"ডরাইলেই ডর, হান্দায় দিলে কিয়ের ডর। "

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০১/১০/২০০৯ - ১:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ধানমন্ডি লেকের ২৭ নম্বর রোডের পাশের চায়ের দোকানে বসে আছে পাঁচ-ছয় জন আড্ডাবাজ বন্ধু। সন্ধ্যার পর এই আড্ডাটা তাদের জীবন গাড়ির ফুয়েল। ফুয়েল ছাড়া যেমন গাড়ি চলে না তেমনি এই আড্ডা ছাড়া সৈকত, সজল, সেলিম, সবুজ, শৈবাল আর সজীবের জীবন চলে না। যে যেখানেই থাক সন্ধ্যার পর এই জায়গায় তারা মিলিত হবেই। ঠিক যেনো মান্নাদের "কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই" গানের মত "যেখানেই যে থাকুক কাজ সেরে ঠিক এসে পৌছতাম।"

দুলু মিয়ার যতনে বানানো আদা দেয়া লাল চায়ের কাপ সবার ঠোঁট ক্ষণে ক্ষণে ছুঁয়ে যাচ্ছে। সবাই আস্তে আস্তে চায়ের কাপে চুমু দেয়, কাপটা যেনো প্রেমিকার উষ্ণ অধর, তাই কোমল ছোঁয়া। দুলুর লাল চা যেনো প্রেমিকার অমৃত ঠোঁটের লালা, শেষ হয়ে গেলে পাওয়া যাবে কিনা সেই সন্দেহে ধীর স্থির ভাবে ভোগ। সবাই নীরব। প্রতিদিনের উচ্ছ্বাসটা যেনো আজ উড়ে গেছে, সবাই যেন পণ করেছে নীরব থাকার জন্য।

আড্ডার শেষ সদস্য সেলিম নীরবতা মানতে নারাজ। চায়ের কাপটা পাশের পলিস্টার ছাড়া ইটের দেয়ালে রেখে বলল-"কী হয়েছে, সবাই চুপ কেন?" তারপরও কারো যেন মুখ খুলে না। সবাই সৈকতের দিকে চেয়ে আছে। চটপট, ডানপিটে সৈকতের চেহারায় বিষন্নতা ভর করেছে। রাজ্যের কালো মেঘ যেন আজ তার সুন্দর মুখে চেপে আছে। পরিপাটি করে থাকা ছেলেটার চুল আজ এলোমেলো। সেলিম আবার নীরবতার হেতু জানতে চাইল। সবুজ বলল-"সৈকত এক ডানাকাটা পরীর প্রেমে পড়েছে, কিন্তু মনের কথা জানাতে পারছে না।" সেলিম এটা কোন সমস্যা নাকি বলে সৈকতের পাশে গিয়ে বসল। দোস্ত ব্যাপার খুলে বল আমি একটা সমাধান দেয়ার চেষ্টা করি। সৈকত তাতেও মুখ খুলতে উৎসাহিত হলো না। চুপ করে ঝিম মেরে বসে থাকল। সেলিমের সমাধানের কথায় ইম্প্রেস হয়ে সজল বলল, শোন আমি বলছি-

"সৈকত ওদের পাশের এ্যাপার্টমেন্টের একটা মেয়েকে মনে মনে ভালবেসে ফেলেছে। মেয়ে নাকি ফাটাফাটি রকমের সুন্দরী। ফিগার নাকি নায়িকা প্রিয়াংকা চোপড়া। চুল নাকি নীল আকাশের কালো মেঘের ভেলা। ওর রুমের সোজাসুজি নাকি মেয়ের রুম। সৈকত সময় সুযোগ পেলেই বারান্দায় চেয়ার নিয়ে বসে ঐ মেয়ের কীর্তিকলাপ দেখে আর মনে মনে প্রভাবিত হয় তার চঞ্চলতায়। অনেক বার মেয়ের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। সময় পেলেই মেয়ের পিছু নিয়েছে বহুবার । মনের কথা বলতে চেয়েছে, ফোন নম্বর সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সাহসের অভাবে কোনটাই করা হয়ে উঠেনি। মেয়ে নাকি একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। সকাল-বিকাল সৈকত তার চোখের সামনে পরার চেষ্টা করেছে বহুবার কিন্তু মেয়ে নাকি চোখ তুলে তাকায় না। দোস্তর অবস্থা বেহাল। দেবদাস হবার উপক্রম।" গুছিয়ে ঘটনার সারমর্ম বলে, সজলকে বলে "এইবার তোর অনুর্ভর মস্তিষ্কের সমাধানটা কী আমাদের বল?"

সজল গলা কেশে নরেচরে বসে। সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলে "সমস্যা সমাধানের আগে সাহস সংক্রান্ত একটা গল্প শোন। আমি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি। আমাদের স্কুলে আব্দুল কাদের নামে এক স্যার ছিলো, অংকের স্যার। দূর্দান্ত মেধাবী, পাটিগণিত, বীজগণিত জ্যামিতি ও ত্রিকোণোমিতি কোনটাই তার অজানা ছিলোনা। সব কয়টায় সমান পারদর্শী। কিন্তু স্যার ছিলো ভীষণ রকমের পাজী। অংক না পারলে, চুলটানা, কানমলা, কান ধরে উঠবস, রোদে পা তুলে সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকা, টেবিলের নিচে মাথা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা হরেক রকমের শাস্তির মজুদ ছিলো তার ভান্ডারে। মন মর্জি ভালো থাকলে শুধুমাত্র হাতের তালুতে বেত্রাঘাত। তাই আমরা সবাই কাদের স্যারের ক্লাসের পড়া রেডি রাখতাম। অংক করে খাতা বেড় করে রাখতাম যাতে চাওয়া মাত্র দেখাতে পারি। বলতে দ্বিধা নেই অংক ভুল করার কারণে শাস্তি আমিও কিছু ভোগ করেছি।

সেইদিন ছিল বুধবার, বীজগণিত করার দিন। স্যারের কোনো হোম ওয়ার্ক ছিলো না, তাই ক্লাসে এসেই আমাদের নূতন অংক করানোর ঘোষনা দিয়ে স্যার ব্ল্যাক বোর্ডে চলে গেলেন। বীজগণিতের সমাধান। এটা করতে আমি খুব মজা পাইতাম। স্যার ব্ল্যাক বোর্ডে অংক করছেন আমরা সবাই খাতায় তুলছি। এক জায়গায় এসে স্যার থেমে গেলেন। মানে সেখানে একটা বীজগণিতের সূত্র প্রয়োগ হবে, যে সূত্রটা স্যার আগে একদিন আমাদের শিখিয়ে ছিলেন। আমাদের কাছে জানতে চাইলেন সূত্রটা কী? আমরা সবাই চুপচাপ। ভয়ে কেউ কিছু বলছি না। বললে যদি ভুল হয়, তখন স্যারের সাজা গ্রহণ করতে হবে। নানা কথা ভেবে আমি জেনেও চুপচাপ। বাকীরা কেনো চুপচাপ সেটাও জানা গেলো স্যার যখন ক্লাসের মেধাবী মানে এক নম্বর রোল সাহাবুদ্দিনকে বলল-"তুমি কী জানো না এখানে কোন সূত্র হবে?" সাহাবুদ্দিন কাচুমাচু হয়ে দাঁড়াল, ভয়ে ভয়ে বলল -জি স্যার জানি , কিন্তু বলতে ভয় পাচ্ছিলাম যদি ভুল হয়। স্যারের মন সেদিন বেজায় ভালো ছিলো, কাউকে কিছু না বলে টেবিলের উপর উঠে বসল। চক-ডাস্টার রেখে হাত ঝেড়ে পরিষ্কার করে বলল-আজ তোমাদের সাহস নিয়ে একটা গল্প বলি শোন। যার ভয়ে আমরা সব সময় কুঁকড়ে থাকি সে আজ গল্প বলবে, এটা ভেবে আমরা পুলকিত হই, সবাই খুশী মনে রিলেক্স হয়ে কান পাতি স্যারের গল্প শোনার জন্য।

স্যার বলল- আমাদের এলাকায় একটা আধ পাগল লোক ছিলো। নাম কেরামত পাগল। কখনো উলঙ্গ, কখনো অর্ধউলঙ্গ হয়ে বাজারময় ঘুরে বেড়াতো। খাবারের জন্য তাকে অন্যের দয়ার উপর নির্ভর করতে হত। একদিন সে বাজার দিয়ে হাঁটছে, গত তিন দিন তার পেটপুরে খাওয়া হয়নি, পেটে প্রচুর ক্ষুদা, কেউ খাবারও দিচ্ছে না। পাগলের নাকি মাথা ব্যথা নেই, সেটা ভুল প্রমাণীত হলো, ক্ষুদার জন্য পাগলের মাথা ব্যথা শুরু হয়ে গেল। সে উলঙ্গ ভাবে বাজার দিয়ে হাঁটছে আর খাবারের সন্ধান করছে। সে একটা গুড়রে দোকানে সামনে এসে চিটা গুড়ের কলসে সম্পূর্ণ হাত ঢুকায় দিল, দোকানদার বেটা রেগে মেগে ফায়ার, কিন্তু পাগলকে আর কী বলবে, শেষে নীরব হতে বাধ্য হলো। এইবার হাঁটতে হাঁটতে চলে এলো মুড়ির দোকানের সামনে, এসে চারদিক একবার তাকালো। তারপর বিড়বিড় করে - ডরাইলেই ডর, হান্দায় দিলে কিয়ের ডর, বলে মুড়ির ছালায় সম্পূর্ণ হাত ঢুকায় দিয়ে আপন মনে চলে এলো। পেছন থেকে মুড়ির দোকানদার গালাগালি শুরু করল। মারার জন্য উত্তেজিত হতেই পাশের লোকজন বলল-পাগল মানুষ কী আর করবেন,মাফ করে দেন। পাগল জিভ দিয়ে হাত চাটে আর বলতে থাকে ডরাইলেই ডর, হান্দায় দিলে কিয়ের ডর।"

গল্প শেষ করে সজল সবার দিকে একবার কৌতুহলী চোখে তাকালো। সবাই মনযোগ নিয়ে তার গল্প শোনেছে দেখে , মনে মনে একটা তৃপ্তির হাসি দিলো। সৈকতের থাইয়ে হালকা একটা থাপ্পড় দিয়ে বলে দোস্ত -ডরাইলেই ডর, হান্দায় দিলে কিয়ের ডর।

======
দলছুট
======


মন্তব্য

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

"যেখানেই যে থাকুক কাজ সেরে ঠিক এসে পৌছতাম।"

ইন্ভার্টেড কমাতে যা লিখেছেন, বাস্তবিক গানের লাইন কি সেটাই? আরেকবার শুনে দেখুন।

সৈকত এক ডানাকাটা পরীর প্রেমে পড়েছে, কিন্তু মনের কথা জানাতে পারছে না।

আমার দীর্ঘদিনের আড্ডা'র অভিজ্ঞতা (!) থেকে বলতে পারি, আড্ডাতে কখনোই এভাবে বন্ধুরা কথা বলে না।

গল্পটা শুরু করলো স্যার, আর শেষ করলো সজল

গল্প শেষ করে সজল সবার দিকে একবার কৌতুহলী চোখে তাকালো
ক্যাম্নেকি?

