Archive - ব্লগ

September 13th, 2011

‘আ ম্যাজিকাল জার্নি’ (শেষ পর্ব)

দিহান এর ছবি
লিখেছেন দিহান [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১২/০৯/২০১১ - ৯:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুপুর দুইটায় ফ্রেশার ডিউটি ডাক্তার চলে গেলেন। পরে একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার এলেন আর এলেন দারুণ এক নার্স। মরমা এই মেয়ের নাম তিংতিং! একদম শেষ পর্যন্ত আমাকে অসম্ভব সাহায্য করেছে সে। বিকাল তিনটায় আমাকে ব্যাথা বাড়ার ঔষধ দেয়া হলো। ব্যাথার ঔষধ মানে Oxytocin।মেয়েদের শরীরে সহজাতভাবেই এটা তৈরি হয়। সিন্থেটিক ফর্মে Pitocin দেয়া হয় স্যালাইনের মাধ্যমে যাতে ব্যাথার তীব্রতা বাড়ে আর জরায়ুর মুখ তাড়াতাড়ি খুলে যায়। নার্স মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলাম কতক্ষন লাগবে, সে বললো তিন ঘন্টার মতো। আমি জানতাম লেবার এর গড়পড়তা সময় আট ঘন্টা তবু সেসময় সেটা ভুলে গেলাম। তিনঘন্টা কে আঁকড়ে ধরলাম...দিহান, দেখতে দেখতে কেটে যাবে ১৮০ মিনিট, এমন কোনো ব্যাপার না।


September 12th

দেশ দেশান্তর

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১২/০৯/২০১১ - ৯:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হাস্পাতালে টোটাল নী রিপলেস্মেন্ট অপারেশানের তৃতীয় দিনে ঘুমে যখন চোখটা একটু লেগে এসেছে, ঠিক তক্ষুনি নার্স এসে মোলায়েম সুরে জাগিয়ে বললো তার সাথে হাটতে যেতে। তার সাহায্য বিছানা থেকে নেমে ক্রাচে ভর দিয়ে রুম থেকে বারান্দায় বের হোলাম। আমার ঠিক সামনে আমার মতন ক্রাচে ভর করে হেটেঁ চলেছেন আমার পড়শি। অপারেশান হওয়া পা ফুলে একদম কলাআআআ গাছ। নার্স আমাকে বারান্দার শেষ প্রান্তের গন্তব্যর সীমানা দেখিয়ে দিল, যেখানে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা ইতালীয়ান লেদার চেয়ার গুলি বিশ্রামের জন্য আমন্ত্রন জানাচ্ছে। পাঁচ মিনিটের পথ পঁচিশ মিনিটে শেষ হোল। পড়শির সাথে পরিচয় করিয়ে, দুজনের সামনে দুটি টোস্ট এবং এক কাপ করে রং চা দিয়ে বললো, ‘তোমরা বিশ্রাম, গল্প করো, দশ মিনিট পরে সিড়িতে ওঠা নামা প্রাক্টিস করে রুমে ফেরত যাবে’।


স্মৃতিকাতরতা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১২/০৯/২০১১ - ৯:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দেশে থাকতে অনেক কিছু নিয়েই যথেষ্ট বিরক্ত ছিলাম। লোড শেডিং, জানযট, ঘিঞ্জি পরিবেশ, আর কত কিছু নিয়েই ক্ষোভ ছিল। অফিসে যাওয়ার সময় যখন ঘন্টার পর ঘন্টা জনাকীর্ণ বাসে দাড়িয়ে (কদাচিৎ বসে) মানুষের ঠেলাঠেলিতে অসহ্য গরমে ঘামাতাম, তখন মনে হত ঢাকা শহরে কেন আছি? কেন এ শহরের অস্বাভাবিক কষ্টের জীবন ছেড়ে দূরের কোন গ্রামে চলে যায় না?


বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ভর্তি হতে যাচ্ছেন

মাহবুব ময়ূখ রিশাদ এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব ময়ূখ রিশাদ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১২/০৯/২০১১ - ৭:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আকাশ তো সবসময় নীল থাকে না, মাঝে মাঝে মেঘ থাকে, রাতের বেলা কালো থাকে। মানুষ আবার মেঘের জন্য অপেক্ষা করে, রাত হলে স্বপ্ন দেখে, কেউ কেউ ছাদে গিয়ে উদাস ভঙ্গিতে বসে থাকে। এইটা কোনো সমস্যা না, সমস্যা হলো—আমরা তরুণেরা অধিকাংশ সময়ে উদাস হয়ে বসে থাকি, চারপাশের কোনো খেয়াল রাখি না। ওদিকে বিশাল বড় মেঘ এই দেশের আকাশ ছেঁয়ে ফেলছে, আসলে মেঘ বলা ঠিক না, কোনো অভিশপ্ত কিছু যার কোনো সমার্থক শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না আর আম


