো বিলকুল কপালে হাত, আমাদের আস্ত একটা নদীই পার হতে হবে, তাও একেবারে দেশি হাতনৌকায়। অবস্থা বেগতিক দেখে আমরা খানিক দোনোমনা করছিলাম কিন্তু খান ...
আঠারো তারিখ, শনিবারঃ
আমি বিলু।
আমার নাম আসলে অনেকগুলো। বিলু,বাপী,বাবন। আর কয়েকদিন পর আমার অবশ্যি কোন নামই থাকবে না। আমি তখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরব, কাগজ টুকাবো। কাগজ টুকানি ছেলেকে কি কেউ বিলুমণি বলে ডাকে? আদর করে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়?
রাস্তায় কারা থাকে? যাদের মা নেই, বাপ নেই, তারা। আমার অবশ্যি সবাই আছে। তাও আমি রাস্তায় থাকবো। কারণ আমার মা আর বাবার মধ্যে শিগগিরি ডিভোর্স হয়ে যাবে।
ক ...
২৯
বাড়িতে ফিরে নিশিতবাবু একটা নতুন কেইস ফাইল ওপেন করলেন। কাজটা তিনি করছেন দীর্ঘদিন পর। ...
পৃথিবীর যাবতীয় অনাচারের অধিকাংশ হয়েছে আত্মগরিমা ও নিজের মতবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। অনেকে মনে করেছে তাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন জাতি নেই তাই তাদেরই দেশ দখল করে বিশ্ব শাসন করা উচিত। আবার অনেকে মনে করেছে তাদের মত মানবতাবাদী (?) বিশ্বে বিরল তাই তারা তাদের মানবতাবাদ বিশ্বে প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়বে। কেউ কেউ মনে করে তারাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্মের ধারণকারী, কাজেই অন্যদের নীচু করে দেখে তাদের দাব ...
অতীতের শূন্য হাহাকার-
হার কোথায়?
বন্য পরাজয়!
সুদীর্ঘ অপেক্ষা পরে
আগমন উপমায় নাকি উৎপেক্ষায়!
লোভী শিখায় রক্তাক্ত আকাশ মুছে দাও আজ
আশ্চর্য জীবনের হোক সমাপ্তি- বিজয়ী সাধারণ
বিশৃঙ্খল থাকুক শুধুই অনুলিখিত অনুলিপি।।

সদ্য সেমিস্টার শেষ হল; কাজের চাপে হপ্তাখানেক সচলে ঢুকতেই পারি নি। শুধু নিজের কাজই তো নয়, ক্লাস পড়ানো + খাতা দেখার কাজও আছে – চৈনিক প্রসাধনপটিয়সী, পূর্ব ইউরোপীয় বালিকা, মার্কিনী ব্লন্ডিনী সবার দায়িত্বই যখন আমার হাতে টিচিং অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে, তখন কর্তব্য বেড়ে যায় বই কি। ছাত্র(নাই বা হল)-ছাত্রীদের সন্তুষ্টও তো রাখতে হবে?
তা ‘বিদ্যাস্থানে ভয়েবচ’ কেন ...
সে পাপই বটে, পাপ নয়?
অনুমতিহীন পদক্ষেপ আঁকো যদি তুমি
নিজস্ব জমিনে কারো, চুপচাপ নয়,
রণভঙ্গিতে, যেন দখল করবে ভূমি?
আমি তাকে পাপ বলি, যদি
ভয়ার্ত শিয়ালের মত তুমি রণেভঙ্গ
দাও-তথাস্তু তথাস্তু বলে, ভাবো, ফোঁস করা অধিপতি
সে ভূমের নিশ্চই বিষধর ভুজঙ্গ।
-শোনো হে সখা, মহাবীরেরা নিষ্পাপ,
তুমি হানো, ভাঙো, লোটো, করো হত্যা,
তুমি মৃত্যু আর ধ্বংসের তোলো বিষভাপ,
বিজয়ীর পাপ নেই, সে চিরকালই মহাত্বা।
- ...