যা বুঝলাম, আপনার মনোযোগ খুব-ই বাজে। আপনাকে যা বলেছেন এতদিন, তাতে আপনি চেষ্টা করবো বলে যা করার তাই করছেন। যাচ্ছেতাই ভুল বানান আর সাথে প্রচেষ্টাহীন অপরিপক্কতা ঢেলে দিচ্ছেন একের পর এক। আপনাকে কিছু বলা অর্থহীন।

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

সাইফ তাহসিন এর ছবি

শা. সি. এর সাথে একমত, লেখা বেশ খাপছাড়া।

তবে গল্পের ভেতরে গল্প, সেকারনে সজল মিয়া গল্প বলেছে, যে গল্প সে কাদের মিয়ার কাছে থেকে শুনেছে ক্লাসে, এটা মনে হয় আমাগো সিমন ভাইয়া চেইতা যাওয়ায় বুঝতে পারে নাই।

আর ঠিক বুঝলাম না, আড্ডার চালেও লিখলেন না, কথিত আঞ্চলিক বা শুদ্ধ কোন ভাষার ই ধার ধারলেন না দলছুট ভাইজান, এজন্যে পড়তে বেশ অসুবিধা হল। উপদেশ দেবার যোগ্যতা আমার নাই, এজন্যে নিজের স্বল্পবুদ্ধিতে যেটুকু বুঝেছি, বললাম, মাইন্ড খাইলে কিছু করার নাই।

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

অতিথি লেখক এর ছবি

তাহসিন ভাই, আমার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

সত্য শোনার এবং গ্রহণ করার সৎ সাহস আমার আছে। আমি মন্তব্য বা সমালোচনায় মাইন্ড খাই না। যেটা আমার সীমাবদ্ধতা বা অক্ষমতা তার জন্য সমালোচনাতো শোনতে হবেই। আমাদের সমালোচনার মাধ্যমেই সীমাদ্ধতা সম্পর্কে জানতে পারবো আর সীমাবদ্ধতা দূর করতে চেষ্টা করবো।

দলছুট।
=============বন্ধু হব যদি হাত বাড়াও।

অতিথি লেখক এর ছবি

যদিও গল্পের গতি ও উপস্থাপনে হাল্কা ঘাপ্লিং আছে, তবুও ভাল লাগলো।

- অনুপম ত্রিবেদি।

মূলত পাঠক এর ছবি

ডানাকাটা পরীর নাম দিলাম নাকি-সুন্দরী। কেন? জানতে হলে পড়ুন নিচের ঊদ্ধৃতিগুলো:

- মেয়ে নাকি ফাটাফাটি রকমের সুন্দরী।
- ফিগার নাকি নায়িকা প্রিয়াংকা চোপডা়।
- চুল নাকি নীল আকাশের কালো মেঘের ভেলা।
- ওর রুমের সোজাসুজি নাকি মেয়ের রুম।
- মেয়ে নাকি একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

মেয়ের বাস্তব অস্তিত্ব আছে নাকি সেটাও সন্দেহজনক?

"মনে মনে প্রভাবিত হয় তার চঞ্চলতায়": দুর্বল অনুবাদে এমন ভাষাপ্রয়োগ শুনেছি। মৌলিক লেখায় দেখার সৌভাগ্য হয় নি।

দুলুর লাল চা যেনো প্রেমিকার অমৃত ঠোঁটের লালা, শেষ হয়ে গেলে পাওয়া যাবে কিনা সেই সন্দেহে ধীর স্থির ভাবে ভোগ।

এই অমর পংক্তিটুকু পড়ার পর পাঠককুল এ জন্মে আর প্রাণে ধরে চুমু বা চা কোনোটাই খেতে পারবে কি? অনেকেরই স্বাভাবিক রিঅ্যাকশন বোধ হয় হবে, ম্যা গোঃ!! কী ঘেন্না!! আপনার মাথায় এমন একটা লাইন এলো ক্যাম্নে বলেন তো ভাই?

এইবার তোর অনুর্ভর মস্তিষ্কের সমাধানটা কী আমাদের বল
বোধ হয় উর্বর মস্তিষ্ক বলতে চেয়েছিলেন? সেইটা অনুর্বর হয়ে গেলো, এবং চোখও এড়িয়ে গেলো। পাঠক হিসেবে এতো যত্ন পেয়ে কৃতজ্ঞ বোধ করছি। আর অঘোষবর্ণ যে ঘোষ হয়ে গেলো সেটা নিশ্চয়ই কী বোর্ডের দোষ? যাক, আবার নিশ্চিন্ত হলাম। লেখার প্রিভিউতেও দেখা যায় না এটা, একেবারে পোস্টানোর পরেই আসে? আমি ফোনেটিক ব্যবহার করি, যাঁরা অভ্রে লেখেন তাঁরা জানবেন। তবে ঘোষ-অঘোষের ভুল নিয়ে কাউকে বলতে শুনি নি।

ছাত্রজীবনে গণিত কি বাংলায় পড়েছিলেন? তাহলে "ত্রিকোণোমিতি" লেখেন কী কারণে? ইংরিজিতে পড়ে থাকলে অবশ্য সাত খুন মাফ, এক বাংলা-যার-মাতৃভাষা-নয় এমন বিদ্বান নাকি বানান ঠিক রাখার প্রয়োজনই বোধ করেন না, ইংরেজদের সাতাত্তর খুনও মাফ।

"গল্প" (কোটেশন দিলাম কারণ ট্যাগ দেখলাম "কোনো গল্পই শুধু গল্প না"। ট্যাগ কেন দেওয়া হয় ভেবে দেখেছেন?) শেষ করে বুঝলাম পাগলই মূল চরিত্র। সেক্ষেত্রে গল্পের স্ট্রাকচারটা এই রকম:

( সৈকত, সজল, সেলিম, সবুজ, শৈবাল, সজীব ( আব্দুল কাদের ( কেরামত পাগল ) ) )

বর্ণনাকালে আপনি ক্লোসিং ব্রাকেট মিস করেছেন যার কথা সিমন লিখেছে, ঐ সজলমিয়া মাস্টারকে টপকে ঘাস খেলো যেখানে। এহ বাহ্য। পাগলের পাগলামো এবং তা থেকে উদ্ভুত পরম দার্শনিকতা যেখানে মুখ্য, সেখানে ধানমন্ডি লেকের ২৭ নম্বর রোড, চারজন অতিরিক্ত বন্ধু যাদের ঐ লালা-চাটা ছাড়া আর আদৌ কোনো ভূমিকা নেই, আব্দুল কাদেরের বায়ো-ডাটা ও বিশদ টিচিং টেকনিক, ক্লাসের মেধাবী মানে এক নম্বর রোল সাহাবুদ্দিন, এই সব বাজে প্যাচাল কীসের জন্য? বন্ধুকে মেয়ে পটানোর টেকনিক বলতে গিয়ে এতো ব্যাখ্যান করলে বন্ধুরা কী কী করতে পারে বলি, হয় আওয়াজ দিয়ে জীবনের মতো গপ্পো শোনানো বন্ধ করবে, প্রতীকী অর্থে পেন্টুল খুলে দেবে পাবলিকলি, অথবা ধরে চাঁটাবে। আপনার "স্মৃতিচারণ" কি অন্যরকম বলছে? তাহলে হয় ডায়াপিড খান (হত্যাপুরী পড়েছেন তো?) বা বন্ধু বদলে ফেলুন। এতো সাপোর্টিভ বন্ধু কোনো কাজে আসবে না।

নতুন নতুন কিছু পৃষ্ঠপোষক পাবেন, যারা ধৈর্য ধরে ভুলচুক বাদ দিয়ে বাঃ বাঃ করবে (বলাই বাহুল্য আমার ততো ধৈর্য নেই)। এই বাহবা কিন্তু অনন্তব্যাপী নয়, যদি না এই পিরিয়ডে দেখাতে পারেন যে সিনসিয়ারলি / নিষ্ঠাভরে চেষ্টা করছেন। তারপর পাঠক পড়া ছাড়বে, এবং কেউ কেউ ঐ সিমনের মতো জানিয়ে যাবে যে তাঁদের এই ইনভেস্টমেন্ট কীভাবে নষ্ট হয়েছে। ক'দিন আগে নজরুল এক লেখায় লিখেছিলেন দেখেছি এই জাতীয় কথা। স্নিগ্ধাও বিশদে বলেছেন। ফল এখনো ফলে নি। আমি একটু দুর্মুখের রোল'টা নিলাম, কিন্তু তাতেও কি কাজ হবে?

