Archive

May 26th, 2011

টিশ্‌কুল

আশালতা এর ছবি
লিখেছেন আশালতা (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৫/২০১১ - ১:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাঁকা শিঙওলা, ভূষভূষে কালো রঙের বিরাট এক মোষের পাশে বসে আমার স্কুলের প্রথম দিনটা শুরু হয়েছিল । এখনকার বাচ্চারা কি সুন্দর কার্টুন আঁকা ব্যাগ, বারবি পানির বোতল নিয়ে টুক টুক করে ঝাঁ চকচকে স্কুলে পড়তে যায় । আমাদের সময়ে এত কিছু ছিলনা । বাবার ছিল বদলির চাকরি, তাতে আবার ওপরঅলাদের তৈল সিঞ্চনে অপারগ । অবধারিত ভাবেই কিছুদিন পর পর ট্রাকের পেছনে মাল সামান নিয়ে এ শহর ও শহর করতাম আমরা । সেবার গেলাম পলাশ


May 25th

অণুঃআতঙ্ক - ২

মন মাঝি এর ছবি
লিখেছেন মন মাঝি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৫/০৫/২০১১ - ৭:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

কাজের কথা

“টের পাচ্ছ ?” দান্তে জিজ্ঞেস করে।

কিছুক্ষনের জন্য একদম স্থির হয়ে গেল ক্লোয়ে। তারপর বলল, “হ্যাঁ। আসছে বটে।”


দেশবিদেশের উপকথা- উলগান ও এরলিখ (সাইবেরিয়া)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: বুধ, ২৫/০৫/২০১১ - ৩:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই উপকথা সাইবেরিয়ার। সৃষ্টি বিষয়ক উপকথা। কীভাবে সৃষ্টি হলো পৃথিবীর জমি, গাছপালা, পশুপাখি ও মানুষ। আমাদের উপকথার কারণসলিলে নিমজ্জিত জগতের গল্পের সাথে কিছু কিছু মিল আছে। মানুষ সৃষ্টির গল্পের সাথে মিল আছে বাইবেলের আদিপুস্তকের গল্পের।

সে বহুকাল আগের কথা। তখন সবকিছু জলে ঢাকা, কোনো ডাঙা জমি নেই কোথাও, গাছপালা পশুপাখি কিচ্ছুটি নেই। এমনকি জলেও কোনো জীব নেই।


স্বাস্থ্যই সকল ব্যবসার মূল

রেজওয়ান এর ছবি
লিখেছেন রেজওয়ান (তারিখ: বুধ, ২৫/০৫/২০১১ - ২:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঢাকায় সচলায়তনের প্রাণভোমরা নজরুল দম্পতির সৌজন্যেই বেশীর ভাগ সচলাড্ডা হয়। এই প্রথা ভাঙ্গতেই সিদ্ধান্ত নিলাম ৯ই মে আমার বাসায় একটি ছোটখাট আড্ডা জমাব সচলদের নিয়ে। সব প্রস্তুতি শেষ করতে করতে পারিবারিক এক অসুস্থতা বাগড়া বসাল। আমার শাশুড়ি সপ্তাহ দুই ধরে খাবারে রুচি হচ্ছিল না বলে খুব দুর্বল হয়ে পড়ায় বিভিন্ন ডাক্তার দেখানোর পর শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হল যে ওনাকে স্কয়্যার হাসপাতালে এক পাকস্থলীর চিকিৎসকের তত্বাবধানে ভর্তি করা হবে। সেই মোতাবেক ৮ই মে সকালে তাকে ভর্তি করানোর জন্যে উদ্যোগ নিলে বলা হল বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে সিটের জন্যে। সেদিন সকালে ভর্তি হলে হয়ত গল্পটি অন্যরকম হত।

