ব্লগ

রাইনের তরল স্ফটিক

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৩/০৭/২০১৯ - ৩:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জার্মানী, অস্ট্রিয়া আর সুইটজারল্যান্ড তিন দেশকে উপকূল দিয়েছে লেক কনস্ট্যান্স; পশ্চিম ইউরোপের দীর্ঘ নদী রাইনের তরল স্ফটিক। মাসুদ রানা থেকেই লেক কনস্ট্যান্স নামের সাথে আমার প্রথম পরিচিতি। মাসুদ রানা থেকেতো কত জায়গার গন্ধই পেয়েছি। কিন্তু এই হ্রদের জন্য কি এক অদমনীয় টানে অজান্তেই বশীভূত হয়ে আছি অনেককাল। ইচ্ছে ছিল জীবনে কখনো ইউরোপে যাওয়ার সুযোগ হলে যাবই যাব। এসেছি তাও বেশ ক বছর হয়। এবারের গ্রীষ্মে সুয


রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদ: মানুষটার একজন সুন্দর মানুষ হওয়ার লোভ হয়েছিল

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বুধ, ০৩/০৭/২০১৯ - ১২:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মরে যাওয়া মানুষের লোভ থাকে না।
এজন্য মৃত মানুষদের নিয়ে বাজে কথা বলতে নেই।
হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ মারা যান নি,
কিন্তু আমরা বুঝতে পারছি তিনি চলে যাচ্ছেন।
প্রতিটি মানুষ একটা সময়।
আমরা বুঝতে পারছি একটা সময় চলে যাচ্ছে।
সেই সময়। রূপকথার গল্পের মতো সেই ছোটবেলার সময়...

এরশাদের মুখটা মনে পড়ছে।
আমাদের ছোটবেলায় টিভির পর্দায়
রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদের মুখ দেখে আমরা বড় হয়েছি।


আমার রোপণকথাটি – ১

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: শনি, ২৯/০৬/২০১৯ - ৬:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পুণে শহরে জলাভাব বরাবরই। সেই কবে ব্রিটিশরা এসে খড়গওয়াসলা বাঁধ ও জলাধার বানিয়েছিল, সেই জলাধারই বহুবছর পুণের মানুষজনকে গৃহস্থালীর কাজকর্ম ও খাবার জলের যোগান দিয়ে গেছে। তারপর আস্তে আস্তে এলো পানশেত, পওনা, মুলশি, কাসারসাই ইত্যাদি জলাধারগুলো। যতবেশী জায়গা জুড়ে তোলা জল নল বেয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছাতে লাগল ততই মানুষের থেকে দূরে সরতে লাগল মুঠাই, নীরা, মুলা নদীরা।


ভোর হয়ে এলো

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০৬/২০১৯ - ১:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাত হলে ঘুমিয়়ে পড়ি, সকাল হলে ঘুম ভেঙ্গে যায়। নিত্য দিনের অভ্যাস -- খুব সহজ বোধ আমাদের। জন্মাবার তিন মাসের মধ্যেই এই নিয়মে অভ্যস্থ হয়ে যাওয়া। এই দিন-রাতের বেলাকে আমরা ভেঙ্গে নেই আরও বেলায়। বিষন্ন দুপুর, ফুরফুরে বিকেল , গোধুলী সন্ধ্যা, সোনালী ভোর।


মহাসমুদ্রের বাঁকে বাঁকে- টরকি (দ্বিতীয় পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০৬/২০১৯ - ১:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]রৌদ্রজ্জ্বল একটি দিন, একপাশে সবুজ পাহাড়ের গা ঘেঁষে আঁকাবাঁকা রাস্তা, অন্যপাশে বিস্তীর্ণ সৈকত ছুয়ে নীলে রঙের সাত আটটা শেড তৈরি করতে করতে সমুদ্র মিশেছে গাড় নীল দিগন্তে। ভয়ংকর সুন্দর বুঝি একেই বলে!


বুয়েটের বিস্মৃতপ্রায় এক হত্যাকাণ্ড

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৫/০৬/২০১৯ - ২:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের ’৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমরান হাবিব রুমনের “[url=https://www.prothomalo.com/opinion/article/1598125/%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0...