দেখা যাক।

অমিত এর ছবি

এই মন্তব্যটাকে আমি "সাধু, সাধু" রেটিং দিলাম

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আগে পড়ি নাই। পড়ার পরে এই মন্তব্যকে আমি 'সাধু'র সাথে 'সন্ন্যাসী' যোগ করে যুগ্ম-রেটিং দিতে চাই।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতিথি লেখক এর ছবি

নিজের ভুলের বিপক্ষে কোনো যুক্তি খাটে না। তাই আমার কোন কথা নেই।

লেখার প্রিভিউ ব্যাপারটা মাথায় ছিল না। ধন্যবাদ তথ্যটার জন্য।

বাকী বিষয় গুলি নিয়ে আপনার জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেষণকে ধন্যবাদ দিয়ে খাট করতে চাই না। তবে সিনিয়র হিসেবে ভাষার মাধুর্যতা আশা করেছিলাম।

গল্পের খাতিরে অনেক কিছুই মাঝে মাঝে লিখতে হয়, যেটা আপনিও লিখেন। নাকি কথাটা এসেছে কারণ যে উদ্ধৃতি দিয়েছে সে নিজে দেখেনি বলে।

আপনার নেতিবাচক অথচ উৎসাহ মূলক মন্তব্য আমাকে অনেক সাহায্য করবে।

আর একটা কথা আমরা এখানে কেউ প্রোফেশনাল লেখক না, তাই সমালোচনার ভাষাটা যদি আরেকটু মার্জিত হয় তাহলে শুনতে ও দেখতে ভালো লাগবে।

নোটঃ "জানতে হলে পড়ুন নিচের ঊদ্ধৃতি গুলো" -বানানটি কী ঠিক আছে নাকি কীবোর্ড আপনার সাথে রসিকতা করেছে বোঝলাম না।
ধন্যবাদ।

দলছুট।

মূলত পাঠক এর ছবি

নাঃ, কী-বোর্ড আমার ইয়ার দোস্ত নয়, আমার সাথে রসিকতার সম্পর্কও নেই তার। বানান ঠিকই আছে, যদিও এর অন্য ভ্যারিয়েশন/রূপও চলে। বানান নিয়ে আপনার উদ্বেগ দেখে আহ্লাদিত হলাম। হায়, এর সামান্য অংশ এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যেও যদি প্রতিফলিত হতো।

ধন্যবাদ দিয়ে খাট চৌকি কিছুই করতে হবে না। স্রেফ একটা ও-কার লাগালেই হবে।

মাধুর্যতা আশা করতে পারেন ঠিকই, তবে মাধুর্য বা মধুরতার চেষ্টা করতে পারি, ও বস্তু দিতে পারবো না।

সমালোচনার ভাষাটি তো ভাই অমার্জিত ছিলো না, যেটা আপনার পছন্দ হয় নি তা হলো এর ব্যঙ্গাত্মক সুর। কী করি বলুন, আমার অবস্থাও সিমনের মতোই। ধৈর্য ধরে পড়ার পর এমন আশাভঙ্গ বার বার হলে ও জিনিস এসেই যায়। তবে মানুষ ঠেকে শেখে তো, আর অসুবিধা নেই। নতুনদের লেখা পড়া হয় না এমন অভিযোগ এলেও আর ভুল করবো না। অন্য নতুনদের লেখা পড়ে ভালো লাগলে তবেই বলবো, নইলে স্পিকটি নট। বাজে লেখা চলতে পারে কিন্তু সে কথা বলা অনুচিত, বুঝলাম। আপনি চালিয়ে যান।

অতিথি লেখক এর ছবি

মুলত পাঠক ভাই আমি কিন্তু একবারও আপনাকে মন্তব্য বা সমালোচনার জন্য বলিনি আমি কষ্ট পেয়েছি। আমি আপনাদেরকে অনেক শ্রদ্ধা করি। ব্লগিং জীবনটা শরু করেছিলাম অন্য একটা ব্লগ দিয়ে যেখানে লেখার সমালোচনা করা হতো কম। সচলায়তনের গঠনমূলক সমালোচনা দেখেই সব ছেড়ে এখানে এসেছি আপনাদের মন্তব্যের জন্য।আপনি কষ্ট পেলে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।আপনারা মন্তব্য এবং সমালোচনা না করলে আমরা অতিথিরা শিখবো কীভাবে?

আমার কোন শব্দ চয়নে কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চাচ্ছি। পরবর্তী কোনো লেখায় আপনার মন্তব্য পাওয়ার প্রত্যাশায় রইলাম।

দলছুট।

অতিথি লেখক এর ছবি

০ দুলুর লাল চা যেনো প্রেমিকার অমৃত ঠোঁটের লালা, শেষ হয়ে গেলে পাওয়া যাবে কিনা সেই সন্দেহে ধীর স্থির ভাবে ভোগ।
"এই অমর পংক্তিটুকু পড়ার পর পাঠককুল এ জন্মে আর প্রাণে ধরে চুমু বা চা কোনোটাই খেতে পারবে কি? অনেকেরই স্বাভাবিক রিঅ্যাকশন বোধ হয় হবে, ম্যা গোঃ!! কী ঘেন্না!! আপনার মাথায় এমন একটা লাইন এলো ক্যাম্নে বলেন তো ভাই?"

মূলত পাঠক ভাই (যদি আপনি বিবাহিত হয়ে থাকেন) আপনিই রাতের বেলায় কাম উত্তেজনায় উত্তেজিত হয়ে স্ত্রীর নিটোল ঠোঁট দুটি নিজের শক্ত ঠোঁটের ভিতর নিয়ে সেই লালাই প্রান করেন অমৃত ভেবে। এখানে ভন্ডামী কেন করলেন সেটাই বোঝলাম না।

০ "গল্প" (কোটেশন দিলাম কারণ ট্যাগ দেখলাম "কোনো গল্পই শুধু গল্প না"। ট্যাগ কেন দেওয়া হয় ভেবে দেখেছেন?) শেষ করে বুঝলাম পাগলই মূল চরিত্র। সেক্ষেত্রে গল্পের স্ট্রাকচারটা এই রকম:
মূলত পাঠক ভাই, প্রতিটি গল্পের মধ্যেই শিক্ষণীয় কিছু থাকে, তাই কথাটা ট্যাগ করেছিলাম। গল্প শুধু নিছক মনের খোরাক না।

ধন্যবাদ।
দলছুট।

হিমু এর ছবি

দলছুট ভাই, বিয়াশাদি করার মতলবে আছি। প্লিজ এইভাবে চার্মটা নষ্ট কইরেন না। কামোত্তেজনার সময় মানুষ বহুত কিছু গিল্যা ফালায়, কিন্তু তাই বইলা কি চায়ের সাথে তার তুলনা দিবেন? চা তো কামোত্তেজনা লইয়া খাই না!



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

মূলত পাঠক এর ছবি

আপনি একবার লিখেছিলেন যে অনেক বইপত্র পড়েন। এই বার বুঝলাম সেগুলো কী জাতীয় বই। ঐ প্যারাটা তো সোজা বাংলা পানু থেকে নেওয়া! ভালো কথা, পানু বোঝেন তো? নাকি অন্য নামে জানেন? পর্নোগ্রাফি? চেনা চেনা লাগে এইবার? "লাল গামছা"? "পাশের পাড়ার শ্যামলী"? পড়েছেন তো? দেখলেন, এদ্দিনে ঠিক মতো আলাপ হলো!

যাক, দুঃখের কথা বলি। আপনাকে চাট্টি কমেন্ট করেও শান্তি নেই, তারপর আবার ফুটনোট দিতে লাগে। আর মন্তব্য করবো না ভেবেছিলাম, কিন্তু ভণ্ডামির ব্যাখ্যাটুকু দিয়ে যাই। ভিশুয়ালাইজ করা বোঝেন? চায়ের কাপ কেউ প্রেমিকার ঠোঁটের মতো করে চাটে/চোষে শুনি নি, সৌভাগ্যবশতঃ দেখিও নি, কিন্তু আপনার অমর লেখনীর গুণে মানসচক্ষে দেখে ফেললাম। এবং সে যে কী দৃশ্য, রোমাঞ্চ শিহরণ স্তম্ভন সব একসাথে হলো (এই জায়গাটা আপনি টপকে চলে যান, আবার বোঝাতে বলবেন না, বিপদে পড়বো)। একেবারে নবজাত শিশুকে তুলোয় ভিজিয়ে জল খাওয়ানো হয়, কিন্তু যারা ঐ ভাবে চা খায় তারা তো কোলের বাছা নয়। চা ঐ ভাবে কাপ থেকে খেতে গেলে অনেক সাধনা লাগে। এ জীবনে হবে না রে ভাই, এক যদি না আপনাকে গুরু পাই। সে কপাল কি আর আমার হবে!

ট্যাগের অপব্যবহার অনেকেই করে, এটা আপনি প্রথম নন। আমার মন্তব্যটা আরেক বার পড়ুন, কী লিখেছি যদি বোঝা যায়। না হলে খুলে বলি, সমস্যাটা সরাসরি আপনার ঐ ট্যাগ নিয়ে নয়। ট্যাগ দেওয়া হয় যাতে বহু লেখার মধ্যে থেকে কোনো বিশেষ বিষয়ের লেখা পাঠক একসাথে খুঁজে পায় সেই আশায়। দেখেছেন তো, ট্যাগে লিঙ্ক দেওয়া থাকে? মনে হয় না তার একটা কারণ থাকলেও থাকতে পারে? আপনার ঐ অনন্য ট্যাগে ক্লিক করে কোন তীর্থে পৌছবে বলে আপনার মনে হয়? নাকি আপনার পরিকল্পনা আছে "কোনো গল্পই শুধু গল্প না" সিরিজ লেখার? সেক্ষেত্রে আপনাকে কিন্তু প্রচুর লিখতে হবে কারণ প্রতিটি গল্পেই আপনি এই রকম উদ্ভুট ট্যাগ মেরে চলেছেন। কতোগুলো এই জাতীয় সিরিজ লিখবেন? (আবার আতঙ্ক শিহরণ ইত্যাদি হচ্ছে, সেগুলো আবার কতোজনকে পড়তেও তো হবে!)