কিন্তু বিধাতা আমাদের জন্যে অনেক অভিজ্ঞতা জমা করে রেখেছিলেন।


উ-কার বনাম ঊ-কার

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৫/২০১১ - ১১:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]"আমার মত অনভিজ্ঞ ও নতুন পোড়োদের পক্ষ থেকে পণ্ডিতদের কাছে আমি এই আবেদন করে থাকি যে, ব্যাকরণ বাঁচিয়ে যেখানেই বানান সরল করা সম্ভব হয় সেখানে সেটা করাই কর্তব্য তাতে জীবে দয়ার প্রমাণ হয়।" –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দুর/দূর, কুজন/কূজন, কুল/কূল, পুত/পূত, পুর/পূর, সুতি/সূতি, অনুপ/অনূপ, অনুদিত/অনূদিত, কুট/কূট, ধুম/ধূম, আহুতি/আহূতি–ইত্যাদি অজস্র শব্দের উচ্চারণই অভিন্ন, তবু বানানের তারতম্যের কারণে অর্থ আলাদা হয়ে যেতে দেখা যায়। বাংলায় নাকি উ-কার (‍ ‍ু) ব্যবহার হয় হাজারে ১৭টা আর ঊ-কার ( ‍ূ) হাজারে মাত্রই ১টা। তাই 'উ' ব্যবহারকে ঊন বলা না-গেলেও 'ঊ' ব্যবহার কিন্তু সত্যিই


নিখোঁজ সংবাদ

আশালতা এর ছবি
লিখেছেন আশালতা (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৫/২০১১ - ৭:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ ব্লগ ঘাঁটতে গিয়ে দেখি একজন প্রমীলা ব্লগার 'ধুর ছাই এই বোরিং জীবন আর ভাল্লাগেনা' বলে একটা আহাউহু পোস্ট দিয়েছেন, আর সবাই উনাকে ভাল লাগাবার নানারকম উপদেশ দিয়ে চলেছেন । এই কাণ্ড দেখে আমার জয়নবদের কথা আবার মনে পড়ে গেল ।


May 24th

পকেট কাটার অর্থনীতি-৬

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৫/২০১১ - ৫:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১০. কালো টাকা - সাদা টাকা

কয়েকটি চরিত্র কল্পনা করা যাক। এরা বাস্তবের কেউ না হলেও এমন মানুষদের গল্প আমরা প্রায়ই শুনতে পাই। এগুলোর সত্যতা কখনো প্রমাণ করা যায় না। কখনো-সখনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এমন কাউকে গ্রেফতার করলেও তাদের অপরাধ মোটামুটি অপ্রমাণিত থেকে যায়, ফলে তাদের উল্লেখযোগ্য কোনো শাস্তিও হয় না।


বিচার নিয়ে আমাদের করণীয়

ধ্রুব বর্ণন এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব বর্ণন (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৫/২০১১ - ১১:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বিচার মানে কী? আমার চোখের সামনে সাক্ষাৎ যে খুনিকে খুন করতে দেখলাম, তাকে পিটিয়ে মারতে পারলেই কি বিচার? না কি পিটিয়ে ছেড়ে দিলে তখন গিয়ে বিচার? না কি কান ধরে ঘুরপাক খাওনো? বা পা কেটে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা? নাকি পুলিশকে দিয়ে পিটাতে থাকা? বা র‌্যাবকে দিয়ে পঙ্গু কিংবা ক্রসফায়ার করে দেয়া? না কি বিচার মানে এটাই যে আদালতের সামনে সাব্যস্ত হবে সে দোষী!


আত্নহনন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৫/২০১১ - ১০:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কল্পনাগুলো হারিয়ে যায়
নিস্তব্ধ অন্ধকারে।
চার দেয়ালে ঘেরা বন্দী জীবন
অস্ফুট আর্তনাদগুলো
প্রতিধ্বনি হয়ে ভেসে বেড়ায়
অভিশপ্ত এ কারাগার।
প্রতিদিন লড়াই করে যাওয়া
নিঃশব্দ জীবনের অব্যক্ত অভিপ্রায়ের সাথে
ছোট্ট ঘরে একা বসে ভাবা
কিছু অসংলগ্ন ভাবনায়,
অথবা মিথ্যে অনুভূতির অণুরণন জাগানো
রাত-জাগা কথোপকথনে
খুঁজে যাওয়া সুখের হাতছানি...

এক মুঠো সুখের জন্য
নিশ্চুপ আর্তনাদ


গজমোতির কূল থেকে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৫/২০১১ - ১০:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গজমোতির কূল থেকে
-সুমাদ্রি শেখর