নীরবতা পাঠ

মণিকা রশিদ এর ছবি
লিখেছেন মণিকা রশিদ (তারিখ: সোম, ১২/০৯/২০১১ - ১:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ তোমাকে নির্লিপ্ত চাঁদ হাতে রাত্রি আনতে বলিনি
কালো তিলখানি আয়না হোক বিবিধ নকশার
দৃশ্যপাট পালটে গেছে-আবার বলছি
শিউলি তুষার ফেলে চলে গেছে সকালের ট্রেন,
ঝাউবনে দোলনা ছিলনা বলে অভিমান স্থির থেকেছে
এইবার আর চোখ থেকে তন্দ্রা মুছিনি
শীতের বাতাসে বরং লিখেছি
জলোচ্ছ্বাস

দৃশ্যপাট উলটে গেলে, দেখ
বনবেড়ালের ঠোঁটে
রক্তের বদলে লেগে থাকে সবুজ শান্তি!


রূপদর্শীর পারে

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: সোম, ১২/০৯/২০১১ - ১২:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বৈজয়ন্তী ডাকে, "কী রে তুলি, কী হলো তোর? শিগগীর তৈরী হয়ে বেরো, বেড়াতে এসে ঘরে বসে থাকার মানে কী?"


অদ্বৈত!

তানিম এহসান এর ছবি
লিখেছেন তানিম এহসান [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১১/০৯/২০১১ - ১০:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হতবাক জারুল পেয়েছে তৃষিত ঝিনুকের দেখা, সম্প্রদান বাকি -
প্রথমের যথাভাব, দ্বিতীয়ার প্রণতি স্বভাব - উপমায় এলো-কি!
যতটুকু বলা হলো, দ্যোতনা প্রকাশ পেলও সশব্দ অক্ষরে -
তাতে কার কতখানি, হয়ে গেলো জানাজানি, কবিতার হাত ধরে!

গেলো-কি জানা, দু’জনার কোথায় ঠিকানা অথচ দূরত্ব অতিক্রান্ত,
হলোকি খোঁজা- কতদূর জানাবোঝা, খুলেছে নিজস্ব সীমান্ত;
তারপর নীরবতা, বলে গেছে যতকথা, তার বেশি দিয়েছে শ্বাস-


September 11th

ছেঁড়াখোঁড়া স্বপ্নেরা -১

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: রবি, ১১/০৯/২০১১ - ৩:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বছর দুই আড়াই আগে এই উপন্যাসটায় হাত দিয়েছিলাম৷ তারপর নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির জন্য লেখা বন্ধ হয়ে যায়৷ পাত্রপাত্রীরা আজকাল ঘুমের মধ্যে এসে বকাবকি করেন ওঁদের এরকম মাঝপথে ফেলে রাখায়৷ তাই আবার লিখতে শুরু করলাম৷ সচলদের কাছে একান্ত অনুরোধ দু হাত খুলে সমালোচনা করুন৷ একটুও দ্বিধা করবেন না, পড়ে যা মনে হবে মন্তব্যের ঘরে গিয়ে দমাস দমাস করে লিখে ফেলবেন, হ্যাঁ৷


চিংড়ি ভাজা, খেতে মজা!!!

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ১১/০৯/২০১১ - ২:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(এটি একটি খানাপিনা বিষয়ক হালকা পোষ্ট। জ্ঞানীগুনীরা নিজ দায়িত্বে পড়বেন).......আমি পড়তে ভালোবাসি। শুধু তাই না, পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়তে আরো বেশী ভালোবাসি। তবে আজকাল সাহিত্য পড়া বাদ দিয়ে নতুন কিছু পড়ছি। পড়ছি না ঠিক, বলা যায় গবেষণা করছি। .........যেসব খাবার খেতে ডাক্তার বারন করেন, যেসব খাবার জিবে সয় কিন্তু রক্তে সয় না, যেসব খাবার ছেলেপিলেরা কচ কচ করে খায়, আর আধবুড়োরা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে, সেইসব খাও


আবোল তাবোল-৪

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: রবি, ১১/০৯/২০১১ - ১১:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


উচ্চশিক্ষারত বন্ধুদে্র ফোনে বা ম্যাসেঞ্জারে নক করলে, নানা কথার ফাঁকে একটা কথা তারা ঘুরিয়ে শুনিয়ে দেয়, “দোস্ত ল্যাবে আছি/ ল্যাব থেকে ফিরছি/ ল্যাবের দিকে রওয়ানা দিচ্ছি”। হজ্বফেরত পলিটিশিয়ানরা যেমন নামের আগে হাজী লাগিয়ে নেয়, তেমনি তাদের নামের আগে "ল্যাবু" লাগিয়ে দিতে ইচ্ছা করে। একটু হিংসার ছোঁয়া নিশ্চয় পাওয়া যাচ্ছে, কারণ হচ্ছে আমার কোন ল্যাব নেই। আছে একখানা “অফিস”।