যাক, ভালো থাকুন, আরো লিখুন। আমি চললাম।

অতিথি লেখক এর ছবি

মূলত পাঠক ভাই। সশ্রদ্ধ চিত্তে ক্ষমা চাচ্ছি। কিন্তু যেই সব বইয়ের কথা বললেন সেই গুলির নাম আপনার কাছ থেকে জীবনে প্রথম শুনলাম। লেখাপড়া কিন্তু সবাই করে, সবাই কিন্তু ক্লাসে প্রথম হয় না। আমি হয়তো ক্লাসের খারাপ ছাত্রদের একজন, তাই পড়েও সব মনে রাখতে পারি না বা বোঝতে পারি না। আপনাদের কাছ থেকে মন্তব্য পাওয়ার আশাই লিখি। কটু কথা শোনে কষ্ট লাগে না, কষ্ট লাগে ভাষাটা যখন কর্কশ ধরনের হয়। আমি লেখা লেখিতে বলতে পারেন নবীন, আর নবীনরা ভুল করবে সেই ভুল অগ্রজ ভাইয়েরা ধরিয়ে দেবে এটাই কাম্য। আপনার আশীর্বাদের প্রত্যাশা আমার আজন্ম।

আমি আমার সমস্ত মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। ভালো থাকবেন। দোয়া করবেন।

দলছুট।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

দুলুর লাল চা যেনো প্রেমিকার অমৃত ঠোঁটের লালা, শেষ হয়ে গেলে পাওয়া যাবে কিনা সেই সন্দেহে ধীর স্থির ভাবে ভোগ।
"এই অমর পংক্তিটুকু পড়ার পর পাঠককুল এ জন্মে আর প্রাণে ধরে চুমু বা চা কোনোটাই খেতে পারবে কি? অনেকেরই স্বাভাবিক রিঅ্যাকশন বোধ হয় হবে, ম্যা গোঃ!! কী ঘেন্না!! আপনার মাথায় এমন একটা লাইন এলো ক্যাম্নে বলেন তো ভাই?"

মূলত পাঠক ভাই (যদি আপনি বিবাহিত হয়ে থাকেন) আপনিই রাতের বেলায় কাম উত্তেজনায় উত্তেজিত হয়ে স্ত্রীর নিটোল ঠোঁট দুটি নিজের শক্ত ঠোঁটের ভিতর নিয়ে সেই লালাই প্রান করেন অমৃত ভেবে। এখানে ভন্ডামী কেন করলেন সেটাই বোঝলাম না।

অর মায়রে বাপ, আমি এতোদিন পড়ি নাই ক্যান? হাসতে হাসতে আমি হার্টফেল করুম গো!!! গড়াগড়ি দিয়া হাসি

মূলা'দা রক্স। কমেন্টের একেকটা লাইন পড়ি আর খ্যাট খ্যাট করে ভেটকাই। দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

স্পর্শ এর ছবি

উহু, আসলে দলছুট রক্স!
এক কাপ লালা নিয়ে আয়েস করে বসে পড়তে হবে তার লেখা। চিন্তিত


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

কৌস্তুভ এর ছবি

দলছুট লিখেছেন:
দুলুর লাল চা যেনো প্রেমিকার অমৃত ঠোঁটের লালা, শেষ হয়ে গেলে পাওয়া যাবে কিনা সেই সন্দেহে ধীর স্থির ভাবে ভোগ।

মূলত পাঠক লিখেছেন:
এই অমর পংক্তিটুকু পড়ার পর পাঠককুল এ জন্মে আর প্রাণে ধরে চুমু বা চা কোনোটাই খেতে পারবে কি? অনেকেরই স্বাভাবিক রিঅ্যাকশন বোধ হয় হবে, ম্যা গোঃ!! কী ঘেন্না!! আপনার মাথায় এমন একটা লাইন এলো ক্যাম্নে বলেন তো ভাই?

দলছুট লিখেছেন:
ভাই (যদি আপনি বিবাহিত হয়ে থাকেন) আপনিই রাতের বেলায় কাম উত্তেজনায় উত্তেজিত হয়ে স্ত্রীর নিটোল ঠোঁট দুটি নিজের শক্ত ঠোঁটের ভিতর নিয়ে সেই লালাই প্রান করেন অমৃত ভেবে। এখানে ভন্ডামী কেন করলেন সেটাই বোঝলাম না।

মূলোদার মন্তব্যগুলো, এবং জবাবে দলছুটের এই অমর কমেন্ট, আমি সুযোগ পেলেই এসে পড়ে যাই, আর ঠা ঠা করে হাসি। আবারো মনটা ভালো হয়ে গেল।

স্পর্শ এর ছবি

দলছুটরে মিস করি।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

অতিথি লেখক এর ছবি

সিমন ভাই আপনার রাগের যুক্তি সংগত কারণ আছে। আপনি আমার সব গুলো লেখা পড়েছেন। তাই আপনার প্রত্যাশা আমার কাছে একটু বেশি। আপনার প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারা জন্য আমি দুঃখিত।
১। গানটা গল্প লেখার সময়ও আমি শুনেছিলাম কিন্তু সেটা আমার শোনার ভুল ছিল, শেষে হবে "ঝুটতাম"
২। আড্ডার যে ব্যাপারটা আপনি বললেন, লক্ষ্য করবেন লেখার প্রথমেই বলা হয়েছে আড্ডার পরিবেশটা গতানুগতিক ছিল না,অন্য রকম ছিল। তাই কথা গুলোর মাঝে একটা ভিন্নতা ছিল।
৩। আপনি বললেন গল্প শুরু করল স্যার, সজল কেমনে শেষ করে। আপনি একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন সজল যখন কথা শুরু করে তখন একটা ইন্ভার্টেড কমা দিয়ে শুরু হয়েছে , সে তার স্কুলের জীবনের গল্পটা বলেছে। সজল এখানে স্যারের কথা গুলো বলেছে , শেষে এসে ইন্ভার্টেড কমা দিয়ে শেষ করা হয়েছে। সুতরাং গল্পটা সজল শুরু করেছে এবং সেই শেষ করবে স্বাভাবিক।
৪। আমি স্বীকার করি ভুল করে তর্ক করার মত বোকামী আর নাই। তারপরও আত্মপক্ষ নিয়ে বলছি, আমি ওয়ার্ড ফাইলে অভ্রতে টাইপ করে এখানে যখন দেই তখন ফোনেটিকের কারণে "দ", "র", "ন" এর সমস্যায় পরি, যেটা অনেক সময় আমার চোখে পরে প্রকাশের পর। আর যেহেতু আমরা অতিথি সেহেতু আমাদের ভুল সংশোধনের কোনো সুযোগ নাই।
৫। যেন, ছিল, (যেনো ছিলো) একি কারণে হয়ে যায়।
৬। কিছু টাইপো ভুল থাকে কিছু তাৎক্ষণিকভাবে জানার ভুল থাকে, যেটা একজন লেখকের থাকা গ্রহণযোগ্য নয়,এটা আমি মানি। একটা লেখা প্রিন্ট মিডিয়াতে আসার আগে প্রুফ রীডাররা বানানের ব্যপারটা নিশ্চিত করে যেটা এখানে করা যায় না। আর আমি ছোটবেলা থেকে বাংলা বানানে কাঁচা ছিলাম যেটা এখনো বিদ্যমান আছে।
৭। অফিসের স্বাভাবিক কাজের ফাঁকে, বসের চোখ ফাঁকি দিয়ে লিখলে মনোযোগ কম থাকাটাই স্বাভাবিক। আমি জানি এটা কোন যুক্তি না। আমাকে মনোযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।

আপনার বানান ভুল আর গানের কথার শেষ শব্দের ভুল ছাড়া বাকী অভিযোগ গুলি কী আপনি ঠিকমত পড়ে, বোঝে বলেছেন? আমি মাত্র লেখার "ক, খ" শিখতেছি। আপনি কী আমার কাছ থেকে হূমায়ুন আহমেদের মত লেখা পাবেন? শিক্ষার কোনো শেষ নাই, আমি শিখতেছি। অপেক্ষা করুন, আপনিই একদিন আমার লেখা পড়ে বলবেন-"দারুণ"। যেমন বলেছেন -"পাত্রী দেখা ও দেখানোর গল্প" পড়ে।

তারপরও আমি আপনার মতামতের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই, এবং ভুলের জন্য ক্ষমাসুলভ দৃষ্টির জন্য অনুরোধ রাখি। আপনারা পড়ে সমালোচনা করেন বলেই আমরা লেখার সময় চিন্তা করি। কাহিনীর ভিন্নতা আনার চেষ্টা করি। এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
সিমন ভাই সময় নিয়ে পড়ে, কষ্ট করে মতামতটা জানানোর জন্য ধন্যবাদ । আশা করি রাগ করলেও আপনার আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হবো না।

দলছুট।
=======বন্ধু হব যদি হাত বাড়াও।

তানবীরা এর ছবি

ভুল ত্রুটি থাকবেই, তবুও সামনে এগিয়ে যেতে হবে দলছুট।

**************************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

অতিথি লেখক এর ছবি

ধন্যবাদ তানবীরা আপু। একটা কথা আছে -"শিখছো কোথায়? ঠেকছি যেথায়।" আমি জীবনে ঠেকে শিখি, শিখে মনুষকে শিখাতে চাই।
দলছুট।
======বন্ধু হব যদি হাত বাড়াও।

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

১। "ঝুটতাম?" এইটা কোন জাতীয় শব্দ?
২। আড্ডার 'গতানুগতিক' পরিবেশ বলতে যা বোঝানো হয়েছে, তা আড্ডা'র মধ্যেই পড়ে। আর আপনারা ঐভাবে যদি আড্ডাতে কথা বলে থাকেন, তাহলে sorry to say, আপনারা সব crap একসাথে হয়েছেন।
৩। ক্লোসিং ব্র্যাকেট চিনেন? যেটা মূলোদা বলেছেন? ওটা দিবেন, তাইলে আমার প্রশ্নের উত্তর দেয়া লাগবে না।
৪।

আমি স্বীকার করি ভুল করে তর্ক করার মত বোকামী আর নাই। তারপরও আত্মপক্ষ নিয়ে বলছি, আমি ওয়ার্ড ফাইলে অভ্রতে টাইপ করে এখানে যখন দেই তখন ফোনেটিকের কারণে "দ", "র", "ন" এর সমস্যায় পরি, যেটা অনেক সময় আমার চোখে পরে প্রকাশের পর।
বোকামি দেখে হাসি চাপছি। অভ্রে একটা হেল্প ফাইল আছে, যেটা মেহদি অনেক যত্ন সহকারে বানিয়েছিল। ওটা দয়া করে পড়বেন। অবশ্য আপনার বার বার অভ্রের দোষ ধরাটা হয়েছে অনেকটা 'নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা'র মতো।
৬। বানানের রীতি টা আরেকবার পড়েন, বইয়ের নাম জানতে চাইলে বলেন নাম দিয়ে দিবো। ছোটবেলায় ডায়াপারে হাগু করতেন বলে বড় বেলায় নিশ্চয়ই জাঙ্গিয়াতে...
৭। অফিস সবাইকেই করতে হয়। 'আমি জানি এটা কোন যুক্তি না', তাইলে কইলেন ক্যান? অফিস আপনে একা করেন?

