ব্লগ

বিবৃতি

নজমুল আলবাব এর ছবি
লিখেছেন নজমুল আলবাব (তারিখ: রবি, ০১/০৯/২০১৯ - ৭:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বরং তুমি নিজেকে প্রত্যাহার করো।
এই সংঘ এই আনন্দ এবং মনভালো
পেছনে ফেলে মৌন হও, হও একা।

মানুষের মাঝে আলো থাকে, তুমি
তাই আঁধারে হও নির্জন, নির্জন হও।

অনেকের মাঝে থেকে একা হয়ে যাও।
আলো থাকুক, কোলাহল থাকুক উজ্জল
মানুষদের জন্য। তুমি ফিরে যাও প্রচ্ছায়ায়।

তুমি নিজেকে প্রত্যাহার করে নাও,
এই সংঘ এই আনন্দ এই মনভালো
থেকে নিজেকে সরিয়ে নাও আলবাব।


আমার প্রথম বই: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

কনফুসিয়াস এর ছবি
লিখেছেন কনফুসিয়াস (তারিখ: বিষ্যুদ, ২২/০৮/২০১৯ - ৭:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলা সাহিত্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জায়গা আমার কাছে এক নম্বর। তাঁর পরে কুড়ি পর্যন্ত আর কেউ নেই, বাকি সবার নম্বর শুরু একুশ থেকে।
লেখকের অগ্রন্থিত লেখার সংকলনে ‘আমার প্রথম বই’ নামের এই লেখাটি প্রথম পড়ি। এটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ব্যক্তিগত রচনা শিরোনামের অংশটিতে।
এখানে তিনি লিখেছেন তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই ‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’ নিয়ে। বইটির গল্পগুলো লেখাকালীন ভাবনার কথা খানিকটা এসেছে, তবে বেশি এসেছে সেটির বই হয়ে প্রকাশকালীন কর্মযজ্ঞের ঘটনাগুলো।
ইলিয়াসের গল্পের ঝিম ধরানো বর্ণনা-ভঙ্গি তাঁর অন্য গদ্যগুলোয় সাধারণত থাকে না, এখানেও তাই হয়েছে। তবে বাড়তি পাওনা হিসেবে এ লেখাটায় চলে এসেছে একটা আমুদে টোন।


নবযুগের ছাত্রলীগের ছেলেরা : শামসু ভাইয়ের ২১ দফা আচরনবিধি

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: সোম, ১৯/০৮/২০১৯ - ১০:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১! নবযুগের ছাত্রলীগের ছেলেরা
প্রতিদিন ভোরে উঠিয়া মনে মনে মন থেকে বলে
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি

২। নবযুগের ছাত্রলীগের ছেলেরা
কোমল স্বরে কথা বলে।
তাহারা উচ্চস্বরে কথা বলতে জানেই না।

৩। নবযুগের ছাত্রলীগের ছেলেরা
জাতির পিতার মৃত্যুদিবসে নিজের ছবি টাঙায় না।

৪। নবযুগের ছাত্রলীগের ছেলেরা
মিথ্যাকে সত্যের মতো বলে না।

৫। নবযুগের ছাত্রলীগের ছেলেরা


শব্দগল্পদ্রুম ১০

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: রবি, ১৮/০৮/২০১৯ - ৭:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
১.
ব্যাঙ্কশাল থেকে বংশাল?

সুলেখক ও সম্পাদকোত্তম মীজানুর রহমান তেমনটাই লিখে গেছেন তাঁর স্মৃতিচারণগাথা "ঢাকা পুরাণ" গ্রন্থে। তাঁর কলমে,


মাছ এবং শিকারী

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৭/০৮/২০১৯ - ১২:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বড়শি ফেলে বসে আছে লোকটি। নদীর পরিষ্কার পানিতে মাছখানা দেখা যাচ্ছে। বড় এক সরপুটি। লোকটার মুখে মৃদু হাসি ফুটে উঠে। মনেমনে সে বলে,"ধরা তোকে দিতেই হবে।"


চাঁদের বিষাদ

জি.এম.তানিম এর ছবি
লিখেছেন জি.এম.তানিম (তারিখ: শনি, ১৭/০৮/২০১৯ - ১০:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেক অনেক বছর আগে, যখন বেশ কিছু নেরুদার কবিতা অনুবাদ করছিলাম, এক বড় ভাই সেগুলো পড়ে বলেছিলেন শার্ল বোদলেয়ারের কবিতা অনুবাদের চেষ্টা করতে। প্রথম চেষ্টায় খুবই কঠিন লেগেছিল অনুবাদ করা সেগুলোকে। তাও একবার একটি কবিতা অনুবাদ করে ফেলেছিলাম। আজকে হঠাৎ খোমাখাতায় ঘুরতে ঘুরতে সেই ভাইয়ের একটি মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা পড়ে আবারও বোদলেয়ারের কথা মনে পড়লো। সেই সূত্র ধরে এই অনুবাদ প্রচেষ্টা…


রাষ্ট্রহীন জাতিসমূহ আজো যার প্রতীক্ষার প্রহর গোনে

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: বুধ, ১৪/০৮/২০১৯ - ১০:৫৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কখন একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন করতে চায়? কিংবা কখন একটি জাতি আলাদা হয়ে ওঠে? জাতি বলতে কী বোঝায়? জাতি মানে কী নির্দিষ্ট একটি ভাষা গোষ্ঠি? নাকি কোন একটি ধর্ম কিংবা সাংস্কৃতিক গোত্র?


সচলায়তন সাক্ষাৎকার থেকে ল্যানসেটে প্রথম বাংলা প্রকাশনাঃ গবেষণায় ভাষার ব্যবহার নিয়ে বাঙালি গবেষকদের ভাবনা

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান (তারিখ: শনি, ১০/০৮/২০১৯ - ১২:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকে একটা বেশ অভূতপূর্ব ব্যাপার ঘটেছে। প্রথমবারের মতো বাংলায় কোন লেখা প্রকাশিত হলো বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ল্যানসেট প্রকাশনা সংস্থার সাময়িকী গ্লোবাল হেলথ এ। এর সাথে সচলায়তনের কিছুটা গল্প জড়িত। সেই গল্পটাই বলছি।


বাংলাদেশে গবেষণার প্রতিবন্ধকতাসমূহ; ইলাইফে প্রকাশিত প্রবন্ধের অনুবাদ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৯/০৮/২০১৯ - ৮:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মূল নিবন্ধঃ https://elifesciences.org/articles/41926
অনুবাদঃ ড. মোহাম্মদ আসিফ খান, স্বাস্থ্য গবেষক।

ভূমিকা-


লেখকের কথা, দ্য অ্যালকেমিস্ট

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৯/০৮/২০১৯ - ৩:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চিঠিটা পেয়েছিলাম আমেরিকান প্রকাশনা সংস্থা হারপারকলিন্স থেকে, সেখানে বলা হয়েছিল, “দ্য অ্যালকেমিস্ট পড়ে মনে হয়, ভোরে ঘুম থেকে উঠে সূর্যের আবির্ভাব দেখা যাচ্ছে, অথচ বাকি পৃথিবী তখনও ঘুমিয়ে।” বাইরে গিয়ে আকাশের দিকে তাকালাম, নিজের মনেই ভাবলাম, “বইটা তাহলে অনুবাদ হতে যাচ্ছে!”