মহাসমুদ্রের বাঁকে বাঁকে - ভূমিকা (প্রথম পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২২/০৬/২০১৯ - ১:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১০৬ মিলিয়ন বছর আগেকার কথা,। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ পূর্ব উপকূলের অটওয়ে সমুদ্রতট। সেসময় এই উপকূলের তাপমাত্রা আজকের চেয়ে অনেক কম, কারন অস্ট্রেলিয়া ছিল এন্টার্কটিক সাইকেলের ভেতরে। সুবিস্তীর্ণ সমুদ্রের সুনীল জলরাশি নিরন্তর আছড়ে পড়ছে অনাদিকালের নিরবতা কে ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে। যেন প্রতিমুহূর্তে সগৌরবে মহা কালকে মুচকি হেসে বলছেঃ "তুমি একাই প্রাচীন নও, হিসেব করে দেখো, আমিও ছিলাম; আছি; আর থ


একটি প্রাপ্তি সংবাদ

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: শনি, ২২/০৬/২০১৯ - ১:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটি প্রাপ্তি সংবাদ!
একটি প্রাপ্তি সংবাদ!
শহরের উষ্ণতম দিনে
যখন রাস্তার দুধারে
সারিসারি ভোঁতা কিছু মুখ আটকে রেখে
শাঁই শাঁই করে চলে যাচ্ছিলো
খুবই, খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক গাড়ির বহর,
ঠিক সেইসময়, সবার সম্মিলিত চেষ্টায়
'ভাবনা' নামে একটি বাচ্চা পাওয়া যায়।


কে বলল, 'দয়া' ভালো গুণ? —মিথ্যে কথা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৯/০৬/২০১৯ - ১১:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ব্যস্ত রাস্তার চলমান বাস ট্রাক টেম্পু অটো-বাইক সামনে এসে ডাইনে বাঁয়ে চলে যাবার পরপরই, এপার থেকে ওপারে চোখ ফেললেই, আলিশান বাড়িটার বন্ধ গেটের সামনে যে ভিড়টা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে— সেটা মানুষের। মানুষের ভিড়।

মানুষগুলো কি আমাদের ঝাঁ চকচকে সভ্য সমাজের? শরীরে ময়লা কাপড়, তেলছোঁয়াহীন রুক্ষ চুল, কোটরের গর্তে ঢুকে যাওয়া চোখ, ভাঙা বা তোবড়ানো গাল— মানুষগুলোর বেশির ভাগেরই। এপার থেকেই বোঝা যাচ্ছে।


হারানো খাম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৯/০৬/২০১৯ - ১১:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্মৃতির নাগোরদোলায়

মুসাররাত জাহান শ্বেতা

মনযোগ দিয়ে বাংলা ব্যাকরণের কারক-সমাস পড়ার চেষ্টা করছিলাম, ইন + অল = বধ কিভাবে হয় তা বোঝার চেষ্টা করছি, বুঝতে না পেরে হতাশায় হারিয়ে যাচ্ছিলাম, এমন সময় মৃদু শোরগোলের আওয়াজ শুনে পড়ার টেবিল ছেড়ে ওঠার অযুহাত পেয়ে খানিকটা স্বস্তি বোধ করলাম। আমার ঘরের দরজা খুলে উকি দিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম কি হচ্ছে। রান্নাঘরের সামনের করিডোরে অনেকগুলো অপরিচিত বাচ্চা, আট দশ বছর বয়েস হবে, নিজেদের মধ্যে কিচির মিচির করছে, রাঁধুনিখালা ব্যাস্ত হয়ে তাদের সবাইকে টিনের থালায় ভাত খেতে দিয়েছে মেঝেতে পাটি বিছিয়ে। খেতে বসে একজনের হাতে ধাক্কা লেগে পানির গ্লাস অন্যজনের খাবারের ওপর পড়ে ভাসিয়ে দিয়েছে আর তা সামাল দিতে যেয়ে আরেকজনের থালা উল্টে জামায় ডাল পড়ে একাকার। ভর দুপুরে কি হচ্ছে এসব? আমাদের বাড়িতে এরাই বা কারা?