আপনের 'পাত্রী দেখা ও দেখানোর গল্প' তে দারুন কই কইছি? হুমায়ুন আহমেদ যদি আপনের আইডল হয়, তাইলে বদলান ঐটা। মুজতবা, মানিক, জহির — এসব হজম না হইলে সেবা'র কিশোর ক্লাসিক পড়েন। কিছু হবে।

আরেকটা কথা। যদ্দিন না আপনে বানান ঠিক করতে পারেন, ট্যাগে 'বানান ভুল সমৃদ্ধ পোস্ট' কথাটা লাগায়েন।

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

মন্তব্যগুলো পড়ে মুচকি মুচকি হাসছি। আজ মনে হয় পাঠক আর শাহেনশাহর দিন হা হা হা..

বেচারা দলছুট.. টেক ইট ইজি। আমাদের পাঠক যেসব পয়েন্ট ধরেছে সেগুলো যেকোন পাঠকই ধরবে, অতএব লেখা পোস্টানোর আগে ভালোমতো কয়েকবার পড়ে নিয়েন।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

ভাই দলছুট, মাথা গরম কইরেন না, এখানে সবাই আমরা এক হয়েছি, যারা ভালো লেখেন তাদের কাছে থেকে কিছু শিখব সে আশাতেই। আপনে তো দেখি মুলোদার উপরে একবারে ঝাপিয়ে পড়েছেন, তিনি সমালোচনা করেছেন বলে। আপনার লেখা পড়ে উনি সময় ব্যায় করে এতবড় মন্তব্য দিলেন, আপনার উচিত সেগুলো নিইয়ে একটু ভাবনা চিন্তা করা, আর যেভাবে আপনে উপমা দিচ্ছেন, আমার মত 'টুইস্টেড' চিন্তা ভাবনার মানুষ ও কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে যাচ্ছি। আর বানান এর পরিমান তো কম বেশি নির্ভর করবে আপনার লেখার পরে পড়ে দেখার উপর এবং তারপরেও যদি দেখেন, কমাতে পারছেন না, তখন সামসাদ আর আলমগীর ভাইয়ের স্পেল চেকারতো আছেই।

তবে, একটা জিনিষ কি একটু বুঝিয়ে বলবেন, সমালোচনার গাইডলাইন টা কেমন হওয়া উচিত? আপনার লেখার শিরোনাম যথেষ্ট আপত্তিজনক, লেখা ছাড় পেয়েছে দেখে বেশ অবাক হয়েছি। সমালোচনাকে সাদরে গ্রহন করুন, অযথা খোচাখুচি কমান, দেখবেন, লেখতে লেখতে লেখার মান, বানান সব কিছুর ই উন্নতি হবে।

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

অতিথি লেখক এর ছবি

এত্তো আদেশ, উপদেশ আর মন্তব্য হান্দানোর পরও কি ডরাননি দাদা।
আমি আপনার মঙ্গলার্থে আর কিছু হান্দালাম না।
এম হোসাইন

-----------------------------
"মোর মনো মাঝে মায়ের মুখ"

মৃদুল আহমেদ এর ছবি

এইবার আর নিজেরে ধইরা রাখতে পারলাম না! হাইসা উঠলাম ঘর ফাটায়া... হো হো হো
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আপনের এই কমেন্ট পইড়া আমি আবারও খ্যাক খ্যাক করে একচোট হাইসা দিছি। হো হো হো

আমার যখনই মন খারাপ হবে, মন্দিয়ে এই পোস্টের মন্তব্যগুলো পড়বো। হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

রেনেসাঁ [অতিথি] এর ছবি

লেখা পড়ে কিছু পাইনি তবে সমালোচনা থেকে অনেক শিখলাম। ধন্যবাদ শাহেনশাহ সিমন ও মূলত পাঠক।

অতিথি লেখক এর ছবি

প্রিয় পাঠক ভাইয়েরা আপনাদের মহামূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আপনাদের মতামত পড়ে বোঝতে পারলাম, এটা কোনো লেখা হয়নি, মোট কথায় এটা একটা বাজে লেখা। তাই মডু ভাইদের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি লেখাটাকে ডিলিট করার জন্য। হয়তো তাতে আমাদের অনেক পাঠক ভাইয়ের সময় সেইভ হবে, আর মহাজ্ঞানী ভাইয়দের বড় বড় মন্তব্য করতে হবে না।
সবাইকে কষ্ট করে বস্তা পচা টাইপের লেখা সহনশীলতার সহিত পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

যদি কোনোদিন ভালো লেখা লিখতে পারি সেইদিন আবার দেখা হবে। ভালো থাকেন সবাই।
আপনাদের লেখা পড়ার জন্য সচলায়তনে আমার পদচারণা থাকবে আগের চেয়ে অনেক বেশি।
ধন্যবাদ।
দলছুট।

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

এই পোস্টটা মন্তব্যসহ পড়তে হবে। দেঁতো হাসি

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

সবজান্তা এর ছবি

ইশশ, আজিজে আমরা কতো কাপ চা খাই দেঁতো হাসি


অলমিতি বিস্তারেণ

মুস্তাফিজ এর ছবি

সবজান্তা লিখেছেন:
ইশশ, আজিজে আমরা কতো কাপ চা খাই দেঁতো হাসি


অলমিতি বিস্তারেণ

এখন তো মনে হচ্ছে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো

...........................
Every Picture Tells a Story

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

আমি লেখা পড়লাম; কিন্তু একেকটা মন্তব্যে যা শিখেছি- তার অর্ধেকটাও দলছুট ভাই শিখলে কাজ হতো...। দলছুট সমালোচনা আশা করছেন- কিন্তু তার জন্যে প্রয়োজনীয় ক্ষুদ্রতম মনোযোগটাও দিচ্ছেন না। পাঠুদার মন্তব্যের জবাবটি পড়ে বুঝলাম দলছুট ভাই সমালোচনাকে সমান রাখেন নি।

সবাইকে কষ্ট করে বস্তা পচা টাইপের লেখা সহনশীলতার সহিত পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

যদি কোনোদিন ভালো লেখা লিখতে পারি সেইদিন আবার দেখা হবে। ভালো থাকেন সবাই।
আপনাদের লেখা পড়ার জন্য সচলায়তনে আমার পদচারণা থাকবে আগের চেয়ে অনেক বেশি।


এইটাই একমাত্র কাজের কথা। অনেকদিন ধরে পড়ুন, তারপর আবার কিছু লেখায় হাত দিন।
দেখবেন, একদিন আপনিও...

---------------------------------------------------------------------------

মধ্যরাতের কী-বোর্ড চালক

অতিথি লেখক এর ছবি

উদ্ধৃতি:
পাঠুদার মন্তব্যের জবাবটি পড়ে বুঝলাম দলছুট ভাই সমালোচনাকে সমান রাখেন নি।

সুহান ভাই আমি সম্মান রাখি নি, না পাঠুদা ভাষার মাধুর্য রাখে নি? আমি কিন্তু তার মন্তব্যের জন্য একটুও কষ্ট পাইনি, কষ্ট পেয়েছি ওনার ভাষার ব্যবহারে।
ভুল করলে সমালোচনা সইতে হবে স্বভাবিক, আমি এর ব্যতিক্রম নই। কিন্তু সুন্দর ভাষায় কি কড়া কথা বলা যায় না?

ধন্যবাদ সুহান ভাই।

দলছুট।

সাফি [অতিথি] এর ছবি

পুলাপান দুষ্টুমি করলে মায়ে বাপে তাগো ভালোর জন্যই একটু বকা দিবে। একটু যত্ন কইরা সময় নিয়া, একটা সুন্দর পুস্টান, দেখবেন এই পাঠুদা আর শাহেনসাহ ই দৌড়ায় আইসা বাহবা দিবো

সাফি [অতিথি] এর ছবি

আরেকটা কথা কইতে চাইসিলাম, টেক ইট ইজি। রণে ভঙ্গ দিয়েন না

শাকিল এর ছবি

একটা কথা আসলে না বলে পারছি না...আমি অনেক দিন ধরে সচলে আসি কারন এই খানে অনেক ব্লগের চাইতে আমার কাছে লেখা আর লেখার মন্তব্য গুলা ভালো মনে হইসে..., কিন্তু ইদানিং অতিথি লেখকের লেখার নানা মন্তব্য দেখে আমি ভাই খুব হতাশ এবং আহত...

একটা মানুশের লেখা তে অনেক weakness থাকতে পারে...তাই তাকে কিছু দিন সময় দেয়া যেতে পারে...তাকে নানা গাইড লাইন দেয়া যেতে পারে..., কিন্তু তাকে যদি ভূল করা মাত্র "এই এইটা তো এমন না...ওইটা তেমন না...তাই তোমারে বইলা লাভ নাই...etc etc.." বলতে থাকেন তা হইলে তো ভাই এই লোকটা আর সারা জীবনে আর লেখারই আগ্রহ পাবেনা...কারো হয়তো mature পোস্ট এর জন্য বেশী সময় লাগে এই যা...কারো কারো মন্তব্য তো আমার কাছে খুবই rude মনে হইছে...কিছু কিছু যায়গাতে যেমন শুধু ভূল ধরার জন্য ধরা আরকি...যেমনঃ

"...আমার দীর্ঘদিনের আড্ডা'র অভিজ্ঞতা (!) থেকে বলতে পারি, আড্ডাতে কখনোই এভাবে বন্ধুরা কথা বলে না..."

...ভাই আপনার আড্ডাতে আপনি এইভাবে হয়তো কথা বলেন না...কিন্তু দুনিয়ার সব মানুশ কিন্তু আপনার মত করে আড্ডা দেয় না...

আর আমি আরেকটা কথাও না বলে থাকতে পারতেসি না...অনেক সচলেরই কিন্তু প্রথম দিকের অনেক লেখা এক্টু কাচাই ছিলো...বা এখনো কারো কিছু কিছু লেখায় আনারি ভুল দেখা যায়...সেই লেখাতে কিন্তু এই রকম aggressive ভাষার কমেণ্ট দেখা যায়না...তার মানে কি এই লেখকের বেলাতে কি কারো কোনো irony আছে নাকি...হাসি

যাই হোক আশা করবো মন্তব্য যেনো এমন না হয়ে যায়...যেটা লেখকের লেখার আগ্রহকে বাধাগ্রস্ত করে...ব্লগে এ কিন্তু সবাই হিমুর মতো লেখক হয়ে আসে না...অনেকেই আস্তে আস্তে হিমু হয়...এইটা একটু খেয়াল করি...।

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ এই আলোচনাটির জন্যে। হ্যাঁ, নিশ্চিতভাবেই সচলের সুস্থ সমালোচনার যে রীতি সেটি অনেক 'কাঁচা' লেখককেও রীতিমত পোক্ত করে তুলেছে...। কিন্তু ভুলে যাচ্ছেন- সুস্থ সমালোচনার পরে যাকে সমালোচনা করা হলো, তিনি যদি এই আলোচনাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ গণ্য করে সমালোচককে উলটো আক্রমণ করেন- তখন তার সমালোচনায় কেউ কি আদৌ আগ্রহ পাবে ?? তদুপরি যদি সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি হতে থাকে- তবে তো সেই সমালোচকও একসময় আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।

---------------------------------------------------------------------------

মধ্যরাতের কী-বোর্ড চালক

স্পর্শ এর ছবি

সুস্থ সমালোচনার পরে যাকে সমালোচনা করা হলো, তিনি যদি এই আলোচনাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ গণ্য করে সমালোচককে উলটো আক্রমণ করেন- তখন তার সমালোচনায় কেউ কি আদৌ আগ্রহ পাবে ??

অন্তত দলছুটের বেলায় এই কথা খাটে না। তার বিনয় জগৎ বিদিত।

আর শাকিল যে কথাগুলি বললেন। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, সেরকম হালকা একটা ঝোক আমি খেয়াল করেছি। আমি যখন নবীন ছিলাম, এমন এগ্রেসিভ ভাষায় কেউ মন্তব্য করত না। আমার প্রথম দিককার লেখাগুলো আর তার কমেন্ট পড়ে মিলিয়ে দেখতে পারেন। এই যুগে কেউ সেরকম লেখা পোস্ট দিলে। মাইর একটাও মাটিতে পড়ত না। বদলে আমি উৎসাহই পেয়েছি।

ব্যাপারটা হয়তো ভালো/খারাপ কিছুই না। কঠোরতা হয়তো সময়েরই দাবি। অথবা, আমি হয়তো নতুনের প্রতি একটু বেশিই স্নেহ বোধ করি। ...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি

এই যুগে কেউ সেরকম লেখা পোস্ট দিলে। মাইর একটাও মাটিতে পড়ত না।

দিনকাল কি খারাপ নাকি সচলের পোস্ট আর খালি নাই? চোখ টিপি

----------------------------------
~জীবন অনেকটা জড়ই, কিন্তু অনন্য!~

রেনেট এর ছবি

When you see yourself doing something badly and nobody’s bothering to tell you anymore, that’s a very bad place to be. Your critics are your ones telling you they still love you and care.

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

নাশতারান এর ছবি

আপনি পারেনও বটে, দলছুট !

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

শাফক্বাত এর ছবি

বুনোহাঁস, আপনি এই কমেন্টটা না-করলে এই মাস্টারপিস্‌ আমার চোখ এড়িয়ে যেত!!
My God What an EXpeRieNCE!!!
যেমন পোস্ট তেমন কমেন্ট...আমি স্পীচলেস্‌ হয়ে গেলাম!!
================================================
পরদেশী বঁধু, ঘুম ভাঙায়ো চুমি আঁখি।
যদি গো নিশিথ জেগে ঘুমাইয়া থাকি,
ঘুম ভাঙায়ো চুমি আঁখি।।

সবুজ বাঘ এর ছবি

গল্ফডা আমার খারাপ লাগে নাই। খালি ফিনিশিন টাশটা ঠিকমতো জমিয়া হারোছ নাই। এই যা।....লালচা বনাম লালা খ্রাপ না। ভাবনায় এট্টা গরমাগরম মজা দেয়। ব্রজেশ্বরদের কতা অবশ্যি আলাদা।
তয় বলতেই হয়, মূলত পাঠকের হৃদয়হীনতা আমারে মুগ্ধ করছে।

দলছুট, লেহাপড়া এট্টা ভ্রান্ত ধারমা। যা ইচ্চা লেকবি, ভুল শুদ্দর মাকে ইয়ে করে....দেকবি...একদিন তোরো হয়েচে। আর না হলেই কি? হবে না। অসুবিদা আছে কুনো? একটা কতা মনে রাখবি, পিখিবীর সব শালাই কোনো না কোনোভাবে তর আমার মতো অশিক্ষিত, অপ্রয়োজনীয় নানান বাল ছাল জেনে ভান ধরে বহু কিছু জানার।

তবে দলছুট, তুমার বিনয় আমাকে বিমুগ্ধ করেছে কিন্তু।

দুর্দান্ত এর ছবি

বাঘাদা, তোমারে খউপ মিস করি।

স্পর্শ এর ছবি

লেহাপড়া এট্টা ভ্রান্ত ধারমা। যা ইচ্চা লেকবি, ভুল শুদ্দর মাকে ইয়ে করে....দেকবি...একদিন তোরো হয়েচে। আর না হলেই কি? হবে না। অসুবিদা আছে কুনো? একটা কতা মনে রাখবি, পিখিবীর সব শালাই কোনো না কোনোভাবে তর আমার মতো অশিক্ষিত, অপ্রয়োজনীয় নানান বাল ছাল জেনে ভান ধরে বহু কিছু জানার।

গুরু গুরু


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

একেকটা মন্তব্য পড়ি, আর গোয়েন্দা ঝাকানাকার গপ্পের মতো কইর‌্যা হাসি...

_________________________________________

সেরিওজা

দ্রোহী এর ছবি

হুম এটা একেবারে প্রভুখণ্ড!!!! এই প্রভুখণ্ডখানা পড়ে যা বুঝলাম— আজিজের আশেপাশে চা খাওয়া আর পৌণেপাৎলুন ঢ়ৈষূর ঠোঁট চাটা একই কথা!

তাহসিন আহমেদ গালিব এর ছবি

সবগুলো মন্তব্য পড়ার পর গল্পের বিষয়বস্তু সম্পর্কে যা বলা চলে তা হল-
"আপনি কিছু না ভেবেই এক-একটা কথা বলেন, পরে আবার ক্ষমা চান! কোথাও একটা সমস্যা আছে।"

অতিথি লেখক এর ছবি

ভালো লেখা ও মন্তব্যের প্রত্যাশায় রইলাম। O:) - ছাড়পত্র...

মৃদুল আহমেদ এর ছবি

ভাই দলছুট। আমার তো এই গল্প খুবই ভালো লাগল!
দারুণ লেখা। একেবারে পছন্দের তালিকায় রেখে দিলাম লেখাটা।
যখনই মন খারাপ হবে, খুলে পড়ব।
আপনি লিখে চলুন। এই জীবনে এরকম কিছু লেখা না আসলে জীবনের আনন্দটা কোথায়?
আর লোকজনের মন্তব্য শুনে হতাশ হবেন না প্লিজ। আপনার কথাই আপনাকে ফিরিয়ে দিচ্ছি : ডরাইলেই ডর, হান্দায়া দিলে কিয়ের ডর?
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

অতিথি লেখক এর ছবি

সবুজ বাঘ লিখেছেন:

তয় বলতেই হয়, মূলত পাঠকের হৃদয়হীনতা আমারে মুগ্ধ করছে।

দলছুট, লেহাপড়া এট্টা ভ্রান্ত ধারমা। যা ইচ্চা লেকবি, ভুল শুদ্দর মাকে ইয়ে করে....দেকবি...একদিন তোরো হয়েচে। আর না হলেই কি? হবে না। অসুবিদা আছে কুনো? একটা কতা মনে রাখবি, পিখিবীর সব শালাই কোনো না কোনোভাবে তর আমার মতো অশিক্ষিত, অপ্রয়োজনীয় নানান বাল ছাল জেনে ভান ধরে বহু কিছু জানার।

আমি সেলাম দিলাম তবে ইমো নাই ।

--
ইমতিয়াজ মির্জা

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

দলছুটের হাফ সেঞ্চুরিতে শুভেচ্ছা দেঁতো হাসি
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

অকুতোভয় বিপ্লবী [অতিথি] এর ছবি

শাহেনশাহ সিমন লিখেছেন:
দলছুটের হাফ সেঞ্চুরিতে শুভেচ্ছা দেঁতো হাসি
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

দেঁতো হাসি

ওসাইরিস নেমেন ওয়াহিদ  এর ছবি

এক বন্ধু বলল তাই মনে করেছিলুম লিখা-লিখি শুরু করব. মাগার, ডরাইসি!!!
let go mother, crying live (ছাইরা দে মা, কাইন্দা বাঁচি)

-------------------------------------------------------------------------------

কি আছে দুনিয়ায়!!!

অতিথি লেখক এর ছবি

আল্লাহ...এইড্যা আগে পড়িনাই কেন???
পড়লে কিছু শিখা হইতো।
পিছাইয়া গেলাম। মন খারাপ
পলাশ রঞ্জন সান্যাল

নাশতারান এর ছবি

এই পোস্টটা(মন্তব্যসহ) পড়লেই আমার মন ভালো হয়ে যায়। মনমেজাজ খারাপ থাকলে খুঁজে এসে পড়ে যাই।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

হ, অল টাইম ক্লাসিক, মাসে একবার স্টিকি করা উচিত এইটা, সচলের একটা মাইলফলক

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

হিমাগ্নি [অতিথি] এর ছবি

দলছুট ভাই, আপনার গল্পের সারমর্ম আমার চরম মনে ধরেছে... আমিও ভাবতেছি এখন থেইকা এমন একটা মানসিকতা নিয়া চলব...

"ডরাইলেই ডর, হান্দায় দিলে কিয়ের ডর।"

লাইনটা আমার চরম ভাল্লাগসে... গল্প পড়েও ভাল লেগেছে... কিন্তু শেষ দিকটা পড়ে কেমন জানি অপূর্ণ অপূর্ণ মনে হইসে... আরেকটু ভাল ভাবে শেষ হইলে আরো ভাল হইত...

আর মন্তব্য সমালোচনা নিয়া বলতে গেলে আমিই আবার গ্যাঁড়াকলে পড়ে যাব... যে লেখালেখির কিছুই জানে না, সে যদি পণ্ডিতের ভুল ধরে তাইলে তো প্রব্লেম... যারা সমালোচনা করেছেন তারা কিন্তু ভালর জন্যই করেছেন... যাতে আপনি পরবর্তীতে আরো ভালভাবে লেখতে পারেন...

আবার একজন নতুন লেখকের লেখার ভুল যদি এমনে "হান্দানো" হয় তাহলে নতুনদের ও লেখতে আগ্রহীদের খারাপ লাগে এবং উৎসাহে ভাটা পড়ে... যদি রবীন্দ্রনাথ এমন লেখা লেখত তাহলে হয়তো তারে এমনে "হান্দানো" যাইত... সে তো এমন ভুল ভাবে লেখা ফাঁক রেখে লিখতে পারে না। কিন্তু দেখা যাইত (যদি) রবীন্দ্রনাথ এমন লেখা লেখতোও(ভুল বানান ও উদ্ধৃতি পরিহার করে), তাহলে হয়তো অনেকেই বাহবা, মাইরি, খাসা বলে ভরায়ে দিতেন... কারণ এইটা "রবীন্দ্রনাথের" লেখা। হয়তো "দুলুর লাল চা যেনো প্রেমিকার অমৃত ঠোঁটের লালা, শেষ হয়ে গেলে পাওয়া যাবে কিনা সেই সন্দেহে ধীর স্থির ভাবে ভোগ।" এই উক্তি অমরও হয়ে উঠত... (অনেকের-ই লাল চা এবং লালার উপমাতে খারাপ লেগেছে, আমি জানি না চুম্বনের সময় লালার ট্রান্সফার হয় কি না, যদিও হয়েও থাকে তাহলে হয়তো কারো লালা নিয়ে সমস্যা হওয়ার কথা না(যদি প্রেমিকা দাঁত না মাজে, তাহলে কেস ভিন্ন)। ) একটা উদাহরণ দিতে ইচ্ছা করতেছে...

দলছুট যদি "ভেঙে মোর ঘরের চাবি, কে মোরে নিয়ে যাবি?" লাইনটা লেখতো, তাহলে তাকে (হয়তো) বলা হইত, চাবি ক্যামনে ভাঙ্গে??? এ্যাঁ!!! কিন্তু রবীন্দ্রনাথ লেখছে দেখেই এই লাইন অমর, জোস্‌ হয়ে আছে...

নতুন লেখক যদি ভুল-ই না করে তাহলে তো সে বস্‌ আর নতুন লেখক দেখেই তার লেখাটাকে "হান্দানোও" হয়তো ভাল না।

যাই হোক, আপনি লেখাটাকে "হান্দায়ে" দিয়েছেন, এখন আর ডর কী?

হিমাগ্নি।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

লন আপনারেও 'সিউলি' ফুলের শুভেচ্ছা!

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

সাফিনাজ আরজু এর ছবি

"ভেঙে মোর ঘরের চাবি, কে মোরে নিয়ে যাবি?"

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

চরম পোষ্ট। মন খারাপ হলেই এই পোষ্টটা পড়তে হবে। কমেন্টগুলা বেশী জোশ। দেঁতো হাসি

__________________________________
----আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে---

হিমাগ্নি [অতিথি] এর ছবি

ভাইজান 'সিউলি' ফুলের শুভেচ্ছার মর্মার্থ এখনো অনুধাবন করতে পারতেছি না... ("হান্দায়" দিলেন নাকি? চোখ টিপি )

আমি অবশ্য আরেকটা জিনিস লেখতে ভুলে গিয়েছিলাম... যেইভাবে মন্তব্য লেখছি তা চলিত, কথ্য, লেখ্য কোন ব্যাকরণেই পড়ে না... সব মিক্সিং করে লেখছি ( এই দেখেন, একটু আগে লেখলাম গিয়েছিলাম, এখন লেখলাম লেখছি...) আসলে কথ্যই লেখতে চাইছিলাম, মাগার কথায় যেভাবে স,ছ এর মাঝামাঝি একটা উচ্চারণ আছে("sun" এ "s" এর যেই উচ্চারণ), সেইটা কোন বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করব বুঝতেছি না...(লেখার সময় উচ্চারণটা ছ তেও পুরোপুরি ব্যক্ত হয় না, স তেও না...) না...
সো, আমার এই সমস্যা সমাধান করে দিলে আমি অনেক ধইঞ্চা হইতাম এবং এই সমস্যা নিয়ে কিছু বললেও আমার কিছু করার নাই(যতক্ষণ না সমাধানের উপায় পাই)... হাসি

হিমাগ্নি।

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

সেলিমের সমাধানের কথায় ইম্প্রেস হয়ে সজল বলল, শোন আমি বলছি-

ইম্প্রেসড

এইবার তোর অনুর্ভর মস্তিষ্কের সমাধানটা কী আমাদের বল?"

অনুর্বর

সজল গলা কেশে নরেচরে বসে।

নড়ে চড়ে

অংক করে খাতা বেড় করে রাখতাম

বের

গত তিন দিন তার পেটপুরে খাওয়া হয়নি, পেটে প্রচুর ক্ষুদা,

ক্ষুধা

সেটা ভুল প্রমাণীত হলো

প্রমাণিত


'গল্প' ও 'ঘটনা'র মধ্যে পার্থক্য কি?

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

কল্যাণ এর ছবি

রোমেল ভাই আপনি একটা চরম জিনিস খুঁজে বের করেছেন গড়াগড়ি দিয়া হাসি

হায় দলছুট আপনি কো?

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

হাসান মোরশেদ এর ছবি

এল ক্লাসিকো গড়াগড়ি দিয়া হাসি

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

চরম উদাস এর ছবি

পুরাই হো হো হো

চরম উদাস এর ছবি

এই লেখাটা আজীবনের জন্য সচলে স্টিকি করে রাখার এক দফা এক দাবী জানায়ে গেলাম। চাল্লু

তাপস শর্মা এর ছবি

আইজ দুপুরে এই লেখা পইড়া কি মন্তব্য করুম ভাইবা পাইলাম না। পুরাই গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

রব এর ছবি

ইহা একটি 'ফিনিক্স' পোস্ট। কালে কালে রিজারেকশন ঘটে। এইবার কে ঘটাইল এই কম্ম? রোমেল ভাইডি নিহি?

শাফি এর ছবি

কত কী যে শিকে চলেছি হো হো হো চ্রম উদাস ভাইরে ধন্যবাদ এই পোস্টরে লিংক করে দেয়ার জন্যে। নেন ইংলন্ডইন্যা "মিষ্ঠি"* খান।

শাফি।

* যদি আসলে খাইতে চান বাঙাল যে কোন এলাকায় পাবেন, অথবা এইনেন [url=http://translate.google.com/#auto|bn|exact]"দাবি করা ও জোর করিয়া আদায় করা"[/url] ঠিকানা। দেঁতো হাসি

শাফি এর ছবি

এইডা কি হইল? লিংক উলঙ্গ হইল কেন? ধুর, মজাডাই গেল ইয়ে, মানে...

ব্যাঙের ছাতা এর ছবি

ধন্যবাদ উদাস দাদা, এই লেখার লিঙ্কএর জন্য।

তদানিন্তন পাঁঠা এর ছবি

এই লেখা এখনো সমান সতেজ। কয়টা লেখা এমন অমর হতে পারে? চ্রমদারে লিঙ্ক দাওয়ার জন্য একটা ধইন্যাপাতা। (যদিও এই লেখা আর কমেন্ট পড়ার পর চুম্মা লেখতে মঞ্চাইছিল। মাগার চরম ভাই দেইখা সাহস পাইলাম না।)

সাম্য এর ছবি

বাঘাদা আর দ্রোহীদার মন্তব্য পড়ে হাসি থামাতেই পারছি না!

মেঘা এর ছবি

ব্যাপক বিনোদন পোষ্ট তার চেয়েও বেশী বিনোদন কমেন্টে গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

কল্যাণ এর ছবি

মনটা খুব খারাপ ছিলো, মন্তব্য সহ এই পোস্ট পড়ার পর একটু ভালো লাগতেছে এখন। যাই এক কাপ লালা নিয়ে আসি।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

মরুদ্যান এর ছবি

চা খাইতাসিলাম, এর মধ্যে দেখি মনের মুকুরে "ডরাইলেই ডর হান্দায়া দিলে কিয়ের ডর"!! ভাবলাম দেইখা আসি কিসের হান্দাহান্দি চলতেয়াসে।

একটু পরই বিষম খাইসি, আমি বিবাহিত মানুষ। জীবনে সুড়ুৎ কইরা চুমুক দিয়া বউয়ের লালা খাইসি বইলা মনে পড়তেসেনা! আফসুস!! গড়াগড়ি দিয়া হাসি

তানজিম এর ছবি

"দলছুট, লেহাপড়া এট্টা ভ্রান্ত ধারমা। যা ইচ্চা লেকবি, ভুল শুদ্দর মাকে ইয়ে করে....দেকবি...একদিন তোরো হয়েচে। আর না হলেই কি? হবে না। অসুবিদা আছে কুনো? একটা কতা মনে রাখবি, পিখিবীর সব শালাই কোনো না কোনোভাবে তর আমার মতো অশিক্ষিত, অপ্রয়োজনীয় নানান বাল ছাল জেনে ভান ধরে বহু কিছু জানার।" জটিল হইসে

চরম উদাস এর ছবি

এইমাত্র আবার পড়লাম। এর চেয়ে আনন্দদায়ক লেখা ইহজগতে তৈরী হইছে বলে আমার জানা নাই। হাসতে হাসতে আরো একবার হিক্কা উঠলো। আমার যদি কখনো দমফুটে মিত্তু হয় তবে তার জন্য এই লেখার লেখক ও সমস্ত মন্তব্যকারী দায়ী।

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

এমন লেখা লিখতে পারবেন্নি উদাস ভাই?

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

চরম উদাস এর ছবি

লিখতেছি এইটার সিকু্যয়েল, ডরাইলেই ডর - পার্ট টু : চড়াইলে চর , ডরাইলেই ডর - পার্ট থ্রি : লাড়াইলে লড়, ডরাইলেই ডর - পার্ট ফোর: করাইলে কর এবং ডরাইলেই ডর - ফাইনাল: মাইরালাইলে মর।

কীর্তিনাশা এর ছবি

ওরে কেউ আমারে ধর !!
গড়াগড়ি দিয়া হাসি

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

নাফিসা এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি দেঁতো হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

সাফিনাজ আরজু এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

__________________________________
----আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে---

মরুদ্যান এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে

কালো কাক এর ছবি

উনার অন্য লেখাগুলোর লিঙ্ক চাই দেঁতো হাসি

তারেক অণু এর ছবি

ফিনিক্স পোস্ট গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

অনুপম ত্রিবেদি এর ছবি

সচলে আমার রেজিষ্ট্রেশনের একদিন পরের লেখা এইটা। তখন পুরাই তাব্দা খায়া গেছিলাম এই পুস্ট দেইখা, তয় এখন আর না ডরায়া দিলাম হান্দায়া একটা কমেন্ট।

ইপিক পোস্ট ইজ ইপিক ... ... গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

==========================================================
ফ্লিকারফেসবুক500 PX

কল্যাণ এর ছবি

আহা পোস্ট বটে একখান।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

সজল এর ছবি

খাইছে! এই মহাকাব্যএর একটা চরিত্র দেখি আমার নামে! অমরত্বএর পথে কখন যাত্রা শুরু করলাম, টেরই পেলাম না।

---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়

কল্যাণ এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

নিলয় নন্দী এর ছবি

সচলের মাইলফলকে একটা পেন্নাম ঠুকে গেলাম।
মাসে একবার করে নীড়পাতায় টাঙিয়ে দিলে সবার মনটা রিফ্রেশ হয়ে যেত।
কি স্বতঃস্ফুর্ত অমর কীর্তি !
শ্রদ্ধা

সায়ন এর ছবি

ঠেলা কমেন্ট হো হো হো

সামি এর ছবি

আহারে বেচারা, সকলেই তার পোস্টের নামের কথা মাথায় রেখে একেবারে হান্দাইয়া দিসিলো। এখনো সেই ব্যাথা বুঝি যায় নাই। এই এপিক পোস্টখানা, কমেন্ট ছাড়া পড়তে মানা। গড়াগড়ি দিয়া হাসি

সুমন চৌধুরী এর ছবি

অনেক্কাল পরে পড়লাম কমেন্টগুলা

কালামিয়া এর ছবি

আবারো পড়লাম এবং হাঃ হাঃ হাঃ হাসতেই আছি।

ইয়াসির আরাফাত এর ছবি

দলছুট ভাইয়া নিশ্চয়ই লেখালেখি করেন এখনো। কোন মুক্তোবনে গিয়ে উলু ছড়াচ্ছেন কেউ জানেন নাকি? ভাগের রগড় অচিনদেশে পাচার করে দেবার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে গেলাম

সংসপ্তক এর ছবি

আহা! কি সব দিনগুলো!

.........
আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা

অতিথি লেখক এর ছবি

অট: এই যে ভায়া? আপনার যমুনা থেকে ঝিলম'এর পরের পর্বগুলো কোথায়??? রেগে টং

*না ডরাইয়া এই পোস্টে অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করেই ফেললাম।

কড়িকাঠুরে

এক লহমা এর ছবি

হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ! উদাস এক্কেবারেই চরম। কি একখান পোস্টের লিঙ্ক দিল! এইটা বুকমার্ক করে রাখলাম।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

শাব্দিক এর ছবি

যুগান্তকারি পুস্ট!!!! চলুক
কই ছিল এতদিন এই জিনিস ???

---------------------------------------------------------
ভাঙে কতক হারায় কতক যা আছে মোর দামী
এমনি করে একে একে সর্বস্বান্ত আমি।

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি

মাঝরাতে ঘর ফাটিয়ে হাসার অপরাধে পাশের ঘরে নির্বাসিত হতে হয়েছে হাসি না কমা পর্যন্ত! ওহ!!!! বুকমার্ক করে রাখি এই লেখা - হাসার প্রয়োজন হলেই একবার করে পড়ে নেয়ার জন্য!

____________________________

কল্যাণ এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

হাসি
দেঁতো হাসি দেঁতো হাসি
হো হো হো হো হো হো হো হো হো
গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি

[ এই পুষ্ট বিশেষ বিবেচনায় সাপ্তাহিক না হলেও অন্তত মাসিক বেসিসে "মনের মুকুরে" হিসাবে চাই ]

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

মাহদী  এর ছবি

কমেন্টকারীদের অনেকেরই মনোভাব দুঃখজনক। পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিল এখানে বুঝি কয়েকবার করে সাহিত্যে অস্কার জেতা লেখকদের হাট বাজার বসেছে।

গল্পের সবচে বাজে ভুলটা কেন কারো চোখে পড়লনা ভেবে অবাক হচ্ছি। গল্পটা তো সজলের না, সেলিমের জবানে হবার কথা ছিল। সজল না সমস্যার ফিরিস্তি দিল সেলিম সমাধান দেবে এই আশ্বাস প্রদানপূর্বক সমস্যাটা কী জানতে চাইবার পর! তারপর নিজেই সমাধান দিতে গলা কেশে নড়েচড়ে বসল? সেলিমের কী হল তবে? চিন্তিত
। আর একজন বাদে সবার নাম স দিয়ে শুরু হওয়াটা একটু দৃষ্টিকটু রকমের কাকতালীয় লাগল।
সবচে বেশি যেটা নিয়ে কথা উঠলঃ
চা এবং লালা, পাঠকভেদে রুচির ভিন্নতা থাকে। কারো কাছে যা অভব্য মনে হতে পারে, সেটা আবার অন্য কারো কাছে সুচারু শিল্পও লাগতেই পারে, সম্ভব নয়। এর চেয়ে ঢের অভব্য তুলনা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, হুমায়ুন আজাদ প্রমুখ শক্তিমান সাহিত্যিকদের লেখনীতে পাওয়া যায়।
ব্যাপার না, এখানে যদি ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবে কথাটার জন্ম হত নিশ্চিতভাবেই একটা রৈ রৈ পড়ে যেত। অনেক নোবেল অস্কার প্রমুখ বিজয়ী হা রে রে রে করে তেড়ে আসত। কাজেই সব রৈ রৈ গায়ে মাখতে নেই, ক্ষেত্র বিষেশে কানে তুলো পিঠে কূলো খুব ভালো গুণ।

সজলের সমস্যার বিবরণে নাকির আধিক্যঃ হতেই পারে। আমি এটাকে সজলের মুদ্রাদোষ হিসেবেই ধরে নিয়েছি। ব্যাপারটা গল্পটাকে আদতে জীবন বাস্তবতার আরো কাছাকাছি করে দিয়েছে বলে আমার কাছে লেগেছে। তবে ২য় অনুচ্ছেদে বাক্যে বাক্যে যেন শব্দটির ব্যাবহার কিছুটা বিরক্তির কারণ ঘটিয়েছে স্বীকার করি।

আর "অনুর্ভর" এ আমার কাছে বানানটাই সমস্যা লাগল, শব্দটা নয়। বন্ধু বন্ধুর কাছে পরিহাস করে তার অনুর্বর মস্তিস্কের কাছে সমাধান চাইছে, ভুল ধরার ঘোর বেশি পেয়ে বসলে এই সহজ স্বাভাবিক আচরণ ধরতে পারার মত রসবোধ মস্তিস্কে অবশিষ্ট থাকবে না এ আর উদ্ভট কী!

যাহোক, আশা করি এদ্দিনে আপনি লেখক হিসেবে আরো অনেক উন্নতি করে ফেলেছেন। শুভকামণা।

কল্যাণ এর ছবি

প্রিয় মাহদী,

খুবই গঠনমূলক মন্তব্য করেছেন। ভাল লাগল দেখে যে আপনিও আর সবার মত (সবার মধ্যে আমিও আছি এবং একই দোষে দুষ্ট) "কয়েকবার করে সাহিত্যে অস্কার জেতা লেখকদের হাট বাজার" এ বসে যাননি। জনারণ্যে নিজের স্বাতন্ত্র বজায় রাখা এবং স্রোতের বিপরীতে মত প্রকাশ করা প্রশংসার দাবীদার।

আমার বিনীত জিজ্ঞাসাঃ

১। আপনার মতে "নাকি"র আধিক্য মুদ্রাদোষ ধরে নিলে এটা জীবনের বাস্তবতার কাছাকাছি নিতে সাহায্য করে; কিন্তু নামে "স" এর আধিক্য আবার "একজন বাদে সবার নাম স দিয়ে শুরু হওয়াটা একটু দৃষ্টিকটু রকমের কাকতালীয় লাগল"? "আধিক্য" নিয়ে এইরকম দ্বিমুখী সিদ্ধান্তের কারণ কি? যেমন ধরুন এই পোস্টের মন্তব্যের ঘরেই তো "স" এর রীতিমত হাট বাজার বসে গেছে; এখানে সজল আছে, সংসপ্তক আছে, সুমন আছে, সাক্ষী আছে, সায়ন আছে, আছে সাইফ, সাফিনাজ, সবুজ, সাফি, সিমন, এমন কি "শ"তে শাব্দিক, শাহেনসা আছে; যাকে বলে শয়ে শয়ে "স", রীতিমত ধুন্ধুমার কাণ্ড। তো এইগুলাকেও কি "একটু দৃষ্টিকটু রকমের কাকতালীয়" বলা যেতে পারে?

২।

ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবে

এইটা কোথায় পেলেন দয়া করে একটু জানাবেন?

আপনার জন্যেও শুভকামণা থাকল।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

তানিম এহসান এর ছবি

কল্যাণ, আপনে মিয়া খ্রাপ, আবার এইটারে জাগান দিলেন! দেঁতো হাসি

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

ডরাইলেই ডর, জাগায়া দিলে কিসের ডর? দেঁতো হাসি

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

এক লহমা এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি
শরীর খারাপ হয়ে তিনদিন ধরে বিছানায় পরে আছি, কিচ্ছু ভালো লাগছে না। এখন একবার জোর হেসে নেওয়া গেল।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

এখন কি অবস্থা? চিন্তিত

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।